📄 ৪. ছেলেমেয়েকে অনর্থক বসিয়ে রাখা
মনে রাখা চাই, মানুষের মধ্যে নফস নামের যে প্রবৃত্তিটি আছে, তাকে সব সময় ভালো কাজে লাগিয়ে রাখতে হয়। তা না হলে নফসকে মানুষ মন্দ কাজে লাগিয়ে দেয়। এই চরম ও পরম সত্যটিকে কোনো মা-বাবারই ভুলে থাকা উচিত নয়। অলসতা থেকে যে ফল আসে তা সুফল নয়; কুফল। সন্তান আপনার নয়নতারা নয়, অথবা সুপুত্র নয়, বরং আদরের বাঁদর হয়ে দাঁড়াবে। সুতরাং সন্তানের ভবিষ্যৎ সুন্দর করতে তাকে ব্যস্ত রাখুন। তার মেধা-প্রতিভাকে কাজে লাগান। লেখাপড়ার পাশাপাশি শরীরচর্চা, ভাষা ও সাহিত্যচর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে রাখুন। এভাবে যেমনি সে কর্মশূন্যতা থেকে দূরে থাকবে, তেমনি লাভ করবে নানামুখী যোগ্যতা। বিভিন্ন ভাষা শিখবে, তথ্য-প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাবে, ব্যক্তিত্ব ও জ্ঞানগত উৎকর্ষ সাধন করবে ইত্যাদি।
লেখাপড়া চর্চা করানো; কম্পিউটার, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে সম্ভাব্য আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো; সেলাই-ফোঁড়া, ফুলতোলা ইত্যাদি সাধারণ হাতের কাজ শেখানো। শুধু এগুলোই নয়, রান্নাবান্না, ঘর সাজানো, গোছানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা ইত্যাদি ঘরের কাজ শেখার প্রয়োজনীয়তাও মেয়ের আছে। তা ছাড়া সমাজে মানুষের সাথে আচার-ব্যবহারের ব্যাপারেও মেয়েকে সম্যক অবগত করানো জরুরি। যেন সে দূর ভবিষ্যতে অনেক কিছুর সাথে সাথে একজন ভালো গৃহিণীও হতে পারে। বিশেষত মেয়ের এ ধরনের অনেক বিষয় মায়ের ওপর নির্ভর করে। এগুলোর ব্যাপারে উদাসীনতা কোনো মায়েরই উচিত নয়।
মনে রাখা চাই, মানুষের মধ্যে নফস নামের যে প্রবৃত্তিটি আছে, তাকে সব সময় ভালো কাজে লাগিয়ে রাখতে হয়। তা না হলে নফসকে মানুষ মন্দ কাজে লাগিয়ে দেয়। এই চরম ও পরম সত্যটিকে কোনো মা-বাবারই ভুলে থাকা উচিত নয়। অলসতা থেকে যে ফল আসে তা সুফল নয়; কুফল। সন্তান আপনার নয়নতারা নয়, অথবা সুপুত্র নয়, বরং আদরের বাঁদর হয়ে দাঁড়াবে। সুতরাং সন্তানের ভবিষ্যৎ সুন্দর করতে তাকে ব্যস্ত রাখুন। তার মেধা-প্রতিভাকে কাজে লাগান। লেখাপড়ার পাশাপাশি শরীরচর্চা, ভাষা ও সাহিত্যচর্চা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে রাখুন। এভাবে যেমনি সে কর্মশূন্যতা থেকে দূরে থাকবে, তেমনি লাভ করবে নানামুখী যোগ্যতা। বিভিন্ন ভাষা শিখবে, তথ্য-প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাবে, ব্যক্তিত্ব ও জ্ঞানগত উৎকর্ষ সাধন করবে ইত্যাদি।
লেখাপড়া চর্চা করানো; কম্পিউটার, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে সম্ভাব্য আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো; সেলাই-ফোঁড়া, ফুলতোলা ইত্যাদি সাধারণ হাতের কাজ শেখানো। শুধু এগুলোই নয়, রান্নাবান্না, ঘর সাজানো, গোছানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা ইত্যাদি ঘরের কাজ শেখার প্রয়োজনীয়তাও মেয়ের আছে। তা ছাড়া সমাজে মানুষের সাথে আচার-ব্যবহারের ব্যাপারেও মেয়েকে সম্যক অবগত করানো জরুরি। যেন সে দূর ভবিষ্যতে অনেক কিছুর সাথে সাথে একজন ভালো গৃহিণীও হতে পারে। বিশেষত মেয়ের এ ধরনের অনেক বিষয় মায়ের ওপর নির্ভর করে। এগুলোর ব্যাপারে উদাসীনতা কোনো মায়েরই উচিত নয়।
📄 ৫. বৈষম্য
ছেলেমেয়েদের আদর-যত্নে, পার্থিব-অপার্থিব ভালোবাসায় বৈষম্য করা নিষিদ্ধ। এই নিষিদ্ধতা লঙ্ঘন করার ফলেও অনেক ছেলেমেয়ে বিপথে চলে যায়। বিপদে পা বাড়ায়। এজন্য মা বাবার উচিত প্রত্যেকটি সন্তানকে সমান নজরে দেখা। একজনের তুলনায় কারও প্রতি যেন বেশি নজর না হয়, এতে অন্যেরা তার প্রতি ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়ে, তারা তাকে ঘৃণা করে, তার থেকে নিষ্কৃতি পেতে চায়; অথবা কারও প্রতি যেন নজরে কমতি না থাকে, এতে সে হীনম্মন্য হয়ে যায়, অনেক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা খুব ভালো করে মনে রাখা চাই। তিনি বলেছেন, 'তোমরা দেওয়ার ক্ষেত্রে সন্তানদের মধ্যে সমতা বজায় রাখো।'১
তিনি আরও বলেছেন, 'তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সন্তানদের মধ্যে ন্যায় ও সাম্য রক্ষা করো।'২
টিকাঃ
১. তাবারানী।
২. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
ছেলেমেয়েদের আদর-যত্নে, পার্থিব-অপার্থিব ভালোবাসায় বৈষম্য করা নিষিদ্ধ। এই নিষিদ্ধতা লঙ্ঘন করার ফলেও অনেক ছেলেমেয়ে বিপথে চলে যায়। বিপদে পা বাড়ায়। এজন্য মা বাবার উচিত প্রত্যেকটি সন্তানকে সমান নজরে দেখা। একজনের তুলনায় কারও প্রতি যেন বেশি নজর না হয়, এতে অন্যেরা তার প্রতি ঈর্ষাকাতর হয়ে পড়ে, তারা তাকে ঘৃণা করে, তার থেকে নিষ্কৃতি পেতে চায়; অথবা কারও প্রতি যেন নজরে কমতি না থাকে, এতে সে হীনম্মন্য হয়ে যায়, অনেক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কথা খুব ভালো করে মনে রাখা চাই। তিনি বলেছেন, 'তোমরা দেওয়ার ক্ষেত্রে সন্তানদের মধ্যে সমতা বজায় রাখো।'১
তিনি আরও বলেছেন, 'তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সন্তানদের মধ্যে ন্যায় ও সাম্য রক্ষা করো।'২
টিকাঃ
১. তাবারানী।
২. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।