📄 তাওয়াফের পূর্বে সা‘ঈ করা কি জায়েয?
প্রশ্ন: (৪৯৩) তাওয়াফের পূর্বে সা'ঈ করা কি জায়েয?
উত্তর: তাওয়াফে ইফাদ্বার পূর্বে সা'ঈ করা জায়েয। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন একস্থানে দণ্ডায়মান হলেন, লোকেরা তাকে প্রশ্ন করতে লাগল। কেউ প্রশ্ন করল, سَعَيْتُ قَبْلَ أَنْ أَطْوف 'তাওয়াফ করার পূর্বে আমি সা'ঈ করে নিয়েছি।' তিনি বললেন, “কোন অসুবিধা নেই।২৫ তামাতু'কারী যদি (মুযদালিফা থেকে ফিরে এসে) তাওয়াফের পূর্বে সা'ঈ করে এবং ইফরাদকারী বা ক্বেরাণকারী তাওয়াফে কুদূমের সাথে সা'ঈ না করে থাকলে হজের তাওয়াফের পূর্বে যদি সা'ঈ করে, তবে কোনো অসুবিধা নেই。
টিকাঃ
২৫ আবু দাউদ, অধ্যায়: হজ-উমরা, অনুচ্ছেদ: হজে একটি কাজের পূর্বে অন্যটি করে ফেলার বিধান। হাদীস নং ১৭২৩।
প্রশ্ন: (৪৯৩) তাওয়াফের পূর্বে সা'ঈ করা কি জায়েয?
উত্তর: তাওয়াফে ইফাদ্বার পূর্বে সা'ঈ করা জায়েয। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরবানীর দিন একস্থানে দণ্ডায়মান হলেন, লোকেরা তাকে প্রশ্ন করতে লাগল। কেউ প্রশ্ন করল, سَعَيْتُ قَبْلَ أَنْ أَطْوف 'তাওয়াফ করার পূর্বে আমি সা'ঈ করে নিয়েছি।' তিনি বললেন, “কোন অসুবিধা নেই।২৫ তামাতু'কারী যদি (মুযদালিফা থেকে ফিরে এসে) তাওয়াফের পূর্বে সা'ঈ করে এবং ইফরাদকারী বা ক্বেরাণকারী তাওয়াফে কুদূমের সাথে সা'ঈ না করে থাকলে হজের তাওয়াফের পূর্বে যদি সা'ঈ করে, তবে কোনো অসুবিধা নেই。
টিকাঃ
২৫ আবু দাউদ, অধ্যায়: হজ-উমরা, অনুচ্ছেদ: হজে একটি কাজের পূর্বে অন্যটি করে ফেলার বিধান। হাদীস নং ১৭২৩।
📄 তাওয়াফ চলাবস্থায় যদি সালাতের ইকামত হয়ে যায়
প্রশ্ন: (৪৯৫) তাওয়াফ চলাবস্থায় যদি সালাতের ইকামত হয়ে যায়, তবে কি করবে? তাওয়াফ কি পুনরায় শুরু করবে? পুনরায় শুরু না করলে কোথা থেকে তাওয়াফ পূর্ণ করবে?
উত্তর: মানুষ যদি উমরা বা হজ বা বিদায়ী তাওয়াফ বা নফল তাওয়াফে লিপ্ত থাকে, আর ফরয সালাতের ইকামত হয়ে যায়, তবে তাওয়াফ ছেড়ে দিয়ে সালাতের কাতারে শামিল হয়ে যাবে। সালাত শেষ হলে যেখান থেকে তাওয়াফ ছেড়েছিল সেখান থেকে তাওয়াফ পূর্ণ করবে। নতুনভাবে তাওয়াফ শুরু করার দরকার নেই এবং ঐ চক্করও নতুনভাবে শুরু করবে না। কেননা সে তো শরী'আতসম্মত বিশুদ্ধ ভিত্তির উপরই বাকী কাজ আদায় করছে। সুতরাং শরী'আতের দলীল ছাড়া তার আগের কাজকে বাতিল বলা যাবে না।
প্রশ্ন: (৪৯৫) তাওয়াফ চলাবস্থায় যদি সালাতের ইকামত হয়ে যায়, তবে কি করবে? তাওয়াফ কি পুনরায় শুরু করবে? পুনরায় শুরু না করলে কোথা থেকে তাওয়াফ পূর্ণ করবে?
উত্তর: মানুষ যদি উমরা বা হজ বা বিদায়ী তাওয়াফ বা নফল তাওয়াফে লিপ্ত থাকে, আর ফরয সালাতের ইকামত হয়ে যায়, তবে তাওয়াফ ছেড়ে দিয়ে সালাতের কাতারে শামিল হয়ে যাবে। সালাত শেষ হলে যেখান থেকে তাওয়াফ ছেড়েছিল সেখান থেকে তাওয়াফ পূর্ণ করবে। নতুনভাবে তাওয়াফ শুরু করার দরকার নেই এবং ঐ চক্করও নতুনভাবে শুরু করবে না। কেননা সে তো শরী'আতসম্মত বিশুদ্ধ ভিত্তির উপরই বাকী কাজ আদায় করছে। সুতরাং শরী'আতের দলীল ছাড়া তার আগের কাজকে বাতিল বলা যাবে না।
📄 ‘ইসতেবা’ কাকে বলে? এ কাজ কোন সময় সুন্নাত?
প্রশ্ন: (৪৯৭) ইদ্বতেবা' কাকে বলে? এ কাজ কোন সময় সুন্নাত?
উত্তর: ইদ্বতেবা' হচ্ছে গায়ের চাদরকে ডান বগলের নিচ দিয়ে নিয়ে তার উভয় দিক বাম কাঁধের উপর রাখা এবং ডান কাঁধ খোলা রাখা।
তাওয়াফে কুদূম তথা মক্কায় আগমনের পর প্রথম তাওয়াফের সময় এ কাজ সুন্নাত। অন্য সময় ইদ্বতেবা' করা জায়েয নয়।
প্রশ্ন: (৪৯৭) ইদ্বতেবা' কাকে বলে? এ কাজ কোন সময় সুন্নাত?
উত্তর: ইদ্বতেবা' হচ্ছে গায়ের চাদরকে ডান বগলের নিচ দিয়ে নিয়ে তার উভয় দিক বাম কাঁধের উপর রাখা এবং ডান কাঁধ খোলা রাখা।
তাওয়াফে কুদূম তথা মক্কায় আগমনের পর প্রথম তাওয়াফের সময় এ কাজ সুন্নাত। অন্য সময় ইদ্বতেবা' করা জায়েয নয়।
📄 নফল সা‘ঈ করা কি জায়েয আছে?
প্রশ্ন: (৪৯৮) নফল সা'ঈ করা কি জায়েয আছে?
উত্তর: নফল সা'ঈ করা জায়েয নয়। কেননা সা'ঈ শুধুমাত্র হজ-উমরার সময় শরী'আতসম্মত। কেননা আল্লাহ তা'আলা বলেন,
إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِن شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ ﴾ [البقرة: ١٥٨]
"নিশ্চয় 'সাফা' ও 'মারওয়া' আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্গত। অতএব, যে ব্যক্তি এ গৃহের হজ বা উমরা করবে তার জন্য এতদুভয়ের প্রদক্ষিণ করা দূষণীয় নয়। আর কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সৎকর্ম করলে আল্লাহ গুণগ্রাহী সর্বজ্ঞাত।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৫৮]
প্রশ্ন: (৪৯৮) নফল সা'ঈ করা কি জায়েয আছে?
উত্তর: নফল সা'ঈ করা জায়েয নয়। কেননা সা'ঈ শুধুমাত্র হজ-উমরার সময় শরী'আতসম্মত। কেননা আল্লাহ তা'আলা বলেন,
إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِن شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَن يَطَّوَّفَ بِهِمَا وَمَن تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ ﴾ [البقرة: ١٥٨]
"নিশ্চয় 'সাফা' ও 'মারওয়া' আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্গত। অতএব, যে ব্যক্তি এ গৃহের হজ বা উমরা করবে তার জন্য এতদুভয়ের প্রদক্ষিণ করা দূষণীয় নয়। আর কোনো ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সৎকর্ম করলে আল্লাহ গুণগ্রাহী সর্বজ্ঞাত।” [সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত: ১৫৮]