📄 ইজারার সাথে সম্পৃক্ত বিধানসমূহ
ভাড়া দেওয়ার সাথে বেশ কিছু হুকুম সম্পৃক্ত। নিম্নে তুলে ধরা হলো:
১. নৈকট্যশীল কাজ এবং ইবাদাতের ক্ষেত্রে কাউকে মজুর নেওয়া বৈধ নয়। যেমন- আজান দেওয়া, হাজ্জ করা, বিভিন্ন মাসআলা মাসায়েলের সমাধান দেওয়া, বিচারিক ফয়সালা করা, ইমামতি করা, কুরআন শিক্ষা দেওয়া ইত্যাদি। কারণ এসব কাজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা হয়। হ্যাঁ, তবে যারা এসব দায়িত্ব পালন করবে, তারা (بیت المال) বা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ভরণপোষণের জন্য অর্থ নিতে পারবে।
২. যে ব্যক্তি ভাড়া দিবে, তার কর্তব্য ভাড়ার জিনিসটি ভাড়া গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছে দিবে। যেন সে তার মাধ্যমে উপকার লাভ করতে পারে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি ভাড়া নিবে তার জন্য আবশ্যক ভাড়া নেওয়া জিনিস যত্নে রাখা এবং সময় শেষ হওয়ার সাথে সাথে বিনিময় প্রদান করা।
৩. কোনো এক পক্ষ থেকে اجارة বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি বাতিল করা বৈধ নয়। বাতিল করার ক্ষেত্রে উভয়কে রাজী থাকতে হবে। যদি কেউ মৃত্যুবরণ করে আর ভাড়া দেওয়া বস্তুটি থেকে যায়, তাহলেও চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে না। বরং এই ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ওয়ারিস তার স্থলাভিষিক্ত হবে।
৪. যখন ভাড়া দেওয়ার বস্তুটি নষ্ট হয়ে যাবে অথবা তা থেকে উপকার নেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, যেমন: ভাড়া নেওয়া কোনো প্রাণী মারা গেল অথবা কোনো বাড়ি ধসে পড়লো, তাহলে ভাড়ার চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে।
ভাড়া দেওয়ার সাথে বেশ কিছু হুকুম সম্পৃক্ত। নিম্নে তুলে ধরা হলো:
১. নৈকট্যশীল কাজ এবং ইবাদাতের ক্ষেত্রে কাউকে মজুর নেওয়া বৈধ নয়। যেমন- আজান দেওয়া, হাজ্জ করা, বিভিন্ন মাসআলা মাসায়েলের সমাধান দেওয়া, বিচারিক ফয়সালা করা, ইমামতি করা, কুরআন শিক্ষা দেওয়া ইত্যাদি। কারণ এসব কাজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা হয়। হ্যাঁ, তবে যারা এসব দায়িত্ব পালন করবে, তারা (بیت المال) বা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ভরণপোষণের জন্য অর্থ নিতে পারবে।
২. যে ব্যক্তি ভাড়া দিবে, তার কর্তব্য ভাড়ার জিনিসটি ভাড়া গ্রহণকারীর কাছে পৌঁছে দিবে। যেন সে তার মাধ্যমে উপকার লাভ করতে পারে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি ভাড়া নিবে তার জন্য আবশ্যক ভাড়া নেওয়া জিনিস যত্নে রাখা এবং সময় শেষ হওয়ার সাথে সাথে বিনিময় প্রদান করা।
৩. কোনো এক পক্ষ থেকে اجارة বা ভাড়া দেওয়ার চুক্তি বাতিল করা বৈধ নয়। বাতিল করার ক্ষেত্রে উভয়কে রাজী থাকতে হবে। যদি কেউ মৃত্যুবরণ করে আর ভাড়া দেওয়া বস্তুটি থেকে যায়, তাহলেও চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে না। বরং এই ক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ওয়ারিস তার স্থলাভিষিক্ত হবে।
৪. যখন ভাড়া দেওয়ার বস্তুটি নষ্ট হয়ে যাবে অথবা তা থেকে উপকার নেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, যেমন: ভাড়া নেওয়া কোনো প্রাণী মারা গেল অথবা কোনো বাড়ি ধসে পড়লো, তাহলে ভাড়ার চুক্তি বাতিল হয়ে যাবে।