📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 এ দুটির শর্ত

📄 এ দুটির শর্ত


শর্তগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো: ১. চুক্তিকারীকে লেনদেনের যোগ্য হতে হবে। সুতরাং যদি চুক্তিকারী বালেগ, স্বাধীন এবং বিচক্ষণ না হয়, তাহলে চুক্তি সম্পাদিত হবে না।
২. المساقاة এর ক্ষেত্রে গাছ নির্ধারিত হতে হবে আর المزارعة এর ক্ষেত্রে বীজ নির্ধারিত হতে হবে।
৩. গাছ ফলদার হতে হবে। যেমন- খেজুর বা অন্যান্য ফলদার গাছ।
৪. ফলদার গাছ হতে নির্ধারিত একটি অংশ কর্মীর জন্য থাকবে। আর ফসল হলে এক তৃতীয়াংশ বা এক চতুর্থাংশ কিংবা এই ধরনের নির্দিষ্ট অংশ ব্যক্তির জন্য থাকবে।

শর্তগুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো: ১. চুক্তিকারীকে লেনদেনের যোগ্য হতে হবে। সুতরাং যদি চুক্তিকারী বালেগ, স্বাধীন এবং বিচক্ষণ না হয়, তাহলে চুক্তি সম্পাদিত হবে না।
২. المساقاة এর ক্ষেত্রে গাছ নির্ধারিত হতে হবে আর المزارعة এর ক্ষেত্রে বীজ নির্ধারিত হতে হবে।
৩. গাছ ফলদার হতে হবে। যেমন- খেজুর বা অন্যান্য ফলদার গাছ।
৪. ফলদার গাছ হতে নির্ধারিত একটি অংশ কর্মীর জন্য থাকবে। আর ফসল হলে এক তৃতীয়াংশ বা এক চতুর্থাংশ কিংবা এই ধরনের নির্দিষ্ট অংশ ব্যক্তির জন্য থাকবে।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 এ দুটি বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত বিধান

📄 এ দুটি বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত বিধান


বিধানগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো- ১. কর্মীর জন্য আবশ্যক হলো, এমন সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যেসবের মাধ্যমে গাছ বা ফসলকে ফলনের উপযুক্ত করে তুলতে পারবে। যেমন- চাষাবাদ করা, পানি সেচ দেওয়া, পরিষ্কার করা, খেজুর বৃক্ষের পরাগায়ন করা, ফল শুকানো ইত্যাদি।
২. জমির মালিকের জন্য কর্তব্য হলো, মূল বিষয় ঠিক রাখার উপকরণের ব্যবস্থা করা। যেমন- কূপ খনন করে দেওয়া, পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা, দেয়াল ঠিক করে দেওয়া, ঘির দেওয়া, পানির পাম্পার এবং মেশিনের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।
৩. ফলন প্রকাশ পেলেই কর্মী তার অংশের মালিক হবে।
৪. চুক্তিকারীর প্রত্যেকেরই তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী চুক্তি বাতিল করার অধিকার আছে। কারণ এটি হলো একটি বৈধ চুক্তি। আবশ্যক কোনো চুক্তি নয়।
ফলন প্রকাশিত হওয়ার পরে যদি চুক্তি বাতিল করা হয়, তাহলে শর্ত অনুযায়ী কর্মীকে নির্দিষ্ট অংশ দিতে হবে। কিন্তু ফলন প্রকাশিত হওয়ার পূর্বেই যদি কর্মী নিজে চুক্তি বাতিল করে, তাহলে সে কোনো অংশ পাবে না। কেননা সে নিজেই রাজি হয়ে তার অংশ বাতিল করে দিয়েছে। যেমনটি মুজারাবা চুক্তির ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে কর্মীরা করে থাকে। আর যদি কাজ শুরু করার পর ফলন প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে মালিক চুক্তি বাতিল করে, তাহলে কর্মীকে তার কর্মের মজুরি দিতে হবে।
৫. কোনো কর্মী যদি গাছ বা জমি নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় কাজ করে, যে সময় পর্যন্ত কাজ করলে সাধারণত ফলন পাওয়া যায়। কিন্তু সেই বছর ফলন পাওয়া গেল না। তাহলে কর্মীর জন্য কোনো অংশ থাকবে না।

বিধানগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো- ১. কর্মীর জন্য আবশ্যক হলো, এমন সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা, যেসবের মাধ্যমে গাছ বা ফসলকে ফলনের উপযুক্ত করে তুলতে পারবে। যেমন- চাষাবাদ করা, পানি সেচ দেওয়া, পরিষ্কার করা, খেজুর বৃক্ষের পরাগায়ন করা, ফল শুকানো ইত্যাদি।
২. জমির মালিকের জন্য কর্তব্য হলো, মূল বিষয় ঠিক রাখার উপকরণের ব্যবস্থা করা। যেমন- কূপ খনন করে দেওয়া, পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা, দেয়াল ঠিক করে দেওয়া, ঘির দেওয়া, পানির পাম্পার এবং মেশিনের ব্যবস্থা করা ইত্যাদি।
৩. ফলন প্রকাশ পেলেই কর্মী তার অংশের মালিক হবে।
৪. চুক্তিকারীর প্রত্যেকেরই তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী চুক্তি বাতিল করার অধিকার আছে। কারণ এটি হলো একটি বৈধ চুক্তি। আবশ্যক কোনো চুক্তি নয়।
ফলন প্রকাশিত হওয়ার পরে যদি চুক্তি বাতিল করা হয়, তাহলে শর্ত অনুযায়ী কর্মীকে নির্দিষ্ট অংশ দিতে হবে। কিন্তু ফলন প্রকাশিত হওয়ার পূর্বেই যদি কর্মী নিজে চুক্তি বাতিল করে, তাহলে সে কোনো অংশ পাবে না। কেননা সে নিজেই রাজি হয়ে তার অংশ বাতিল করে দিয়েছে। যেমনটি মুজারাবা চুক্তির ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে কর্মীরা করে থাকে। আর যদি কাজ শুরু করার পর ফলন প্রকাশিত হওয়ার পূর্বে মালিক চুক্তি বাতিল করে, তাহলে কর্মীকে তার কর্মের মজুরি দিতে হবে।
৫. কোনো কর্মী যদি গাছ বা জমি নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় কাজ করে, যে সময় পর্যন্ত কাজ করলে সাধারণত ফলন পাওয়া যায়। কিন্তু সেই বছর ফলন পাওয়া গেল না। তাহলে কর্মীর জন্য কোনো অংশ থাকবে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00