📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 ক. পরোক্ষ উপদেশ

📄 ক. পরোক্ষ উপদেশ


সরাসরি তাকে ইঙ্গিত না করে পারস্পরিক শিষ্টাচারি উপদেশে প্রদান করা যথেষ্ট কার্যকরী। এর বড় সুফল এই যে, এতে সন্তানের ব্যক্তিত্বে আঘাত লাগে না, সে অন্যের সামনে ছোট হয় না; আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাস বজায় থাকে; হীনম্মন্যতা জন্মায় না; অথচ সে নিজের সংশোধনের সুযোগ পায় এবং নিজেকে আরও ভালো করার প্রয়াস পায়।

সরাসরি তাকে ইঙ্গিত না করে পারস্পরিক শিষ্টাচারি উপদেশে প্রদান করা যথেষ্ট কার্যকরী। এর বড় সুফল এই যে, এতে সন্তানের ব্যক্তিত্বে আঘাত লাগে না, সে অন্যের সামনে ছোট হয় না; আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাস বজায় থাকে; হীনম্মন্যতা জন্মায় না; অথচ সে নিজের সংশোধনের সুযোগ পায় এবং নিজেকে আরও ভালো করার প্রয়াস পায়।

📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 খ. শিশুর সাথে গল্প করা

📄 খ. শিশুর সাথে গল্প করা


শিশুর সাথে বসুন। তাকে সময় দিন। তার সাথে গল্প করুন। কথা বলুন। ধীরস্থিরভাবে। ভেবেচিন্তে। মা বাবা সন্তানের সাথে বসলে, গল্পগুজব ও হাসিঠাট্টা করলে পারস্পরিক ভালোবাসা জন্মায়। সম্প্রীতির সৃষ্টি হয়। সন্তান উপলব্ধি করার সুযোগ পায় যে, তার মা-বাবার তার ভালো চান। তাকে ভালোবাসেন। এতে সে মা-বাবার প্রতি খুব সহজে আশ্বস্ত হতে পারে। এমনটি হলে শিশুর শিক্ষাদীক্ষা ও সংশোধন অনেক সহজ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে শিশুর মানসিকতা ও যৌক্তিকতার প্রতি খেয়াল রাখা খুব জরুরি। এ বিষয়ে সফলতা লাভেরই অনিবার্য ফলস্বরূপ শিশু মা-বাবার উপদেশ শোনার জন্য এবং মানার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকবে।

শিশুর সাথে বসুন। তাকে সময় দিন। তার সাথে গল্প করুন। কথা বলুন। ধীরস্থিরভাবে। ভেবেচিন্তে। মা বাবা সন্তানের সাথে বসলে, গল্পগুজব ও হাসিঠাট্টা করলে পারস্পরিক ভালোবাসা জন্মায়। সম্প্রীতির সৃষ্টি হয়। সন্তান উপলব্ধি করার সুযোগ পায় যে, তার মা-বাবার তার ভালো চান। তাকে ভালোবাসেন। এতে সে মা-বাবার প্রতি খুব সহজে আশ্বস্ত হতে পারে। এমনটি হলে শিশুর শিক্ষাদীক্ষা ও সংশোধন অনেক সহজ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে শিশুর মানসিকতা ও যৌক্তিকতার প্রতি খেয়াল রাখা খুব জরুরি। এ বিষয়ে সফলতা লাভেরই অনিবার্য ফলস্বরূপ শিশু মা-বাবার উপদেশ শোনার জন্য এবং মানার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকবে।

📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 গ. প্রত্যক্ষ উপদেশ ও সংশোধন

📄 গ. প্রত্যক্ষ উপদেশ ও সংশোধন


শিশুরা যে ভুলগুলো করে বসে, অনেক ক্ষেত্রে সেগুলোর সরাসরি সংশোধন বা সে বিষয়ে সরাসরি তাকে লক্ষ্য করে উপদেশ প্রদানেরও প্রয়োজন আছে। তা না হলে, শিশু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। অনেক সময় শিশু ভুল আচরণগুলোকে সঠিক মনে করে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এই নীতিটি অনুসরণ করতেন। একবার একটি বালককে দেখলেন, খাবারের পাত্রে তার হাত এদিক-সেদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন,

'ইয়া গুলাম, সাম্মিল্লাহ ওয়া কুল বিয়ামীনিকা ওয়া কুল মিম্মা ইয়ালিকা'
অর্থ : বাবা, বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে কাছের দিক থেকে খাবার গ্রহণ করো।

শিশুরা যে ভুলগুলো করে বসে, অনেক ক্ষেত্রে সেগুলোর সরাসরি সংশোধন বা সে বিষয়ে সরাসরি তাকে লক্ষ্য করে উপদেশ প্রদানেরও প্রয়োজন আছে। তা না হলে, শিশু নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। অনেক সময় শিশু ভুল আচরণগুলোকে সঠিক মনে করে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এই নীতিটি অনুসরণ করতেন। একবার একটি বালককে দেখলেন, খাবারের পাত্রে তার হাত এদিক-সেদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন,

'ইয়া গুলাম, সাম্মিল্লাহ ওয়া কুল বিয়ামীনিকা ওয়া কুল মিম্মা ইয়ালিকা'
অর্থ : বাবা, বিসমিল্লাহ বলে ডান হাতে কাছের দিক থেকে খাবার গ্রহণ করো।

📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 ঘ. নিন্দা করুন আচরণের--শিশুর নয়

📄 ঘ. নিন্দা করুন আচরণের--শিশুর নয়


বিষয়টি সহজে উপলব্ধি করুন। শিশুর কোনো ভুল পেলে বা তার কোনো আচরণ অসুন্দর মনে হলে সেই ভুলের ও সেই আচরণের নিন্দা করুন। ভুলেও শিশুর সত্তার নিন্দা করবেন না। অর্থাৎ তাকে এ কথা বলবেন না যে, তুমি খারাপ, তোমার এই সমস্যা; তুমি এই করলে, সেই করলে; তোমার কারণে এই ক্ষতি হলো ইত্যাদি। এতে শিশু কষ্ট পায়। ভুল বোঝে। সে মনে করে, আপনি তাকে অপছন্দ করছেন। আর এমনটা ঘটলে ক্ষতি। এমন হলে সে প্রায়ই ভালো হওয়ার পরিবর্তে হেয়কারিতা করতে শুরু করবে। বরং তাকে বলুন, আদরের সাথে বলুন, এটা করা ভালো নয়, এরকম করলে এই হয়, সেই হয়। দ্যাখো, এরকম করার কারণে ওই ক্ষতিটা হয়ে গেল ইত্যাদি। আল্লাহ আমাদের সন্তানদের হেফাজত করুন। আমীন।

বিষয়টি সহজে উপলব্ধি করুন। শিশুর কোনো ভুল পেলে বা তার কোনো আচরণ অসুন্দর মনে হলে সেই ভুলের ও সেই আচরণের নিন্দা করুন। ভুলেও শিশুর সত্তার নিন্দা করবেন না। অর্থাৎ তাকে এ কথা বলবেন না যে, তুমি খারাপ, তোমার এই সমস্যা; তুমি এই করলে, সেই করলে; তোমার কারণে এই ক্ষতি হলো ইত্যাদি। এতে শিশু কষ্ট পায়। ভুল বোঝে। সে মনে করে, আপনি তাকে অপছন্দ করছেন। আর এমনটা ঘটলে ক্ষতি। এমন হলে সে প্রায়ই ভালো হওয়ার পরিবর্তে হেয়কারিতা করতে শুরু করবে। বরং তাকে বলুন, আদরের সাথে বলুন, এটা করা ভালো নয়, এরকম করলে এই হয়, সেই হয়। দ্যাখো, এরকম করার কারণে ওই ক্ষতিটা হয়ে গেল ইত্যাদি। আল্লাহ আমাদের সন্তানদের হেফাজত করুন। আমীন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px