📄 নিহত হল শত্রুনেতা
এসময় হযরত খালিদ শত্রুদের সেনাপতিকে তার অস্ত্র ও বিশেষ পোশাকে সজ্জিত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিনে ফেললেন। তিনি তার সামনে গিয়ে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে তাকে ভীত করে ফেলেন এবং বললেন, ওহে! আমার ছেলে সাঈদের প্রতিশোধ নাও। তিনি একথা বলে তার উপর জোরে একটি আঘাত করলেন। আঘাতে সে লুটিয়ে পড়ল। মনে হচ্ছিল সে যেন লোহার একটি পিলার।
এসময় হযরত খালিদ শত্রুদের সেনাপতিকে তার অস্ত্র ও বিশেষ পোশাকে সজ্জিত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিনে ফেললেন। তিনি তার সামনে গিয়ে তাকবীর ধ্বনি দিয়ে তাকে ভীত করে ফেলেন এবং বললেন, ওহে! আমার ছেলে সাঈদের প্রতিশোধ নাও। তিনি একথা বলে তার উপর জোরে একটি আঘাত করলেন। আঘাতে সে লুটিয়ে পড়ল। মনে হচ্ছিল সে যেন লোহার একটি পিলার।
📄 শত্রুদের ক্ষয়ক্ষতি
মুসলমানদের সকলেই মোকাবেলা করতে আসা রোমানদের হত্যা করল। অন্যান্য রোমানরা এ অবস্থা দেখে পালিয়ে গেল। এ যুদ্ধে তিনশত বিশজন অশ্বারোহী রোম সৈন্য নিহত হয়। আর যারা পালিয়ে যায়, তারা ভারী অস্ত্রশস্ত্র, খচ্চর ও খাদ্যদ্রব্য ফেলে যায়। মুসলমানগণ এসব তুলে নেয়। যেসব কৃষকদের পথ দেখানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হল।
মুসলমানদের সকলেই মোকাবেলা করতে আসা রোমানদের হত্যা করল। অন্যান্য রোমানরা এ অবস্থা দেখে পালিয়ে গেল। এ যুদ্ধে তিনশত বিশজন অশ্বারোহী রোম সৈন্য নিহত হয়। আর যারা পালিয়ে যায়, তারা ভারী অস্ত্রশস্ত্র, খচ্চর ও খাদ্যদ্রব্য ফেলে যায়। মুসলমানগণ এসব তুলে নেয়। যেসব কৃষকদের পথ দেখানোর জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাদেরকে মুক্তি দেওয়া হল।
📄 বিজয়ী হয়ে ফিরলেন হযরত খালিদ
হযরত খালিদ গনীমত ও খাদ্রদ্রব্য নিয়ে তাঁর সাথীদেরসহ আমর ইবনুল আস রা.-এর কাছে ফিরে আসেন। হযরত আমর ইবনুল আস তারা সুস্থভাবে ফিরে আসায় খুশী হলেন এবং তাদের কৃতিত্বের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
হযরত খালিদ গনীমত ও খাদ্রদ্রব্য নিয়ে তাঁর সাথীদেরসহ আমর ইবনুল আস রা.-এর কাছে ফিরে আসেন। হযরত আমর ইবনুল আস তারা সুস্থভাবে ফিরে আসায় খুশী হলেন এবং তাদের কৃতিত্বের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
📄 মদিনায় বিজয়ের সংবাদ প্রেরণ
অতঃপর তিনি হযরত আবু বকর রা.-এর নিকট একটি পত্র লেখেন। এতে তিনি রোমানদের সাথে যে সব যুদ্ধ হয়েছে তার বিবরণ ও তাতে মুসলমানদের বিজয়ের কথা উল্লেখ করেন। পত্রটি আবু আমের আদদৌসীর মাধ্যমে প্রেরণ করেন। তিনি পত্র নিয়ে মদীনায় পৌঁছেন এবং হযরত আবু বকর রা.-কে পত্রটি হস্তান্তর করেন। আবু বকর রা. যখন মুসলমানদের সম্মুখে পত্রটি পড়েন তখন সবাই আনন্দিত হয় এবং আওয়াজ করে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও রাসূলুল্লাহ রা.-এর উপর দরুদ পড়তে থাকে।
অতঃপর আবু বকর রা. হযরত আবু উবাইদা রা.-এর খবর জিজ্ঞেস করেন। আবু আমের বললেন, তিনি সিরিয়ার প্রবেশ পথে রয়েছেন। তবে তিনি প্রবেশের সাহস পাচ্ছেন না। তিনি নাকি শুনেছেন যে, রোম সম্রাটের সৈন্যরা আজনাদীনের চর্তুপার্শ্বে জমায়েত হয়েছে। আর তাদের সৈন্য অগণিত। তাই তিনি শত্রুরা মুসলমানদের ঘিরে হামলা করার ভয় করছেন।
অতঃপর তিনি হযরত আবু বকর রা.-এর নিকট একটি পত্র লেখেন। এতে তিনি রোমানদের সাথে যে সব যুদ্ধ হয়েছে তার বিবরণ ও তাতে মুসলমানদের বিজয়ের কথা উল্লেখ করেন। পত্রটি আবু আমের আদদৌসীর মাধ্যমে প্রেরণ করেন। তিনি পত্র নিয়ে মদীনায় পৌঁছেন এবং হযরত আবু বকর রা.-কে পত্রটি হস্তান্তর করেন। আবু বকর রা. যখন মুসলমানদের সম্মুখে পত্রটি পড়েন তখন সবাই আনন্দিত হয় এবং আওয়াজ করে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও রাসূলুল্লাহ রা.-এর উপর দরুদ পড়তে থাকে।
অতঃপর আবু বকর রা. হযরত আবু উবাইদা রা.-এর খবর জিজ্ঞেস করেন। আবু আমের বললেন, তিনি সিরিয়ার প্রবেশ পথে রয়েছেন। তবে তিনি প্রবেশের সাহস পাচ্ছেন না। তিনি নাকি শুনেছেন যে, রোম সম্রাটের সৈন্যরা আজনাদীনের চর্তুপার্শ্বে জমায়েত হয়েছে। আর তারা অগণিত। তাই তিনি শত্রুরা মুসলমানদের ঘিরে হামলা করার ভয় করছেন।