📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 ১০. চাই প্রিয় নেতৃত্ব

📄 ১০. চাই প্রিয় নেতৃত্ব


দায়িয়াকে হতে হবে অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী। সাধারণ নারীদের চাইতে আলাদা গুণ বিশিষ্ট। পরিচালনা, উদ্যম, সার্বক্ষণিক পরিশ্রম, কুরআন সুন্নাহর জ্ঞান, জাগতিক বিষয়ে সূক্ষ্ম অন্তর্দৃষ্টি, পরমতসহিষ্ণুতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের ভাণ্ডার।

একজন সফল দায়িয়াকে ক্ষুদ্রতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। যথাস্থানে কথোপকথন ও প্রয়োজনে শালীন বিতর্কে পারদর্শিনী হতে হবে। দান খয়রাত ও সাহায্য সহযোগিতার হাতও হতে হবে প্রসারিত। তিনি হবেন সহনশীলতা, ক্ষমা-মার্জনা ও মহত্ত্বের প্রতিবিম্ব।

দায়িয়ার চরিত্র চিন্তা চেতনা ও কাজ কর্মে হবে ভারসাম্যপূর্ণ। পর্যাক্রমতা ও গুরুত্বপূর্ণতা অনুসারে। সুতরাং তার কর্তব্যের সূচিপত্রে প্রথমেই আসবে স্বামীর আনুগত্য ও দাম্পত্যজীবনের অধিকার আদায়ের বিষয়টি। তারপর আসবে সন্তান-লালনপালন ও পারিবারিক দায়িত্বপালনের বিষয়টি। এরপর আসবে দাওয়াতি কাজ।

সফল দায়িয়াকে অনুসরণ করতে হবে একটি যৌক্তিক, সমন্বিত কর্তব্যনীতি। এজন্য তিনি তাঁর মূল্যবান সময়গুলোকে ভাগ করে নেবেন। যাতে একজন স্ত্রী হিসেবে, একজন গৃহিণী হিসেবে তাঁর ওপর যে মৌলিক দায়িত্বগুলো বর্তায় সেগুলোর মাঝে এবং দাওয়াতি কাজের মাঝে সমন্বয় করা হয় সম্ভবপর। তা না হলে, নারীর যে কোনো কাজই— চাই সেটা দাওয়াতের মতো মহৎ কর্মই হোক বা আজকালকার চাকরিবাকরিই হোক— পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্যজীবনের মূলে গিয়ে আঘাত করে বসবে। যার অনিবার্য ফল হবে সন্তানদের অধিকার লঙ্ঘন। এমন চাকরিবাকরি কোনোভাবেই প্রশংসিত হতে পারে না।

যাই হোক, কথা বলছিলাম দায়িয়াত্বের নেতৃত্বগুণ প্রসঙ্গে। এক্ষেত্রে সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ী এবং পরবর্তী মুসলিম নারীগণের জীবনদর্শনে আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয় বিষয় আছে। প্রসঙ্গত এখানে উল্লেখ করছি হযরত আসমা বিনতে ইয়াযিদ বিন সাকান রাযি.। তাঁর সুন্দর বাগ্মিতার কারণে তাঁকে বলা হতো খতিবাতুন নিসা। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণতা বিশিষ্ট। আল্লাহ্র রাস্তার এক গর্বিত মুজাহিদা। ইয়ারমুকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং নয়জন রোমানকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি নারী সাহাবীগণের মধ্যে পালন করতেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা। তিনি নারী সাহাবীগণের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে যেতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনে মুগ্ধতা প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার অধিকারিণী।

বর্ণিত আছে, একবার তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বললেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সাহাবীগণের মধ্যে বসা ছিলেন। হযরত আসমা রাযি. বললেন,
'আপনার প্রতি আমার মা বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহ্র রাসূল, আমি আপনার নারী সাহাবীগণের পক্ষ হতে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি। আমি এই মুহূর্তে আমার পেছনে থাকা মুসলিম নারীদের প্রেরিত দূত। আমি যা বলছি, প্রত্যেকে তা-ই বলছে। আমার যা মত, প্রত্যেকেরও তা-ই মত। আল্লাহ আপনাকে নারী পুরুষের উভয় জন্যেই রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছেন। আমরা আপনার প্রতি ঈমান এনেছি এবং আপনার অনুসরণ করেছি। আমরা নারীরা অন্তঃপুরবাসিনী, পর্দানশীন; গৃহিণী। স্বামীসেবা আমাদের কাজ, সন্তান-লালনপালন আমাদের কর্তব্য। পক্ষান্তরে পুরুষেরা আমাদের থেকে এগিয়ে। তারা দলবদ্ধ হয়ে কাজ করে। জামাতে নামায পড়ে। রোগীদের দেখাশোনা করে। জানাযায় অংশগ্রহণ করে। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে। তারা যখন জিহাদে বের হয়, তখন আমরা শুধু তাদের ধনসম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করি। কাপড় বুনি, ধুই। ছেলেমেয়ে মানুষ করি। হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি পুরুষদের সমান আজর ও সওয়াব অর্জন করতে পারব?'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুগ্ধ হয়ে সাহাবা কেরামের দিকে তাকালেন। অতঃপর বললেন:
'আমার সাহাবীরা, এর আগে তোমরা কি কোনো নারীর মুখে ধর্মীয় বিষয়ে এরচেয়ে সুন্দর প্রশ্ন শুনেছ?'

সাহাবীগণ আরজ করলেন:
'হে আল্লাহর রাসূল, আপনি ঠিকই বলেছেন, আমরা তো ভাবতেও পারিনি যে, কোনো নারী এভাবে ভাবতে পারে।'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আসমাকে লক্ষ্য করে বললেন,
'আসমা, তুমি ফিরে যাও, তোমার পেছনে থাকা আমার নারী সাহাবীদের জানিয়ে দাও, জীবনসঙ্গীর হক আদায় করা, তার মন রক্ষা করে চলা এবং তার আনুগত্য করা—এ পর্যন্ত পুরুষদের যত মর্যাদার কথা তুমি বললে সবগুলো থেকে—(আজর, সওয়াব ও কল্যাণের দিক থেকে) কোনো অংশে কম নয়।'১

টিকাঃ
১. বানাতুস সাহাবা: ৭৭।

দায়িয়াকে হতে হবে অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী। সাধারণ নারীদের চাইতে আলাদা গুণ বিশিষ্ট। পরিচালনা, উদ্যম, সার্বক্ষণিক পরিশ্রম, কুরআন সুন্নাহর জ্ঞান, জাগতিক বিষয়ে সূক্ষ্ম অন্তর্দৃষ্টি, পরমতসহিষ্ণুতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের ভাণ্ডার।

একজন সফল দায়িয়াকে ক্ষুদ্রতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। যথাস্থানে কথোপকথন ও প্রয়োজনে শালীন বিতর্কে পারদর্শিনী হতে হবে। দান খয়রাত ও সাহায্য সহযোগিতার হাতও হতে হবে প্রসারিত। তিনি হবেন সহনশীলতা, ক্ষমা-মার্জনা ও মহত্ত্বের প্রতিবিম্ব।

দায়িয়ার চরিত্র চিন্তা চেতনা ও কাজ কর্মে হবে ভারসাম্যপূর্ণ। পর্যাক্রমতা ও গুরুত্বপূর্ণতা অনুসারে। সুতরাং তার কর্তব্যের সূচিপত্রে প্রথমেই আসবে স্বামীর আনুগত্য ও দাম্পত্যজীবনের অধিকার আদায়ের বিষয়টি। তারপর আসবে সন্তান-লালনপালন ও পারিবারিক দায়িত্বপালনের বিষয়টি। এরপর আসবে দাওয়াতি কাজ।

সফল দায়িয়াকে অনুসরণ করতে হবে একটি যৌক্তিক, সমন্বিত কর্তব্যনীতি। এজন্য তিনি তাঁর মূল্যবান সময়গুলোকে ভাগ করে নেবেন। যাতে একজন স্ত্রী হিসেবে, একজন গৃহিণী হিসেবে তাঁর ওপর যে মৌলিক দায়িত্বগুলো বর্তায় সেগুলোর মাঝে এবং দাওয়াতি কাজের মাঝে সমন্বয় করা হয় সম্ভবপর। তা না হলে, নারীর যে কোনো কাজই— চাই সেটা দাওয়াতের মতো মহৎ কর্মই হোক বা আজকালকার চাকরিবাকরিই হোক— পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্যজীবনের মূলে গিয়ে আঘাত করে বসবে। যার অনিবার্য ফল হবে সন্তানদের অধিকার লঙ্ঘন। এমন চাকরিবাকরি কোনোভাবেই প্রশংসিত হতে পারে না।

যাই হোক, কথা বলছিলাম দায়িয়াত্বের নেতৃত্বগুণ প্রসঙ্গে। এক্ষেত্রে সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ী এবং পরবর্তী মুসলিম নারীগণের জীবনদর্শনে আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয় বিষয় আছে। প্রসঙ্গত এখানে উল্লেখ করছি হযরত আসমা বিনতে ইয়াযিদ বিন সাকান রাযি.। তাঁর সুন্দর বাগ্মিতার কারণে তাঁকে বলা হতো খতিবাতুন নিসা। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণতা বিশিষ্ট। আল্লাহ্র রাস্তার এক গর্বিত মুজাহিদা। ইয়ারমুকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং নয়জন রোমানকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি নারী সাহাবীগণের মধ্যে পালন করতেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা। তিনি নারী সাহাবীগণের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে যেতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনে মুগ্ধতা প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার অধিকারিণী।

বর্ণিত আছে, একবার তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বললেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সাহাবীগণের মধ্যে বসা ছিলেন। হযরত আসমা রাযি. বললেন,
'আপনার প্রতি আমার মা বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহ্র রাসূল, আমি আপনার নারী সাহাবীগণের পক্ষ হতে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি। আমি এই মুহূর্তে আমার পেছনে থাকা মুসলিম নারীদের প্রেরিত দূত। আমি যা বলছি, প্রত্যেকে তা-ই বলছে। আমার যা মত, প্রত্যেকেরও তা-ই মত। আল্লাহ আপনাকে নারী পুরুষের উভয় জন্যেই রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছেন। আমরা আপনার প্রতি ঈমান এনেছি এবং আপনার অনুসরণ করেছি। আমরা নারীরা অন্তঃপুরবাসিনী, পর্দানশীন; গৃহিণী। স্বামীসেবা আমাদের কাজ, সন্তান-লালনপালন আমাদের কর্তব্য। পক্ষান্তরে পুরুষেরা আমাদের থেকে এগিয়ে। তারা দলবদ্ধ হয়ে কাজ করে। জামাতে নামায পড়ে। রোগীদের দেখাশোনা করে। জানাযায় অংশগ্রহণ করে। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে। তারা যখন জিহাদে বের হয়, তখন আমরা শুধু তাদের ধনসম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করি। কাপড় বুনি, ধুই। ছেলেমেয়ে মানুষ করি। হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি পুরুষদের সমান আজর ও সওয়াব অর্জন করতে পারব?'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুগ্ধ হয়ে সাহাবা কেরামের দিকে তাকালেন। অতঃপর বললেন:
'আমার সাহাবীরা, এর আগে তোমরা কি কোনো নারীর মুখে ধর্মীয় বিষয়ে এরচেয়ে সুন্দর প্রশ্ন শুনেছ?'

সাহাবীগণ আরজ করলেন:
'হে আল্লাহর রাসূল, আপনি ঠিকই বলেছেন, আমরা তো ভাবতেও পারিনি যে, কোনো নারী এভাবে ভাবতে পারে।'

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আসমাকে লক্ষ্য করে বললেন,
'আসমা, তুমি ফিরে যাও, তোমার পেছনে থাকা আমার নারী সাহাবীদের জানিয়ে দাও, জীবনসঙ্গীর হক আদায় করা, তার মন রক্ষা করে চলা এবং তার আনুগত্য করা—এ পর্যন্ত পুরুষদের যত মর্যাদার কথা তুমি বললে সবগুলো থেকে—(আজর, সওয়াব ও কল্যাণের দিক থেকে) কোনো অংশে কম নয়।'১

টিকাঃ
১. বানাতুস সাহাবা: ৭৭।

দায়িয়াকে হতে হবে অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী। সাধারণ নারীদের চাইতে আলাদা গুণ বিশিষ্ট। পরিচালনা, উদ্যম, সার্বক্ষণিক পরিশ্রম, কুরআন সুন্নাহর জ্ঞান, জাগতিক বিষয়ে সূক্ষ্ম অন্তর্দৃষ্টি, পরমতসহিষ্ণুতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যর ভাণ্ডার।

একজন সফল দায়িয়াকে ক্ষুদ্রতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। যথাস্থানে কথোপকথন ও প্রয়োজনে শালীন বিতর্কে পারদর্শিণী হতে হবে। দান খয়রাত ও সাহায্য সহযোগিতার হাতও হতে হবে প্রসারিত। তিনি হবেন সহনশীলতা, ক্ষমা-মার্জনা ও মহত্ত্বের প্রতিবিম্ব। দায়িয়ার চরিত্র চিন্তা চেতনা ও কাজ কর্মে হবে ভারসাম্যপূর্ণ। পর্যাক্রমতা ও গুরুত্বপূর্ণতা অনুসারে। সুতরাং তার কর্তব্যের সুচিপ্রত্র প্রথমেই আসবে স্বামীর আনুগত্য ও দাম্পত্যজীবনের অধিকার আদায়ের বিষয়টি। তারপর আসবে সন্তান-লালনপালন ও পারিবারিক দায়িত্বপালনের বিষয়টি। এরপর আসবে দাওয়াতী কাজ।

সফল দায়িয়াকে অনুসরণ করবেন একটি যৌক্তিক, সমন্বিত কর্তব্যনীতি। এজন্য তিনি তাঁর মূল্যবান সময়গুলোকে ভাগ করে নেবেন। যাতে একজন স্ত্রী হিসেবে, একজন গৃহিণী হিসেবে তাঁর ওপর যে মৌলিক দায়িত্বগুলো বর্তায় সেগুলোর মাঝে এবং দাওয়াতী কাজের মাঝে সময়সমন্বয় হয় সম্ভবপর। তা না হলে, নারীর যে কোনো কাজই— চাই সেটা দাওয়াতের মতো মহৎ কর্মই হোক বা আজকালকার চাকরিবাকরিই হোক— পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্যজীবনের মূলে গিয়ে আঘাত করে বসবে। যার অনিবার্য ফল হবে সন্তানদের অধিকার লাঙ্ঘন। এমন চাকরিবাকরি কোনোভাবেই প্রশংসিত হতে পারে না।

যাই হোক, কথা বলছিলাম দায়িয়াত্বের নেতৃত্বগুণ প্রসঙ্গে। এক্ষেত্রে সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ী এবং পরবর্তী মুসলিম নারীগণের জীবনদর্শনে আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয় বিষয় আছে। প্রসঙ্গত এখানে উল্লেখ করছি হযরত আসমা বিনতে ইয়াযিদ বিন সাকান রাযি.। তাঁর সুন্দর বাগ্মিতার কারণে তাঁকে বলা হতো খতিবাতুল নিসা। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণতাবিশিষ্ট। আল্লাহ্র রাস্তার এক গর্বিত মুজাহিদা। ইয়ারমুকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং নয়জন রোমানকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি নারী সাহাবীগণের মধ্যে পালন করতেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা। তিনি নারী সাহাবীগণের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে যেতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনে মুগ্ধতা প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার অধিকারিণী।

বর্ণিত আছে, একবার তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বললেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সাহাবীগণের মধ্যে বসা ছিলেন। হযরত আসমা রাযি. বললেন,
'আপনার প্রতি আমার মা বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহ্র রাসূল, আমি আপনার নারী সাহাবীগণের পক্ষ হতে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি। আমি এই মুহূর্তে আমার পেছনে থাকা মুসলিম নারীদের প্রেরিত দূত। আমি যা বলছি, প্রত্যেকে তা-ই বলছে। আমার যা মত, প্রত্যেকেরও তা-ই মত। আল্লাহ আপনাকে নারী পুরুষের উভয় জন্যেই রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছেন। আমরা আপনার প্রতি ঈমান এনেছি এবং আপনার অনুসরণ করেছি। আমরা নারীরা অন্তঃপুরবাসিনী, পর্দানশীন; গৃহিণী। স্বামীসেবা আমাদের কাজ, সন্তান-লালনপালন আমাদের কর্তব্য। পক্ষান্তরে পুরুষেরা আমাদের থেকে এগিয়ে। তারা দলবদ্ধ হয়ে কাজ করে। জামাতে নামায পড়ে। রোগীদের দেখাশোনা করে। জানাযায় অংশগ্রহণ করে। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে। তারা যখন জিহাদ বের হয়, তখন আমরা শুধু তাদের ধনসম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করি। কাপড় বুনি, ধুই। ছেলেমেয়ে মানুষ করি। হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি পুরুষদের সমান আজর ও সওয়াব অর্জন করতে পারব?'

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুগ্ধ হয়ে সাহাবা কেরামের দিকে তাকালেন। অতঃপর বললেন:
'আমার সাহাবীরা, এর আগে তোমরা কি কোনো নারীর মুখে ধর্মীয় বিষয়ে এরচেয়ে সুন্দর প্রশ্ন শুনেছ?'

সাহাবীগণ আরজ করলেন:
'হে আল্লাহর রাসূল, আপনি ঠিকই বলেছেন, আমরা তো ভাবতেও পারিনি যে, কোনো নারী এভাবে ভাবতে পারে।'

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আসমাকে লক্ষ্য করে বললেন,
'আসমা, তুমি ফিরে যাও, তোমার পেছনে থাকা আমার নারী সাহাবীদের জানিয়ে দাও, জীবনসঙ্গীর হক আদায় করা, তার মন রক্ষা করে চলা এবং তার আনুগত্য করা—এ পর্যন্ত পুরুষদের যত মর্যাদার কথা তুমি বললে সবগুলো থেকে—(আজর, সওয়াব ও কল্যাণের দিক থেকে) কোনো অংশে কম নয়।'

দায়িয়াকে হতে হবে অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী। সাধারণ নারীদের চাইতে আলাদা গুণ বিশিষ্ট। পরিচালনা, উদ্যম, সার্বক্ষণিক পরিশ্রম, কুরআন সুন্নাহর জ্ঞান, জাগতিক বিষয়ে সূক্ষ্ম অন্তর্দৃষ্টি, পরমতসহিষ্ণুতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যর ভাণ্ডার।

একজন সফল দায়িয়াকে ক্ষুদ্রতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। যথাস্থানে কথোপকথন ও প্রয়োজনে শালীন বিতর্কে পারদর্শিণী হতে হবে। দান খয়রাত ও সাহায্য সহযোগিতার হাতও হতে হবে প্রসারিত। তিনি হবেন সহনশীলতা, ক্ষমা-মার্জনা ও মহত্ত্বের প্রতিবিম্ব। দায়িয়ার চরিত্র চিন্তা চেতনা ও কাজ কর্মে হবে ভারসাম্যপূর্ণ। পর্যাক্রমতা ও গুরুত্বপূর্ণতা অনুসারে। সুতরাং তার কর্তব্যের সুচিপ্রত্র প্রথমেই আসবে স্বামীর আনুগত্য ও দাম্পত্যজীবনের অধিকার আদায়ের বিষয়টি। তারপর আসবে সন্তান-লালনপালন ও পারিবারিক দায়িত্বপালনের বিষয়টি। এরপর আসবে দাওয়াতী কাজ।

সফল দায়িয়াকে অনুসরণ করবেন একটি যৌক্তিক, সমন্বিত কর্তব্যনীতি। এজন্য তিনি তাঁর মূল্যবান সময়গুলোকে ভাগ করে নেবেন। যাতে একজন স্ত্রী হিসেবে, একজন গৃহিণী হিসেবে তাঁর ওপর যে মৌলিক দায়িত্বগুলো বর্তায় সেগুলোর মাঝে এবং দাওয়াতী কাজের মাঝে সময়সমন্বয় হয় সম্ভবপর। তা না হলে, নারীর যে কোনো কাজই— চাই সেটা দাওয়াতের মতো মহৎ কর্মই হোক বা আজকালকার চাকরিবাকরিই হোক— পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্যজীবনের মূলে গিয়ে আঘাত করে বসবে। যার অনিবার্য ফল হবে সন্তানদের অধিকার লাঙ্ঘন। এমন চাকরিবাকরি কোনোভাবেই প্রশংসিত হতে পারে না।

যাই হোক, কথা বলছিলাম দায়িয়াত্বের নেতৃত্বগুণ প্রসঙ্গে। এক্ষেত্রে সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ী এবং পরবর্তী মুসলিম নারীগণের জীবনদর্শনে আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয় বিষয় আছে। প্রসঙ্গত এখানে উল্লেখ করছি হযরত আসমা বিনতে ইয়াযিদ বিন সাকান রাযি.। তাঁর সুন্দর বাগ্মিতার কারণে তাঁকে বলা হতো খতিবাতুল নিসা। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণতাবিশিষ্ট। আল্লাহ্র রাস্তার এক গর্বিত মুজাহিদা। ইয়ারমুকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং নয়জন রোমানকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি নারী সাহাবীগণের মধ্যে পালন করতেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা। তিনি নারী সাহাবীগণের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে যেতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনে মুগ্ধতা প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার অধিকারিণী।

বর্ণিত আছে, একবার তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বললেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সাহাবীগণের মধ্যে বসা ছিলেন। হযরত আসমা রাযি. বললেন,
'আপনার প্রতি আমার মা বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহ্র রাসূল, আমি আপনার নারী সাহাবীগণের পক্ষ হতে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি। আমি এই মুহূর্তে আমার পেছনে থাকা মুসলিম নারীদের প্রেরিত দূত। আমি যা বলছি, প্রত্যেকে তা-ই বলছে। আমার যা মত, প্রত্যেকেরও তা-ই মত। আল্লাহ আপনাকে নারী পুরুষের উভয় জন্যেই রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছেন। আমরা আপনার প্রতি ঈমান এনেছি এবং আপনার অনুসরণ করেছি। আমরা নারীরা অন্তঃপুরবাসিনী, পর্দানশীন; গৃহিণী। স্বামীসেবা আমাদের কাজ, সন্তান-লালনপালন আমাদের কর্তব্য। পক্ষান্তরে পুরুষেরা আমাদের থেকে এগিয়ে। তারা দলবদ্ধ হয়ে কাজ করে। জামাতে নামায পড়ে। রোগীদের দেখাশোনা করে। জানাযায় অংশগ্রহণ করে। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে। তারা যখন জিহাদ বের হয়, তখন আমরা শুধু তাদের ধনসম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করি। কাপড় বুনি, ধুই। ছেলেমেয়ে মানুষ করি। হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি পুরুষদের সমান আজর ও সওয়াব অর্জন করতে পারব?'

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুগ্ধ হয়ে সাহাবা কেরামের দিকে তাকালেন। অতঃপর বললেন:
'আমার সাহাবীরা, এর আগে তোমরা কি কোনো নারীর মুখে ধর্মীয় বিষয়ে এরচেয়ে সুন্দর প্রশ্ন শুনেছ?'

সাহাবীগণ আরজ করলেন:
'হে আল্লাহর রাসূল, আপনি ঠিকই বলেছেন, আমরা তো ভাবতেও পারিনি যে, কোনো নারী এভাবে ভাবতে পারে।'

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আসমাকে লক্ষ্য করে বললেন,
'আসমা, তুমি ফিরে যাও, তোমার পেছনে থাকা আমার নারী সাহাবীদের জানিয়ে দাও, জীবনসঙ্গীর হক আদায় করা, তার মন রক্ষা করে চলা এবং তার আনুগত্য করা—এ পর্যন্ত পুরুষদের যত মর্যাদার কথা তুমি বললে সবগুলো থেকে—(আজর, সওয়াব ও কল্যাণের দিক থেকে) কোনো অংশে কম নয়।'

দায়িয়াকে হতে হবে অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারিণী। সাধারণ নারীদের চাইতে আলাদা গুণ বিশিষ্ট। পরিচালনা, উদ্যম, সার্বক্ষণিক পরিশ্রম, কুরআন সুন্নাহর জ্ঞান, জাগতিক বিষয়ে সূক্ষ্ম অন্তর্দৃষ্টি, পরমতসহিষ্ণুতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যর ভাণ্ডার।

একজন সফল দায়িয়াকে ক্ষুদ্রতার ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। যথাস্থানে কথোপকথন ও প্রয়োজনে শালীন বিতর্কে পারদর্শিণী হতে হবে। দান খয়রাত ও সাহায্য সহযোগিতার হাতও হতে হবে প্রসারিত। তিনি হবেন সহনশীলতা, ক্ষমা-মার্জনা ও মহত্ত্বের প্রতিবিম্ব। দায়িয়ার চরিত্র চিন্তা চেতনা ও কাজ কর্মে হবে ভারসাম্যপূর্ণ। পর্যাক্রমতা ও গুরুত্বপূর্ণতা অনুসারে। সুতরাং তার কর্তব্যের সুচিপ্রত্র প্রথমেই আসবে স্বামীর আনুগত্য ও দাম্পত্যজীবনের অধিকার আদায়ের বিষয়টি। তারপর আসবে সন্তান-লালনপালন ও পারিবারিক দায়িত্বপালনের বিষয়টি। এরপর আসবে দাওয়াতী কাজ।

সফল দায়িয়াকে অনুসরণ করবেন একটি যৌক্তিক, সমন্বিত কর্তব্যনীতি। এজন্য তিনি তাঁর মূল্যবান সময়গুলোকে ভাগ করে নেবেন। যাতে একজন স্ত্রী হিসেবে, একজন গৃহিণী হিসেবে তাঁর ওপর যে মৌলিক দায়িত্বগুলো বর্তায় সেগুলোর মাঝে এবং দাওয়াতী কাজের মাঝে সময়সমন্বয় হয় সম্ভবপর। তা না হলে, নারীর যে কোনো কাজই— চাই সেটা দাওয়াতের মতো মহৎ কর্মই হোক বা আজকালকার চাকরিবাকরিই হোক— পারিবারিক জীবন ও দাম্পত্যজীবনের মূলে গিয়ে আঘাত করে বসবে। যার অনিবার্য ফল হবে সন্তানদের অধিকার লাঙ্ঘন। এমন চাকরিবাকরি কোনোভাবেই প্রশংসিত হতে পারে না।

যাই হোক, কথা বলছিলাম দায়িয়াত্বের নেতৃত্বগুণ প্রসঙ্গে। এক্ষেত্রে সাহাবী, তাবেয়ী, তাবে-তাবেয়ী এবং পরবর্তী মুসলিম নারীগণের জীবনদর্শনে আমাদের জন্য অনেক শিক্ষণীয় বিষয় আছে। প্রসঙ্গত এখানে উল্লেখ করছি হযরত আসমা বিনতে ইয়াযিদ বিন সাকান রাযি.। তাঁর সুন্দর বাগ্মিতার কারণে তাঁকে বলা হতো খতিবাতুল নিসা। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিচক্ষণতাবিশিষ্ট। আল্লাহ্র রাস্তার এক গর্বিত মুজাহিদা। ইয়ারমুকের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং নয়জন রোমানকে জাহান্নামে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি নারী সাহাবীগণের মধ্যে পালন করতেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকা। তিনি নারী সাহাবীগণের পক্ষ থেকে প্রতিনিধি হয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে যেতেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বক্তব্য উপস্থাপনে মুগ্ধতা প্রকাশ করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার অধিকারিণী।

বর্ণিত আছে, একবার তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে গিয়ে বললেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন সাহাবীগণের মধ্যে বসা ছিলেন। হযরত আসমা রাযি. বললেন,
'আপনার প্রতি আমার মা বাবা কুরবান হোক, হে আল্লাহ্র রাসূল, আমি আপনার নারী সাহাবীগণের পক্ষ হতে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছি। আমি এই মুহূর্তে আমার পেছনে থাকা মুসলিম নারীদের প্রেরিত দূত। আমি যা বলছি, প্রত্যেকে তা-ই বলছে। আমার যা মত, প্রত্যেকেরও তা-ই মত। আল্লাহ আপনাকে নারী পুরুষের উভয় জন্যেই রাসূল হিসেবে প্রেরণ করেছেন। আমরা আপনার প্রতি ঈমান এনেছি এবং আপনার অনুসরণ করেছি। আমরা নারীরা অন্তঃপুরবাসিনী, পর্দানশীন; গৃহিণী। স্বামীসেবা আমাদের কাজ, সন্তান-লালনপালন আমাদের কর্তব্য। পক্ষান্তরে পুরুষেরা আমাদের থেকে এগিয়ে। তারা দলবদ্ধ হয়ে কাজ করে। জামাতে নামায পড়ে। রোগীদের দেখাশোনা করে। জানাযায় অংশগ্রহণ করে। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করে। তারা যখন জিহাদ বের হয়, তখন আমরা শুধু তাদের ধনসম্পদ রক্ষণাবেক্ষণ করি। কাপড় বুনি, ধুই। ছেলেমেয়ে মানুষ করি। হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কি পুরুষদের সমান আজর ও সওয়াব অর্জন করতে পারব?'

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুগ্ধ হয়ে সাহাবা কেরামের দিকে তাকালেন। অতঃপর বললেন:
'আমার সাহাবীরা, এর আগে তোমরা কি কোনো নারীর মুখে ধর্মীয় বিষয়ে এরচেয়ে সুন্দর প্রশ্ন শুনেছ?'

সাহাবীগণ আরজ করলেন:
'হে আল্লাহর রাসূল, আপনি ঠিকই বলেছেন, আমরা তো ভাবতেও পারিনি যে, কোনো নারী এভাবে ভাবতে পারে।'

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আসমাকে লক্ষ্য করে বললেন,
'আসমা, তুমি ফিরে যাও, তোমার পেছনে থাকা আমার নারী সাহাবীদের জানিয়ে দাও, জীবনসঙ্গীর হক আদায় করা, তার মন রক্ষা করে চলা এবং তার আনুগত্য করা—এ পর্যন্ত পুরুষদের যত মর্যাদার কথা তুমি বললে সবগুলো থেকে—(আজর, সওয়াব ও কল্যাণের দিক থেকে) কোনো অংশে কম নয়।'

ফন্ট সাইজ
15px
17px