📄 নিহত হল শত্রু কমান্ডার
হযরত রবীআ বিন আমেরের দৃষ্টি বাতালীকের প্রতি পড়ল। দেখলেন, সে তার সৈন্যদেরকে যুদ্ধের প্রতি উৎসাহিত করছে। হযরত রবীআ বুঝতে পারলেন যে, সে রোমানদের নেতা সেই। তাই তিনি বীরদর্পে তার দিকে ছুটে যান এবং তাকে তীর দ্বারা আঘাত করেন। তীর তার নিতম্ব দিয়ে ঢুকে অপরদিক দিয়ে বের হয়ে যায়। রোমান সৈন্যরা এ দৃশ্য দেখে পলায়ন করা শুরু করে। আর মুহাম্মদ সা.-এর উম্মতরা বিজয়ের পতাকা উড্ডীন করে।
📄 শত্রুদের ক্ষয়ক্ষতি
তাবুকের ময়দানের এ যুদ্ধে দুই হাজার দু'শজন শত্রু নিহত হয়। অন্যদিকে মুসলমানদের মধ্য থেকে শাহাদাত বরণ করেন মাত্র একশ বিশজন।
📄 রোমার নেতার ভাষণ ও পুণরায় যুদ্ধ প্রস্তুতি
রোমান সৈন্যদের পলায়নের এ দৃশ্য দেখে নিহত কমান্ডার বাতালীকের ভাই চিৎকার দিয়ে বলে উঠল, তোমরা ধ্বংস হতে যেয়ো না। তোমরা কোন্ মুখ নিয়ে সম্রাটের সঙ্গে দেখা করবে? শত্রুরা আমাদের সাথে নির্মম আচরণ করেছে এবং আমাদের লোকদেরকে গণহারে হত্যা করেছে। আমি আমার ভাইয়ের প্রতিশোধ নিবই। আমি মৃত্যুর পরোয়া করি না।
📄 রোমানদের দূত প্রেরণ
সৈন্যরা তার একথা শোনে একত্রিত হলো এবং যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হল। অতঃপর তারা তাদের ক্যাম্পে অবস্থান প্রহণ করল এবং কাদ্দাহ নামের এক আরব খ্রিস্টানকে মুসলমানদের নিকট এ বার্তা দিয়ে পাঠাল যে, মুসলমানদের পক্ষ থেকে তাদের একজন বুদ্ধিমান নেতাকে পাঠানো হোক, যাতে আমাদের কাছে তারা কী চায়, সে নিয়ে ভাবতে পারি।