📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 কাফন দেওয়ার হুকুম ও পদ্ধতি

📄 কাফন দেওয়ার হুকুম ও পদ্ধতি


মৃত ব্যক্তিকে কাফন দেওয়া ওয়াজিব। নাবী ঐ মুহরিম ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন, যিনি সওয়ারী থেকে পড়ে যাওয়ার দরুন তার ঘাড় মটকে গিয়েছিল;
وَكَفَّنُوهُ فِي ثَوْبَيْنِ
"তাকে দুই কাপড়ে কাফন দাও।"৪২৫
পুরো শরীর ঢেকে দেওয়া ওয়াজিব। যদি একটা ছোটো কাপড় ছাড়া আর কোনো কাপড় না পাওয়া যায় যা পুরো শরীর ঢাকার জন্য যথেষ্ট, তাহলে তার মাথাটা ঢেকে দিবে। আর পায়ের উপর কিছু ইযখিরের ছাল বিছিয়ে দিবে। কারণ মুসআব ইবনু উমাইর এর কাফন দেওয়ার ঘটনায় খব্বাব বলেছেন,
فَأَمَرَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نُغَطَّيَ رَأْسَهُ ، وَأَنْ نَجْعَلَ عَلَى رِجْلَيْهِ مِنَ الْإِذْخِرِ
"নাবী আমাদেরকে তার মাথাটা ঢেকে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তার পায়ের উপর ইযখিরের ছাল বিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।”৪২৬
পুরুষ মুহরীম ব্যক্তির মাথা ঢাকা যাবে না। নাবী বলেছেন: وَلَا تُمَّرُوا رَأْسَهُ "তোমরা তার মাথা ঢেকো না।"৪২৭ মৃত ব্যক্তিকে এমন কাপড় দ্বারা ঢেকে দিবে যাতে তার চামড়া দেখা না যায়। আর তাকে তার পরিহিত বস্ত্র দ্বারা ঢেকে দেওয়া ওয়াজিব; কারণ, মৃত ব্যক্তি এবং তার উত্তরাধিকারীদের উপর কোনো প্রকার অন্যায় আচরণ করা যাবে না। সুন্নাত হলো সুতার সাদা তিন লিফাফে (কাপড়ে) পুরুষকে কাফন দেওয়া। কাপড়টি বিছিয়ে তার উপর মৃতকে চিৎ করে শুইয়ে দিবে। অতঃপর বাম পাশের অংশ উপর দিয়ে ডান পাশে মুড়িয়ে দিবে। অতঃপর ডান পাশের অংশ বামে দিবে। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় কাপড় দিবে। অতঃপর মাথার কাছে অতিরিক্ত অংশ গিঠ দিবে। যদি অতিরিক্ত অংশ আরও বেশি থাকে তবে পায়ের কাছেও অনুরূপভাবে গিঠ দিবে। এটাই কাফন দেওয়ার সবচেয়ে সঠিক নিয়ম। আয়িশাহ বলেন,
كُفَّنَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ثَلاثَةِ أَثْوَابِ بيض سحولية، لَيْسَ فِيهَا قَمِيصٌ وَلَا عِمَامَةٌ، أُدْرِجَ فِيهَا إِدْرَاجًا রাসুল কে কাফন দেওয়া হয়েছিল তিনটি সাদা সূতী ইয়মেনী কাপড়ে। এতে কোনো কুমীস বা পাগড়ী ছিল না। এতে তাঁকে প্রবেশ করানো হয়েছিল বা রাখা হয়েছিল। ৪২৮
এ ব্যাপারে নাবী বলেছেন,
الْبَسُوا مِنْ ثِيَابِكُمُ الْبَيَاضَ فَإِنَّهَا مِنْ خَيْرِ ثِيَابِكُمْ، وَكَفَّنُوا فِيهَا مَوْتَاكُمْ، "তোমরা সাদা কাপড় পরিধান করো এবং এটা দিয়ে তোমাদের মৃতদের কাফন দাও। কারণ এটাই তোমাদের সর্বোত্তম পোশাক।”৪২৯ নারীদের পাঁচটি সূতী কাপড়; ইযার, খিমার, কুমীস ও দুইটি লিফাফা। আর শিশুকে এক কাপড়ে। তিন কাপড়ে দেওয়া বৈধ। ছোটো মেয়ে হলে একটা কুমীস ও দুইটি লিফাফা।

টিকাঃ
৪২৫. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১২৬৬; সহীহ মুসলিম, হা. ১২০৬।
৪২৬. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১২৭৬; সহীহ মুসলিম, হা. ৯৪০।
৪২৭. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১২৬৫; সহীহ মুসলিম, হা. ১২০৬-৯৩।
৪২৮. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১২৬৪; সহীহ মুসলিম, হা. ৯৪১; শেষ শব্দ ইমাম আহমাদ (রাহিঃ) এর ৬/১১৮।
৪২৯. সুনান আবু দাউদ, হা. ৩৮৭৮; তিরমিযী, হা. ১০০৫; ইবনু মাজাহ, হা. ১৪৭২; শব্দ ইমাম তিরমিযীর। ইমাম তিরমিযী হাসান বলেছেন।

মৃত ব্যক্তিকে কাফন দেওয়া ওয়াজিব। নাবী ঐ মুহরিম ব্যক্তি সম্পর্কে বলেছেন, যিনি সওয়ারী থেকে পড়ে যাওয়ার দরুন তার ঘাড় মটকে গিয়েছিল;
وَكَفَّنُوهُ فِي ثَوْبَيْنِ
"তাকে দুই কাপড়ে কাফন দাও।"৪২৫
পুরো শরীর ঢেকে দেওয়া ওয়াজিব। যদি একটা ছোটো কাপড় ছাড়া আর কোনো কাপড় না পাওয়া যায় যা পুরো শরীর ঢাকার জন্য যথেষ্ট, তাহলে তার মাথাটা ঢেকে দিবে। আর পায়ের উপর কিছু ইযখিরের ছাল বিছিয়ে দিবে। কারণ মুসআব ইবনু উমাইর এর কাফন দেওয়ার ঘটনায় খব্বাব বলেছেন,
فَأَمَرَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نُغَطَّيَ رَأْسَهُ ، وَأَنْ نَجْعَلَ عَلَى رِجْلَيْهِ مِنَ الْإِذْخِرِ
"নাবী আমাদেরকে তার মাথাটা ঢেকে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন এবং তার পায়ের উপর ইযখিরের ছাল বিছিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।”৪২৬
পুরুষ মুহরীম ব্যক্তির মাথা ঢাকা যাবে না। নাবী বলেছেন: وَلَا تُمَّرُوا رَأْسَهُ "তোমরা তার মাথা ঢেকো না।"৪২৭ মৃত ব্যক্তিকে এমন কাপড় দ্বারা ঢেকে দিবে যাতে তার চামড়া দেখা না যায়। আর তাকে তার পরিহিত বস্ত্র দ্বারা ঢেকে দেওয়া ওয়াজিব; কারণ, মৃত ব্যক্তি এবং তার উত্তরাধিকারীদের উপর কোনো প্রকার অন্যায় আচরণ করা যাবে না। সুন্নাত হলো সুতার সাদা তিন লিফাফে (কাপড়ে) পুরুষকে কাফন দেওয়া। কাপড়টি বিছিয়ে তার উপর মৃতকে চিৎ করে শুইয়ে দিবে। অতঃপর বাম পাশের অংশ উপর দিয়ে ডান পাশে মুড়িয়ে দিবে। অতঃপর ডান পাশের অংশ বামে দিবে। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় কাপড় দিবে। অতঃপর মাথার কাছে অতিরিক্ত অংশ গিঠ দিবে। যদি অতিরিক্ত অংশ আরও বেশি থাকে তবে পায়ের কাছেও অনুরূপভাবে গিঠ দিবে। এটাই কাফন দেওয়ার সবচেয়ে সঠিক নিয়ম। আয়িশাহ বলেন,
كُفَّنَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ثَلاثَةِ أَثْوَابِ بيض سحولية، لَيْسَ فِيهَا قَمِيصٌ وَلَا عِمَامَةٌ، أُدْرِجَ فِيهَا إِدْرَاجًا রাসুল কে কাফন দেওয়া হয়েছিল তিনটি সাদা সূতী ইয়মেনী কাপড়ে। এতে কোনো কুমীস বা পাগড়ী ছিল না। এতে তাঁকে প্রবেশ করানো হয়েছিল বা রাখা হয়েছিল। ৪২৮
এ ব্যাপারে নাবী বলেছেন,
الْبَسُوا مِنْ ثِيَابِكُمُ الْبَيَاضَ فَإِنَّهَا مِنْ خَيْرِ ثِيَابِكُمْ، وَكَفَّنُوا فِيهَا مَوْتَاكُمْ، "তোমরা সাদা কাপড় পরিধান করো এবং এটা দিয়ে তোমাদের মৃতদের কাফন দাও। কারণ এটাই তোমাদের সর্বোত্তম পোশাক।”৪২৯ নারীদের পাঁচটি সূতী কাপড়; ইযার, খিমার, কুমীস ও দুইটি লিফাফা। আর শিশুকে এক কাপড়ে। তিন কাপড়ে দেওয়া বৈধ। ছোটো মেয়ে হলে একটা কুমীস ও দুইটি লিফাফা।

টিকাঃ
৪২৫. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১২৬৬; সহীহ মুসলিম, হা. ১২০৬।
৪২৬. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১২৭৬; সহীহ মুসলিম, হা. ৯৪০।
৪২৭. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১২৬৫; সহীহ মুসলিম, হা. ১২০৬-৯৩।
৪২৮. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১২৬৪; সহীহ মুসলিম, হা. ৯৪১; শেষ শব্দ ইমাম আহমাদ (রাহিঃ) এর ৬/১১৮।
৪২৯. সুনান আবু দাউদ, হা. ৩৮৭৮; তিরমিযী, হা. ১০০৫; ইবনু মাজাহ, হা. ১৪৭২; শব্দ ইমাম তিরমিযীর। ইমাম তিরমিযী হাসান বলেছেন।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 মৃত ব্যক্তির জানাযার সলাত

📄 মৃত ব্যক্তির জানাযার সলাত


হুকুম ও দলীল: মৃত ব্যক্তির জানাযার সলাত ফরযে কেফায়া। কিছু লোক তা আদায় করলে অন্যান্যদের থেকে পাপের বোঝা নেমে যাবে। এর দলীল হলো: এক ব্যক্তি ঋণ রেখে মারা গেলে তার ব্যাপারে নাবী صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ এর বাণী: “তোমরা তোমাদের সাথীর জানাযার সলাত আদায় করো।”৪৩০
বাদশা নাজাশীর মৃত্যুর দিন নাবী বললেন, إِنَّ أَذَا لَكُمْ قَدْ مَاتَ، فَقُومُوا فَصَلُّوا عَلَيْهِ “নিশ্চয় তোমাদের ভাই মারা গিয়েছে। সুতরাং তোমরা দাঁড়িয়ে জানযার সলাত পড়ো।”৪৩১

টিকাঃ
৪৩০. সহীহ মুসলিম, হা. ১৬১৯।
৪৩১. সহীহ মুসলিম, হা. ৯৫২-৬৪।

হুকুম ও দলীল: মৃত ব্যক্তির জানাযার সলাত ফরযে কেফায়া। কিছু লোক তা আদায় করলে অন্যান্যদের থেকে পাপের বোঝা নেমে যাবে। এর দলীল হলো: এক ব্যক্তি ঋণ রেখে মারা গেলে তার ব্যাপারে নাবী صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ এর বাণী: “তোমরা তোমাদের সাথীর জানাযার সলাত আদায় করো।”৪৩০
বাদশা নাজাশীর মৃত্যুর দিন নাবী বললেন, إِنَّ أَذَا لَكُمْ قَدْ مَاتَ، فَقُومُوا فَصَلُّوا عَلَيْهِ “নিশ্চয় তোমাদের ভাই মারা গিয়েছে। সুতরাং তোমরা দাঁড়িয়ে জানযার সলাত পড়ো।”৪৩১

টিকাঃ
৪৩০. সহীহ মুসলিম, হা. ১৬১৯।
৪৩১. সহীহ মুসলিম, হা. ৯৫২-৬৪।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 জানাযার সলাতের শর্ত, রুকন ও সুন্নাত সমূহ

📄 জানাযার সলাতের শর্ত, রুকন ও সুন্নাত সমূহ


১. শর্ত: শর্তসমূহ: নিয়ত করা, শরীয়তের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি (বিবেকসম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি) হওয়া, কিবলামুখী হওয়া, সতর ঢাকা ও অপবিত্রতা দূর করা। কারণ এটা সলাতেরই অন্তর্ভুক্ত। মৃতকে মুসল্লার সামনে উপস্থিত রাখা যদি (মৃত) নিজ অঞ্চলের হয়, মুসুল্লি এবং মৃত উভয়েই মুসলিম হওয়া ও পবিত্রতা অর্জন করা; যদিও ওযরবশত মাটি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে হয়।
২. রুকন: রুকনগুলো হলো: সক্ষম ব্যক্তির দাঁড়িয়ে সলাত পড়া ফরয। কারণ এটা এমন একটা সলাত যেখানে ফরয সলাতের ন্যায় দাঁড়িয়ে আদায় করা আবশ্যক। চার তাকবীর দেওয়া, (নাবী বাদশা নাজাশীর জন্য চার তাকবীর দিয়েছেন), সূরা ফাতিহাহ পাঠ করা। আম হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, لا صَلَاةَ لَمَنْ لَمْ يَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ “যে ব্যক্তি সলাতে সূরা ফাতিহা পড়ে না, তার সলাত হয় না।”৪৩২
নাবী এর উপর দুরুদ পাঠ করা এবং মৃতব্যক্তির জন্য দুআ। নাবী বলেছেন:
إِذَا صَلَّيْتُمْ عَلَى الْمَيِّتِ فَأَخْلِصُوا لَهُ الدُّعَاءَ "যখন মৃতের জানাযা পড়বে তখন একনিষ্ঠচিত্তে তার জন্য দুআ করবে।”৪৩৩
সালাম ফিরানে। আম হাদীস: "সালামের মাধ্যমেই সলাত শেষ হয়।" ও সবশেষে রুকুনগুলোর মাঝে- ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। এ ক্ষেত্রে একটা রুকন অন্যটির আগে আনা যাবে না।
৩. সুন্নাতসমূহ: প্রত্যেক তাকবীরের সাথে রফউল ইয়াদাঈন করা, ক্বিরাআতর আগে 'আউযুবিল্লাহ' বলা, নিজের এবং মুসলমানদের জন্য দুআ করা এবং অনুচ্চস্বরে ক্বিরাআত পাঠ করা।

টিকাঃ
৪৩২. সহীহ মুসলিম, হা, ৩৯৪।
৪৩৩. দা, হা. ৩১৯৯। হাসান, দেখুন- ইরওয়াউল গালীল ৩/১৭৯।

১. শর্ত: শর্তসমূহ: নিয়ত করা, শরীয়তের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি (বিবেকসম্পন্ন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি) হওয়া, কিবলামুখী হওয়া, সতর ঢাকা ও অপবিত্রতা দূর করা। কারণ এটা সলাতেরই অন্তর্ভুক্ত। মৃতকে মুসল্লার সামনে উপস্থিত রাখা যদি (মৃত) নিজ অঞ্চলের হয়, মুসুল্লি এবং মৃত উভয়েই মুসলিম হওয়া ও পবিত্রতা অর্জন করা; যদিও ওযরবশত মাটি দ্বারা পবিত্রতা অর্জন করতে হয়।
২. রুকন: রুকনগুলো হলো: সক্ষম ব্যক্তির দাঁড়িয়ে সলাত পড়া ফরয। কারণ এটা এমন একটা সলাত যেখানে ফরয সলাতের ন্যায় দাঁড়িয়ে আদায় করা আবশ্যক। চার তাকবীর দেওয়া, (নাবী বাদশা নাজাশীর জন্য চার তাকবীর দিয়েছেন), সূরা ফাতিহাহ পাঠ করা। আম হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, لا صَلَاةَ لَمَنْ لَمْ يَقْرَأُ بِأُمِّ الْقُرْآنِ “যে ব্যক্তি সলাতে সূরা ফাতিহা পড়ে না, তার সলাত হয় না।”৪৩২
নাবী এর উপর দুরুদ পাঠ করা এবং মৃতব্যক্তির জন্য দুআ। নাবী বলেছেন:
إِذَا صَلَّيْتُمْ عَلَى الْمَيِّتِ فَأَخْلِصُوا لَهُ الدُّعَاءَ "যখন মৃতের জানাযা পড়বে তখন একনিষ্ঠচিত্তে তার জন্য দুআ করবে।”৪৩৩
সালাম ফিরানে। আম হাদীস: "সালামের মাধ্যমেই সলাত শেষ হয়।" ও সবশেষে রুকুনগুলোর মাঝে- ধারাবাহিকতা বজায় রাখা। এ ক্ষেত্রে একটা রুকন অন্যটির আগে আনা যাবে না।
৩. সুন্নাতসমূহ: প্রত্যেক তাকবীরের সাথে রফউল ইয়াদাঈন করা, ক্বিরাআতর আগে 'আউযুবিল্লাহ' বলা, নিজের এবং মুসলমানদের জন্য দুআ করা এবং অনুচ্চস্বরে ক্বিরাআত পাঠ করা।

টিকাঃ
৪৩২. সহীহ মুসলিম, হা, ৩৯৪।
৪৩৩. দা, হা. ৩১৯৯। হাসান, দেখুন- ইরওয়াউল গালীল ৩/১৭৯।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 জানাযার সলাতের সময়, ফযীলত ও পদ্ধতি

📄 জানাযার সলাতের সময়, ফযীলত ও পদ্ধতি


১. সময়: যদি সে উপস্থিত থাকে তবে জানাযার সলাতের সময় তাকে গোসল করানো, কাফন দেওয়া ও পূর্ণ প্রস্তুত করানোর পর থেকে শুরু হয়। আর অনুপস্থিত থাকলে মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছার পর।
২. ফযীলত: নাবী বলেছেন:
مَنْ شَهِدَ الْجَنَازَةَ حَتَّى يُصَلَّى عَلَيْهَا فَلَهُ قِيرَاطٌ ، وَمَنْ شَهِدَهَا حَتَّى تُدْفَنَ فَلَهُ قِيرَاطَانِ ، قِيلَ: وَمَا الْقِيرَاطَانِ؟ قَالَ: «مِثْلُ الْجَبَلَيْنِ الْعَظِيمَيْنِ
“যে ব্যক্তি জানাযার সলাতে উপস্থিত হয়ে সলাত আদায় করে, তার জন্য এক কিরাত নেকি। আর যে ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে দাফন করানো পর্যন্ত থাকবে তার জন্য দুই কিরাত নেকি। বলা হলো, দুই কিরাত কতটুকু পরিমাণ? তিনি বললেন, বড়ো দুইটি পাহাড় সমপরিমাণ। ৪৩৪
৩. পদ্ধতি: পুরুষ হলে ইমাম একাকী তার মাথার নিকটে দাঁড়াবে এবং মহিলা হলে মাঝ বরাবর দাঁড়াবে। এটা নাবী এর ফি'লী হাদীস থেকে প্রমাণিত, যা আনাস বর্ণনা করেছেন। ৪৩৫ সলাতের জন্য তাকবীর দিবে। এরপর আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ বলে অনুচ্চস্বরে সূরা ফাতিহাহ পাঠ করবে, যদিও এটি রাতে হয়। অতঃপর তাকবীর দিয়ে তাশাহহুদের দরুদ পাঠ করবে। তারপর তাকবীর দিয়ে মৃতব্যক্তির জন্য নাবী থেকে বর্ণিত দুআ করবে। তিনি বলেন,
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا ، وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا، اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلَامِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيمَانِ.
“হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত-মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত, ছোটো-বড়ো, নারী-পুরুষ সকলকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে আপনি যাকে জীবিত রাখবেন তাকে ইসলামের উপর জীবিত রাখেন এবং আমাদের মধ্যে যাকে মৃত্যু দিবেন তাকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দিন।”৪৩৬
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ وَزَوْجًا خَيْرًا مِنْ زَوْجِهِ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ – أَوْ مِنْ عَذَابِ النَّارِ
“হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দাও ও তার প্রতি দয়া করো। তাকে নিরাপদে রাখো ও তার ত্রুটি মার্জনা করো। তাকে মর্যাদা দান করো ও তার প্রবেশ পথকে প্রশস্ত করে দাও। তাকে পানি, বরফ ও বৃষ্টি দ্বারা ধুয়ে দাও এবং পাপ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করো যেমনভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়। তার ঘরের বিনিময়ে উত্তম ঘর দান করো, তার পরিবার থেকে উত্তম পরিবার দান করো, তার স্ত্রীর তুলনায় উত্তম স্ত্রী দান করো। তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং কবরের আযাব থেকে বাঁচাও অথবা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।”৪৩৭
اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ سَلَفًا لِوَالِدَيْهِ، وَفَرَطًا وَأَجْرًا :
“হে আল্লাহ! তাকে তার পিতামাতার জন্য পূর্বসূরী, কিয়ামতের ময়দানে অগ্রপথিক ও সওয়াবের মাধ্যম করো।”৪৩৮
অতঃপর আবার তাকবীর দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবে। তবে যে দুআ তার কাছে সহজ মনে হবে সেটা পড়তে পারলে ভালো। যেমন-
اللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ، وَلَا تَفْتِنَا بَعْدَهُ
“হে আল্লাহ! এর সওয়াব থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করবেন না এবং এর পর আমাদেরকে ফিতনায় ফেলবেন না।”৪৩৯
সবশেষে ডান দিকে একবার সালাম ফিরাবে। তবে দুইটি সালাম ফিরালে তাতে কোনো সমস্যা নেই। কারো সলাতের কিছু অংশ ছুটে গেলে, সে সলাত শুরু করে ইমামের অনুসরণ করবে। এক্ষেত্রে ইমাম যখন সালাম ফিরাবে তখন তার যে অংশ ছুটে যাবে, তা আদায় করে নিবে। আর যদি দাফনের আগে সলাত শেষ হয়ে যায়, তবে তার জন্য করণীয় হলো ক্ববরের সামনে সলাত আদায় করা। নাবী এরূপ করেছেন যা বর্ণিত হয়েছে ঐ মহিলার ঘটনায় যে মসজিদ ঝাড়ু দিত। ৪৪০ মৃত্যুর সংবাদ জানলে-যদিও তা একমাস বা তার বেশি সময় হয়- গায়েবানা জানাযা আদায় করবে। গর্ভচ্যুত সন্তানের বয়স যদি চার মাস বা তার বেশি হয়, তাহলে তার জানাযা আদায় করবে। আর যদি এর কম হয় তবে তার জানাযা পড়া লাগবে না।

টিকাঃ
৪৩৪. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৩২৫; সহীহ মুসলিম, হা. ৯৪৫।
৪৩৫. আবু দাউদ, হা. ৩১৯৪, তিরমিযী, হা. ১০৪৫; ইবনু মাজাহ, হা. ১৪৯৪। ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান। শাইখ আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহুত তিরমিযী ৮২৬।
৪৩৬. সুনান আবু দাউদ, হা. ৩২০১; তিরমিযী, হা. ১০২৪; ইমাম হাকিম তা মুসতাদরাকে ১/৩৫৮ বর্ণনা করেন। ইমাম তিরমিযী বলেন, হাসান সহীহ। ইমাম হাকিম বলেন, শাইখাইনের শর্তে সহীহ। ইমাম যাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
৪৩৭. সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ. ৯৬৩।
৪৩৮. মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হা. ৬৫৮৯।
৪৩৯. ইমাম মালিক তার মুয়াত্তায় ১/২২৮ বর্ণনা করেন, হা. ১৭; মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হা. ৩/৪৮৮, হা. ৬৪২৫; ইবনু হিব্বان যেভাবে আল-ইহসান ৭/৩৪৭৬, হা. ৩০৭৩; এবং তার মুহাক্কিক বলেন, ইমাম মুসলিমের শর্তে সহীহ।
৪৪০. মুত্তাফাকুন আলাইহি; সহীহুল বুখারী, হা. ৪৫৮; সহীহ মুসলিম, হা. ৯৫৬।

১. সময়: যদি সে উপস্থিত থাকে তবে জানাযার সলাতের সময় তাকে গোসল করানো, কাফন দেওয়া ও পূর্ণ প্রস্তুত করানোর পর থেকে শুরু হয়। আর অনুপস্থিত থাকলে মৃত্যুর সংবাদ পৌঁছার পর।
২. ফযীলত: নাবী বলেছেন:
مَنْ شَهِدَ الْجَنَازَةَ حَتَّى يُصَلَّى عَلَيْهَا فَلَهُ قِيرَاطٌ ، وَمَنْ شَهِدَهَا حَتَّى تُدْفَنَ فَلَهُ قِيرَاطَانِ ، قِيلَ: وَمَا الْقِيرَاطَانِ؟ قَالَ: «مِثْلُ الْجَبَلَيْنِ الْعَظِيمَيْنِ
“যে ব্যক্তি জানাযার সলাতে উপস্থিত হয়ে সলাত আদায় করে, তার জন্য এক কিরাত নেকি। আর যে ব্যক্তি উপস্থিত হয়ে দাফন করানো পর্যন্ত থাকবে তার জন্য দুই কিরাত নেকি। বলা হলো, দুই কিরাত কতটুকু পরিমাণ? তিনি বললেন, বড়ো দুইটি পাহাড় সমপরিমাণ। ৪৩৪
৩. পদ্ধতি: পুরুষ হলে ইমাম একাকী তার মাথার নিকটে দাঁড়াবে এবং মহিলা হলে মাঝ বরাবর দাঁড়াবে। এটা নাবী এর ফি'লী হাদীস থেকে প্রমাণিত, যা আনাস বর্ণনা করেছেন। ৪৩৫ সলাতের জন্য তাকবীর দিবে। এরপর আউযুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ বলে অনুচ্চস্বরে সূরা ফাতিহাহ পাঠ করবে, যদিও এটি রাতে হয়। অতঃপর তাকবীর দিয়ে তাশাহহুদের দরুদ পাঠ করবে। তারপর তাকবীর দিয়ে মৃতব্যক্তির জন্য নাবী থেকে বর্ণিত দুআ করবে। তিনি বলেন,
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِحَيِّنَا وَمَيِّتِنَا، وَشَاهِدِنَا وَغَائِبِنَا، وَصَغِيرِنَا وَكَبِيرِنَا ، وَذَكَرِنَا وَأُنْثَانَا، اللَّهُمَّ مَنْ أَحْيَيْتَهُ مِنَّا فَأَحْيِهِ عَلَى الْإِسْلَامِ، وَمَنْ تَوَفَّيْتَهُ مِنَّا فَتَوَفَّهُ عَلَى الْإِيمَانِ.
“হে আল্লাহ! আমাদের জীবিত-মৃত, উপস্থিত-অনুপস্থিত, ছোটো-বড়ো, নারী-পুরুষ সকলকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমাদের মধ্যে আপনি যাকে জীবিত রাখবেন তাকে ইসলামের উপর জীবিত রাখেন এবং আমাদের মধ্যে যাকে মৃত্যু দিবেন তাকে ঈমানের সাথে মৃত্যু দিন।”৪৩৬
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْحَمْهُ وَعَافِهِ وَاعْفُ عَنْهُ، وَأَكْرِمْ نُزُلَهُ، وَوَسِّعْ مُدْخَلَهُ، وَاغْسِلْهُ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِهِ مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَأَبْدِلْهُ دَارًا خَيْرًا مِنْ دَارِهِ، وَأَهْلًا خَيْرًا مِنْ أَهْلِهِ وَزَوْجًا خَيْرًا مِنْ زَوْجِهِ، وَأَدْخِلْهُ الْجَنَّةَ وَأَعِذْهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ – أَوْ مِنْ عَذَابِ النَّارِ
“হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা করে দাও ও তার প্রতি দয়া করো। তাকে নিরাপদে রাখো ও তার ত্রুটি মার্জনা করো। তাকে মর্যাদা দান করো ও তার প্রবেশ পথকে প্রশস্ত করে দাও। তাকে পানি, বরফ ও বৃষ্টি দ্বারা ধুয়ে দাও এবং পাপ থেকে এমনভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করো যেমনভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার হয়। তার ঘরের বিনিময়ে উত্তম ঘর দান করো, তার পরিবার থেকে উত্তম পরিবার দান করো, তার স্ত্রীর তুলনায় উত্তম স্ত্রী দান করো। তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও এবং কবরের আযাব থেকে বাঁচাও অথবা জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।”৪৩৭
اللَّهُمَّ اجْعَلْهُ سَلَفًا لِوَالِدَيْهِ، وَفَرَطًا وَأَجْرًا :
“হে আল্লাহ! তাকে তার পিতামাতার জন্য পূর্বসূরী, কিয়ামতের ময়দানে অগ্রপথিক ও সওয়াবের মাধ্যম করো।”৪৩৮
অতঃপর আবার তাকবীর দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করবে। তবে যে দুআ তার কাছে সহজ মনে হবে সেটা পড়তে পারলে ভালো। যেমন-
اللَّهُمَّ لَا تَحْرِمْنَا أَجْرَهُ، وَلَا تَفْتِنَا بَعْدَهُ
“হে আল্লাহ! এর সওয়াব থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করবেন না এবং এর পর আমাদেরকে ফিতনায় ফেলবেন না।”৪৩৯
সবশেষে ডান দিকে একবার সালাম ফিরাবে। তবে দুইটি সালাম ফিরালে তাতে কোনো সমস্যা নেই। কারো সলাতের কিছু অংশ ছুটে গেলে, সে সলাত শুরু করে ইমামের অনুসরণ করবে। এক্ষেত্রে ইমাম যখন সালাম ফিরাবে তখন তার যে অংশ ছুটে যাবে, তা আদায় করে নিবে। আর যদি দাফনের আগে সলাত শেষ হয়ে যায়, তবে তার জন্য করণীয় হলো ক্ববরের সামনে সলাত আদায় করা। নাবী এরূপ করেছেন যা বর্ণিত হয়েছে ঐ মহিলার ঘটনায় যে মসজিদ ঝাড়ু দিত। ৪৪০ মৃত্যুর সংবাদ জানলে-যদিও তা একমাস বা তার বেশি সময় হয়- গায়েবানা জানাযা আদায় করবে। গর্ভচ্যুত সন্তানের বয়স যদি চার মাস বা তার বেশি হয়, তাহলে তার জানাযা আদায় করবে। আর যদি এর কম হয় তবে তার জানাযা পড়া লাগবে না।

টিকাঃ
৪৩৪. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৩২৫; সহীহ মুসলিম, হা. ৯৪৫।
৪৩৫. আবু দাউদ, হা. ৩১৯৪, তিরমিযী, হা. ১০৪৫; ইবনু মাজাহ, হা. ১৪৯৪। ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান। শাইখ আলবানী সহীহ বলেছেন, সহীহুত তিরমিযী ৮২৬।
৪৩৬. সুনান আবু দাউদ, হা. ৩২০১; তিরমিযী, হা. ১০২৪; ইমাম হাকিম তা মুসতাদরাকে ১/৩৫৮ বর্ণনা করেন। ইমাম তিরমিযী বলেন, হাসান সহীহ। ইমাম হাকিম বলেন, শাইখাইনের শর্তে সহীহ। ইমাম যাহাবী ঐকমত্য পোষণ করেছেন।
৪৩৭. সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ. ৯৬৩।
৪৩৮. মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হা. ৬৫৮৯।
৪৩৯. ইমাম মালিক তার মুয়াত্তায় ১/২২৮ বর্ণনা করেন, হা. ১৭; মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, হা. ৩/৪৮৮, হা. ৬৪২৫; ইবনু হিব্বان যেভাবে আল-ইহসান ৭/৩৪৭৬, হা. ৩০৭৩; এবং তার মুহাক্কিক বলেন, ইমাম মুসলিমের শর্তে সহীহ।
৪৪০. মুত্তাফাকুন আলাইহি; সহীহুল বুখারী, হা. ৪৫৮; সহীহ মুসলিম, হা. ৯৫৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00