📄 হায়েয এবং নিফাসের কারণে যা হারাম
১. লজ্জাস্থানে যৌন সঙ্গম করা: এই প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা বলেন: فَاعْتَزِلُوا النِّسَاءَ فِي الْمَحِيضِ وَلَا تَقْرَبُوهُنَّ حَتَّى يَطْهُرْنَ "অতএব ঋতুকালে স্ত্রী-সহবাস হতে বিরত থাক এবং যে পর্যন্ত পবিত্র না হয়, তোমরা তাদের নিকটবর্তী হয়ো না।" [সূরা বাক্বারাহ: ২২২]
উক্ত আয়াতটি যখন অবতীর্ণ হয় তখন আল্লাহর রসূল বলেছিলেন: اصْنَعُوا كُلَّ شَيْءٍ إِلَّا النَّكَاحَ "তোমরা (সে সময় তাদের সাথে) শুধু সহবাস ছাড়া অন্যান্য সব কাজ করো।”১৪৫
২. তালাক দেওয়া: এই মর্মে আল্লাহ তা'আলা বলেন: فَطَلِقُوهُنَّ لِعِدَّتِهِنَّ) "তাদেরকে তালাক দিলে তাদের ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে তালাক দিও।" [সূরা তালাক: ১] আব্দুল্লাহ বিন উমার যখন তার স্ত্রীকে হায়েযা অবস্থায় তালাক দেন তখন আল্লাহর রসূল উমার বিন খাত্তাবকে বলেছিলেন: مُرْهُ فَلْيُرَاجِعْهَا "তাকে ফিরিয়ে আনার আদেশ দাও।”১৪৬
৩. সলাত আদায় করা: আল্লাহর রসূল ফাতিমা বিনতে হুবাইশ কে এই প্রসঙ্গে বলেন: إِذَا أَقْبَلَتِ الحَيْضَةُ، فَدَعِي الصَّلاةَ "যখন হায়েয শুরু হবে, সলাত ছেড়ে দিবে। "১৪৭
৪. রোজা রাখা: এই মর্মে আল্লাহর রসূল মহিলাদেরকে লক্ষ্য করে বলেন: أَلَيْسَ إِذَا حَاضَتْ لَمْ تُصَلُّ وَلَمْ تَصُمْ ؟ "আর হায়েয অবস্থায় তারা কি সলাত ও সিয়াম হতে বিরত থাকে না?”১৪৮
৫. বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করা: বিদায় হাজ্জে আয়িশাহ যখন হায়েযা হয়ে যান তখন আল্লাহর রসূল তাকে বলেন:
افْعَلِي مَا يَفْعَلُ الْحَاجُ غَيْرَ أَنْ لَا تَطُوفِي بِالْبَيْتِ حَتَّى تَطْهُرِي
"তুমি পবিত্র হওয়া পর্যন্ত অন্যান্য হাজীদের মতো সকল কাজ করে যাও, কেবল কা'বার তাওয়াফ করবে না।" ১৪৯
৬. কুরআন পাঠ করা: সাহাবী, তাবেঈ, তাবে তাবেঈদের অধিকাংশের মতে হায়েয অবস্থায় কুরআন পাঠ করা হারাম। তবে যদি পাঠ করা একান্ত প্রয়োজনীয় হয়; (যেমন- ভুলে যাওয়ার ভয়ে রিভাইজ করা, মহিলা মাদরাসায় পাঠ দান করা, মাদরাসায় পড়া বলে দেওয়া) তাহলে জায়েয। যদি একান্ত প্রয়োজনীয় না হয়, তাহলে পড়া যাবে না। এই মতটি কোনো কোনো আলেম ব্যক্ত করেছেন। ১৫০
৭. কুরআন মাজীদ স্পর্শ করা: আল্লাহ তা'আলা এই প্রসঙ্গে বলেন:
لَا يَمَسُّهُ إِلَّا الْمُطَهَّرُونَ
"যারা পুতঃ পবিত্র তারা ব্যতীত অন্য কেউ তা স্পর্শ করে না।" [সূরা ওয়াকিয়াহ : ৭৯]
৮. মসজিদে প্রবেশ এবং তাতে অবস্থান করা: নাবী এই মর্মে বলেছেন:
لَا أُحِلُّ الْمَسْجِدَ لِحَائِضِ وَلَا جُنُبٍ
"ঋতুমতী মহিলা ও নাপাক ব্যক্তির জন্য মসজিদে যাতায়াত আমি হালাল করি না।"১৫১
এই কারণে নাবী তার মাথা আয়িশাহ এর দিকে বাড়িয়ে দিতেন। আর আয়িশাহ তার কামরায় থেকে হায়েযাবস্থায় আল্লাহর রসূল এর মাথা চিরুনী করে দিতেন। এমতাবস্থায় নাবী মসজিদের মধ্যে আয়িশাহ এর কামরার নিকটবর্তী থাকতেন। ১৫২ অনুরূপভাবে যদি মসজিদ দুষিত হওয়ার আশংকা করে, তবে হায়েযা মহিলার জন্য মসজিদের মাঝ দিয়ে অতিক্রম করাও হারাম। যদি দুষিত হওয়া থেকে নিরাপদ হয়, তাহলে মসজিদের মাঝ দিয়ে অতিক্রম হারাম নয়।
টিকাঃ
১৪৫. সহীহ মুসলিম, হা. ৫৮১, ফুআ. ৩০২।
১৪৬. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ৫২৫১, সহীহ মুসলিম, হা. ১৪৭১।
১৪৭. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ৩২০, সহীহ মুসলিম, হা. ৩৩৩।
১৪৮. সহীহুল বুখারী, হা. ৩০৪।
১৪৯. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ৩০৫, সহীহ মুসলিম, হা. ১১৯।
১৫০. اشرح الممتع ۵/۲۵۵-۲۵۹
১৫১. সুনান আবু দাউদ, হা. ২৩২, নায়লুল আওতার: ১/২৮৮।
১৫২. সহীহুল বুখারী, হা. ২৯৬।
📄 হায়েযের আবশ্যক বিষয়
১. গোসল ওয়াজিব: এই প্রসঙ্গে নাবী বলেন: دَعِي الصَّلَاةَ قَدْرَ الأَيَّامِ الَّتِي كُنْتِ تَحِيضِينَ فِيهَا، ثُمَّ اغْتَسِلِي وَصَلِّي
“এরূপ হওয়ার পূর্বে যতদিন হায়েয হতো সে কয়দিন সলাত অবশ্যই পরিত্যাগ করবে। তারপর গোসল করে সলাত আদায় করবে।”১৫৩
২. বালেগা হওয়া: আল্লাহর রসূল বলেছেন: لَا يَقْبَلُ اللَّهُ صَلَاةَ حَائِضٍ إِلَّا بِخِمَارٍ “কোনো প্রাপ্তবয়স্কা মেয়ে ওড়না ছাড়া সলাত আদায় করলে আল্লাহ কবুল করেন না।”১৫৪ সুতরাং হায়েযের কারণেই মহিলার উপর পর্দা আবশ্যক হয়। অতঃপর এই হায়েয প্রমাণ করে যে, শরীয়তের দায়িত্ব প্রাপ্যতা হায়েযের দ্বারাই অর্জিত হয়। আর হায়েয বালেগ হওয়ার কারণেই হয়।
৩. ইদ্দত গণনা: যে তালাকপ্রাপ্তা মহিলার হায়েয হয় তার ইদ্দতের সময়সীমা শেষ হবে হায়েয গণনার মাধ্যমে। আল্লাহ তা'আলা বলেন: وَالْمُطَلَّقَاتُ يَتَرَبَّصْنَ بِأَنْفُسِهِنَّ ثَلَاثَةَ قُرُوءٍ)
"তালাকপ্রাপ্তাগণ তিন ঋতু পর্যন্ত অপেক্ষা করবে।” [সুরা বাক্বারাহ: ২২৮] অর্থাৎ তিন হায়েয।
৪. হায়েযের মাধ্যমে ইদ্দত গণনার মাধ্যমে জরায়ু খালি হওয়ার ফয়সালা দেওয়া আবশ্যক করে।
সতর্কীকরণ: যদি হায়েয এবং নিফাসগ্রস্ত মহিলা সূর্য ডোবার পূর্বে পবিত্র হয়, তাহলে ঐ দিনের যোহর ও আসরের সলাত আদায় করা তারজন্য আবশ্যক। আর যদি ফজরের পূর্বে পবিত্র হয়, তাহলে ঐ রাতের মাগরিব এবং ইশার সলাত আদায় করা তার জন্য আবশ্যক। কারণ ওজরের সময় দ্বিতীয় সলাতের ওয়াক্তটা প্রথম সলাতের ওয়াক্ত হয়ে যায়। এই মত পোষণ করেছেন ইমাম মালেক, শাফেঈ, আহমাদসহ অধিকাংশ ওলামায়ে কিরাম। ১৫৫
টিকাঃ
১৫৩. সহীহুল বুখারী, হা. ৩২৫, সহীহ মুসলিম, হা, ৩৩৪।
১৫৪. আবু দাউদ: ৬৪১, তিরমিযী, হা, ৩৭৭, ইবনু মাজাহ, হা. ৬৫৫।
১৫৫. الملخص الفقهي : ১-৫৯-৬০।
📄 নিফাসের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সময়
নিফাসের সর্বনিম্ন সময়ের কোনো সীমারেখা নেই। কেননা এই ব্যাপারে কোনো সীমারেখা বর্ণিত হয়নি। সুতরাং এটা নির্ভর করে রক্ত বিদ্যমান থাকার উপর। কারো রক্ত বেশি থাকে আবার কারো কম থাকে। তবে আধিকাংশরেই রক্ত বিদ্যমান থাকে ৪০ দিন।
ইমাম তিরমিযী বলেন, নাবী এর সাহাবীগণ এবং তাবে'য়ীগণ এই বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, নিফাসগ্রস্ত মহিলা ৪০ দিন সলাত পরিত্যাগ করবে। তবে এর পূর্বে যদি সে পবিত্র হয়ে যায় তাহলে গোসল করে সলাত আদায় করবে। এই মর্মে উম্মু সালামা হতে হাদীস বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন:
كَانَتِ النُّفَسَاءُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ الله صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَجْلِسُ أَرْبَعِينَ يَوْمًا "আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যুগে নিফাসগ্রস্ত মহিলারা চল্লিশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতেন।” ১৫৬
টিকাঃ
১৫৬. সুনান আবু দাউদ, হা, ৩১২, তিরমিযী: ১৩৯, ইবনু মাজাহ, হা. ৬৪৮।
📄 ইস্তিহাযার রক্ত
الإستحاضة বা ইস্তিহাযা: রক্তক্ষরণের রগ হতে অসময়ে রক্ত প্রবহিত হওয়াকে استحاضة বলা হয়। এই রগটিকে عاذل ও বলা হয়।
হুকুম এবং গুণাবলির দিক বিচারে ইস্তিহাযার রক্ত হায়েযের রক্তের বিপরীত। হায়েযের সময় বা অন্য সময় জরায়ুর ভিতরের একটি রগ ফেটে গেলে এই রক্ত বের হয়। যা সলাত, রোজা, এবং সহবাসে বাধা দেয় না। কেননা এই রক্ত পবিত্র। এর দলীল হলো ফাতিমা বিনতে আবী হুবাইশ এর বর্ণিত হাদীস। তিনি বলেন:
يَا رَسُولَ اللهِ، إِنِّي امْرَأَةٌ أَسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ. أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ؟ فَقَالَ : لَا ، إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَ بِالْخَيْضَةِ فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْخَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلَاةَ، وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِيلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلَّي.
“হে আল্লাহ্র রাসূল! আমি কখনও পবিত্র হই না। এমতাবস্থায় আমি কি সলাত ছেড়ে দেব? তিনি বললেন: না, এ হলো এক ধরনের রগ থেকে নির্গত বিশেষ রক্ত, হায়েযের রক্ত নয়। তোমার হায়েয শুরু হলে সলাত ছেড়ে দাও। আর হায়েয শেষ হলে রক্ত ধুয়ে সলাত আদায় করো।” ১৫৭
সুতরাং হায়েযা মহিলা তার নির্ধারিত দিন শেষে গোসল করবে আর মুস্তাহাযা মহিলা ইস্তেহাযার শেষে লজ্জাস্থান ধৌত করবে এবং রক্ত বের হওয়ার স্থানে তুলা জাতীয় কিছু রাখবে যা রক্ত প্রবাহিত হওয়াকে বাধা প্রদান করবে। তুলা জাতীয় জিনিস শক্ত করে রাখবে, যাতে পড়ে না যায়। স্বাস্থ্য সুরক্ষার উপকরণ এই সময়ে যথেষ্ট হবে। অতঃপর সে প্রত্যেক সলাতের জন্য ওযু করবে।
মুস্তাহাযা মহিলার তিন অবস্থা:
প্রথম অবস্থা: অভ্যাসগতভাবে কোনো কোনো মহিলার ইস্তেহাযা হয়। আর সে তার ইস্তেহাযা হওয়ার পূর্বেকার হায়েযের নির্ধারিত সময় জানে। এই শ্রেণির মহিলা তার হায়েযের নির্ধারিত সময় নামায-রোজা থেকে বিরত থাকবে এবং এই রক্তকে হায়েযের রক্ত মনে করবে। যখন হায়েযের নির্ধারিত সময় শেষ হবে তখন সে গোসল করবে এবং সলাত আদায় করবে এবং তার পরে প্রবাহিত রক্তকে ইস্তিহাযার রক্ত মনে করবে। এই মর্মে আল্লাহর রসূল উম্মু হাবীবা কে বলেন:
اُمْكُثِي قَدْرَ مَا كَانَتْ تَحْبِسُكِ حَيْضَتُكِ ، ثُمَّ اغْتَسِلِيْ وَصَلَّي
“তোমার হায়েয যে কয়দিন হয়, সে কয়দিন পরিমাণ তুমি অপেক্ষা করো। তারপর গোসল করো এবং সলাত আদায় করো।” ১৫৮
দ্বিতীয় অবস্থা: কোনো মহিলার অভ্যাসগত ভাবে ইস্তেহাযা হয় না। তবে তার প্রবাহিত রক্তের বৈশিষ্ট্য দেখে হায়েযের রক্ত পার্থক্য করা সম্ভব; কালো রং বিশিষ্ট অথবা ঘন হওয়া অথবা দুর্গন্ধযুক্ত হওয়া। আর ইস্তেহাযার রক্তের বৈশিষ্ট্য দেখে চেনা যায়; লাল রং, দুর্গন্ধ না থাকা। এমতাবস্থায় ঐ মহিলা প্রবাহিত রক্তের পার্থক্য নিরূপণ করে হায়েয ও ইস্তিহাযা গণনা করবে। এই প্রসঙ্গে নাবী ফাতিমা বিনতে আবী হুবাইশ কে বলেন:
إِذَا كَانَ دَمُ الْخَيْضَةِ فَإِنَّهُ أَسْوَدُ يُعْرَفُ ، فَإِذَا كَانَ ذَلِكَ فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلَاةِ ، فَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضّئِي وَصَلَّي فَإِنَّمَا هُوَ عِرْقُ
“হায়েযের রক্ত কালো হয়ে থাকে, তা চেনা যায়। যদি এ রক্ত বের হয় তাহলে সলাত থেকে বিরত থাকবে। আর যদি অন্য রকম হয় তাহলে ওযু করে সলাত আদায় করবে। কারণ তা রগ থেকে নির্গত রক্ত।”১৫৯
তৃতীয় অবস্থা: যদি কোনো মহিলার অভ্যাসগত ভাবে ইস্তেহাযা না হয়, আর তার প্রবাহিত রক্তের মাঝে এমন কোনো গুণ না পাওয়া যায়, যার দ্বারা হায়েয এবং ইস্তেহাযার রক্তের মাঝে পার্থক্য করা যায়, তাহলে সে মহিলা অধিকাংশ মহিলার হায়েযের সময়সীমা ছয়দিন বা সাত দিন নামায-রোজা থেকে বিরত থাকবে। ছয় বা সাত দিন পরে ঐ মহিলা গোসল করবে এবং সলাত-সওম আদায় করবে। এই প্রসঙ্গে আল্লাহর রসূল হামনা বিনতে জাহশকে বলেন:
إِنَّمَا هَذِهِ رَكْضَةٌ مِنْ رَكَضَاتِ الشَّيْطَانِ فَتَحَيَّضِي سِتَّةَ أَيَّامٍ أَوْ سَبْعَةَ أَيَّامٍ ... ، ثُمَّ اغْتَسِيلي ... فَإِذَا اسْتَنْقَاتِ فَصَلِّي ... وَصُومِي، فَإِنَّ ذَلِكَ يُجْزِيكِ .
“এটা শয়তানের লাথি বা আঘাত। কাজেই তুমি নিজেকে ছয় অথবা সাতদিন ঋতুমতী ধরে নেবে।... তারপর গোসল করবে।... যখন তুমি নিজেকে পাক-পবিত্র মনে করবে, তখন সলাত আদায় করবে... ও সিয়াম পালন করবে। এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট।”১৬০ ركضة من الشيطان এর অর্থ: ধাক্কা দেওয়া, আঘাত করা। অর্থাৎ শয়তান এই রক্তকে ধাক্কা দেয়, আঘাত করে।
টিকাঃ
১৫৭. সহীহুল বুখারী, হা. ৩০৬, সহীহ মুসলিম, হা. ফুআ. ৩৩৪।
১৫৮. সহীহ মুসলিম, হা. ৬৪৬, ফুআ. ৩৩৪।
১৫৯. সুনান আবু দাউদ, হা. ২৮৬।
১৬০. সুনান আবু দাউদ, হা. ২৮৭, তিরমিযী, হা. ১২৮।