📘 ফুতুহুশ শাম 📄 জাবিয়া গেটে হযরত আবু উবাইদার যুদ্ধ

📄 জাবিয়া গেটে হযরত আবু উবাইদার যুদ্ধ


তামীম বিন আদী বলেন, আমি হযরত আবু উবাইদার ক্যাম্পে ছিলাম। তিনি রণদামামা শুনতে পেয়ে বললেন, লা হাওলা...। অতঃপর তিনি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সবাইকে যুদ্ধের জন্য দ্রুত প্রস্তুত হওয়ার আহবান জানান।

📘 ফুতুহুশ শাম 📄 মার খেয়ে শত্রুদের পলায়ন

📄 মার খেয়ে শত্রুদের পলায়ন


অতঃপর মুসলমানদের নিয়ে তাকবীর সহকারে শত্রুদের দিকে এগিয়ে গেলেন। তাকবীর শুনে মুশরিক রোমানরা মনে করল, মুসলমানরা অনেক সৈন্য নিয়ে তাদের মোকাবেলায় এসেছে। তাই তারা পালাতে শুরু করে। তখন মুসলমানরা তাদেরকে ধাওয়া করে এবং ইচ্ছামতো হত্যা করে। ওই গেটে হযরত আবু উবাইদার মোকাবেলায় যারা এসেছিল তাদের একজনও রেহাই পায়নি।

📘 ফুতুহুশ শাম 📄 হযরত দিরারের বীরত্ব

📄 হযরত দিরারের বীরত্ব


হযরত খালিদের সাথে এখনো যুদ্ধ চলছে। এমন সময় রক্তমাখা অবস্থায় হযরত দিরার এসে উপস্থিত। তাকে দেখে হযরত খালিদ জিজ্ঞেস করলেন কী খবর দিরার? তিনি বললেন, সুসংবাদ গ্রহণ করুন। আমি আজ রাতে একশত পঞ্চাশজন শত্রু হত্যা করেছি। আর আমাদের সাথীরাতো অগণিত শত্রু হত্যা করেছে। আমি ইয়াযীদ বিন আবু সুফ্যানের গেটে যুদ্ধ করেছি।

দিরারের একথা শুনে হযরত খালিদ খুশি হলেন। অতঃপর সবাই হযরত শুরাহবীলের গেটের কাছে গিয়ে শত্রুদের ধাওয়া করেন এবং হযরত শুরাহবীলের প্রশংসা করেন। এ রাতে হযরত শুরাহবীলের ন্যায় কেউ প্রচণ্ড যুদ্ধের সম্মুখীন হয়নি। রাতটি ছিল চন্দ্রোজ্জ্বল। এ রাতে মুসলমানরা কয়েক হাজার রোমানকে হত্যা করে।

📘 ফুতুহুশ শাম 📄 পরাজিত শত্রুদের সন্ধির আহবান

📄 পরাজিত শত্রুদের সন্ধির আহবান


যুদ্ধ শেষে প্রাণে বেঁচে যাওয়া দামেস্কের নেতৃস্থানীয় লোকজন টমার কাছে উপস্থিত হয়ে বলল-

“জনাব! আমরা আপনার মঙ্গল কামনা করেছিলাম, কিন্তু আপনি আমাদের কথা শোনেননি। এখন আমাদের যোদ্ধাদের অধিকাংশই নিহত হয়েছে। এ আমীর অর্থাৎ হযরত খালিদ বিন ওয়ালীদ এক দুর্জয় ব্যক্তি। অতএব, সন্ধি করুন। সন্ধি আপনার ও আমাদের সবার জন্য কল্যাণকর হবে। যদি আপনি সন্ধি না করেন তাহলে আপনার বিষয়ে আপনি ভাবুন।”

ফন্ট সাইজ
15px
17px