📄 শোক প্রকাশ করার বিধান ও পদ্ধতি
বিপদে শোক প্রকাশ করা ও বিপদ সহ্য করে স্থির থাকা।
বিপদে ধৈর্য ধারণ করে সওয়াবের আশা করার ফযীলত সংক্রান্ত বিভিন্ন দুয়া ও যিক্র-আযকার বর্ণিত হয়েছে।
মৃতব্যক্তির পরিবারের শোক পালন করা শরীয়ত সম্মত। এতে তাদের দুঃখ হালকা হয় এবং এটি তাদের সন্তুষ্টি ও ধৈর্যধারণে উদ্বুদ্ধ করে। নাবী থেকে যা প্রমাণিত সেটা যদি তার জানা থাকে, তাহলে এর মাধ্যমেও শোক প্রকাশ করা যেতে পারে। এছাড়া উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়ে যাবে এমন উত্তম বাক্যাবলির মধ্যে যা তার জন্য সহজ হয়, তা দিয়েও প্রকাশ করা যেতে পারে। তবে শরীয়তের পরিপন্থী হওয়া যাবে না। উসামা বিন যায়েদ বলেন, আমরা নাবী এর নিকটে ছিলাম। তাঁর এক মেয়ে তাঁকে এ মর্মে ডেকে পাঠালেন যে, তার একটা শিশু বা ছেলে মৃত্যুশয্যায় শায়িত। তখন নাবী বললেন: ارْجِعْ إِلَيْهَا فَأَخْبِرْهَا أَنَّ لِلَّهِ مَا أَخَذَ وَلَهُ مَا أَعْطَى، وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهُ بِأَجَلٍ مُسَمًّى، فَمُرْهَا فَلْتَصْبِرْ وَلْتَحْتَسِبْ
“তার কাছে ফিরে যাও। অতঃপর তাকে বলো أَنَّ لِلَّهِ مَا أَخَذَ وَلَهُ مَا أَعْطَى، وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهُ بِأَجَلٍ مُسَمًّى আল্লাহ তা'আলা যা নিয়েছেন সেটা তারই এবং যা দিয়েছেন সেটাও তার। সবকিছুই তার নিকটে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকে। সুতরাং তাকে নির্দেশ দাও, সে যেন ধৈর্যধারণ করে এবং নেকির আশা করে।”৪৫৬
এটা এক ধরনের উত্তম বাক্য যা শোক প্রকাশের ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে। আর শোক প্রকাশের সময় মানুষের মাঝে প্রচলিত এমন কিছু বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত যার কোনো শারঈ ভিত্তি নেই। তন্মধ্যে:
১. চেয়ার, লাইটিং ও হাফেজে কুরআন সম্বলিত নির্দিষ্ট কোনো এক স্থানে শোক প্রকাশের জন্য একত্রিত হওয়া।
২. শোক প্রকাশের উদ্দেশ্যে আগত লোকদের মেহমানদারি করার জন্য শোক প্রকাশের দিনগুলোতে মৃত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা। জারীর আল বাজালী বলেন,
“যে ব্যক্তি গাল চাপড়ায়, বুকের কাপড় ছিঁড়ে এবং জাহেলী যুগের ন্যায় অভিযোগ করে, ঐ ব্যক্তি আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।”৪৬০
যেমন এরূপ বলা: “হায়! ধ্বংস আমার জন্য” ইত্যাদি। নাবী বলেছেন: النَّائِحَةُ إِذَا لَمْ تَتُبْ قَبْلَ مَوْتِهَا تُقَامُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَعَلَيْهَا سِرْبَالٌ مِنْ قَطِرَانٍ، وَدِرْعُ مِنْ جَرَبٍ
“বিলাপকারী যদি মৃত্যুর আগে তাওবা না করে, তাহলে কিয়ামতের দিন তাকে আলকাতরার পায়জামা ও মরিচা ধরা বর্ম পরিয়ে ওঠানো হবে।”৪৬১
টিকাঃ
৪৫৬. সহীহুল বুখারী, হা, ৭৩৭৭, সহীহ মুসলিম ৯২৩/১১।
৪৬০. সহীহুল বুখারী, হা. ১২৯৪।
৪৬১. সহীহ মুসলিম, ফুআ. ৯৩৪/২৯।
বিপদে শোক প্রকাশ করা ও বিপদ সহ্য করে স্থির থাকা।
বিপদে ধৈর্য ধারণ করে সওয়াবের আশা করার ফযীলত সংক্রান্ত বিভিন্ন দুয়া ও যিক্র-আযকার বর্ণিত হয়েছে।
মৃতব্যক্তির পরিবারের শোক পালন করা শরীয়ত সম্মত। এতে তাদের দুঃখ হালকা হয় এবং এটি তাদের সন্তুষ্টি ও ধৈর্যধারণে উদ্বুদ্ধ করে। নাবী থেকে যা প্রমাণিত সেটা যদি তার জানা থাকে, তাহলে এর মাধ্যমেও শোক প্রকাশ করা যেতে পারে। এছাড়া উদ্দেশ্য পূর্ণ হয়ে যাবে এমন উত্তম বাক্যাবলির মধ্যে যা তার জন্য সহজ হয়, তা দিয়েও প্রকাশ করা যেতে পারে। তবে শরীয়তের পরিপন্থী হওয়া যাবে না। উসামা বিন যায়েদ বলেন, আমরা নাবী এর নিকটে ছিলাম। তাঁর এক মেয়ে তাঁকে এ মর্মে ডেকে পাঠালেন যে, তার একটা শিশু বা ছেলে মৃত্যুশয্যায় শায়িত। তখন নাবী বললেন: ارْجِعْ إِلَيْهَا فَأَخْبِرْهَا أَنَّ لِلَّهِ مَا أَخَذَ وَلَهُ مَا أَعْطَى، وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهُ بِأَجَلٍ مُسَمًّى، فَمُرْهَا فَلْتَصْبِرْ وَلْتَحْتَسِبْ
“তার কাছে ফিরে যাও। অতঃপর তাকে বলো أَنَّ لِلَّهِ مَا أَخَذَ وَلَهُ مَا أَعْطَى، وَكُلُّ شَيْءٍ عِنْدَهُ بِأَجَلٍ مُسَمًّى আল্লাহ তা'আলা যা নিয়েছেন সেটা তারই এবং যা দিয়েছেন সেটাও তার। সবকিছুই তার নিকটে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকে। সুতরাং তাকে নির্দেশ দাও, সে যেন ধৈর্যধারণ করে এবং নেকির আশা করে।”৪৫৬
এটা এক ধরনের উত্তম বাক্য যা শোক প্রকাশের ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে। আর শোক প্রকাশের সময় মানুষের মাঝে প্রচলিত এমন কিছু বিষয় থেকে বিরত থাকা উচিত যার কোনো শারঈ ভিত্তি নেই। তন্মধ্যে:
১. চেয়ার, লাইটিং ও হাফেজে কুরআন সম্বলিত নির্দিষ্ট কোনো এক স্থানে শোক প্রকাশের জন্য একত্রিত হওয়া।
২. শোক প্রকাশের উদ্দেশ্যে আগত লোকদের মেহমানদারি করার জন্য শোক প্রকাশের দিনগুলোতে মৃত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা। জারীর আল বাজালী বলেন,
“যে ব্যক্তি গাল চাপড়ায়, বুকের কাপড় ছিঁড়ে এবং জাহেলী যুগের ন্যায় অভিযোগ করে, ঐ ব্যক্তি আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।”৪৬০
যেমন এরূপ বলা: “হায়! ধ্বংস আমার জন্য” ইত্যাদি। নাবী বলেছেন: النَّائِحَةُ إِذَا لَمْ تَتُبْ قَبْلَ مَوْتِهَا تُقَامُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَعَلَيْهَا سِرْبَالٌ مِنْ قَطِرَانٍ، وَدِرْعُ مِنْ جَرَبٍ
“বিলাপকারী যদি মৃত্যুর আগে তাওবা না করে, তাহলে কিয়ামতের দিন তাকে আলকাতরার পায়জামা ও মরিচা ধরা বর্ম পরিয়ে ওঠানো হবে।”৪৬১
টিকাঃ
৪৫৬. সহীহুল বুখারী, হা, ৭৩৭৭, সহীহ মুসলিম ৯২৩/১১।
৪৬০. সহীহুল বুখারী, হা. ১২৯৪।
৪৬১. সহীহ মুসলিম, ফুআ. ৯৩৪/২৯।