📄 নিকটাত্মীয়দের সম্পর্কে
ذوی الارحام হলো: প্রত্যেক ঐ নিকটাত্মীয়, যাদের কোনো নির্ধারিত অংশ নেই এবং যারা আসাবাও হয় না। তারা চারভাগে বিভক্ত:
১. যাদেরকে মৃত ব্যক্তির দিকে সম্পৃক্ত করা হয়। তারা হলো: কন্যাদের সন্তানগণ, নাতনীদের সন্তান বা আরও নিচের স্তরে যারা থাকবে তারা।
২. মৃত ব্যক্তিকে যাদের দিকে সম্পৃক্ত করা হয়। তারা হলো: সম্পদ হতে বাদ পড়ে যাওয়া দাদা-নানা ও দাদী-নানী ও উঁচু স্তরের।
৩. যাদেরকে মৃত ব্যক্তির পিতা-মা তার দিকে সম্পৃক্ত করা হয়। তারা হলো: বোনদের সন্তানগণ, ভায়ের কন্যাগণ, বৈপিত্রেয় ভায়ের সন্তানগণ এবং তাদের নিকটাত্মীয় থাকবে যারা, যদিও তারা নিচের স্তরের হয়।
৪. যাদেরকে মৃত ব্যক্তির দাদা-নানা ও দাদী-নানীদের দিকে সম্পৃক্ত করা হয়। তারা হলো: মায়ের চাচা ও ফুফুগণ, চাচার কণ্যাগণ বা চাচাত বোনেরা, মামাগণ ও তাদের সন্তানগণ, যদিও তারা দূরের হয় এবং নিচের স্তরের হয়। তাদের ওয়ারিস হওয়ার ক্ষেত্রে দলীল আল্লাহ তা'আলার বাণী:
وَأُولُوا الْأَرْحَامِ بَعْضُهُمْ أَوْلَى بِبَعْضٍ فِي كِتَابِ اللَّهِ “আর নিকটাত্মীয়গণ, আল্লাহর বিধানে তাদের কতক কতকের চেয়ে বেশি নিকটবর্তী।” [সূরা আনফাল: ৭৫]
আর আল্লাহর রসূল বলেছেন: “যার কোনো ওয়ারিস নেই, মামা তার ওয়ারিস হবে।”৭৮৩
তাদের ওয়ারিস হওয়ার পদ্ধতি হলো- তারা প্রত্যেকে যার মাধ্যমে সম্পর্কযুক্ত হবে, তারা প্রত্যেক সে সম্পৃক্তকারী ব্যক্তির অনুযায়ী সম্পদ লাভ করবে।
আল্লাহ তা'আলাই অধিক জানেন।
টিকাঃ
৭৮৩. আহমাদ ১/২৮; সুনান আবু দাউদ, হা, ২৮৯৯; তিরমিযী, হা. ২১০৩ এবং তিনি বলেন: হাদীসটি হাসান ও সহীহ; শাইখ আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহ সুনানুত তিরমিযী, হা. ১৭০৯।