📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 প্রয়োজন পূরণের সময় (প্রস্রাব পায়খানা করা অবস্থায়) কিবলামুখী হওয়া এবং কিবলাকে পিছনে রাখা

📄 প্রয়োজন পূরণের সময় (প্রস্রাব পায়খানা করা অবস্থায়) কিবলামুখী হওয়া এবং কিবলাকে পিছনে রাখা


জনমানবহীন স্থানে যেখানে কোনো বেড়া বা প্রতিবন্ধকতা নেই সেখানে প্রয়োজন পূরণ করার সময় কিবলামুখী হওয়া বা কিবলাকে পিছনে রাখা কোনোটাই জায়েয নেই। আবু আইয়ুব আনসারী থেকে বর্ণিত। রসূল বলেছেন:
إِذَا أَتَيْتُمُ الْغَائِطَ فَلَا تَسْتَقْبِلُوا الْقِبْلَةَ، وَلَا تَسْتَدْبِرُوهَا بِيَوْلٍ وَلَا غَائِطِ، وَلَكِنْ شَرِّقُوا أَوْ غَرُبُوا قَالَ أَبُو أَيُّوبَ: فَقَدِمْنَا الشَّامَ فَوَجَدْنَا مَرَاحِيضَ قَدْ بُنِيَتْ قِبَلَ الْقِبْلَةِ، فَتَنْحَرِفُ عَنْهَا وَنَسْتَغْفِرُ اللهَ
"যখন তোমরা পায়খানা করতে যাও তখন তোমরা কিবলার দিকে মুখ করবে না এবং পিঠও দিবে না, বরং তোমরা পূর্ব দিকে বা পশ্চিম দিকে ফিরে বসবে। আবু আইয়ুব আনসারী বলেন, আমরা যখন সিরিয়ায় এলাম তখন পায়খানাগুলো কিবলামুখী করে বানানো পেলাম। ফলে আমরা কিছুটা ফিরে বসতাম এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতাম।"৩৫
তবে শৌচালয় যদি বিল্ডিং-এর মাঝে হয় অথবা ব্যক্তি এবং কিবলার মাঝে কোনো বেড়া/প্রতিবন্ধক থাকে, তাহলে কিবলামুখী হওয়া বা পিছনে রাখা কোনোটাতেই সমস্যা নেই। আব্দুল্লাহ বিন উমার হতে বর্ণিত।
أَنَّهُ رَأَى رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : يبول في بيته مُسْتَقْبِلَ الشَّامِ، مُسْتَدْبَرَ الْقِبْلَةِ
"তিনি আল্লাহর রসূল কে তার বাড়িতে সিরিয়া মুখী হয়ে এবং কা'বার দিকে পিঠ করে বসে প্রস্রাব করতে দেখেছেন।"৩৬
ছোটো মারওয়ান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন,
أَنَاخَ ابْنُ عُمَرَ رَاحِلَتَهُ مُسْتَقْبِلَ الْقِبْلَةِ، ثُمَّ جَلَسَ يَبُولُ إِلَيْهَا ، فَقُلْتُ : يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَلَيْسَ قَدْ نُهِيَ عَنْ هَذَا؟ قَالَ : بَلَى إِنَّمَا نُهِيَ عَنْ ذَلِكَ فِي الْفَضَاءِ، فَإِذَا كَانَ بَيْنَكَ وَبَيْنَ الْقِبْلَةِ شَيْءٌ يَسْتُرُكَ فَلَا بَأْسَ
"ইবনু উমার তার উটকে কিবলার দিকে বসালেন। অতঃপর ঐ উটের দিকে মুখ করে বসে প্রস্রাব করলেন। আমি বললাম: হে আবু আব্দুর রহমান। এ থেকে কি নিষেধ করা হয়নি? তিনি বললেন: হ্যাঁ, তবে এ নিষেধ উন্মুক্ত ময়দানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি তোমার এবং কিবলার মাঝে কোনো আড়াল থাকে তাহলে কোনো সমস্যা নেই।"৩৭
তবে বিল্ডিং এর মাঝেও কিবলামুখী হওয়া, কিবলাকে পিছনে রাখা পরিত্যাগ করা উত্তম। [আল্লাহ সর্বজ্ঞানী]

টিকাঃ
** আহমাদ: ৬/১০৮, দারাকুতনী: ১৪৪, ইমাম দারাকুতনী এর সনদকে সহীহ বলেছেন।
** সহীহ মুসলিম, হা. ৪৯৪, ফুআ. ২৬২।
* الرجيع: মল, বিষ্টা, গোবর।
৩৫. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৪৪, সহীহ মুসলিম, হা. ৪৯৭, ফুআ. ২৬৪।
৩৬. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৪৮, সহীহ মুসলিম, হা. ৪৯৯, ফুআ. ২৬৬।
৩৭. সুনান আবু দাউদ, হা. ১১, দারাকুতনী: ১৫৮, হাকেম: ১/১৫৪, ইমাম দারাকুতনী ও হাকেম এটাকে সহীহ বলেছেন। ইমাম যাহাবী সহমত প্রকাশ করেছেন। ইবনু হাজার, হাজেমি এবং আলবানী এটাকে হাসান বলেছেন।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 টয়লেটে প্রবেশকারীর করণীয় সুন্নাতসমূহ

📄 টয়লেটে প্রবেশকারীর করণীয় সুন্নাতসমূহ


بسم الله اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الخُبُثِ وَالخَبَائِبُ দুআটি পাঠ করা এবং বের হওয়ার সময় غُفْرَانَكَ দুআটি পাঠ করা। এ ছাড়াও তার জন্য সুন্নাত হলো বাম পা আগে দিয়ে প্রবেশ করা, ডান পা আগে দিয়ে বের হওয়া এবং মাটির (মলমূত্র ত্যাগের স্থান) কাছাকাছি না হওয়া পর্যন্ত লজ্জাস্থান উম্মোচিত না করা।
স্থানটা যদি উন্মুক্ত হয় তাহলে মুস্তাহাব হলো- দূরে যাওয়া এবং পর্দা করা যাতে দেখা না যায়। এগুলোর প্রমাণ হলো নিম্নরূপ:
১. জাবির হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَأْتِي الْبَرَازَ حَتَّى يَتَغَيَّبَ فَلَا يُرَى
"আমরা আল্লাহর রসূল এর সাথে সফরে বের হলাম। আল্লাহর রসূল প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতে এত দূরে যেতেন যে, তাকে দেখা যেত না।"৩৯
২. আলী হতে বর্ণিত। রসূল বলেন:
سَتْرُ مَا بَيْنَ أَعْيُنِ الجِنِّ وَعَوْرَاتِ بَنِي آدَمَ : إِذَا دَخَلَ أَحَدُهُمُ الخَلَاءَ، أَنْ يَقُولَ: بِسْمِ اللَّهِ
"জিনের দৃষ্টি ও আদম সন্তানের লজ্জাস্থানের মাঝে পর্দা হলো যখন তাদের কেউ টয়লেটে প্রবেশ করে সে যেন বিসমিল্লাহ বলে।"৪০
৩. আনাস হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا دَخَلَ الخَلاءَ قَالَ : اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ নাবী যখন টয়লেটে প্রবেশ করতেন তখন এই দুআটি পাঠ করতেন-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبُثِ وَالْخَبَائِثِ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে নাপাক পুরুষ জীন এবং মহিলা জীন থেকে আশ্রয় চাচ্ছি।”৪১
৪. আয়িশাহ রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا خَرَجَ مِنَ الْخَلَاءِ، قَالَ غُفْرَانَكَ "নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন পায়খানা হতে বের হতেন তখন বলতেন।"৪১
৫. ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا أَرَادَ حَاجَةً لَا يَرْفَعُ ثَوْبَهُ حَتَّى يَدْنُو مِنَ الْأَرْضِ "নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন টয়লেটে যাওয়ার ইচ্ছা করতেন তখন মাটির (মলমূত্র ত্যাগের স্থান) নিকটবর্তী না হওয়া পর্যন্ত তিনি তার কাপড় ওঠাতেন না।"৪২

টিকাঃ
৩৯. সুনান আবু দাউদ, হা. ২, ইবনু মাজাহ, হা. ৩৩৫, শব্দ ইবনু মাজাহ এর। দেখুন সহীহ ইবনু মাজাহঃ ১/৬০।
৪০. ইবনু মাজাহঃ ২৯৭, তিরমিযী, হা. ৬০৬, আলবানী (রহঃ) এটা সহীহ বলেছেন: ৩৬১১।
৪১. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৪২, সহীহ মুসলিম, হা. ৭১৭, ফুআ. ৩৭৫।
৪১. সুনান আবু দাউদ, হা. ১৭, তিরমিযী, হা. ৭।
৪২. সুনান আবু দাউদ, হা. ১৪, তিরমিযী, হা. ১৪।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 মলমূত্র ত্যাগকারীর জন্য যে কাজগুলো করা হারাম

📄 মলমূত্র ত্যাগকারীর জন্য যে কাজগুলো করা হারাম


আবদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করা হারাম। জাবির রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন: انه نَهَى عَنِ الْبَوْلِ فِي الْمَاءِ الرَّاكِدِ "নিশ্চয় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদ্ধ পানিতে প্রস্রাব করতে নিষেধ করছেন।"৪৩
প্রস্রাব/পায়খানা করা অবস্থায় কোনো ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান ধরবে না এবং ডান হাতে ইস্তিনজাও করবে না। (কারণ এগুলো হারাম) আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: إِذَا بَالَ أَحَدُكُمْ فَلَا يَأْخُذَنَّ ذَكَرَهُ بِيَمِينِهِ، وَلَا يَسْتَنْجِي بِيَمِينِهِ “যখন তোমাদের কেউ প্রস্রাব করে তখন সে যেন ডান হাতে লজ্জাস্থান না ধরে এবং ডান হাতে ইস্তেন্‌ন্জা না করে।"৪৪
অনুরূপভাবে ছায়াতে, বাগানে, ফলদায়ক গাছের নীচে, পানির ঘাটে প্রস্রাব-পায়খানা করা হারাম। মুয়ায বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
اتَّقُوا المَلَاعِنَ الثَّلَاثَةَ الْبَرَازَ فِي الْمَوَارِدِ، وَقَارِعَةِ الطَّرِيقِ، وَالظُّلْ "তোমরা তিনটি অভিশপ্ত কাজ থেকে বিরত থাক। সেগুলো হলো: মানুষের অবতরণ স্থলে, চলাফেরার পথে এবং ছায়া বিশিষ্ট স্থানে পায়খানা করা।”৪৫
আবু হুরায়রা হতে বর্ণিত। নিশ্চয়ই নাবী বলেছেন: اتَّقُوا اللَّعَانَيْنِ قَالُوا: وَمَا اللَّعَانَانِ يَا رَسُولَ اللهِ ؟ قَالَ : الَّذِي يَتَخَلَّى فِي طَرِيقِ النَّاسِ، أَوْ فِي ظِلْهِمْ "তোমরা দুটি অভিশপ্ত কাজ থেকে বিরত থাকো। সাহাবিগণ বললেন: হে আল্লাহর রসূল! সে দুটি অভিশপ্ত কাজ কি? তিনি বললেন: মানুষের চলা-ফেরার রাস্তায় এবং তাদের ছায়ায় পায়খানা করা।”৪৬
অনুরূপভাবে টয়লেটে কুরআন পাঠ করা এবং গোবর, হাড় ও সম্মানিত খাবারের দ্বারা ইস্তিজমার করাও হারাম। জাবির থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُتَمَسَّحَ بِعَظْمٍ، أَوْ بِبَعْرٍ "নাবী হাড্ডি এবং গোবর দ্বারা ইস্তিজমার করতে নিষেধ করেছেন। "৪৭
মুসলিমদের কবরস্থানেও পায়খানা করা হারাম। নাবী বলেছেন: وَمَا أُبَالِي أَوَسْطَ الْقُبُورِ قَضَيْتُ حَاجَتِي، أَوْ وَسْطَ السُّوقِ "কবরস্থানে পায়খানা করা আর বাজারে পায়খানা করার মধ্যে আমি কোনো পার্থক্য দেখি না।'৪৮

টিকাঃ
৪৩. সহীহ মুসলিম, হা. ৫৪২, ফুআ, ২৮১, সহীহুল বুখারী, হা. ২৩৯, الراكد: নিশ্চল, আবদ্ধ পানি।
৪৪. মুত্তাফাকুন আলাইহি: সহীহুল বুখারী, হা. ১৫৬৪, সহীহ মুসলিম, হা. ৫০১, ফুআ. ২৬৭।
৪৫. সুনান আবু দাউদ, হা. ২৬, ইবনু মাজাহ, হা. ৩২৮।
৪৬. সহীহ মুসলিম, হা. ৫০৩, ফুআ. ২৬৯।
৪৭. সহীহ মুসলিম, হা. ৪৯৫, ফুআ. ২৬২।
৪৮. ইবনু মাজাহ, হা. ১৫৬৭।

📘 ফিকহুল মুয়াসস্যার > 📄 প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণকারীর জন্য অপছন্দনীয় কর্মসমূহ

📄 প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণকারীর জন্য অপছন্দনীয় কর্মসমূহ


কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই বাতাসের প্রবাহমুখী হয়ে প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করা (যাতে তার দিকে প্রস্রাব ফিরে না আসে) মাকরূহ। এমনিভাবে প্রকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করা অবস্থায় কথা বলা মাকরূহ। নাবী প্রস্রাব করা অবস্থায় তার পাশ দিয়ে একজন লোক অতিক্রম করলেন এবং তাকে সালাম দিলেন। নাবী তার সালামের জবাব দিলেন না। ৪৯
গর্ত এবং এমন স্থানে প্রস্রাব করা হারাম। আবু ক্বাতাদা আব্দুল্লাহ বিন সারজিস থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন-
أَنَّ رَسُولَ الله صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى أَنْ يُبَالَ فِي الْجُحْرِ قيل لِقَتَادَةَ: مَا بَالَ الْجُحْرِ؟ قَالَ : يُقَالُ إِنَّهَا مَسَاكِنُ الْجِنِّ
"নাবী গর্তে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন। আবু কাতাদাকে জিজ্ঞেস করা হলো, কি কারণে গর্তে প্রস্রাব করা নিষেধ? তিনি বললেন, বলা হয়, গর্তে জিনেরা বসবাস করে।”৫০
কারণ গর্তে কোনো প্রাণী থাকতে পারে, ফলে সে প্রাণী কষ্ট পাবে, অথবা সেটা জিনদের বাসস্থান হতে পারে, ফলে তারা কষ্টের স্বীকার হবে।
প্রয়োজন ছাড়া আল্লাহর নাম রয়েছে এমন কোনো জিনিস নিয়ে টয়লেটে প্রবেশ করা মাকরূহ। কারণ নাবী যখন টয়লেটে প্রবেশ করতেন তখন তার আংটি রেখে যেতেন। ৫১
যদি প্রয়োজন এবং জরুরি হয় তাহলে কোনো সমস্যা নেই। যেমন: এমন টাকা নিয়ে টয়লেটে প্রবেশ করা, যাতে بسم الله রয়েছে। যদি এটা বাইরে রেখে যায় তাহলে চোরের লক্ষবস্তু হয় অথবা ভুলে রেখে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে মুসহাফ (কুরআন কপি) নিয়ে টয়লেটে প্রবেশ করা হারাম। চাই সেটা প্রকাশ্য হোক অথবা গোপন। কারণ মুসহাফ হলো আল্লাহর বাণী, সর্বশ্রেষ্ঠ বানী। মুসহাফ নিয়ে টয়লেটে প্রবেশ করা মুসহাফকে অপমানের নামান্তর বৈ অন্য কিছু নয়।

টিকাঃ
৪৯. সহীহ মুসলিম, হা. ৭২২, ফুআ. ৩৭০।
৫০. সুনান আবু দাউদ, হা. ২৯, সুনান নাসাঈ, হা. ৩৪।
৫১. সুনান আবু দাউদ, হা. ১৯, তিরমিযী, হা. ১৭৪৬, সুনান নাসাঈ, হা. ৫২২৮, ইবনু মাজাহ, হা. ৩০৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00