📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 আযান শ্রবণকারী যা বলবে এবং আযানের পরে যে দুআ করবে

📄 আযান শ্রবণকারী যা বলবে এবং আযানের পরে যে দুআ করবে


আযান শ্রবণকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো মুয়াযযিন যা বলে তাই বলা। এই প্রসঙ্গে আবু সাঈদ খুদরী এর হাদীসে এসেছে, রসূল বলেছেন: إِذَا سَمِعْتُمُ النَّدَاءَ، فَقُولُوا مِثْلَ مَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ “যখন তোমরা আযান শুনতে পাও, তখন মুআযযিন যা বলে তোমরাও তাই বলো."১৭৪
حَيَّ عَلَى الصَّلَاةِ حَيَّ عَلَى الْفَلَاحِ ব্যতীত। এই সময় মুয়াযযিনের বলার পর পর لا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ বলা আযান শ্রবণকারীর জন্য শরীয়ত সম্মত। এই বিধান উমার বিন খাত্তাব হতে বর্ণিত হাদীস হতে প্রমাণিত। ১৭৫
মুয়াজ্জিন যখন ফজরের আযানে الصَّلَاةُ خَيْرٌ مِنَ النَّوْمِ বলবে তখন শ্রোবণকারীও তাই বলবে। তবে এটা ইকামতে বলা সুন্নাত নয়।
অতঃপর নাবী -এর উপর দরুদ পাঠ করে এই দুআ পড়বে: اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ، وَالصَّلاةِ القَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الوَسِيلَةَ وَالفَضِيلَةَ، وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ “যে ব্যক্তি আযান শুনে দুআ করে, 'হে আল্লাহ্-এ পরিপূর্ণ আহবান ও প্রতিষ্ঠিত সলাতের তুমিই মালিক। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অসীলা ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী করো এবং তাঁকে সে মাকামে মাহমুদে পৌঁছে দাও, যার অঙ্গীকার তুমি তাকে করেছো."১৭৬

টিকাঃ
১৭৩. সুনান নাসাঈ, হা. ৬৩৩; সুনান আবু দাউদ, হা. ৫০০।
১৭৪. সহীহুল বুখারী, হা. ৬১১, সহীহ মুসলিম, হা. ১০৯৩।
১৭৫. সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ. ৩৮৫।
১৭৬. সহীহুল বুখারী, হা. ফুআ. ৬১৪।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00