📄 ৪. আকীকা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
كُلُّ غُلامٍ مُّرْتَهَنٌ بِعَقِيْقَتِهِ تُذْبَحُ عَنْهُ يَوْمَ سَابِعِهِ وَيُحْلَقُ رَأْسُهُ وَيُسَمَّى
অর্থ: প্রত্যেকটি শিশুরই আকীকা করানো উচিত। জন্মের সপ্তম দিনে পশু জবেহ করা হবে, শিশুর মাথা মুণ্ডানো হবে এবং সুন্দর নাম রাখা হবে।
📄 ৫. সদকা
জন্মের সপ্তম দিনে মাথা মুণ্ডানোর পর চুলের ওজন পরিমাণ রূপা সদকা করা। মাথা মুণ্ডানোর উপকারিতা হলো, এতে মাথার লোমকূপ উন্মুক্ত হয়; যা মস্তিষ্কে রক্তসঞ্চালন স্বাভাবিক হতে সহায়তা করে। আর সদকা মুসলিম-সমাজের সদস্যগণের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি জাগ্রত রাখে; সেই সাথে একে অপরের প্রতি দায়িত্ববোধ ও হিতাকাঙ্ক্ষার মানসিকতাও রক্ষিত হয়। সুখ দুঃখ ভাগ করে নেওয়ার যে অনুপমতা তাও বিবেচনা পায়।
📄 ৬. খতনা
শিশুকে খতনা করানোর উদ্দেশ্য হলো পরবর্তীতে বিভিন্ন রোগব্যাধি থেকে শিশুর স্বাস্থ্যসুরক্ষা।
📄 ৭. স্তন্যদান
শিশুকে পূর্ণরূপে খাদ্য যোগানোর জন্য স্তন্যদানের বিকল্প নেই। তবে একে শুধু শিশুর খাদ্য হিসেবে বিবেচনা করা সঙ্গত নয়। বরং এটা শিশুর লালন-পালন ও তত্ত্বাবধানের সাথেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। মায়ের ভালোবাসার সাথে এর সম্পৃক্তি খুবই সরাসরি। শিশুর ব্যক্তিত্ব ও মানস গঠনে অচিরেই এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে।
এই হলো জন্মলগ্নে শিশুর কিছু গুরুত্বপূর্ণ অধিকার। সবগুলোরই আছে বিশেষ বিশেষ তাৎপর্য। এগুলোকে সন্তানপালনের মূল ভিত্তিও বলা চলে। পিতামাতার কর্তব্য এগুলোকে যথাযথভাবে পালন করা, যাতে সন্তান একজন সৎ, মুত্তাকী ও পরহেজগার মানুষে পরিণত হতে পারে।