📄 শত্রুদের পরাজয় ও ক্ষয়ক্ষতি
হযরত আমের বিন তুফাইল বলেন, আমাদের একজন রোমানদের একশ দশজনকে পরাজিত করেছিল। কিছুক্ষণ পর দেখা গেল তারা পালানো আরম্ভ করেছে। আর আমরা দাইয়ির থেকে পূর্ব গেইট পর্যন্ত যাদেরকে পেয়েছি হত্যা করেছি। দামেস্কের লোকজন তাদের সৈন্যদের পরাজয় দেখে নগরীর দরজা সমূহ বন্ধ করে দেয়। কিন্তু বাইরে তাদের অনেক সৈন্য রয়ে যায়। হযরত কাইস বিন হুরায়রা বলেন, অতঃপর আমরা তাদের কতককে হত্যা করেছি ও কতককে বন্দী করেছি।
📄 দামেস্ক অবরোধ
হযরত খালিদ যখন যুদ্ধের ময়দান থেকে ফিরে এসে হযরত আবু উবাইদাকে বললেন, আমার পরামর্শ হচ্ছে আমি পূর্ব গেটে গিয়ে অবস্থান করব, আর আপনি জাবিয়া গেটে গিয়ে অবস্থান করবেন। হযরত আবু উবাইদা বললেন, এটা সঠিক রায়। হযরত খালিদ অর্ধেক মুসলমানকে নিয়ে পূর্ব গেটে অবস্থান গ্রহণ করলেন, আর হযরত আবু উবাইদা বাকী অর্ধেক মুসলমানকে নিয়ে জাবিয়া গেটে অবস্থান গ্রহণ করলেন। দামেস্কবাসী যখন এ অবস্থা দেখল, তখন তাদের অন্তরে ভয় ঢুকে গেল।
📄 দুই রোমান সেনাপতিকে হত্যা
অতঃপর হযরত খালিদ দুই রোমান সেনাপতি কালুস ও আযাযীরকে উপস্থিত করলেন এবং তাদেরকে ইসলাম গ্রহণের দাওয়াত দিলেন। কিন্তু তারা ইসলাম গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে হযরত খালিদ দিরার বিন আযুরকে তাদের গর্দান উড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন। তিনি তাদের গর্দান উড়িয়ে দিলেন।
📄 সম্রাটের কাছে দামেস্কবাসীর আবেদন
দেমেস্কবাসী এ অবস্থা দেখে সম্রাটের নিকট একটি পত্র লিখল। তাতে তারা কালুস ও আযাযীরের পরিণতি, তাদেরকে ঘেরাও করে রাখার খবরসহ আরবদের কৃত সকল ব্যাপার তুলে ধরে সাহায্যের আবেদন জানাল। নতুবা তারা দামেস্ক আরবদের হাতে তুলে দিবে বলে হুমকি দেয়। তারা একজন লোককে প্রচুর অর্থ দিয়ে রাতের অন্ধকারে রশির সাহায্যে সীমানা দেয়াল পার করিয়ে রোম সম্রাটের কাছে পাঠায়। লোকটি সম্রাট হিরাক্লিয়াসের কাছে গিয়ে পৌঁছে। সম্রাটকে সে আন্তাকিয়ায় পেয়ে যায়। সম্রাটের কাছে গিয়ে সে প্রবেশের অনুমতি কামনা করে। সম্রাট তাকে প্রবেশের অনুমতি দিলেন। সে প্রবেশ করে সম্রাটের কাছে পত্রটি হস্তান্তর করে।