📄 প্রতিবেশীর বিষয়ক বিধিবিধান
এক প্রতিবেশীর অপর প্রতিবেশির উপর হক রয়েছে। নাবী কে প্রতিবেশির ব্যপারে অনেক অসীয়ত করা হয়েছে। এমন কি তাঁর কাছে মনে হয়েছে যে, প্রতিবেশীকে মহান আল্লাহ তার উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিবেন।
সুতরাং কোনো প্রতিবেশির যদি অন্য প্রতিবেশির কাছে প্রয়োজন হয়। যেমন ক্ষেতে পানি দেওয়া অথবা তার মালিকানাধীন কোনো জায়গা অতিক্রম করা ইত্যাদি কোনো বিষয়ে। তাহলে প্রতিবেশির উপর দায়িত্ব হলো তার প্রয়োজন মেটানো। চাই কোনো কিছুর বিনিময়ে হোক কিংবা বিনিময় ছাড়াই হোক।
কোনো প্রতিবেশির জন্য বৈধ নয় যে, সে তার মালিকানাধীন জমিতে এমন কিছু করবে যা তার অপর প্রতিবেশির ক্ষতির কারণ হবে। যেমন কেউ এমন জায়গায় একটি জানালা খুলল যা দিয়ে তার প্রতিবেশির বাড়িতে বৃষ্টি পড়ে। অথবা এমন জায়গায় একটি কারখানা বানাল যার আওয়াজে তার প্রতিবেশির কষ্ট হয়। মোট কথা এমন কিছু করা যাবে না যাতে তার প্রতিবেশির কষ্ট হয়।
যদি দুই প্রতিবেশির মাঝে উভয়ের মালিকানাধীন একটি দেয়াল থাকে তাহলে তাতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা যাবে না এবং তার উপর বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কোনো কিছু রাখাও যাবে না। যেমন কেউ বাড়ির ছাদ দেওয়ার জন্য তার উপর কাষ্ট রাখলো। তাহলে যেন তাকে কাষ্ট রাখা থেকে নিষেধ না করা হয়। । কেননা নাবী বলেন: لا يَمْنَعْ جَارٌ جَارَهُ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَهُ فِي جِدَارِهِ "কোনো প্রতিবেশী যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে খুঁটি পুঁততে নিষেধ না করে। "৭১৬
টিকাঃ
৭১৬. সহীহুল বুখারী, হা. ২৪৬৩; সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ. ১৬০৯।
এক প্রতিবেশীর অপর প্রতিবেশির উপর হক রয়েছে। নাবী কে প্রতিবেশির ব্যপারে অনেক অসীয়ত করা হয়েছে। এমন কি তাঁর কাছে মনে হয়েছে যে, প্রতিবেশীকে মহান আল্লাহ তার উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিবেন।
সুতরাং কোনো প্রতিবেশির যদি অন্য প্রতিবেশির কাছে প্রয়োজন হয়। যেমন ক্ষেতে পানি দেওয়া অথবা তার মালিকানাধীন কোনো জায়গা অতিক্রম করা ইত্যাদি কোনো বিষয়ে। তাহলে প্রতিবেশির উপর দায়িত্ব হলো তার প্রয়োজন মেটানো। চাই কোনো কিছুর বিনিময়ে হোক কিংবা বিনিময় ছাড়াই হোক।
কোনো প্রতিবেশির জন্য বৈধ নয় যে, সে তার মালিকানাধীন জমিতে এমন কিছু করবে যা তার অপর প্রতিবেশির ক্ষতির কারণ হবে। যেমন কেউ এমন জায়গায় একটি জানালা খুলল যা দিয়ে তার প্রতিবেশির বাড়িতে বৃষ্টি পড়ে। অথবা এমন জায়গায় একটি কারখানা বানাল যার আওয়াজে তার প্রতিবেশির কষ্ট হয়। মোট কথা এমন কিছু করা যাবে না যাতে তার প্রতিবেশির কষ্ট হয়।
যদি দুই প্রতিবেশির মাঝে উভয়ের মালিকানাধীন একটি দেয়াল থাকে তাহলে তাতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা যাবে না এবং তার উপর বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কোনো কিছু রাখাও যাবে না। যেমন কেউ বাড়ির ছাদ দেওয়ার জন্য তার উপর কাষ্ট রাখলো। তাহলে যেন তাকে কাষ্ট রাখা থেকে নিষেধ না করা হয়। । কেননা নাবী বলেন: لا يَمْنَعْ جَارٌ جَارَهُ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَهُ فِي جِدَارِهِ "কোনো প্রতিবেশী যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে খুঁটি পুঁততে নিষেধ না করে। "
টিকাঃ
৭১৬. সহীহুল বুখারী, হা. ২৪৬৩; সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ. ১৬০৯।
📄 রাস্তা সম্পর্কে আলোচনা
১. মুসলমানদের চলাচলের রাস্তা সংকীর্ণ করে দেওয়া বৈধ নয়।
২. নিজের মালিকানাধীন জমিনে এমন কিছু করা যাবে না যা রাস্তাকে সংকীর্ণ করে দেয়।
৩. মানুষের চলাচলের রাস্তায় বাহন বা গাড়ি রাখার জায়গা বানানো যাবে না।
৪. রাস্তার বিষয়ে সবার অধিকার থাকে। অতএব পথচারিদের ক্ষতি করে এমন সবকিছু থেকে রাস্তাকে হেফাজত করা আবশ্যক। কোনোভাবেই রাস্তায় ময়লা আবর্জনা রাখা ঠিক হবে না। অছাড়াও রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করাটা ঈমানের অন্যতম একটি অঙ্গ।
১. মুসলমানদের চলাচলের রাস্তা সংকীর্ণ করে দেওয়া বৈধ নয়।
২. নিজের মালিকানাধীন জমিনে এমন কিছু করা যাবে না যা রাস্তাকে সংকীর্ণ করে দেয়।
৩. মানুষের চলাচলের রাস্তায় বাহন বা গাড়ি রাখার জায়গা বানানো যাবে না।
৪. রাস্তার বিষয়ে সবার অধিকার থাকে। অতএব পথচারিদের ক্ষতি করে এমন সবকিছু থেকে রাস্তাকে হেফাজত করা আবশ্যক। কোনোভাবেই রাস্তায় ময়লা আবর্জনা রাখা ঠিক হবে না। অছাড়াও রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু দূর করাটা ঈমানের অন্যতম একটি অঙ্গ।