📄 ভীতির সলাতের পদ্ধতি
ভীতির সলাত বিভিন্ন পদ্ধতিতে বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে নাবী থেকে সাহল বিন আবি হাসমা আনসারী এর সূত্রে একটা বিশেষ পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে। আর এটাই কুরআনে বর্ণিত পদ্ধতির সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। এতে সলাতের সতর্কতা রয়েছে, রয়েছে যুদ্ধেরও সতর্কতা। পাশাপাশি এটা শত্রুদের অন্তরজ্বালার কারণ। নাবী এই বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করেছিলেন 'যাতুর রিক্বা' নামক যুদ্ধে। সাহল যেভাবে এই পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন :
أَنَّ طَائِفَةً صَفَّتْ مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَطَائِفَةٌ وِجَاهَ الْعَدُوِّ ، فَصَلَّى بِالَّتِي مَعَهُ رَكْعَةً، ثُمَّ ثَبَتَ قَائِمًا، وَأَتَمُّوا لِأَنْفُسِهِمْ، ثُمَّ انْصَرَفُوا، وَصَفُّوا وِجَاهَ الْعَدُوِّ ، وَجَاءَتِ الْأُخْرَى، فَصَلَّى بِهِمُ الرَّكْعَةَ الَّتِي بَقِيَتْ مِنْ صَلَاتِهِ، ثُمَّ ثَبَتَ جَالِسًا وَأَتَمُّوا لِأَنْفُسِهِمْ، ثُمَّ سَلَّمَ بِهِمْ»
একদল নাবী এর সাথে কাতার সোজা করল, আরেকদল শত্রুর মুখোমুখি হয়ে দাঁড়াল। অতঃপর নাবী তাঁর সাথে দাঁড়ানো লোকদের নিয়ে এক রাকআত সলাত আদায় করে দাঁড়িয়ে রইলেন, এরপর তারা নিজেদের সলাত পূর্ণ করে নিল। অতঃপর তারা গিয়ে শত্রুর মুখোমুখি হয়ে দাঁড়ালো, এবার অপর দলটি এসে নাবী এর বাকি এক রাকআতের সাথে আদায় করল। অতঃপর তিনি বসে রইলেন। পরে তারাও নিজেদের সলাত পূর্ণ করে নিল। এরপর নাবী তাদের নিয়ে সালাম ফিরালেন। ৩৯০
টিকাঃ
৩৯০. সহীহ মুসলিম, হা. ৮৪১; সুনান আবু দাউদ, হা. ১২৩৮।