📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 যে সমস্ত চতুষ্পদ জন্তুর মাধ্যমে কুরবানি করা বৈধ

📄 যে সমস্ত চতুষ্পদ জন্তুর মাধ্যমে কুরবানি করা বৈধ


কুরবানি বৈধ হবে তিন প্রাণির জিনিসের মাধ্যমে:
১. উট, ২. গরু, ৩. ছাগল এবং তারই অন্তর্ভুক্ত হবে ভেড়া। আল্লাহ তা'আলা বলেন: وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللهِ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ)
"আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য কুরবানির নিয়ম করে দিয়েছি, যাতে আমি তাদেরকে রিযকৃস্বরূপ যে সব চতুস্পদ জন্তু দিয়েছি, সেগুলির উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।" [সূরা হাজ্জ : ৩৪]
কুরবানির ক্ষেত্রে পশু এ তিন শ্রেণির বাইরে যাবে না। কেননা নাবী ﷺ বা তার কোনো সাহাবী থেকে এ তিন শ্রেণি ব্যতীত অন্য কোনো শ্রেণি বর্ণিত হয়নি। কুরবানির ক্ষেত্রে একটি ছাগল একজনের পক্ষ থেকে এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে যথেষ্ট হবে। আবু আইয়ুব আনসারী থেকে বর্ণিত: كَانَ الرَّجُلُ فِي عَهْدِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يُضَحِّي بِالشَّاةِ عَنْهُ، وَعَنْ أَهْلِ بَيْتِهِ، فَيَأْكُلُونَ وَيُطْعِمُونَ
“নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে কোনো ব্যক্তি নিজের ও নিজ পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বকরী কুরবানি করত। তা থেকে তারা খেত এবং অন্যদের খাওয়াত।” ৬২৫
একটি উট বা একটি গরু দ্বারা সাতজনের কুরবানি দেওয়া বৈধ রয়েছে। যেমন জাবির থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
نَحَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْحُدَيْبِيَةِ الْبَدَنَةَ عَنْ سَبْعَةِ، وَالْبَقَرَةَ عَنْ سَبْعَةٍ
"আমরা হুদাইবিয়ার বছর আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে প্রতি সাতজনের পক্ষ থেকে একটি উট এবং প্রতি সাতজনের পক্ষ থেকে একটি গরু কুরবানি করেছি।”৬২৬

টিকাঃ
৬২৫. ইবনু মাজাহ, হা. ৩১৪৭; ইমাম তিরমিযী সহীহ বলেছেন, হা. ১৫০৫; ইমাসব, সহীহ ইবনে মাজাহ, হা. ২৫৬৩।
৬২৬. সহীহ মুসলিম, হা. ৩০৭৬, ফুআ, ১৩১৮।

কুরবানি বৈধ হবে তিন প্রাণির জিনিসের মাধ্যমে:
১. উট, ২. গরু, ৩. ছাগল এবং তারই অন্তর্ভুক্ত হবে ভেড়া। আল্লাহ তা'আলা বলেন: وَلِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا لِيَذْكُرُوا اسْمَ اللهِ عَلَى مَا رَزَقَهُمْ مِنْ بَهِيمَةِ الْأَنْعَامِ)
"আমি প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য কুরবানির নিয়ম করে দিয়েছি, যাতে আমি তাদেরকে রিযকৃস্বরূপ যে সব চতুস্পদ জন্তু দিয়েছি, সেগুলির উপর আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে।" [সূরা হাজ্জ : ৩৪]
কুরবানির ক্ষেত্রে পশু এ তিন শ্রেণির বাইরে যাবে না। কেননা নাবী ﷺ বা তার কোনো সাহাবী থেকে এ তিন শ্রেণি ব্যতীত অন্য কোনো শ্রেণি বর্ণিত হয়নি। কুরবানির ক্ষেত্রে একটি ছাগল একজনের পক্ষ থেকে এবং তার পরিবারের পক্ষ থেকে যথেষ্ট হবে। আবু আইয়ুব আনসারী থেকে বর্ণিত: كَانَ الرَّجُلُ فِي عَهْدِ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يُضَحِّي بِالشَّاةِ عَنْهُ، وَعَنْ أَهْلِ بَيْتِهِ، فَيَأْكُلُونَ وَيُطْعِمُونَ
“নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যুগে কোনো ব্যক্তি নিজের ও নিজ পরিবারের পক্ষ থেকে একটি বকরী কুরবানি করত। তা থেকে তারা খেত এবং অন্যদের খাওয়াত।” ৬২৫
একটি উট বা একটি গরু দ্বারা সাতজনের কুরবানি দেওয়া বৈধ রয়েছে। যেমন জাবির থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
نَحَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْحُدَيْبِيَةِ الْبَدَنَةَ عَنْ سَبْعَةِ، وَالْبَقَرَةَ عَنْ سَبْعَةٍ
"আমরা হুদাইবিয়ার বছর আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে প্রতি সাতজনের পক্ষ থেকে একটি উট এবং প্রতি সাতজনের পক্ষ থেকে একটি গরু কুরবানি করেছি।”৬২৬

টিকাঃ
৬২৫. ইবনু মাজাহ, হা. ৩১৪৭; ইমাম তিরমিযী সহীহ বলেছেন, হা. ১৫০৫; ইমাসব, সহীহ ইবনে মাজাহ, হা. ২৫৬৩।
৬২৬. সহীহ মুসলিম, হা. ৩০৭৬, ফুআ, ১৩১৮।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 কুরবানির পশুর ক্ষেত্রে শর্তসমূহ

📄 কুরবানির পশুর ক্ষেত্রে শর্তসমূহ


১. বয়স:
ক. উট: এর জন্য শর্ত- পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়া।
খ. গরু: এর জন্য শর্ত- দুই বছর পূর্ণ হওয়া।
গ. ছাগল: এর জন্য শর্ত- এক বছর পূর্ণ হওয়া। জাবির থেকে বর্ণিত। নিশ্চয় আল্লাহর রসূল বলেছেন:
لَا تَذْبَحُوا إِلَّا مُسِنَّةٌ، إِلَّا أَنْ يَعْسُرَ عَلَيْكُمْ، فَتَذْبَحُوا جَذَعَةً مِنَ الضَّأْنِ
"তোমরা মুসিন্নাহ্ ছাড়া কুরবানি করবে না। তবে এটা তোমাদের জন্য কষ্টকর মনে হলে, তোমরা জাযাআ মেষ-শাবক কুরবানী করতে পারো। "৬২৭
উটের মধ্যকার মুসিন্নাহ (মুসিন্নাহ) বলা হয়, যার বয়স পাঁচ বছর পরিপূর্ণ হয়েছে। গরুর মধ্যকার মুসিন্নাহ বলা হয়, যার বয়স দুই বছর পরিপূর্ণ হয় হয়েছে। ছাগলের মধ্যকার মুসিন্নাহ বলা হয়, যার বয়স এক বছর পরিপূর্ণ হয়েছে। মুসিন্নাহকে ছুনিয়‍্যাহও (الثنية) বলা হয়।
ঘ. ভেড়া: এ ক্ষেত্রে জাযা' (الجذع) শর্ত। জাযাআ হলো যার এক বছর পরিপূর্ণ হয়েছে। কেউ কেউ বলেন: যার বয়স ছয় মাস পরিপূর্ণ হয়েছে। উকবা ইবনু আমের থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! (أصابني جذع. قَالَ: ضَحٌ بِهِ)
"আমার নিকট জাযা' রয়েছে। তিনি বললেন: তুমি তা জবাই করো।"৬২৮
উকবা ইবনু আমের থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে: صَحَيْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِجَدَعٍ مِنَ الضَّأْنِ “আমরা আল্লাহর রসূল এর সাথে ভেড়ার ‘জাযা’ কুরবানি করেছি।”৬২৯
২. সুস্থ হওয়া: উট, গরু ও ছাগলের ক্ষেত্রে শর্ত হলো, এগুলোকে এমন দোষত্রুটি থেকে মুক্ত থাকতে হবে যে দোষত্রুটি গোশতে ত্রুটি সৃষ্টি করে। দুর্বল শীর্ণকায়, খোঁড়া, কানা এবং অসুস্থ প্রাণির মাধ্যমে কুরবানি যথেষ্ট হবে না।
বারা ইবনে আযেব থেকে বর্ণিত। তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন: أَرْبَعٌ لَا تُجْزِئُ فِي الْأَضَاحِي: الْعَوْرَاءُ، الْبَيِّنُ عَوَرُهَا، وَالْمَرِيضَةُ، الْبَيِّنُ مَرَضُهَا، وَالْعَرْجَاءُ الْبَيِّنُ عَرَجُهَا، وَالْعَجْفَاءُ الَّتِي لَا تُنْقِي
“চার ধরনের প্রাণী কুরবানি করা বৈধ নয়। ১. অন্ধ পশু; যার অন্ধত্ব সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত, ২. রুগ্ন পশু; যার রোগ দৃশ্যমান, ৩. খোঁড়া জন্তু; যার খোঁড়ামী স্পষ্টভাবে প্রকাশিত, এবং ৪. ক্ষীণকায়, পশু যার হাড়ের মজ্জা পর্যন্ত শুকিয়ে গেছে।”৬৩০
العجفاء বলা হয়: দুর্বল শীর্ণকায় চতুষ্পদ জন্তু।
যেটি স্বচ্ছ নয় এবং শীর্ণতার কারণে মাংস নেই। এ চারটি ত্রুটির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে সেগুলোকে, যেগুলো এ চারটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যেমন العتماء অর্থাৎ যার সামনের সারির দাঁত নেই। العضباء অর্থাৎ যেগুলোর কান বা শিঙের বেশির ভাগ নেই অথবা এজাতীয় আরও এমন দোষ-ত্রুটি।

টিকাঃ
৬২৭. সহীহ মুসলিম, হা. ৪৯৭৬, ফুআ. ১৯৬৩।
৬২৮. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ৫৫৫৭; সহীহ মুসলিম, হা. ৪৯৮১, ফুআ, ১৯৬৫।
৬২৯. নাসাঈ ৭/২১৯; ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহুন নাসাঈ, হা. ৪০৮০।
৬৩০. মুয়াত্তা মালিক পৃষ্ঠা ২৪৮; আহমাদ ৪/২৮৯; তিরমিযী, হা. ১৪৯৭ এবং তিনি হাসান সহীহ বলেছেন। সুনান আবু দাউদ, হা. ২৮০২; নাসাঈ ৭/২৪৪; ইবনু মাজাহ, হা. ৩১৪৪; ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহুন নাসাঈ, হা. ৪০৭৩।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 কুরবানির পশু জবাই করার সময়

📄 কুরবানির পশু জবাই করার সময়


যে ব্যক্তি ঈদের সলাত পড়বে তার জন্য ঈদের সলাতের পর থেকে কুরবানির পশু জবাই করার ওয়াক্ত শুরু। আর যে ব্যক্তি সলাত পড়বে না, সে কুরবানির দিন সূর্যদয়ের পর থেকে নিয়ে দুই রাকআত ও দুই খুতবার সমপরিমাণ সময় পরে জবাই করবে। বারা ইবনে আযিব থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল বলেছেন: مَنْ صَلَّى صَلَاتَنَا، وَنَسَكَ نُسُكَنَا، فَقَدْ أَصَابَ النُّسُكَ، مَنْ ذَبَحَ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيُعِدْ مَكَانَهَا أُخْرَى
"যে আমাদের মতো সলাত আদায় করল এবং আমাদের মতো কুরবানি করল, সে কুরবানীর রীতিনীতি যথাযথ পালন করল। আর যে ব্যক্তি সলাতের পূর্বে কুরবানি করল, সে যেন পুনরায় তার স্থানে আরেকটি কুরবানি করে।”৬৩১
আর কুরবানির সময় চলমান থাকবে আয়্যামুত তাশরীকের শেষ দিনের সূর্যাস্ত পর্যন্ত। যুবায়ের ইবনু মুতয়িম থেকে বর্ণিত হাদীস। তিনি নাবী থেকে বর্ণনা করেন।
كُلُّ أَيَّامِ التَّشْرِيقِ ذَبْحُ "আয়্যামুত তাশরীকের প্রত্যেক দিনই জবাই করার দিন। ”৬৩২
উত্তম হলো ঈদের সলাতের পরেই যবেহ করা। বারা ইবনে আযেব থেকে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নাবী বলেছেন:
أَوَّلَ مَا نَبْدَأُ بِهِ فِي يَوْمِنَا هَذَا أَنْ نُصَلِّي، ثُمَّ نَرْجِعَ، فَتَنْحَرَ فَمَنْ فَعَلَ ذَلِكَ فَقَدْ أَصَابَ سُتَتَنَا، وَمَنْ ذَبَحَ قَبْلَ ذَلِكَ فَإِنَّمَا هُوَ لَحْمُ قَدِّمُهُ لِأَهْلِهِ، لَيْسَ مِنَ النَّسْكِ فِي شَيْءٍ)
"আজকের দিনে আমাদের প্রথম কাজ সলাত আদায় করা। অতঃপর ফিরে এসে কুরবানী করা। যে ব্যক্তি এরূপ করবে সে আমাদের সুন্নাত পালন করল। যে ব্যক্তি সলাতের পূর্বেই যবেহ্ করবে, তা শুধু গোশ্তই হবে, যা সে পরিবারের জন্য পেশ করেছে। কুরবানি সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। "৬৩৩

টিকাঃ
৬৩১. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ৯৫৫, ৫৫৬২; সহীহ মুসলিম, হা., ফুআ. ১৯৬১।
৬৩২. আহমাদ ৪/৮২; বায়হাক্বী ৯/২৯৫; ইবনু হিব্বান, হা. ১০০৮; দারাকুনী ৪/২৮৪।
৬৩৩. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ৯৬৮; সহীহ মুসলিম, হা. ৪৯৬৩, ফুআ. ১৯৬১ অর্থগত বর্ণনা।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 কুরবানির পশুর গোশত কি করবে এবং কুরবানি দানকারীর যিলহাজ্জ মাসের দশদিন কি কি করা আবশ্যক

📄 কুরবানির পশুর গোশত কি করবে এবং কুরবানি দানকারীর যিলহাজ্জ মাসের দশদিন কি কি করা আবশ্যক


১. কুরবানির পশুর গোশত কী করবে: কুরবানিকারীর জন্য সুন্নাত হলো, সে কুরবানির পশুর গোশত খাবে এবং নিকটাত্মীয়, প্রতিবেশী এবং বন্ধুদের হাদীয়া প্রদান করবে ও ফকীরদের সাদকা করবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
فَكُلُوا مِنْهَا وَأَطْعِمُوا الْبَائِسَ الْفَقِيرَ) "অতঃপর তোমরা তা থেকে খাও এবং দুস্থ-দরিদ্রকে খাওয়াও."[সূরা হাজ্জ: ২৮]
তার জন্য মুস্তাহাব হলো তাকে তিনভাগে ভাগ করা: একভাগ তার পরিবারের জন্য, আরেকভাগ দরিদ্র প্রতিবেশীদের জন্য, আরেক ভাগ হাদীয়া দেওয়ার জন্য। ইবনু আব্বাস কুরবানির পশুর বিষয়ে বলতে গিয়ে বলেন:
ويطعم أهل بيته الثلث، ويطعم فقراء جيرانه الثلث، ويتصدق على السؤال بالثلث
"সে পরিবারকে এক তৃতীয়াংশ খাওয়াবে, প্রতিবেশীকে আরেক তৃতীয়াংশ খাওয়াবে এবং আরেক তৃতীয়াংশ দরিদ্রদেরকে সাদকা করে দিবে। "৬৩৪
তিনদিনের পরেও কুরবানির গোশত জমা করে রাখা বৈধ রয়েছে। বারিরা থেকে বর্ণিত। (نَهَيْتُكُمْ عَنْ ادْخَالَ لُحُومِ الْأَضَاحِي فَوْقَ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ فَأَمْسِكُوا مَا بَدَا لَكُمْ) :
"আমি তোমাদের তিনদিনের বেশি কুরবানির গোশত খেতে নিষেধ করেছিলাম, এখন তোমরা নিজেদের প্রয়োজন অনুপাতে জমা করে রাখতে পারো।”৬৩৫
২. যিলহাজ্জ মাসের দশদিন কুরবানির ইচ্ছা পোষণকারীর জন্য যা আবশ্যক: যিলহাজ্জ মাসের প্রথম দশদিন কুরবানির ইচ্ছাপোষণকারীর জন্য চুল-নখ কাটা হারাম, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে কুরবানি করে। উম্মে সালামা মারফু সূত্রে বর্ণনা করেছেন:
إِذَا دَخَلَ الْعَشْرُ وَعِنْدَهُ أَضْحِيَّةٌ يُرِيدُ أَنْ يُضَحِّيَ، فَلَا يَأْخُذَنَّ شَعْرًا، وَلَا يَفْلِمَنَّ ظُفُرًا. وفي رواية - فَلَا يَمَسَّ مِنْ شَعَرِهِ وَبَشَرِهِ شَيْئًا.
"যখন (যিলহাজ্জ মাসের) প্রথম দশদিন উপস্থিত হয় আর কারো নিকট কুরবানীর পশু থাকে, যা সে কুরবানি করার নিয়ত রাখে, তবে সে যেন তার চুল ও নখ না কাটে।" অন্য বর্ণনায়: “সে যেন তার চুল ও নখের কিছুই স্পর্শ না করে (কর্তন না করে)।"৬৩৬

টিকাঃ
৬৩৪. মুগনী ৮/৬৩২
৬৩৫. সহীহ মুসলিম, হা. ৫০০৮, ফুআ. ১৯৭৭
৬৩৬. সহীহ মুসলিম, হা. ৫০১২, ফুআ. ১৯৭৭ (৩৯-৪০)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00