📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 তামাত্তু হজ্জের ইহরাম বেঁধে উমরা শেষ চুল কাটেনি

📄 তামাত্তু হজ্জের ইহরাম বেঁধে উমরা শেষ চুল কাটেনি


প্রশ্ন: (৫০৯) যে ব্যক্তি তামাতু' হজের ইহরাম বেঁধে উমরা শেষ করে চুল কাটেনি বা মুণ্ডনও করে নি। পরে হজের সমস্ত কাজ শেষ করেছে তাকে কি করতে হবে?
উত্তর: এ ব্যক্তি উমরায় চুল ছোট করা পরিত্যাগ করেছে। আর চুল ছোট করা উমরার একটি ওয়াজিব কাজ। বিদ্বানদের মতে ওয়াজিব পরিত্যাগ করলে দম তথা কুরবানী ওয়াজিব হবে। তা মক্কায় যবেহ করে সেখানকার ফকীরদের মাঝে বন্টন করতে হবে। আর এর মাধ্যমে হজ ও উমরা পূর্ণতা লাভ করবে। মক্কার বাইরে অবস্থান করলে যে কোনো লোককে উক্ত ফিদইয়া মক্কায় আদায় করার জন্য দায়িত্ব দিতে পারে। (আল্লাহ তাওফীক দাতা)

প্রশ্ন: (৫০৯) যে ব্যক্তি তামাতু' হজের ইহরাম বেঁধে উমরা শেষ করে চুল কাটেনি বা মুণ্ডনও করে নি। পরে হজের সমস্ত কাজ শেষ করেছে তাকে কি করতে হবে?
উত্তর: এ ব্যক্তি উমরায় চুল ছোট করা পরিত্যাগ করেছে। আর চুল ছোট করা উমরার একটি ওয়াজিব কাজ। বিদ্বানদের মতে ওয়াজিব পরিত্যাগ করলে দম তথা কুরবানী ওয়াজিব হবে। তা মক্কায় যবেহ করে সেখানকার ফকীরদের মাঝে বন্টন করতে হবে। আর এর মাধ্যমে হজ ও উমরা পূর্ণতা লাভ করবে। মক্কার বাইরে অবস্থান করলে যে কোনো লোককে উক্ত ফিদইয়া মক্কায় আদায় করার জন্য দায়িত্ব দিতে পারে। (আল্লাহ তাওফীক দাতা)

📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 তামাত্তু‘কারী কুরবানী দিতে না পারলে

📄 তামাত্তু‘কারী কুরবানী দিতে না পারলে


প্রশ্ন: (৫১০) তামাত্তু'কারী কুরবানী দিতে পারে নি। হজে সে তিনটি সাওম রেখেছে। কিন্তু হজ থেকে ফিরে এসে সাতটি সাওম রাখেনি। এভাবে তিন বছর কেটে গেছে। তার করণীয় কী?
উত্তর: তার উপর আবশ্যক হচ্ছে দশ দিনের মধ্যে থেকে অবশিষ্ট সাত দিনের সিয়াম এখনই পালন করে নেয়া। (আল্লাহ্র কাছে তার জন্য সাহায্য চাই)

প্রশ্ন: (৫১০) তামাত্তু'কারী কুরবানী দিতে পারে নি। হজে সে তিনটি সাওম রেখেছে। কিন্তু হজ থেকে ফিরে এসে সাতটি সাওম রাখেনি। এভাবে তিন বছর কেটে গেছে। তার করণীয় কী?
উত্তর: তার উপর আবশ্যক হচ্ছে দশ দিনের মধ্যে থেকে অবশিষ্ট সাত দিনের সিয়াম এখনই পালন করে নেয়া। (আল্লাহ্র কাছে তার জন্য সাহায্য চাই)

📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 তামাত্তু’ হজ্জের ইহরাম বেঁধে উমরা করে কোনো কারণবশতঃ হজ্জের ইচ্ছা পরিত্যাগ করা

📄 তামাত্তু’ হজ্জের ইহরাম বেঁধে উমরা করে কোনো কারণবশতঃ হজ্জের ইচ্ছা পরিত্যাগ করা


প্রশ্ন: (৫১২) তামাতু' হজের ইহরাম বেঁধে উমরা করে কোনো কারণবশতঃ হজের ইচ্ছা পরিত্যাগ করেছে। তাকে কি কোনো কাফফারা দিতে হবে?
উত্তর: তাকে কোনো কাফফারা দিতে হবে না। কেননা তামাতু'কারী উমরার ইহরাম বাঁধার পর উমরা পূর্ণ করে যদি হজের ইচ্ছা পরিত্যাগ করে তাতে কোনো অসুবিধা নেই। কেননা দু'টি কাজ আলাদা আলাদা ইহরামে সম্পাদন করতে হয়। হ্যাঁ, সে যদি মানত করে থাকে যে এ বছরই হজ করবে তবে মানত পূর্ণ করা অবশ্য কর্তব্য।

প্রশ্ন: (৫১২) তামাতু' হজের ইহরাম বেঁধে উমরা করে কোনো কারণবশতঃ হজের ইচ্ছা পরিত্যাগ করেছে। তাকে কি কোনো কাফফারা দিতে হবে?
উত্তর: তাকে কোনো কাফফারা দিতে হবে না। কেননা তামাতু'কারী উমরার ইহরাম বাঁধার পর উমরা পূর্ণ করে যদি হজের ইচ্ছা পরিত্যাগ করে তাতে কোনো অসুবিধা নেই। কেননা দু'টি কাজ আলাদা আলাদা ইহরামে সম্পাদন করতে হয়। হ্যাঁ, সে যদি মানত করে থাকে যে এ বছরই হজ করবে তবে মানত পূর্ণ করা অবশ্য কর্তব্য।

📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 তামাত্তু’ হজ্জের ইহরাম বাঁধার পর উমরা শেষ করে অজ্ঞতাবশতঃ হালাল না হওয়া

📄 তামাত্তু’ হজ্জের ইহরাম বাঁধার পর উমরা শেষ করে অজ্ঞতাবশতঃ হালাল না হওয়া


প্রশ্ন: (৫১৩) তামাতু' হজের ইহরাম বাঁধার পর উমরা শেষ করে অজ্ঞতাবশতঃ হালাল হয় নি। এভাবে হজের কাজ শেষ করে কুরবানী করেছে। তার করণীয় কী? তার হজ কি বিশুদ্ধ?
উত্তর: জানা আবশ্যক যে, কোনো মানুষ তামাতু' হজের ইহরাম বাঁধলে তার উপর ওয়াজিব হচ্ছে, তাওয়াফ, সা'ঈ শেষ করে মাথার চুল খাটো করে হালাল হয়ে যাওয়া। কিন্তু উমরার তাওয়াফ শুরু করার পূর্বে যদি হজের নিয়ত করে ফেলে এবং ইহরাম খোলার ইচ্ছা না করে, তবে কোনো অসুবিধা নেই। এ অবস্থায় তার হজ ক্বিরان হজে পরিণত হবে। তার হাদঈও হবে ক্বিরান হজের হাদঈ।
কিন্তু যদি উমরার নিয়তেই থাকে এমনকি তাওয়াফ-সাঈ শেষ করে ফেলে, তবে অধিকাংশ বিদ্বান বলেন, তার হজের ইহরাম বিশুদ্ধ নয়। কেননা উমরার তাওয়াফ শুরু করার পর উমরাকে হজে প্রবেশ করানো বিশুদ্ধ নয়।
বিদ্বানদের মধ্যে অন্যদের মত হচ্ছে, এতে কোনো অসুবিধা নেই। কেননা সে ছিল অজ্ঞ। আমি মনে করি তাকে কোনো কিছু দিতে হবে না। তার হজ বিশুদ্ধ ইনশাআল্লাহ্। (আল্লাহই তাওফীক দাতা)।

প্রশ্ন: (৫১৩) তামাতু' হজের ইহরাম বাঁধার পর উমরা শেষ করে অজ্ঞতাবশতঃ হালাল হয় নি। এভাবে হজের কাজ শেষ করে কুরবানী করেছে। তার করণীয় কী? তার হজ কি বিশুদ্ধ?
উত্তর: জানা আবশ্যক যে, কোনো মানুষ তামাতু' হজের ইহরাম বাঁধলে তার উপর ওয়াজিব হচ্ছে, তাওয়াফ, সা'ঈ শেষ করে মাথার চুল খাটো করে হালাল হয়ে যাওয়া। কিন্তু উমরার তাওয়াফ শুরু করার পূর্বে যদি হজের নিয়ত করে ফেলে এবং ইহরাম খোলার ইচ্ছা না করে, তবে কোনো অসুবিধা নেই। এ অবস্থায় তার হজ ক্বিরان হজে পরিণত হবে। তার হাদঈও হবে ক্বিরান হজের হাদঈ।
কিন্তু যদি উমরার নিয়তেই থাকে এমনকি তাওয়াফ-সাঈ শেষ করে ফেলে, তবে অধিকাংশ বিদ্বান বলেন, তার হজের ইহরাম বিশুদ্ধ নয়। কেননা উমরার তাওয়াফ শুরু করার পর উমরাকে হজে প্রবেশ করানো বিশুদ্ধ নয়।
বিদ্বানদের মধ্যে অন্যদের মত হচ্ছে, এতে কোনো অসুবিধা নেই। কেননা সে ছিল অজ্ঞ। আমি মনে করি তাকে কোনো কিছু দিতে হবে না। তার হজ বিশুদ্ধ ইনশাআল্লাহ্। (আল্লাহই তাওফীক দাতা)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00