📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 তায়াম্মুম ভঙ্গকারী বিষয়াদি

📄 তায়াম্মুম ভঙ্গকারী বিষয়াদি


যে বিষয়গুলো তায়াম্মুম ভঙ্গ করে সেগুলো তিনটি:
১. ওযু ভঙ্গকারী ছোটো অপবিত্রতা এবং গোসল আবশ্যককারী বড়ো অপবিত্রতা যেমন সহবাস, হায়েয, নিফাস দ্বারা তায়াম্মুম ভঙ্গ হয়ে যাবে। যদি কেউ ছোটো অপবিত্রতা হতে তায়াম্মুম করে অতঃপর প্রস্রাব করে অথবা পায়খানা করে তাহলে তার তায়াম্মুম বতিল হয়ে যাবে। কারণ তায়াম্মুম হলো ওযুর পরিবর্তে। আর পরিবর্তিত বিষয়ের বিধান যার সাথে পরিবর্তন করা হয়েছে তার মতোই। অনুরূপভাবে বড়ো অপবিত্রতার কারণেও তায়াম্মুম বাতিল হয়ে যাবে।
২. পানি পাওয়া গেলে: যদি পানি না থাকার কারণে তায়াম্মুম করা হয় তাহলে পানি পাওয়ার সাথে সাথে তায়াম্মুম ভঙ্গ হয়ে যাবে। আল্লাহর রসূল বলেন: فَإِذَا وَجَدْتَ الْمَاءَ فَأَمِسَّهُ بشرتك “যখন সে পানি পাবে নিজের শরীরে যেন পানি পৌঁছায়।”
৩. যে অপারগতার কারণে তায়াম্মুম করা শরীয়ত সম্মত হয়েছে, সে অপারগতা দূর হয়ে গেলে তায়াম্মুম ভেঙ্গে যাবে। যেমন- অসুস্থতা।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 তায়াম্মুমের পদ্ধতি

📄 তায়াম্মুমের পদ্ধতি


পদ্ধতি: প্রথমে নিয়ত করবে অতঃপর বিসমিল্লাহ বলে দুই হাত মাটিতে একবার মারবে। অতঃপর দুই হাতে ফুঁ-দিয়ে দুই হাত দ্বারা চেহারা এবং দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত মাসাহ করবে। আম্মার এর হাদীসে এসেছে:
التَّيَمُّمُ ضَرْبَةً لِلْوَجْهِ وَ الكفين
“তায়াম্মুমে মুখমণ্ডল ও উভয় হাতের জন্য একবার (তায়াম্মুমের বস্তুর উপর হাত) মারতে হবে।” ১৩২
আম্মারের অপর হাদীসে এসেছে। আল্লাহর রসূল বলেছেন:
إِنَّمَا كَانَ يَكْفِيكَ أَنْ تَصْنَعَ هَكَذَا، فَضَرَبَ بِكَفِّهِ ضَرْبَةً عَلَى الأَرْضِ، ثُمَّ نَفَضَهَا، ثُمَّ مَسَحَ بِهِمَا ظَهَرَ كَفِّهِ بِشِمَالِهِ أَوْ ظَهْرَ شِمَالِهِ بِكَفِّهِ، ثُمَّ مَسَحَ بِهِمَا وَجْهَهُ.
“তোমার জন্য তো এটুকুই যথেষ্ট ছিল- এই বলে- তিনি দুই হাত মাটিতে মারলেন, তারপর তা ঝেড়ে নিলেন এবং তা দিয়ে তিনি বাম হাতে ডান হাতের পিঠ মাসাহ করলেন। (কিংবা রাবী বলেছেন) বাম হাতের পিঠ ডান হাতে মাসাহ করলেন। তারপর হাত দুটো দিয়ে তাঁর মুখমণ্ডল মাসাহ করলেন।” ১৩৩

টিকাঃ
১৩২. আহমাদ: ৪/২৬, সুনান আবু দাউদ, হা. ৩২৭।
১৩৩. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ৩৪৭, সহীহ মুসলিম, হা. ৩৬৮।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00