📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 গ. একান্ত সাক্ষাৎ পরিহার করা

📄 গ. একান্ত সাক্ষাৎ পরিহার করা


সতর্কতা-অবলম্বনে ইসলাম ধর্মে গায়রে মাহরাম নারী পুরুষের একান্ত সাক্ষাতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেননা, এতে প্রবৃত্তির জাগ্রত হওয়ার ও মনে কুমন্ত্রণার উদয় ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়। পরিণতিতে আল্লাহর সাথে নাফরমানির ক্ষেত্র তৈরি হয়। এজন্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلَّا وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ

অর্থ : কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে একান্ত সাক্ষাৎ না করে। অবশ্যই নারীর সাথে কোনো মাহরাম থাকতে হবে।১

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন,
قَالَ : إِيَّاكُمْ وَالدُّخُولَ عَلَى النِّسَاءِ . فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفَرَأَيْتَ الْحَمْوَ ؟ قَالَ الْحَمْوُ الْمَوْتُ

অর্থ : তোমরা কখনোই পরনারীর ঘরে যাবে না। জনৈক লোক জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ রাসূল, দেবর-ভাসুরের ব্যাপারে কী বলেন? তিনি বললেন, দেবর-ভাসুর তো মৃত্যুসম।২

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী।
২. সহীহ বুখারী।

সতর্কতা-অবলম্বনে ইসলাম ধর্মে গায়রে মাহরাম নারী পুরুষের একান্ত সাক্ষাতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেননা, এতে প্রবৃত্তির জাগ্রত হওয়ার ও মনে কুমন্ত্রণার উদয় ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়। পরিণতিতে আল্লাহর সাথে নাফরমানির ক্ষেত্র তৈরি হয়। এজন্যই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةٍ إِلَّا وَمَعَهَا ذُو مَحْرَمٍ

অর্থ : কোনো পুরুষ যেন কোনো নারীর সাথে একান্ত সাক্ষাৎ না করে। অবশ্যই নারীর সাথে কোনো মাহরাম থাকতে হবে।১

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেছেন,
قَالَ : إِيَّاكُمْ وَالدُّخُولَ عَلَى النِّسَاءِ . فَقَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفَرَأَيْتَ الْحَمْوَ ؟ قَالَ الْحَمْوُ الْمَوْتُ

অর্থ : তোমরা কখনোই পরনারীর ঘরে যাবে না। জনৈক লোক জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ রাসূল, দেবর-ভাসুরের ব্যাপারে কী বলেন? তিনি বললেন, দেবর-ভাসুর তো মৃত্যুসম।২

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী।
২. সহীহ বুখারী।

📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 ঘ. দৃষ্টির হেফাজত

📄 ঘ. দৃষ্টির হেফাজত


আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,
قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ وَقُل لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَ لْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التَّابِعِينَ غَيْرِ أُولِي الْإِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النِّسَاءِ وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِن زِينَتِهِنَّ وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

অর্থ : আপনি মুমিনদের বলে দিন, তারা যেন দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্রতার। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবগত। একইভাবে মুমিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। তারা যেন সৌন্দর্য প্রকাশ করে না বেড়ায়। তবে যা প্রকাশ পাওয়ায়ই, তার কথা আলাদা। তারা যেন বক্ষদেশে মাথার কাপড় নামিয়ে দেয়। তারা যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, সন্তান, স্বামীর (অন্য স্ত্রীর) সন্তান, ভাই, ভাতিজা, ভাগ্নে, সহচর্যাত মেলামেশা হয় এমন নারী, অধিকারযুক্ত দাসী, ইন্দ্রিয়বিকল্প অনুবর্তী পুরুষ, নারীভেদ বোঝে না এমন শিশু ছাড়া কাউকে সৌন্দর্য না দেখায়। কিংবা গোপনকৃত সৌন্দর্যের জানান দেওয়ার জন্য চলার সময় যেন পা দিয়ে আওয়াজ না করে। হে মুমিনগণ, তোমরা সকলে আল্লাহর দিকে ফিরে এসো। তবেই সফলকাম হবে। -সূরা নূর : ৩০-৩১

আলোচ্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা লজ্জাস্থানের হেফাজতের পূর্বে দৃষ্টির হেফাজতের কথা বলেছেন। কারণ, দৃষ্টি মনের অগ্রদূত। সম্বোধন করা হয়েছে নারী-পুরুষ উভয়কে। সুতরাং প্রত্যেকের উচিত শয়তানের পাতানো ফাঁদে আটকা পড়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা এবং এমন সবকিছু থেকে দূরে থাকা যা ফেতনায় ফেলতে পারে। হযরত জারীর ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ نَظَرَةِ الْفُجَاةِ ؟ فَقَالَ لِي : اصْرِفْ بَصَرَكَ

অর্থ : আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনিচ্ছাকৃতভাবে তাঁর ঘটে যাওয়া দৃষ্টিপাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবে।

এভাবে আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদূল ফিতর বা ঈদূল আযহার ঈদগাহে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কিছু নারী সামনে পড়লে তিনি বললেন,
يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ مَا رَأَيْتُ مِنْ نَاقِصَاتِ عَقْلٍ وَدِينٍ أَذْهَبَ لِلُبِّ الرَّجُلِ الْحَازِمِ مِنْ إِحْدَاكُنَّ، قُلْنَ : وَمَا نُقْصَانُ دِينِنَا وَعَقْلِنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ ؟ قَالَ : أَلَيْسَ شَهَادَةُ الْمَرْأَةِ نِصْفَ شَهَادَةِ الرَّجُلِ. قُلْنَ : بَلَى. قَالَ : فَذَلِكَ مِنْ نُقْصَانِ عَقْلِهَا أَلَيْسَ إِذَا حَاضَتْ لَمْ تُصَلِّ وَلَمْ تَصُمْ ؟ قُلْنَ : بَلَى. قَالَ : فَذَلِكَ نُقْصَانُ دِينِهَا

অর্থ : হে নারীসকল, বিবেকবুদ্ধি ও ধর্ম-কর্মের ঘাটতি আছে, তাদের মধ্যে থেকে বিচক্ষণ পুরুষেরও মাথায় তালগোল পাকিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে অধিক পারঙ্গম আর কাউকে দেখিনি। তারা বললেন, আমাদের বুদ্ধির ঘাটতি, ধর্মের ঘাটতি কী? তিনি বললেন, নারীর সাক্ষ্য কি পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তারা বললেন, অবশ্যই। তিনি বললেন, সেটাই বুদ্ধির ঘাটতি। আবার মাসিকের সময় কি নামায ও রোযার ঘাটতি থাকে না? তারা বললেন, অবশ্যই। তিনি বললেন, সেটাই ধর্মের ঘাটতি।১

কবি বলেন,
كُلُّ الْحَوَادِثِ مَبْدَاهَا مِنَ النَّظَرْ وَالْمَرْءُ مَا دَامَ ذَا عَيْنٍ يُقَلِّبُهَا وَمُعْظَمُ النَّارِ مِنْ مُسْتَصْغَرِ الشَّرَرْ فِي الْعَيْنِ أَلْفٌ مُوَقُوْفٌ عَلَى الْخَطَرِ

যত বিপদের সূচনা—দেখা থেকেই হয়। চোখ আছে যখন—তো তা নাকালেই নয়। অধিকাংশ যেমন ঘটে আগুনের ফুলকিতে বিপদের ভয় তেমন, দু চোখের চাহনিতে।

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,
قُل لِّلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللَّهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ وَقُل لِّلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَ لْيَضْرِبْنَ بِخُمُرِهِنَّ عَلَى جُيُوبِهِنَّ وَلَا يُبْدِينَ زِينَتَهُنَّ إِلَّا لِبُعُولَتِهِنَّ أَوْ آبَائِهِنَّ أَوْ آبَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ أَبْنَائِهِنَّ أَوْ أَبْنَاءِ بُعُولَتِهِنَّ أَوْ إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي إِخْوَانِهِنَّ أَوْ بَنِي أَخَوَاتِهِنَّ أَوْ نِسَائِهِنَّ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُنَّ أَوِ التَّابِعِينَ غَيْرِ أُولِي الْإِرْبَةِ مِنَ الرِّجَالِ أَوِ الطِّفْلِ الَّذِينَ لَمْ يَظْهَرُوا عَلَى عَوْرَاتِ النِّسَاءِ وَلَا يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِن زِينَتِهِنَّ وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَ الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ

অর্থ : আপনি মুমিনদের বলে দিন, তারা যেন দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্রতার। নিশ্চয় আল্লাহ তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবগত। একইভাবে মুমিন নারীদের বলে দিন, তারা যেন দৃষ্টিকে অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। তারা যেন সৌন্দর্য প্রকাশ করে না বেড়ায়। তবে যা প্রকাশ পাওয়ায়ই, তার কথা আলাদা। তারা যেন বক্ষদেশে মাথার কাপড় নামিয়ে দেয়। তারা যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, সন্তান, স্বামীর (অন্য স্ত্রীর) সন্তান, ভাই, ভাতিজা, ভাগ্নে, সহচর্যাত মেলামেশা হয় এমন নারী, অধিকারযুক্ত দাসী, ইন্দ্রিয়বিকল্প অনুবর্তী পুরুষ, নারীভেদ বোঝে না এমন শিশু ছাড়া কাউকে সৌন্দর্য না দেখায়। কিংবা গোপনকৃত সৌন্দর্যের জানান দেওয়ার জন্য চলার সময় যেন পা দিয়ে আওয়াজ না করে। হে মুমিনগণ, তোমরা সকলে আল্লাহর দিকে ফিরে এসো। তবেই সফলকাম হবে। -সূরা নূর : ৩০-৩১

আলোচ্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা লজ্জাস্থানের হেফাজতের পূর্বে দৃষ্টির হেফাজতের কথা বলেছেন। কারণ, দৃষ্টি মনের অগ্রদূত। সম্বোধন করা হয়েছে নারী-পুরুষ উভয়কে। সুতরাং প্রত্যেকের উচিত শয়তানের পাতানো ফাঁদে আটকা পড়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা এবং এমন সবকিছু থেকে দূরে থাকা যা ফেতনায় ফেলতে পারে। হযরত জারীর ইবনে আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ نَظَرَةِ الْفُجَاةِ ؟ فَقَالَ لِي : اصْرِفْ بَصَرَكَ

অর্থ : আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনিচ্ছাকৃতভাবে তাঁর ঘটে যাওয়া দৃষ্টিপাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, দৃষ্টি ফিরিয়ে নেবে।

এভাবে আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদূল ফিতর বা ঈদূল আযহার ঈদগাহে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে কিছু নারী সামনে পড়লে তিনি বললেন,
يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ مَا رَأَيْتُ مِنْ نَاقِصَاتِ عَقْلٍ وَدِينٍ أَذْهَبَ لِلُبِّ الرَّجُلِ الْحَازِمِ مِنْ إِحْدَاكُنَّ، قُلْنَ : وَمَا نُقْصَانُ دِينِنَا وَعَقْلِنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ ؟ قَالَ : أَلَيْسَ شَهَادَةُ الْمَرْأَةِ نِصْفَ شَهَادَةِ الرَّجُلِ. قُلْنَ : بَلَى. قَالَ : فَذَلِكَ مِنْ نُقْصَانِ عَقْلِهَا أَلَيْسَ إِذَا حَاضَتْ لَمْ تُصَلِّ وَلَمْ تَصُمْ ؟ قُلْنَ : بَلَى. قَالَ : فَذَلِكَ نُقْصَانُ دِينِهَا

অর্থ : হে নারীসকল, বিবেকবুদ্ধি ও ধর্ম-কর্মের ঘাটতি আছে, তাদের মধ্যে থেকে বিচক্ষণ পুরুষেরও মাথায় তালগোল পাকিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে অধিক পারঙ্গম আর কাউকে দেখিনি। তারা বললেন, আমাদের বুদ্ধির ঘাটতি, ধর্মের ঘাটতি কী? তিনি বললেন, নারীর সাক্ষ্য কি পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়? তারা বললেন, অবশ্যই। তিনি বললেন, সেটাই বুদ্ধির ঘাটতি। আবার মাসিকের সময় কি নামায ও রোযার ঘাটতি থাকে না? তারা বললেন, অবশ্যই। তিনি বললেন, সেটাই ধর্মের ঘাটতি।১

কবি বলেন,
كُلُّ الْحَوَادِثِ مَبْدَاهَا مِنَ النَّظَرْ وَالْمَرْءُ مَا دَامَ ذَا عَيْنٍ يُقَلِّبُهَا وَمُعْظَمُ النَّارِ مِنْ مُسْتَصْغَرِ الشَّرَرْ فِي الْعَيْنِ أَلْفٌ مُوَقُوْفٌ عَلَى الْخَطَرِ

যত বিপদের সূচনা—দেখা থেকেই হয়। চোখ আছে যখন—তো তা নাকালেই নয়। অধিকাংশ যেমন ঘটে আগুনের ফুলকিতে বিপদের ভয় তেমন, দু চোখের চাহনিতে।

টিকাঃ
১. সহীহ বুখারী ও মুসলিম।

📘 ফিরে এসো নীড়ে 📄 ঙ. হিজাব ও পর্দা

📄 ঙ. হিজাব ও পর্দা


সৃষ্টিগতভাবে আল্লাহ তাআলা নারীর মাঝে এমন কিছু গুণ ও বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যা পুরুষকে এবং পুরুষের দৃষ্টিকে তার প্রতি আকৃষ্ট ও আকর্ষণ করে। তাই দৃষ্টি অবনত রাখার পাশাপাশি নারীকে হিজাব অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَن يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا

অর্থ : হে নবী, আপনি আপনার স্ত্রী, কন্যা ও মুমিন নারীদের বলে দিন তারা যেন শরীরে জিলবাব ব্যবহার করে। এতে তাদের চেনা সহজ হবে। তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, চির দয়ালু। -সূরা আহযাব : ৫৯

সৃষ্টিগতভাবে আল্লাহ তাআলা নারীর মাঝে এমন কিছু গুণ ও বৈশিষ্ট্য দান করেছেন যা পুরুষকে এবং পুরুষের দৃষ্টিকে তার প্রতি আকৃষ্ট ও আকর্ষণ করে। তাই দৃষ্টি অবনত রাখার পাশাপাশি নারীকে হিজাব অবলম্বনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُل لِّأَزْوَاجِكَ وَبَنَاتِكَ وَنِسَاءِ الْمُؤْمِنِينَ يُدْنِينَ عَلَيْهِنَّ مِن جَلَابِيبِهِنَّ ذَلِكَ أَدْنَى أَن يُعْرَفْنَ فَلَا يُؤْذَيْنَ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا

অর্থ : হে নবী, আপনি আপনার স্ত্রী, কন্যা ও মুমিন নারীদের বলে দিন তারা যেন শরীরে জিলবাব ব্যবহার করে। এতে তাদের চেনা সহজ হবে। তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল, চির দয়ালু। -সূরা আহযাব : ৫৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px