📄 ঘ. নিন্দা করুন আচরণের--শিশুর নয়
বিষয়টি সহজে উপলব্ধি করুন। শিশুর কোনো ভুল পেলে বা তার কোনো আচরণ অসুন্দর মনে হলে সেই ভুলের ও সেই আচরণের নিন্দা করুন। ভুলেও শিশুর সত্তার নিন্দা করবেন না। অর্থাৎ তাকে এ কথা বলবেন না যে, তুমি খারাপ, তোমার এই সমস্যা; তুমি এই করলে, সেই করলে; তোমার কারণে এই ক্ষতি হলো ইত্যাদি। এতে শিশু কষ্ট পায়। ভুল বোঝে। সে মনে করে, আপনি তাকে অপছন্দ করছেন। আর এমনটা ঘটলে ক্ষতি। এমন হলে সে প্রায়ই ভালো হওয়ার পরিবর্তে হেয়কারিতা করতে শুরু করবে। বরং তাকে বলুন, আদরের সাথে বলুন, এটা করা ভালো নয়, এরকম করলে এই হয়, সেই হয়। দ্যাখো, এরকম করার কারণে ওই ক্ষতিটা হয়ে গেল ইত্যাদি। আল্লাহ আমাদের সন্তানদের হেফাজত করুন। আমীন।
বিষয়টি সহজে উপলব্ধি করুন। শিশুর কোনো ভুল পেলে বা তার কোনো আচরণ অসুন্দর মনে হলে সেই ভুলের ও সেই আচরণের নিন্দা করুন। ভুলেও শিশুর সত্তার নিন্দা করবেন না। অর্থাৎ তাকে এ কথা বলবেন না যে, তুমি খারাপ, তোমার এই সমস্যা; তুমি এই করলে, সেই করলে; তোমার কারণে এই ক্ষতি হলো ইত্যাদি। এতে শিশু কষ্ট পায়। ভুল বোঝে। সে মনে করে, আপনি তাকে অপছন্দ করছেন। আর এমনটা ঘটলে ক্ষতি। এমন হলে সে প্রায়ই ভালো হওয়ার পরিবর্তে হেয়কারিতা করতে শুরু করবে। বরং তাকে বলুন, আদরের সাথে বলুন, এটা করা ভালো নয়, এরকম করলে এই হয়, সেই হয়। দ্যাখো, এরকম করার কারণে ওই ক্ষতিটা হয়ে গেল ইত্যাদি। আল্লাহ আমাদের সন্তানদের হেফাজত করুন। আমীন।
📄 ঙ. প্রশংসা
সন্তান ভালো কিছু করলে তার প্রশংসা করা চাই। তাকে আদর করুন। উৎসাহ দিন। ধন্যবাদ জানান। এগুলো হতে পারে হাতে চুমু খেয়ে। কাঁধে, মাথায় উৎসাহমূলক ভঙ্গিতে হাত রেখে। মা-বাবার এমন উৎসাহমূলক আচরণ ও অভিব্যক্তি শিশুকে অনেক আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সেরকম কিছু করলে পুরস্কারও দেওয়া যেতে পারে। যেমন সন্তান কুরআনের একটি পারা মুখস্থ করল, বা কোনো হাদীস-সংকলন মুখস্থ করল ইত্যাদি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, যখন-তখন তাকে পুরস্কার দিতে হবে, বা কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্যই শুধু দিতে হবে। এগুলো ক্ষেত্র ও গুরুত্ব-বিবেচনায় মা বাবা নিজে বুঝ অনুযায়ী করবেন।
সন্তান ভালো কিছু করলে তার প্রশংসা করা চাই। তাকে আদর করুন। উৎসাহ দিন। ধন্যবাদ জানান। এগুলো হতে পারে হাতে চুমু খেয়ে। কাঁধে, মাথায় উৎসাহমূলক ভঙ্গিতে হাত রেখে। মা-বাবার এমন উৎসাহমূলক আচরণ ও অভিব্যক্তি শিশুকে অনেক আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। সেরকম কিছু করলে পুরস্কারও দেওয়া যেতে পারে। যেমন সন্তান কুরআনের একটি পারা মুখস্থ করল, বা কোনো হাদীস-সংকলন মুখস্থ করল ইত্যাদি। তবে এর অর্থ এই নয় যে, যখন-তখন তাকে পুরস্কার দিতে হবে, বা কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্যই শুধু দিতে হবে। এগুলো ক্ষেত্র ও গুরুত্ব-বিবেচনায় মা বাবা নিজে বুঝ অনুযায়ী করবেন।
📄 চ. সন্তানদের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা
সন্তানদের মাঝে তুলনা করা কথা বলা মা বাবার জন্য মোটেই সমীচীন নয়। সন্তানদের প্রত্যেকের গুণ ও স্বকীয়তাকে আলাদা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। উৎসাহ ও উদ্দীপনা যোগাতেও কাউকে এমন কিছু বলা যাবে না যা তাদের হীনম্মন্য করে তোলে।
অনেক সময় আমরা আমাদের কোনো সন্তানকে গালমন্দ করতে গিয়ে বলে ফেলি, তোমার অমুক ভাইকে দ্যাখো, সে এটা পারে, সেটা পারে; এটা করে, সেটা করে; তার এই গুণ, সেই গুণ ইত্যাদি; কিন্তু তুমি তো এই সেই। ...আল্লাহ মাফ করুন। এতে অনেক সময় হিতে বিপরীত হয়। শিশুর ব্যক্তিত্ববোধ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মানবপ্রবৃত্তির শিরায় শিরায় ভাঁজ পেতে থাকা শত্রুতা ও বিদ্বেষও মানবমনকে আক্রান্ত করার পথ পেয়ে যায়।
সন্তানদের মাঝে তুলনা করা কথা বলা মা বাবার জন্য মোটেই সমীচীন নয়। সন্তানদের প্রত্যেকের গুণ ও স্বকীয়তাকে আলাদা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। উৎসাহ ও উদ্দীপনা যোগাতেও কাউকে এমন কিছু বলা যাবে না যা তাদের হীনম্মন্য করে তোলে।
অনেক সময় আমরা আমাদের কোনো সন্তানকে গালমন্দ করতে গিয়ে বলে ফেলি, তোমার অমুক ভাইকে দ্যাখো, সে এটা পারে, সেটা পারে; এটা করে, সেটা করে; তার এই গুণ, সেই গুণ ইত্যাদি; কিন্তু তুমি তো এই সেই। ...আল্লাহ মাফ করুন। এতে অনেক সময় হিতে বিপরীত হয়। শিশুর ব্যক্তিত্ববোধ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মানবপ্রবৃত্তির শিরায় শিরায় ভাঁজ পেতে থাকা শত্রুতা ও বিদ্বেষও মানবমনকে আক্রান্ত করার পথ পেয়ে যায়।