📄 প্রত্যাখ্যাত হল সত্যবাদী রোমান
লোকজন তার একথা শোনার পর তাকে হুমকি দিল এবং হত্যা করার ইচ্ছা করল। কিন্তু পরে সবাই বলল, আপনি রাজধানীতে গিয়ে প্রাসাদে আরাম করুন এবং আরবদের সাথে লড়াই করার জন্য আমাদেরকে রেখে যান। ফলে রুমাস তার প্রাসাদে ফিরে গেলেন এবং বললেন, হতে পারে আল্লাহ খালিদকে সাহায্য করবেন। অতঃপর বসরাবাসী দীরজানকে তাদের সেনাপতি নিযুক্ত করল এবং বলল, আমরা মুসলমানদেকে নির্মূল করার পর আপনাকে নিয়ে সম্রাটের কাছে যাব এবং তাঁর কাছে আবেদন জানাব, যাতে রুমাসকে বরখাস্ত করে আপনাকে আমাদের শাসক নিয়োগ করে। দীরজান বলল, তোমরা এখন কি করতে চাচ্ছ? তারা বলল, আমরা আরবদের সাথে যুদ্ধ করতে চাই।
📄 পুনরায় যুদ্ধ
দীরজান যুদ্ধের মাঠে এসে হযরত খালিদকে ডাক দিল। তখন হযরত আবদুর রহমান হযরত খালিদকে বললেন, আমীর সাহেব! তার মোকাবেলার জন্য আমাকে যেতে দিন। হযরত খালিদ বললেন, তাড়াতাড়ি যাও হে সিদ্দীকপুত্র! হযরত আবদুর রহমান গিয়ে দীরজানের উপর হামলা করলেন।
📄 পালালো রোমান সেনাপতি
মুহূর্তের মধ্যে দীরজান তার দুর্বলতা অনুভব করল এবং পরাজিত হয়ে তার লোকদের দিকে পালিয়ে গেল। তারা তাদের এ পরাজয় দেখে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ল। হযরত খালিদ তাদের ভীতিকর অবস্থা দেখে মুসলমানদের নিয়ে তাদের উপর প্রচন্ড হামলা শুরু করে দেন। বসরাবাসী মুসলমানদেরকে তাদের উপর হামলা করতে দেখে নিজেরাও লড়তে শুরু করে। উভয় দল পূর্ণ উদ্যমে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। কাফির দরবেশরা তাদের ভাষায়, দোয়া করল। এদের দোয়া শুনে হযরত শুরাহবীল বিন হাসানাহ দোয়া করলেন- اللهم إن هؤلاء إليك بلا إله إلا الله وأن محمدا عبدك ورسولك "হে আল্লাহ! এরা (মুসলমানরা) তোমার ও তোমার নবীর উপর ঈমান এনে যুদ্ধ করছে"। অতঃপর মুসলমানরা তীব্র আক্রমণ শুরু করে।
📄 রোমান সৈন্যদের ঘরে গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ
রোমানরা মুসলমানদের হামলার মুখে টিকতে না পেরে পালিয়ে জীবন রক্ষা করে। তারা শহরের ভিতর পৌঁছার পর ঘরে ঢুকে দরজা আটকিয়ে দেয় এবং শহরের দেয়ালের উপর ক্রুশ উত্তোলন করে। আর সম্রাটের কাছে ঘোড়া ও সৈন্য পাঠানোর জন্য পত্র লেখার প্রস্তাব করে।