📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 খ. হিংসা

📄 খ. হিংসা


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِيَّاكُمْ أَنْ تَأْكُلَ الْحَسَنَاتِ كَمَا تَأْكُلُ النَّارُ الْحَطَبَ
অর্থ : হিংসা নেকি গ্রাস করে যেমন আগুন কাঠ পুড়িয়ে ফেলে। ২

টিকাঃ
২. আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ্।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِيَّاكُمْ أَنْ تَأْكُلَ الْحَسَنَاتِ كَمَا تَأْكُلُ النَّارُ الْحَطَبَ
অর্থ : হিংসা নেকি গ্রাস করে যেমন আগুন কাঠ পুড়িয়ে ফেলে। ২

টিকাঃ
২. আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ্।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِيَّاكُمْ أَنْ تَأْكُلَ الْحَسَنَاتِ كَمَا تَأْكُلُ النَّارُ الْحَطَبَ
অর্থ : হিংসা নেকি গ্রাস করে যেমন আগুন কাঠ পুড়িয়ে ফেলে। ২

টিকাঃ
২. আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ্।

📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 গ. ক্রোধ

📄 গ. ক্রোধ


রাগ ও বদমেজাজি হলে চারপাশে মানুষকে ধরে রাখা যায় না। যেহেতু আপনি একজন দায়ী, সেহেতু আপনাকে অনেক বেশি সংযমী হতে হবে। পার্থিব জীবনের সুখ-সম্ভোগে প্রতারিতা মা-বোনদের যখন দ্বীনের দাওয়াত দেবেন, তখন যেন ক্রোধ সংবরণ করতে সক্ষম হন। প্রকৃত বীরত্বও সেটাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ وَإِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ
অর্থ : প্রকৃত বীর সে নয় যে প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করতে পারে। প্রকৃত বীর সে, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।১

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

রাগ ও বদমেজাজি হলে চারপাশে মানুষকে ধরে রাখা যায় না। যেহেতু আপনি একজন দায়ী, সেহেতু আপনাকে অনেক বেশি সংযমী হতে হবে। পার্থিব জীবনের সুখ-সম্ভোগে প্রতারিতা মা-বোনদের যখন দ্বীনের দাওয়াত দেবেন, তখন যেন ক্রোধ সংবরণ করতে সক্ষম হন। প্রকৃত বীরত্বও সেটাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ وَإِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ
অর্থ : প্রকৃত বীর সে নয় যে প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করতে পারে। প্রকৃত বীর সে, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।১

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

রাগ ও বদমেজাজি হলে চারপাশে মানুষকে ধরে রাখা যায় না। যেহেতু আপনি একজন দায়ী, সেহেতু আপনাকে অনেক বেশি সংযমী হতে হবে। পার্থিব জীবনের সুখ-সম্ভোগে প্রতারিতা মা-বোনদের যখন দ্বীনের দাওয়াত দেবেন, তখন যেন ক্রোধ সংবরণ করতে সক্ষম হন। প্রকৃত বীরত্বও সেটাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
لَيْسَ الشَّدِيدُ بِالصُّرَعَةِ وَإِنَّمَا الشَّدِيدُ الَّذِي يَمْلِكُ نَفْسَهُ عِنْدَ الْغَضَبِ
অর্থ : প্রকৃত বীর সে নয় যে প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করতে পারে। প্রকৃত বীর সে, যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।১

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 ঘ. আত্মপ্রতারণা

📄 ঘ. আত্মপ্রতারণা


মানুষের নেক আমল বরবাদ করার জন্য শয়তানের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো আত্ম-অহংকার ও আত্মপ্রতারণা। বিষয়টি, বিশেষ করে দাহ'র পক্ষে খুবই নাজুক। ধরুন, আপনি আজকে একটি দাওয়াতি কাজে সফল হলেন। এতে যেন আপনার এমন আত্মপ্রতারণা না হয় যে, এটা আপনার কৃতিত্ব। মনে রাখবেন, অন্তরে কৃতিত্বের আনন্দানুভূতি এবং সফলতা লাভের কৃতজ্ঞতাবোধ —এসবের একটি ভারসাম্যপূর্ণ সীমা আছে। একজন দাহ'কে এই সীমার ব্যাপারে অবশ্যই সচেতনতার পরিচয় দিতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِذَا رَأَيْتَ شُحًّا مُطَاعًا وَهَوًى مُتَّبَعًا وَإِعْجَابَ كُلِّ ذِي رَأْيٍ بِرَأْيِهِ فَعَلَيْكَ نَفْسُكَ
অর্থ : যখন যার যার স্বার্থের আনুগত্য, প্রবৃত্তির অনুসরণ এবং নিজ নিজ মত নিয়ে প্রত্যেককে আত্মপ্রসাদিতে ভুগতে দেখবে, তখন নিজেকে রক্ষা করো।১

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

মানুষের নেক আমল বরবাদ করার জন্য শয়তানের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো আত্ম-অহংকার ও আত্মপ্রতারণা। বিষয়টি, বিশেষ করে দাহ'র পক্ষে খুবই নাজুক। ধরুন, আপনি আজকে একটি দাওয়াতি কাজে সফল হলেন। এতে যেন আপনার এমন আত্মপ্রতারণা না হয় যে, এটা আপনার কৃতিত্ব। মনে রাখবেন, অন্তরে কৃতিত্বের আনন্দানুভূতি এবং সফলতা লাভের কৃতজ্ঞতাবোধ —এসবের একটি ভারসাম্যপূর্ণ সীমা আছে। একজন দাহ'কে এই সীমার ব্যাপারে অবশ্যই সচেতনতার পরিচয় দিতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِذَا رَأَيْتَ شُحًّا مُطَاعًا وَهَوًى مُتَّبَعًا وَإِعْجَابَ كُلِّ ذِي رَأْيٍ بِرَأْيِهِ فَعَلَيْكَ نَفْسُكَ
অর্থ : যখন যার যার স্বার্থের আনুগত্য, প্রবৃত্তির অনুসরণ এবং নিজ নিজ মত নিয়ে প্রত্যেককে আত্মপ্রসাদিতে ভুগতে দেখবে, তখন নিজেকে রক্ষা করো।১

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

মানুষের নেক আমল বরবাদ করার জন্য শয়তানের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো আত্ম-অহংকার ও আত্মপ্রতারণা। বিষয়টি, বিশেষ করে দাহ'র পক্ষে খুবই নাজুক। ধরুন, আপনি আজকে একটি দাওয়াতি কাজে সফল হলেন। এতে যেন আপনার এমন আত্মপ্রতারণা না হয় যে, এটা আপনার কৃতিত্ব। মনে রাখবেন, অন্তরে কৃতিত্বের আনন্দানুভূতি এবং সফলতা লাভের কৃতজ্ঞতাবোধ —এসবের একটি ভারসাম্যপূর্ণ সীমা আছে। একজন দাহ'কে এই সীমার ব্যাপারে অবশ্যই সচেতনতার পরিচয় দিতে হবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِذَا رَأَيْتَ شُحًّا مُطَاعًا وَهَوًى مُتَّبَعًا وَإِعْجَابَ كُلِّ ذِي رَأْيٍ بِرَأْيِهِ فَعَلَيْكَ نَفْسُكَ
অর্থ : যখন যার যার স্বার্থের আনুগত্য, প্রবৃত্তির অনুসরণ এবং নিজ নিজ মত নিয়ে প্রত্যেককে আত্মপ্রসাদিতে ভুগতে দেখবে, তখন নিজেকে রক্ষা করো।১

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 ঙ. অহংকার

📄 ঙ. অহংকার


অহংকারের অকল্যাণ ব্যাখ্যা করার অপেক্ষা রাখে না। এর নেতিবাচকতা ও অসুন্দরতা সুস্পষ্ট। একজন দাহ'র পক্ষে এটা আরও অনেক বেশি মারাত্মক এবং অশোভন। নিজেকে বড় মনে করা, অন্যকে ছোট মনে করা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা —এগুলোর নিকৃষ্টতা তো কল্পনাও করা যায় না। এমন প্রবণতা দাহ'কে অবশ্যই পরিহার করতে হবে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন,
وَلَا تُصَعِّرْ خَدَّكَ لِلنَّاسِ وَلَا تَمْশِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَখُورٍ
অর্থ : মানুষকে হেয় জ্ঞান কোরো না। জমিনে দম্ভভরে বিচরণ কোরো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোনো দাম্ভিক ও অহংকারীকে পছন্দ করেন না। —সূরা লুকমান : ১৮

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, الْكِبْرِيَاءُ رِدَائِيْ وَالْعَظَمَةُ إِزَارِيْ فَمَنْ نَازَعَنِيْ فִيهِمَا قَصَمْتُهُ وَلَا أُبَالِيْ
অর্থ : অহংকার আমার চাদর, বড়ত্ব আমার পরিধেয়। সুতরাং যে এ দুটি নিয়ে আমার সাথে বিবাদ করবে, তাকে ধ্বংস করে দেব—পরোয়া করব না।

অহংকার থেকে আত্মরক্ষার জন্য সবসময় আল্লাহর বড়ত্ব ও তার সৃষ্টিজগত নিয়ে ভাবা যেতে পারে। ভাবা যেতে পারে নিজের সৃষ্টি নিয়েও। আমার সৃষ্টি-উপাদান আর কী? মাটি! পরিণতি আর কী? বিনাশ! তাই তো রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন,
قُتِلَ الْإِنْسَانُ مَا أَكْفَرَهُ، مِنْ أَيِّ شَيْءٍ خَلَقَهُ، مِنْ نُطْفَةٍ خَلَقَهُ فَقَدَّرَهُ، ثُمَّ السَّبِيلَ يَسَّرَهُ، ثُمَّ أَمَاتَهُ فَأَقْبَرَهُ، ثُمَّ إِذَا شَاءَ أَنْشَرَهُ
অর্থ : অভিশাপ মানুষের প্রতি! কিসে তাকে অস্বীকার করালো, আল্লাহ তাকে কী থেকে সৃষ্টি করেছেন! সে জানে না, এক বিন্দু শুক্র হতে! তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার দেহের সবকিছুর পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতঃপর সহজ করে দিয়েছেন তার চলার পথ। অতঃপর তাকে অচিরেই মৃত্যু দান করবেন এবং সমাহিত করবেন। —সূরা আবাসা : ১৭-২১

অহংকারের অকল্যাণ ব্যাখ্যা করার অপেক্ষা রাখে না। এর নেতিবাচকতা ও অসুন্দরতা সুস্পষ্ট। একজন দাহ'র পক্ষে এটা আরও অনেক বেশি মারাত্মক এবং অশোভন। নিজেকে বড় মনে করা, অন্যকে ছোট মনে করা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা —এগুলোর নিকৃষ্টতা তো কল্পনাও করা যায় না। এমন প্রবণতা দাহ'কে অবশ্যই পরিহার করতে হবে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন,
وَلَا تُصَعِّرْ خَدَّكَ لِلنَّاسِ وَلَا تَمْশِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَখُورٍ
অর্থ : মানুষকে হেয় জ্ঞান কোরো না। জমিনে দম্ভভরে বিচরণ কোরো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোনো দাম্ভিক ও অহংকারীকে পছন্দ করেন না। —সূরা লুকমান : ১৮

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, الْكِبْرِيَاءُ رِدَائِيْ وَالْعَظَمَةُ إِزَارِيْ فَمَنْ نَازَعَنِيْ فִيهِمَا قَصَمْتُهُ وَلَا أُبَالِيْ
অর্থ : অহংকার আমার চাদর, বড়ত্ব আমার পরিধেয়। সুতরাং যে এ দুটি নিয়ে আমার সাথে বিবাদ করবে, তাকে ধ্বংস করে দেব—পরোয়া করব না।

অহংকার থেকে আত্মরক্ষার জন্য সবসময় আল্লাহর বড়ত্ব ও তার সৃষ্টিজগত নিয়ে ভাবা যেতে পারে। ভাবা যেতে পারে নিজের সৃষ্টি নিয়েও। আমার সৃষ্টি-উপাদান আর কী? মাটি! পরিণতি আর কী? বিনাশ! তাই তো রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন,
قُتِلَ الْإِنْسَانُ مَا أَكْفَرَهُ، مِنْ أَيِّ شَيْءٍ خَلَقَهُ، مِنْ نُطْفَةٍ خَلَقَهُ فَقَدَّرَهُ، ثُمَّ السَّبِيلَ يَسَّرَهُ، ثُمَّ أَمَاتَهُ فَأَقْبَرَهُ، ثُمَّ إِذَا شَاءَ أَنْشَرَهُ
অর্থ : অভিশাপ মানুষের প্রতি! কিসে তাকে অস্বীকার করালো, আল্লাহ তাকে কী থেকে সৃষ্টি করেছেন! সে জানে না, এক বিন্দু শুক্র হতে! তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার দেহের সবকিছুর পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতঃপর সহজ করে দিয়েছেন তার চলার পথ। অতঃপর তাকে অচিরেই মৃত্যু দান করবেন এবং সমাহিত করবেন। —সূরা আবাসা : ১৭-২১

অহংকারের অকল্যাণ ব্যাখ্যা করার অপেক্ষা রাখে না। এর নেতিবাচকতা ও অসুন্দরতা সুস্পষ্ট। একজন দাহ'র পক্ষে এটা আরও অনেক বেশি মারাত্মক এবং অশোভন। নিজেকে বড় মনে করা, অন্যকে ছোট মনে করা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা —এগুলোর নিকৃষ্টতা তো কল্পনাও করা যায় না। এমন প্রবণতা দাহ'কে অবশ্যই পরিহার করতে হবে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন,
وَلَا تُصَعِّرْ خَدَّكَ لِلنَّاسِ وَلَا تَمْশِ فِي الْأَرْضِ مَرَحًا إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ كُلَّ مُخْتَالٍ فَখُورٍ
অর্থ : মানুষকে হেয় জ্ঞান কোরো না। জমিনে দম্ভভরে বিচরণ কোরো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোনো দাম্ভিক ও অহংকারীকে পছন্দ করেন না। —সূরা লুকমান : ১৮

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, الْكِبْرِيَاءُ رِدَائِيْ وَالْعَظَمَةُ إِزَارِيْ فَمَنْ نَازَعَنِيْ فִيهِمَا قَصَمْتُهُ وَلَا أُبَالِيْ
অর্থ : অহংকার আমার চাদর, বড়ত্ব আমার পরিধেয়। সুতরাং যে এ দুটি নিয়ে আমার সাথে বিবাদ করবে, তাকে ধ্বংস করে দেব—পরোয়া করব না।

অহংকার থেকে আত্মরক্ষার জন্য সবসময় আল্লাহর বড়ত্ব ও তার সৃষ্টিজগত নিয়ে ভাবা যেতে পারে। ভাবা যেতে পারে নিজের সৃষ্টি নিয়েও। আমার সৃষ্টি-উপাদান আর কী? মাটি! পরিণতি আর কী? বিনাশ! তাই তো রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন,
قُتِلَ الْإِنْسَانُ مَا أَكْفَرَهُ، مِنْ أَيِّ شَيْءٍ خَلَقَهُ، مِنْ نُطْفَةٍ خَلَقَهُ فَقَدَّرَهُ، ثُمَّ السَّبِيلَ يَسَّرَهُ، ثُمَّ أَمَاتَهُ فَأَقْبَرَهُ، ثُمَّ إِذَا شَاءَ أَنْشَرَهُ
অর্থ : অভিশাপ মানুষের প্রতি! কিসে তাকে অস্বীকার করালো, আল্লাহ তাকে কী থেকে সৃষ্টি করেছেন! সে জানে না, এক বিন্দু শুক্র হতে! তিনি তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার দেহের সবকিছুর পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। অতঃপর সহজ করে দিয়েছেন তার চলার পথ। অতঃপর তাকে অচিরেই মৃত্যু দান করবেন এবং সমাহিত করবেন। —সূরা আবাসা : ১৭-২১

ফন্ট সাইজ
15px
17px