📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 তা'ঝীর বা শিক্ষামূলক শাস্তির পরিমাণ

📄 তা'ঝীর বা শিক্ষামূলক শাস্তির পরিমাণ


শিক্ষামূলক শাস্তির পরিমাণের ক্ষেত্রে শরীয়তে কোনো নির্ধারিত সীমা নেই। বিচারকের পর্যালোচনা ও তার দৃষ্টিতে কাজটির জন্য উপযুক্ত শাস্তিবিধি-ই সে অপরাধের শিক্ষামূলক শাস্তি। এমনকি কোনো কোনো আলেম মনে করেন যে, মাসলাহাত বা কল্যাণকর দিক লক্ষ্য করে, কখনো কখনো মৃত্যুদণ্ডের মাধ্যমে তা'যীর বাস্তবায়ন করা হবে। যেমন- মুসলিম গুপ্তচর, মুসলিম সমাজের মাঝে বিভক্তি সৃষ্টিকারী কিংবা এই ধরনের মানুষদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া, যাদের অনিষ্ট থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার একমাত্র পথই এটি।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 শিক্ষামূলক শাস্তির প্রকারসমুহ

📄 শিক্ষামূলক শাস্তির প্রকারসমুহ


শিক্ষামূলক শাস্তি-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দিকে লক্ষ্য করে একে কয়েক ভাগে বিভক্ত করা যায়: ১. দেহের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়: যেমন বেত্রাঘাত ও মৃত্যুদণ্ড। ২. সম্পদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়: যেমন- কোনো কিছু নষ্ট করে ফেলা, জরিমানা আদায় করা। উদাহরণ: মূর্তি, অনর্থক বস্তু, বাদ্যযন্ত্র, মদের পাত্র ভেঙ্গে ফেলা। ৩. দেহ ও সম্পদ উভয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়: যেমন- চোর যদি কোনো অরক্ষিত স্থান থেকে চুরি করে, তবে বেত্রাঘাতের পাশাপাশি তাকে দ্বিগুণ জরিমানা করা হবে। গাছের ফল চাতালে নেওয়ার পূর্বেই চুরি করেছিল, এমন এক চোরের ব্যাপারে নাবী ফয়সালা দিয়েছিলেন: তার উপর হদ্দ প্রয়োগ করা হবে এবং সে দ্বিগুণ জরিমানা প্রদান করবে। الجرين অর্থ: খেজুর শুকানোর স্থান। ৪. সীমাবদ্ধতার সাথে সম্পৃক্ত: যেমন- কারাবন্দী ও নির্বাসন। ৫. মানসিক বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত: যেমন- তিরস্কার ও ধমক দেওয়ার মাধ্যমে ব্যক্তিকে মানসিক কষ্টে ফেলা।

টিকা:
১০০ সুনান আবু দাউদ, হা. ৩৬২৮; নাসাঈ ৭/৩১৬; ইবনু মাজাহ, হা. ২৪২৭; ইমাম আলবানী হাসান বলেছেন, দেখুন, সহীহ সুনানুন নাসাঈ, নং ৪৩৭২, ৪৩৭৩। - গড়িমসি করা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00