📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 তামাত্তুকারী গণ্য হওয়ার শর্ত

📄 তামাত্তুকারী গণ্য হওয়ার শর্ত


প্রশ্ন: (৪৭২) কোনো ব্যক্তি যদি শাওয়াল মাসে উমরার ইহরাম বেঁধে উমরা পূর্ণ করে। কিন্তু সে সময় সে হজের নিয়ত করে নি। কিন্তু হজের সময় তার হজ করার সুযোগ হল। সে কি তামাতু'কারী গণ্য হবে?
উত্তর: না, সে তামাত্তু'কারী গণ্য হবে না। অতএব, তাকে হাদঈও দিতে হবে না।

প্রশ্ন: (৪৭২) কোনো ব্যক্তি যদি শাওয়াল মাসে উমরার ইহরাম বেঁধে উমরা পূর্ণ করে। কিন্তু সে সময় সে হজের নিয়ত করে নি। কিন্তু হজের সময় তার হজ করার সুযোগ হল। সে কি তামাতু'কারী গণ্য হবে?
উত্তর: না, সে তামাত্তু'কারী গণ্য হবে না। অতএব, তাকে হাদঈও দিতে হবে না।

📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 তামাত্তুকারী যদি উমরা করে নিজ দেশে ফেরত যায়

📄 তামাত্তুকারী যদি উমরা করে নিজ দেশে ফেরত যায়


প্রশ্ন: (৪৭৭) তামাতু'কারী যদি নিজ দেশে ফেরত গিয়ে আবার হজের জন্য সফর করে, তবে কি ইফরাদকারী হিসেবে গণ্য হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, তামাত্তু'কারী উমরা আদায় করার পর নিজ দেশে ফেরত গিয়ে আবার সেই বছর হজের জন্য মক্কা সফর করলে সে ইফরাদকারী হিসেবে গণ্য হবে। কেননা নিজ পরিবারের কাছে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে হজ ও উমরার মাঝে বিচ্ছিন্নতা করেছে। আবার সফর শুরু করার অর্থ হচ্ছে সে হজের জন্য নতুনভাবে সফর করছে। তখন তার এ হজ ইফরাদ হিসেবে গণ্য হবে। এ অবস্থায় তামাতু'কারীর মতো হাদঈ যবাই করা তার ওপর ওয়াজিব হবে না। কিন্তু নিজ দেশে ফিরে যাওয়াটা যদি তার হাদঈ রহিত করার বাহানা হয়, তবে হাদঈ রহিত হবে না। কেননা কোনো ওয়াজিব রহিত করার বাহানা করলে উহা রহিত হবে না।

প্রশ্ন: (৪৭৭) তামাতু'কারী যদি নিজ দেশে ফেরত গিয়ে আবার হজের জন্য সফর করে, তবে কি ইফরাদকারী হিসেবে গণ্য হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, তামাত্তু'কারী উমরা আদায় করার পর নিজ দেশে ফেরত গিয়ে আবার সেই বছর হজের জন্য মক্কা সফর করলে সে ইফরাদকারী হিসেবে গণ্য হবে। কেননা নিজ পরিবারের কাছে প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে হজ ও উমরার মাঝে বিচ্ছিন্নতা করেছে। আবার সফর শুরু করার অর্থ হচ্ছে সে হজের জন্য নতুনভাবে সফর করছে। তখন তার এ হজ ইফরাদ হিসেবে গণ্য হবে। এ অবস্থায় তামাতু'কারীর মতো হাদঈ যবাই করা তার ওপর ওয়াজিব হবে না। কিন্তু নিজ দেশে ফিরে যাওয়াটা যদি তার হাদঈ রহিত করার বাহানা হয়, তবে হাদঈ রহিত হবে না। কেননা কোনো ওয়াজিব রহিত করার বাহানা করলে উহা রহিত হবে না।

📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 তামাত্তু হজ্জ সম্পর্কিত একটি মাসআলা

📄 তামাত্তু হজ্জ সম্পর্কিত একটি মাসআলা


প্রশ্ন: (৫০৮) জনৈক হাজী তামাতু' হজ করতে এসে, উমরার তাওয়াফ ও সা'ঈ শেষ করে ইহরাম খুলে সাধারণ পোশাক পরিধান করে নিয়েছে। মাথা মুণ্ডন করে নি বা চুল ছোট করে নি। হজের যাবতীয় কাজ শেষ করার পর এ সম্পর্কে সে জানতে চেয়েছে। এখন তার করণীয় কী?
উত্তর: এ ব্যক্তি উমরার একটি ওয়াজিব কাজ পরিত্যাগ করেছে। তা হচ্ছে, চুল খাটো করা বা মাথা মুণ্ডন করা। বিদ্বানদের মতে তার উপর ওয়াজিব হচ্ছে ফিদইয়া হিসেবে একটি কুরবানী করা। তা মক্কাতেই আদায় করতে হবে এবং সেখানকার ফকীরদের নিকট তার গোশত বিতরণ করতে হবে। তবেই তার তামাতু' হজ সম্পাদন হবে এবং উমরা বিশুদ্ধ হবে।

প্রশ্ন: (৫০৮) জনৈক হাজী তামাতু' হজ করতে এসে, উমরার তাওয়াফ ও সা'ঈ শেষ করে ইহরাম খুলে সাধারণ পোশাক পরিধান করে নিয়েছে। মাথা মুণ্ডন করে নি বা চুল ছোট করে নি। হজের যাবতীয় কাজ শেষ করার পর এ সম্পর্কে সে জানতে চেয়েছে। এখন তার করণীয় কী?
উত্তর: এ ব্যক্তি উমরার একটি ওয়াজিব কাজ পরিত্যাগ করেছে। তা হচ্ছে, চুল খাটো করা বা মাথা মুণ্ডন করা। বিদ্বানদের মতে তার উপর ওয়াজিব হচ্ছে ফিদইয়া হিসেবে একটি কুরবানী করা। তা মক্কাতেই আদায় করতে হবে এবং সেখানকার ফকীরদের নিকট তার গোশত বিতরণ করতে হবে। তবেই তার তামাতু' হজ সম্পাদন হবে এবং উমরা বিশুদ্ধ হবে।

📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 তামাত্তু হজ্জের ইহরাম বেঁধে উমরা শেষ চুল কাটেনি

📄 তামাত্তু হজ্জের ইহরাম বেঁধে উমরা শেষ চুল কাটেনি


প্রশ্ন: (৫০৯) যে ব্যক্তি তামাতু' হজের ইহরাম বেঁধে উমরা শেষ করে চুল কাটেনি বা মুণ্ডনও করে নি। পরে হজের সমস্ত কাজ শেষ করেছে তাকে কি করতে হবে?
উত্তর: এ ব্যক্তি উমরায় চুল ছোট করা পরিত্যাগ করেছে। আর চুল ছোট করা উমরার একটি ওয়াজিব কাজ। বিদ্বানদের মতে ওয়াজিব পরিত্যাগ করলে দম তথা কুরবানী ওয়াজিব হবে। তা মক্কায় যবেহ করে সেখানকার ফকীরদের মাঝে বন্টন করতে হবে। আর এর মাধ্যমে হজ ও উমরা পূর্ণতা লাভ করবে। মক্কার বাইরে অবস্থান করলে যে কোনো লোককে উক্ত ফিদইয়া মক্কায় আদায় করার জন্য দায়িত্ব দিতে পারে। (আল্লাহ তাওফীক দাতা)

প্রশ্ন: (৫০৯) যে ব্যক্তি তামাতু' হজের ইহরাম বেঁধে উমরা শেষ করে চুল কাটেনি বা মুণ্ডনও করে নি। পরে হজের সমস্ত কাজ শেষ করেছে তাকে কি করতে হবে?
উত্তর: এ ব্যক্তি উমরায় চুল ছোট করা পরিত্যাগ করেছে। আর চুল ছোট করা উমরার একটি ওয়াজিব কাজ। বিদ্বানদের মতে ওয়াজিব পরিত্যাগ করলে দম তথা কুরবানী ওয়াজিব হবে। তা মক্কায় যবেহ করে সেখানকার ফকীরদের মাঝে বন্টন করতে হবে। আর এর মাধ্যমে হজ ও উমরা পূর্ণতা লাভ করবে। মক্কার বাইরে অবস্থান করলে যে কোনো লোককে উক্ত ফিদইয়া মক্কায় আদায় করার জন্য দায়িত্ব দিতে পারে। (আল্লাহ তাওফীক দাতা)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00