📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 সলাত পরিত্যাগকারীর বিধান

📄 সলাত পরিত্যাগকারীর বিধান


যে ব্যক্তি সলাত ওয়াজিব হওয়াকে অস্বীকার করে, সে কাফের। কারণ সে আল্লাহ তা'আলা, তাঁর রসূল এবং মুসলিমদের ইজমাকে মিথ্যাপতিপন্নকারী।
যে ব্যক্তি অলসতা এবং অমনোযোগী হয়ে সলাত ছেড়ে দেয়, তার ব্যাপারে সঠিক মত হলো, যদি সে সর্বদাই অলসতা ও অমনোযোগী হয়ে সলাত ছেড়ে দেয়, তাহলে কাফের হয়ে যাবে। আল্লাহ তা'আলা মুশরিকদের সম্পর্কে বলেন:
فَإِنْ تَابُوا وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَآتَوُا الزَّكَاةَ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ "অতঃপর যদি তারা তাওবাহ করে এবং সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়, তাহলে তারা তোমাদের দীনী ভাই।” [সূরা তাওবাহ: ১১]
এই আয়াতটি প্রমাণ করে যে, যদি তারা সলাত প্রতিষ্ঠার শর্তকে বাস্তবায়ন না করে, তাহলে তারা মুসলিম নয় এবং আমাদের দ্বীনি ভাইও নয়। আল্লাহর রসূল বলেন:
الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمُ الصَّلَاةُ، فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ. "আমাদের ও তাদের (কাফেরদের) মধ্যে (মুক্তির) প্রতিশ্রুতি হলো সলাত। সুতরাং যে ব্যক্তি সলাত ছেড়ে দেয়, সে কুফুরী করে।"২৪০
অপর হাদীসে বলেন:
إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشَّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ "বান্দা এবং শিরক-কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সলাত পরিত্যাগ করা।”২৪১
তবে যে ব্যক্তি কখনো সলাত পড়ে আবার কখনো ছেড়ে দেয় অথবা এক দুই ওয়াক্ত ফরয সলাত পড়ে তার ব্যাপারে স্পষ্ট বিধান হলো, সে কাফের নয়। কেননা সে সলাতকে পরিপূর্ণ রূপে ছেড়ে দেয়নি। যেমনটি দলীলে এসেছে: ترك الصلاة
সুতরাং হুকুমটা হলো الصلاة তথা দুইএক ওয়াক্ত সলাত ছাড়া لا الصلا তথা পুরোপুরি সলাত ছেড়ে দেওয়া নয়। এই ক্ষেত্রে সে মূলের উপর থাকবে তথা ইসলামের মধ্যে থাকবে। আমরা তাকে নিশ্চিত ইলম ব্যতীত ইসলাম থেকে বের করার ঘোষণা দিবো না। আর যেটা নিশ্চিত ইলম দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে, সেটা নিশ্চিত ইলম ছাড়া বর্জিত হবে না।

টিকাঃ
২৪০. তিরমিযী, হা. ২৬২১।
২৪১. সহীহ মুসলিম, হা. ১৪৮, ফুআ, ৮২।

যে ব্যক্তি সলাত ওয়াজিব হওয়াকে অস্বীকার করে, সে কাফের। কারণ সে আল্লাহ তা'আলা, তাঁর রসূল এবং মুসলিমদের ইজমাকে মিথ্যাপতিপন্নকারী।
যে ব্যক্তি অলসতা এবং অমনোযোগী হয়ে সলাত ছেড়ে দেয়, তার ব্যাপারে সঠিক মত হলো, যদি সে সর্বদাই অলসতা ও অমনোযোগী হয়ে সলাত ছেড়ে দেয়, তাহলে কাফের হয়ে যাবে। আল্লাহ তা'আলা মুশরিকদের সম্পর্কে বলেন:
فَإِنْ تَابُوا وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَآتَوُا الزَّكَاةَ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ "অতঃপর যদি তারা তাওবাহ করে এবং সলাত আদায় করে ও যাকাত দেয়, তাহলে তারা তোমাদের দীনী ভাই।” [সূরা তাওবাহ: ১১]
এই আয়াতটি প্রমাণ করে যে, যদি তারা সলাত প্রতিষ্ঠার শর্তকে বাস্তবায়ন না করে, তাহলে তারা মুসলিম নয় এবং আমাদের দ্বীনি ভাইও নয়। আল্লাহর রসূল বলেন:
الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمُ الصَّلَاةُ، فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ. "আমাদের ও তাদের (কাফেরদের) মধ্যে (মুক্তির) প্রতিশ্রুতি হলো সলাত। সুতরাং যে ব্যক্তি সলাত ছেড়ে দেয়, সে কুফুরী করে।"২৪০
অপর হাদীসে বলেন:
إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشَّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلَاةِ "বান্দা এবং শিরক-কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সলাত পরিত্যাগ করা।”২৪১
তবে যে ব্যক্তি কখনো সলাত পড়ে আবার কখনো ছেড়ে দেয় অথবা এক দুই ওয়াক্ত ফরয সলাত পড়ে তার ব্যাপারে স্পষ্ট বিধান হলো, সে কাফের নয়। কেননা সে সলাতকে পরিপূর্ণ রূপে ছেড়ে দেয়নি। যেমনটি দলীলে এসেছে: ترك الصلاة
সুতরাং হুকুমটা হলো الصلاة তথা দুইএক ওয়াক্ত সলাত ছাড়া لا الصلا তথা পুরোপুরি সলাত ছেড়ে দেওয়া নয়। এই ক্ষেত্রে সে মূলের উপর থাকবে তথা ইসলামের মধ্যে থাকবে। আমরা তাকে নিশ্চিত ইলম ব্যতীত ইসলাম থেকে বের করার ঘোষণা দিবো না। আর যেটা নিশ্চিত ইলম দ্বারা সাব্যস্ত হয়েছে, সেটা নিশ্চিত ইলম ছাড়া বর্জিত হবে না।

টিকাঃ
২৪০. তিরমিযী, হা. ২৬২১।
২৪১. সহীহ মুসলিম, হা. ১৪৮, ফুআ, ৮২।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00