📄 হাজ্জের রুকনসমূহ
হাজ্জে রুকন চারটি। সেগুলো হলো: ১. ইহরাম বাঁধা: তা হচ্ছে হাজ্জের নিয়ত ও ইচ্ছা পোষণ করা; কারণ হাজ্জে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। সকল আলেমের ঐকমত্যে এটি নিয়ত ছাড়া বিশুদ্ধ হবে না। যেমন নাবী বলেছেন: إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ "প্রত্যেক কাজ নিয়ত অনুযায়ী হয়ে থাকে।”৬০
নিয়তের স্থান হলো অন্তর। কিন্তু হাজ্জের নিয়ত মুখে উচ্চারণ করাই উত্তম। কারণ এটি নাবী থেকে প্রমাণিত।
২. আরাফায় অবস্থান করা: সমস্ত আলেমের ইজমা অনুপাতে এটিও রুকন নাবী বলেন: (الْحَجُّ عَرَفَةُ) “আরাফাই (আরাফার মাঠে অবস্থান করা) হাজ্জ।”৬০২
আর অবস্থান করার সময় হলো: আরাফার দিন (তারিখে) সূর্যাস্তের পর থেকে কুরবানির দিনের সূর্যদয় পর্যন্ত।
৩. তাওয়াফে যিয়ারাহ: তাকে তাওয়াফে ইফাযাও বলে। কারণ তা আরাফায় গমনের পরে হয়ে থাকে। এটিকে (তাওয়াফুল ফারয) বলা হয়। ইজমার ভিত্তিতে এটিও রুকন। আল্লাহ তা'আলা বলেন: ثُمَّ لْيَقْضُوا تَفَثَهُمْ وَلْيُوفُوا نُذُورَهُمْ وَلْيَطَّوَّفُوا بِالْبَيْتِ الْعَتِيقِ "অতঃপর তারা যেন তাদের অপরিচ্ছন্নতা দূর করে এবং তাদের মানত পূর্ণ করে, সম্মানিত গৃহের তাওয়াফ করে।” [সূরা হাজ্জ: ২৯]
৪. সাফা ও মারওয়ার সাঈ করা: এটি হাজ্জের রুকন। আয়িশাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
مَا أَتَمَّ اللَّهُ حَجَّ امْرِئٍ، وَلَا عُمْرَتَهُ لَمْ يَطْفُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ
"যে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করে না, আল্লাহ তার হাজ্জ ও উমরাহ্ পূর্ণ করবেন না।”৬০৩
নাবী اسْعَوْا، فَإِنَّ اللَّهَ كَتَبَ عَلَيْكُمُ السَّعْيَ : "তোমরা সাঈ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপরে সাঈকে ফরয করে দিয়েছেন। "৬০৪
এই রুকনগুলো ছাড়া হাজ্জ সম্পন্ন হবে না। যে ব্যক্তি এই রুকনগুলোর কোনো একটি ছেড়ে দিবে, তার হাজ্জ পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ না সে ছেড়ে দেওয়া রুকন আদায় করবে।
টিকাঃ
৬০১. মুত্তাফাকুন আলাইহি; সহীহুল বুখারী, হা. ১; সহীহ মুসলিম, হা. ১৯০৭
৬০২. তিরমিযী, হা. ৮৮৯; সুনান আবু দাউদ, হা. ১৯৪৯; নাসাঈ ৫/২৫৬; মুসতাদরাকে হাকিম ২/২৭৮; ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহুন নাসাঈ, হা. ২৮২২
৬০০. সহীহ মুসলিম, হা., ফুআ. ১২৭৭।
৬০৪. আহমাদ ৬/৪২১, ইবনু খুঝায়মাহ, হা. ২৭৬৩; বায়হাক্বী ৫/৯৮; ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, তালীক সহীহ ইবনু খুঝায়মাহ ৪/২৩২
হাজ্জে রুকন চারটি। সেগুলো হলো: ১. ইহরাম বাঁধা: তা হচ্ছে হাজ্জের নিয়ত ও ইচ্ছা পোষণ করা; কারণ হাজ্জে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। সকল আলেমের ঐকমত্যে এটি নিয়ত ছাড়া বিশুদ্ধ হবে না। যেমন নাবী বলেছেন: إِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ "প্রত্যেক কাজ নিয়ত অনুযায়ী হয়ে থাকে।”৬০১
নিয়তের স্থান হলো অন্তর। কিন্তু হাজ্জের নিয়ত মুখে উচ্চারণ করাই উত্তম। কারণ এটি নাবী থেকে প্রমাণিত।
২. আরাফায় অবস্থান করা: সমস্ত আলেমের ইজমা অনুপাতে এটিও রুকন নাবী বলেন: (الْحَجُّ عَرَفَةُ) “আরাফাই (আরাফার মাঠে অবস্থান করা) হাজ্জ।”৬০২
আর অবস্থান করার সময় হলো: আরাফার দিন (তারিখে) সূর্যাস্তের পর থেকে কুরবানির দিনের সূর্যদয় পর্যন্ত।
৩. তাওয়াফে যিয়ারাহ: তাকে তাওয়াফে ইফাযাও বলে। কারণ তা আরাফায় গমনের পরে হয়ে থাকে। এটিকে (তাওয়াফুল ফারয) বলা হয়। ইজমার ভিত্তিতে এটিও রুকন। আল্লাহ তা'আলা বলেন: ثُمَّ لْيَقْضُوا تَفَثَهُمْ وَلْيُوفُوا نُذُورَهُمْ وَلْيَطَّوَّفُوا بِالْبَيْتِ الْعَتِيقِ "অতঃপর তারা যেন তাদের অপরিচ্ছন্নতা দূর করে এবং তাদের মানত পূর্ণ করে, সম্মানিত গৃহের তাওয়াফ করে।” [সূরা হাজ্জ: ২৯]
৪. সাফা ও মারওয়ার সাঈ করা: এটি হাজ্জের রুকন। আয়িশাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
مَا أَتَمَّ اللَّهُ حَجَّ امْرِئٍ، وَلَا عُمْرَتَهُ لَمْ يَطْفُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ
"যে সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করে না, আল্লাহ তার হাজ্জ ও উমরাহ্ পূর্ণ করবেন না।”৬০৩ নাবী اسْعَوْا، فَإِنَّ اللَّهَ كَتَبَ عَلَيْكُمُ السَّعْيَ : "তোমরা সাঈ করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপরে সাঈকে ফরয করে দিয়েছেন। "৬০৪ এই রুকনগুলো ছাড়া হাজ্জ সম্পন্ন হবে না। যে ব্যক্তি এই রুকনগুলোর কোনো একটি ছেড়ে দিবে, তার হাজ্জ পূর্ণ হবে না, যতক্ষণ না সে ছেড়ে দেওয়া রুকন আদায় করবে।
টিকাঃ
৬০১. মুত্তাফাকুন আলাইহি; সহীহুল বুখারী, হা. ১; সহীহ মুসলিম, হা. ১৯০৭
৬০২. তিরমিযী, হা. ৮৮৯; সুনান আবু দাউদ, হা. ১৯৪৯; নাসাঈ ৫/২৫৬; মুসতাদরাকে হাকিম ২/২৭৮; ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহুন নাসাঈ, হা. ২৮২২
৬০৩. সহীহ মুসলিম, হা., ফুআ. ১২৭৭।
৬০৪. আহমাদ ৬/৪২১, ইবনু খুঝায়মাহ, হা. ২৭৬৩; বায়হাক্বী ৫/৯৮; ইমাম আলবানী সহীহ বলেছেন, তালীক সহীহ ইবনু খুঝায়মাহ ৪/২৩২
📄 হাজ্জের ওয়াজিবসমূহ
১. শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত স্থান থেকে ইহরাম বাঁধা।
২. যে ব্যক্তি দিনের বেলায় আরাফায় আসবে তাঁর জন্য সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করা; কারণ নাবী সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করেছেন। যার আলোচনা হজ্জের বিবরণে আসবে এবং তিনি বলেছেন:
خذوا عني مناسككم "তোমরা আমার থেকে হাজ্জের নিয়মকানুন শিখে নাও।”
৩. কুরবানির রাতে মুযদালিফায় অবস্থান করলে অর্ধরাত্রি পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা; কারণ নাবী এ কাজটিও করেছেন।
৪. أيام التشريق )আইয়্যামুত তাশরীক) এর রাতগুলোতে মিনায় অবস্থান করা।
৫. ধারাবাহিকভাবে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করা।
৬. মাথা কামানো অথবা চুল ছোটো করা। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
محلِقِينَ رُءُوسَكُمْ وَمُقَصِّرِينَ "মাথা ন্যাড়া করা অবস্থায় ও চুল কেটে।"[সুরা ফাতহ: ২৭] তা ছাড়া নাবী একাজটি করেছেন এবং করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
৭. হায়েয ও নেফাসগ্রস্থ মহিলারা ছাড়া অন্যান্যদের জন্য বিদায় তাওয়াফ করা। ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
أُمِرَ النَّاسُ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِمْ بِالْبَيْتِ، إِلَّا أَنَّهُ خُفِّفَ عَنِ المرأة الحَائِضِ
"লোকেদের আদেশ দেওয়া হয় যে, তাদের শেষ কাজ যেন হয় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ। তবে এ হুকুম ঋতুমতী মহিলাদের জন্য শিথিল করা হয়েছে। "৬০৫
এই ওয়াজিবগুলোর মধ্য হতে কোনো একটি ওয়াজিব যদি কেউ ইচ্ছাকৃত বা ভুলবশত বর্জন করে, তাহলে সে দম দিবে। তাহলে তার হাজ্জ বিশুদ্ধ হয়ে যাবে। ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, .من نسي من نسكه شيئاً أو تركه فليرق دماً
"ভুলবশত কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে হাজ্জের পালনীয় যে-কোনো বিষয়গুলোর মধ্য হতে কোনো একটি ছুটে গেলে, সে যেন দম দেয়।”৬০৬
উল্লিখিত আমলগুলো ব্যতীত অন্যান্যগুলো সুন্নাত হিসেবে গণ্য হবে। নিম্নে হাজ্জের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতগুলো উল্লেখ করা হলো-
১. ইহরামের জন্য গোসল করা এবং সুগন্ধি লাগানো ও দুটি সাদা কাপড় পরিধান করা।
২. নক, নাভির লোম, বগলের লোম কেটে ফেলা, গোঁফ খাটো করা এবং এছাড়া আরও যা কিছু কাটা দরকার তা কেটে ফেলা।
৩. হাজ্জে ইফরাদ ও ক্বিরান পালনকারীর জন্য তাওয়াফে কুদুম করা।
৪. তাওয়াফে কুদুমে প্রথম তিনবার রমল করা।
৫. তাওয়াফে কুদুমে ইযতিবা করা; ইযতিবা হলো- চাদরের মাঝের অংশ ডান কাঁধের নিচে এবং তার দুই প্রান্ত বাম কাঁধের উপরে রাখা।
৬. আরাফার রাতে মিনায় অবস্থান করা।
৭. জামরায়ে আকাবায় পাথর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত ইহরামের সময় তালবিয়া পাঠ করা।
৮. মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশার মাঝে জমা-তাক্বদীম করা।
৯. সম্ভব হলে ফজর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মুযদালিফায় মাশয়ারে হারামের নিকটে অবস্থান করা। সেটা না পারলে মুযদালিফার সবটুকুই অবস্থান করার।
টিকাঃ
৬০৫. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৭৫৫; সহীহ মুসলিম, হা. ১৩২৮।
৬০৬. দারাকুংনী ২/১৯১, হা. ২৫১২; বায়হাক্বী ৫/১৫২ এবং অন্যান্যরা। এটা ইবনু আব্বাস থেকে প্রমাণিত। যেমন বলেছেন ইবনু আব্দুল বার তার ইন্ডিযকার গ্রন্থে ১২/১৮৪; এবং আলবানী তার ইরওয়া গ্রন্থে ৪/২৯৯।
১. শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত স্থান থেকে ইহরাম বাঁধা।
২. যে ব্যক্তি দিনের বেলায় আরাফায় আসবে তাঁর জন্য সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করা; কারণ নাবী সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করেছেন। যার আলোচনা হজ্জের বিবরণে আসবে এবং তিনি বলেছেন:
خذوا عني مناسككم "তোমরা আমার থেকে হাজ্জের নিয়মকানুন শিখে নাও।”
৩. কুরবানির রাতে মুযদালিফায় অবস্থান করলে অর্ধরাত্রি পর্যন্ত মুযদালিফায় অবস্থান করা; কারণ নাবী এ কাজটিও করেছেন।
৪. أيام التشريق )আইয়্যামুত তাশরীক) এর রাতগুলোতে মিনায় অবস্থান করা।
৫. ধারাবাহিকভাবে জামরায় পাথর নিক্ষেপ করা।
৬. মাথা কামানো অথবা চুল ছোটো করা। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
محلِقِينَ رُءُوسَكُمْ وَمُقَصِّرِينَ "মাথা ন্যাড়া করা অবস্থায় ও চুল কেটে।"[সুরা ফাতহ: ২৭] তা ছাড়া নাবী একাজটি করেছেন এবং করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
৭. হায়েয ও নেফাসগ্রস্থ মহিলারা ছাড়া অন্যান্যদের জন্য বিদায় তাওয়াফ করা। ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
أُمِرَ النَّاسُ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِمْ بِالْبَيْتِ، إِلَّا أَنَّهُ خُفِّفَ عَنِ المرأة الحَائِضِ
"লোকেদের আদেশ দেওয়া হয় যে, তাদের শেষ কাজ যেন হয় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ। তবে এ হুকুম ঋতুমতী মহিলাদের জন্য শিথিল করা হয়েছে। "৬০৫
এই ওয়াজিবগুলোর মধ্য হতে কোনো একটি ওয়াজিব যদি কেউ ইচ্ছাকৃত বা ভুলবশত বর্জন করে, তাহলে সে দম দিবে। তাহলে তার হাজ্জ বিশুদ্ধ হয়ে যাবে। ইবনু আব্বাস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, .من نسي من نسكه شيئاً أو تركه فليرق دماً
"ভুলবশত কিংবা ইচ্ছাকৃতভাবে হাজ্জের পালনীয় যে-কোনো বিষয়গুলোর মধ্য হতে কোনো একটি ছুটে গেলে, সে যেন দম দেয়।”৬০৬
উল্লিখিত আমলগুলো ব্যতীত অন্যান্যগুলো সুন্নাত হিসেবে গণ্য হবে। নিম্নে হাজ্জের গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাতগুলো উল্লেখ করা হলো-
১. ইহরামের জন্য গোসল করা এবং সুগন্ধি লাগানো ও দুটি সাদা কাপড় পরিধান করা।
২. নক, নাভির লোম, বগলের লোম কেটে ফেলা, গোঁফ খাটো করা এবং এছাড়া আরও যা কিছু কাটা দরকার তা কেটে ফেলা।
৩. হাজ্জে ইফরাদ ও ক্বিরান পালনকারীর জন্য তাওয়াফে কুদুম করা।
৪. তাওয়াফে কুদুমে প্রথম তিনবার রমল করা।
৫. তাওয়াফে কুদুমে ইযতিবা করা; ইযতিবা হলো- চাদরের মাঝের অংশ ডান কাঁধের নিচে এবং তার দুই প্রান্ত বাম কাঁধের উপরে রাখা।
৬. আরাফার রাতে মিনায় অবস্থান করা।
৭. জামরায়ে আকাবায় পাথর নিক্ষেপ করা পর্যন্ত ইহরামের সময় তালবিয়া পাঠ করা।
৮. মুযদালিফায় মাগরিব ও ইশার মাঝে জমা-তাক্বদীম করা।
৯. সম্ভব হলে ফজর থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত মুযদালিফায় মাশয়ারে হারামের নিকটে অবস্থান করা। সেটা না পারলে মুযদালিফার সবটুকুই অবস্থান করার।
টিকাঃ
৬০৫. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৭৫৫; সহীহ মুসলিম, হা. ১৩২৮।
৬০৬. দারাকুংনী ২/১৯১, হা. ২৫১২; বায়হাক্বী ৫/১৫২ এবং অন্যান্যরা। এটা ইবনু আব্বাস থেকে প্রমাণিত। যেমন বলেছেন ইবনু আব্দুল বার তার ইন্ডিযকার গ্রন্থে ১২/১৮৪; এবং আলবানী তার ইরওয়া গ্রন্থে ৪/২৯৯।