📄 ১. শিশুর কানে আজান দেওয়া
জন্মগ্রহণের অব্যবহিত পরেই শিশুর কানে আযান দেওয়া। তাৎপর্য এই যে, এতে পৃথিবীর বুকে আগমন করে প্রথম যে বাণীটি তার কানে ধ্বনিত হবে, তা হলো আল্লাহর একত্ব ও বড়ত্বের বাণী।
হযরত আবু রাফে রাযি. বলেন, আমি দেখেছিলাম, হযরত ফাতেমা রাযি.-এর গর্ভে যখন হযরত হাসান ইবনে আলী রাযি. জন্মগ্রহণ করেছিলেন, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কানে আযান দিয়েছিলেন।১
টিকাঃ
১. আবু দাউদ, তিরমিযী।
📄 ২. তাহনীক করা
অর্থাৎ শিশুর মুখে খেজুর বা এ জাতীয় কোনো মিষ্টান্ন লাগিয়ে দেওয়া। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে এসেছে, আবু মূসা আশআরী রাযি. থেকে আবু বুরদাহ বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন,
وُلِدَ لِى غُلَامٌ فَاتَيْتُ بِهِ رَسُوْلَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالتَّمْرِ وَدَعَا لَهُ بِالْبَرَكَةِ
অর্থ : আমার সন্তান জন্মগ্রহণ করলে আমি তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে নিয়ে গেলাম। তিনি তার নাম রাখলেন ইবরাহীম। তিনি তাকে খেজুর দিয়ে তাহনীক করালেন এবং বরকতের দোয়া করে দিলেন।
এক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় এই যে, যিনি কানে আযান দেবেন এবং যিনি তাহনীক করাবেন, তিনি সৎ ও মুত্তাকী হওয়া কাম্য। আশা করা যায়, এতে শিশুর ওপর ভালো প্রভাব পড়বে।
📄 ৩. সুন্দর নাম রাখা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِنَّكُمْ تُدْعَوْنَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِأَسْمَائِكُمْ وَبِأَسْمَاءِ آبَائِكُمْ فَأَحْسِنُوا أَسْمَاءَكُمْ
অর্থ : কিয়ামতের দিন তোমাদের নাম ধরে এবং তোমাদের পিতার নাম ধরে তোমাদের ডাকা হবে। সুতরাং তোমরা সুন্দর সুন্দর নাম রাখো।১
টিকাঃ
১. আবু দাউদ।
📄 ৪. আকীকা
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
كُلُّ غُلامٍ مُّرْتَهَنٌ بِعَقِيْقَتِهِ تُذْبَحُ عَنْهُ يَوْمَ سَابِعِهِ وَيُحْلَقُ رَأْسُهُ وَيُسَمَّى
অর্থ: প্রত্যেকটি শিশুরই আকীকা করানো উচিত। জন্মের সপ্তম দিনে পশু জবেহ করা হবে, শিশুর মাথা মুণ্ডানো হবে এবং সুন্দর নাম রাখা হবে।