📄 যাকাতের হুকুম ও দলীল
আর যাকাত ইসলামের অন্যতম একটি ফরয ইবাদত। পাঁচটি রুকনের মধ্যে একটি রুকন। সলাতের পর এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুকন। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ “তোমরা সলাত কায়েম করো এবং যাকাত প্রদান করো।" [সূরা বাক্বারাহ: ৪৩]
তিনি আরও বলেন: خُذْ مِنْ أَمْوَالِهِمْ صَدَقَةً تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيهِمْ بِهَا "তাদের সম্পদ থেকে সাদকা নাও এবং তাদেরকে এর মাধ্যমে পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করো।” [সূরা তাওবা: ১০৩]
নাবী বলেছেন: بُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ : شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَإِقَامِ الصَّلَاةِ، وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ، وَالْحَجِّ البَيْتِ، وَصَوْمِ رَمَضَانَ “ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত। ১. এ মর্মে সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত সত্য কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল। ২. সলাত কায়েম করা। ৩. যাকাত প্রদান করা। ৪. সামর্থ্য থাকলে হাজ্ব পালন করা। ৫. রমাযানের সিয়াম পালন করা। ৪৬২
নাবী মুয়ায বিন জাবাল কে ইয়েমেনে পাঠানোর সময় অসীয়ত করে বলেছেন: ادْعُهُمْ إِلَى شَهَادَةِ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَأَنِّي رَسُولُ الله ، فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ، فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ قَدِ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ، فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ صَدَقَةٌ فِي أَمْوَالِهِمْ تُؤْخَذُ مِنْ أَغْنِيَائِهِمْ وَتُرَدُّ عَلَى فُقَرَائِهِمْ "তুমি তাদেরকে এ মর্মে সাক্ষ্য দেওয়ার প্রতি দাওয়াত দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রসূল। যদি তারা এটা মেনে নেয়, তাহলে তাদেরকে জানাবে যে, আল্লাহ তা'আলা তাদের উপর দিনে-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সলাত ফরয করেছেন। যদি তারা এটাও মেনে নেয়, তাহলে তাদেরকে জানাবে যে, আল্লাহ তাদের উপর তাদের সম্পদে সাদকা (যাকাত) ফরয করেছেন, যা তাদের ধনীদের থেকে উত্তোলন করে গরীবদের মাঝে বিতরণ করা হবে। ৪৬৩
সকল দেশের মুসলিমরা এ ব্যাপারে একমত যে, যাকাত ওয়াজিব। আর সাহাবীরাও এর বিরুদ্ধাচরণকারীদের সাথে যুদ্ধ করতে একমত হয়েছিলেন। সুতরাং কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমা দ্বারা এটা প্রমাণিত হলো যে, যাকাত ফরয।
টিকাঃ
৪৬২. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ৮; সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ, ১৬ ইবনু উমার এর হাদীস।
৪৬৩. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৩৯৫; সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ. ১৯ ইবনু আব্বাস এর হাদীস।
📄 যাকাত অস্বীকারকারীর হুকুম
যে অজ্ঞতাবশত যাকাত ওয়াজিব হওয়াকে অস্বীকার করবে, তাহলে তাকে এর ওয়াজিবের বিষয়টি জানানো হবে। তার উপর কুফরের বিধান প্রযোজ্য হবে না; কারণ সে ওযরগ্রস্ত। তার অজ্ঞতার কারণ: হয়তো সে নূতন ইসলামে প্রবেশ করেছে অথবা শহর থেকে দূরে কোনো মরুভূমিতে বেড়ে ওঠেছে। আর যদি যাকাত অস্বীকারকারী ইসলামী অঞ্চলে এবং আলেমদের মাঝে বেড়ে ওঠা মুসলিম হয়, তাহলে সে মুরতাদ হিসেবে গণ্য হবে। তার উপর রিদ্দাতের হুকুম লাগানো হবে। তাকে তিন দিন সময় দেওয়া হবে তাওবা করার জন্য। যদি সে তাওবা না করে, তাকে হত্যা করা হবে। কারণ কুরআন-সুন্নাহ ও ইজমায়ে উম্মতে যাকাত প্রদানের দলীল স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। তাই যার কাছে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে সে যদি তা দিতে অস্বীকার করে, তবে সেটা কুরআন-সুন্নাহকে মিথ্যারোপ করা এবং কুফরির নামান্তর।
📄 কৃপণতাবশত যাকাত আদায়ে অস্বীকৃতি প্রদানকারীর হুকুম
যে ব্যক্তি কৃপণতাবশত যাকাত আদায়ে বিরত থাকবে অথচ তার বিশ্বাস আছে যে যাকাত ওয়াজিব, ঐ ব্যক্তি যাকাত আদায়ে বিরত থাকার কারণে পাপাচরী বলে গণ্য হবে। একারণে সে ইসলাম থেকে বের হবে না। কেননা যাকাত দ্বীনের একটি অন্যতম শাখা। সুতরাং শুধু যাকাত প্রদানে বিরত থাকার জন্য তাকে কাফের বলা যাবে না। নাবী যাকাত প্রদানে অস্বীকারকারীর ব্যাপারে বলেন:
ثُمَّ يَرَى سَبِيلَهُ إِمَّا إِلَى الْجَنَّةِ، وَإِمَّا إِلَى النَّارِ "অতঃপর সে তার পথটাকে হয় জান্নাতে, না হয় জাহান্নামে দেখবে।"৪৬৪
সে কাফের হলে তার জান্নাতের পথ থাকতো না। এজন্য তার থেকে জোরপূর্বক যাকাত আদায় করা হবে। যদি কেউ তা আদায় না করে লড়াই করে, তাহলে তার সাথে লড়াই করা হবে যতক্ষণ না সে আল্লাহর আদেশের কাছে মাথা নত করে এবং যাকাত প্রদান করে। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
فَإِنْ تَابُوا وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَآتَوُا الزَّكَاةَ فَخَلُّوا سَبِيلَهُمْ "যদি তারা তাওবা করে, সলাত কায়েম করে এবং যাকাত প্রদান করে, তাহলে তাদের পথ ছেড়ে দাও।" [সুরা তাওবাহ: ৫]
নাবী বলেছেন: أُمِرْتُ أَنْ أُقَاتِلَ النَّاسَ حَتَّى يَشْهَدُوا أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ، وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، وَيُقِيمُوا الصَّلَاةَ، وَيُؤْتُوا الزَّكَاةَ، فَإِذَا فَعَلُوا ذَلِكَ عَصَمُوا مِنِّي دِمَاءَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ إِلَّا بِحَقِّ الْإِسْلَامِ، وَحِسَابُهُمْ عَلَى اللَّهِ "আমি মানুষদের সাথে ততক্ষণ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে আদিষ্ট হয়েছি যতক্ষণ না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া সত্য কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল, তারা সলাত কায়েম করে এবং যাকাত প্রদান করে। যদি তারা তা করে, তবে তারা আমার থেকে তাদের জান ও মাল নিরাপদ রাখল। তবে ইসলামের হক ব্যতীত। আর তাদের হিসাব আল্লাহর উপরই ন্যাস্ত থাকবে।”৪৬৫
আবু বকর সিদ্দীক বলেন: لَوْ مَنَعُونِي عَنَاقًا كَانُوا يُؤَدُّونَهَا إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَقَاتَلْتُهُمْ عَلَى مَنْعِهَا "যদি তারা একটি মেষ শাবক যাকাত দিতেও অস্বীকৃতি জানায়, যা তারা আল্লাহর রসূল কে দিত, তাহলে আমি তাদের সাথে যুদ্ধ করব।”৪৬৬ আনাক্ব: ছাগলের মাদী বাচ্চা, যার এক বছর পূর্ণ হয়নি।
তাঁর সিদ্ধান্তে তিন খলীফাসহ সকল সাহাবী একমত ছিলেন। সুতরাং তাদের থেকে ইজমা প্রমাণিত যে, যাকাত আদায়ে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে তাদের সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। কৃপণতাবশত যাকাত আদায়ে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে সেও এ হাদীসের অন্তর্ভুক্ত হবে।
টিকাঃ
৪৬৪. সহীহ মুসলিম ৯৮৭/২৬, আবু দাউদ ১৬৫৮।
৪৬৫. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ২৯৪৬; সহীহ মুসলিম, হা, ফুআ. ২১।
৪৬৬. সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ.।
📄 যেসব সম্পদে যাকাত ওয়াজিব
পাঁচ প্রকার সম্পদে যাকাত ওয়াজিব (ফরয):
১. চতুষ্পদ জন্তু: আর তা হলো: উট, গরু ও ছাগল। নাবী বলেছেন:
مَا مِنْ صَاحِبِ إِبِلٍ، وَلَا بَقَرٍ، وَلَا غَنَمِ لَا يُؤَدِّي زَكَاتَهَا إِلَّا جَاءَتْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْظَمَ مَا كَانَتْ، وَأَسْمَنَهُ تَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا وَتَطَؤُهُ بِأَخْلَافِهَا، كُلَّمَا نَفِدَتْ أُخْرَاهَا ، عَادَتْ عَلَيْهِ أُولَاهَا، حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ
"উট, গরু ও ছাগলের মালিকদের মধ্যে যে যাকাত আদায় করবে না, কিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তির নিকট এই পশুগুলো আরও বড়ো ও মোটা তাজা হয়ে আসবে। তারপর তাকে শিং দিয়ে গুঁতা দিবে এবং পা দিয়ে পিষ্ট করবে। যখনই শেষ পশুটি চলে যাবে তখনই যথাক্রমে আবার প্রথমটাকে ফিরিয়ে আনা হবে। এভাবে মানুষের মাঝে ফয়সালা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে। "৪৬৭
২. দুই মুদ্রা: যথা সোনা এবং রূপা। এরূপ বর্তমানে প্রচলিত কাগজের মুদ্রা এর স্থলাভিষিক্ত হবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَالَّذِينَ يَكْنِزُونَ الذَّهَبَ وَالْفِضَّةَ وَلَا يُنْفِقُونَهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَبَشِّرْهُمْ بِعَذَابٍ أَلِيمٍ
"যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য জমা করে রাখে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তুমি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সুসংবাদ দাও।" [সুরা তাওবাহ : ৩৪]
নাবী বলেছেন:
مَا مِنْ صَاحِبِ ذَهَبٍ وَلَا فِضَّةٍ، لَا يُؤَدِّي مِنْهَا حَقَّهَا ، إِلَّا إِذَا كَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ، صُفِّحَتْ لَهُ صَفَائِحُ مِنْ نَارٍ، فَأُحْمِيَ عَلَيْهَا فِي نَارِ جَهَنَّمَ، فَيُكْوَى بِهَا جَنْبُهُ وَجَبِينُهُ وَظَهْرُهُ ، كُلَّمَا بَرَدَتْ رُدَّتْ لَهُ، فِي يَوْمٍ كَانَ مِقْدَارُهُ خَمْسِينَ أَلْفَ سَنَةٍ.
"সোনা-রূপার মালিকদের মধ্যে যারা এর হক (যাকাত) আদায় করবে না, কিয়ামতের দিন তার ঐ সোনা-রূপা দিয়ে তারজন্য আগুনের অনেক পাত (লোহার পাতের ন্যায়) তৈরি করা হবে। অতঃপর তা জাহান্নামের আগুনে গরম করা হবে। অতঃপর তা দিয়ে কপাল, পার্শ্বদেশ ও পিঠে দাগ দেওয়া হবে। যখনই ঠাণ্ডা হয়ে আসবে পুনরায় তা উত্তপ্ত করা হবে। এরূপ করা হবে এমন একদিন যার পরিমাণ হবে পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান। ৪৮৮
৩. ব্যাবসায়িক পণ্য: এটা হলো এমন সব পণ্য যা লাভের উদ্দেশ্যে ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। আল্লাহ বলেন: ﴾يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَنْفِقُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ
"হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা তোমাদের অর্জিত পবিত্র জিনিস হতে ব্যয় করো।" [সূরা বাক্বারাহ: ২৬৭]
সকল বিদ্বানই উল্লেখ করেছেন যে, এই আয়াতের উদ্দেশ্য হলো ব্যাবসায়িক পণ্যের যাকাত।
৪. শস্য ও ফল: শস্য: প্রত্যেক ঐ দানাদার খাদ্য যেগুলো গুদামজাত করে খাওয়া যায়। যেমন- গম, যব ইত্যাদি। ফল: খেজুর ও কিশমিশ। আল্লাহ তা'আলা বলেন:
وَمِمَّا أَخْرَجْنَا لَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ
"আমরা তোমাদের জন্য ভূমি থেকে যা উৎপন্ন করেছি সেখান থেকে।" [সুরা বাক্বরাহ: ২৬৭]
অন্যত্র মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন: وَآتُوا حَقَّهُ يَوْمَ حَصَادِهِ "ফসল কর্তনের দিন তার হক বুঝিয়ে দাও।” (সূরা আনআম: ১৪১)
নাবী বলেছেন: فِيمَا سَقَتِ السَّمَاءُ وَالعُيُونُ أَوْ كَانَ عَثَرِيًّا العُشْرَ، وَفِيمَا سُقِيَ بِالنَّضْحِ نِصْفَ العُشْرِ
"বৃষ্টি, ঝর্ণা ও নালার পানিতে উৎপাদিত ফসলের এক দশমাংশ বা দশ ভাগের এক ভাগ যাকাত দিতে হবে। আর সেচের মাধ্যমে পানি দেওয়া হলে অর্ধ উশর বা কুড়ি ভাগের এক ভাগ যাকাত দিতে হবে।"৪৬৯
৫. খনিজ পদার্থ ও গুপ্তধন: মা'য়াদিন (খনিজ পদার্থ): ভূ-গর্ভে সৃষ্ট প্রত্যেক ঐ মূল্যবান সম্পদ যা ভূমি থেকে বের হয়। এটা কোনো উদ্ভাবকের উদ্ভাবন নয়। যেমন- সোনা, রুপা, তামা ইত্যাদি।
রিকায (গুপ্তধন): জাহেলী যুগে মাটির নিচে লুকানো বা পোঁতা প্রাপ্ত সম্পদ। খনিজ সম্পদ ও গুপ্তধনের যাকাত ওয়াজিব হওয়ার আম দলীল: أَنْفِقُوا مِنْ طَيِّبَاتِ مَا كَسَبْتُمْ وَمِمَّا أَخْرَجْنَا لَكُمْ مِنَ الْأَرْضِ) “তোমরা তোমাদের অর্জিত পবিত্র জিনিস হতে ব্যয় করো এবং আমরা তোমাদের জন্য ভূমি থেকে যা উৎপন্ন করেছি সেখান থেকেও।” [সূরা বাক্বারাহ : ২৬৭]
ইমাম কুরতুবী তার তাফসীরে বলেছেন: এর তাফসীর হলো- উদ্ভিদ, খনিজ সম্পদ ও গুপ্তধন। নাবী বলেছেন: وَفِي الزَّكَازِ الخُمُسُ "গুপ্তধনে এক পঞ্চমাংশ যাকাত দিতে হবে।”৪৭০
আর খনিজ পদার্থে যাকাত ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে উম্মতের ইজমা রয়েছে।
টিকাঃ
৪৬৭. সহীহ মুসলিম, হা. ২১৯০, ফুআ, ৯৯০।
৪৬৮. সহীহ মুসলিম, হা. ২১৮০, ফুআ. ৯৮৭।
৪৬৯. সহীহুল বুখারী, হা. ১৪৮৩ ইবনু উমার এর হাদীস।
৪৭০. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৪৯৯; সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ. ১৭১০ আবু হুরায়রা এর হাদীস।