📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 মৃতের পক্ষ থেকে উমরার জন্য করা কি জায়েয?

📄 মৃতের পক্ষ থেকে উমরার জন্য করা কি জায়েয?


প্রশ্ন: (৪৫৭) মৃতের পক্ষ থেকে উমরা আদায় করা কি জায়েয?
উত্তর: মৃতের পক্ষ থেকে হজ বা উমরা আদায় করা জায়েয। অনুরূপভাবে তাওয়াফ এবং যাবতীয় নেক আমল তার পক্ষ থেকে আদায় করা জায়েয।
ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বাল রহ. বলেন, যে কোনো নৈকট্যপূর্ণ কর্ম সম্পাদন করে যদি তার ছাওয়াব জীবিত বা মৃতের জন্য দান করে দেয়, তবে সে উপকৃত হবে। কিন্তু সাওয়াব দান করার চাইতে মৃতের জন্য দো'আ করা বেশি উত্তম। দলীল হচ্ছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী, তিনি বলেন,
إِذَا مَاتَ الإِنْسَانُ انْقَطَعَ عَنْهُ عَمَلُهُ إِلَّا مِنْ ثَلَاثَةٍ إِلَّا مِنْ صَدَقَةٍ جَارِيَةٍ أَوْ عِلْمٍ يُنْتَفَعُ بِهِ أَوْ وَلَدٍ صَالِحٍ يَدْعُو لَهُ.
"মানুষ মারা গেলে তিনটি আমল ছাড়া তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়। ১) সাদকায়ে জারিয়া ২) উপকারী ইসলামী বিদ্যা ৩) সৎ সন্তান, যে তার জন্য দো'আ করবে।"³ এ হাদীসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ বলেন নি, সৎ সন্তান, যে তার জন্য ইবাদত করবে বা কুরআন পড়বে বা সালাত পড়বে বা উমরা করবে বা সাওম রাখবে ইত্যাদি। অথচ হাদীসটিতে প্রথমে দু'টি আমলের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে। যদি মৃতের জন্য আমল করা উদ্দেশ্য হত, তবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশ্যই বলতেন, "এবং সৎ সন্তান, যে তার জন্য আমল করবে।"
কিন্তু মানুষ যদি কোনো নেক আমল করে তার ছাওয়াব কারো জন্য দান করে দেয়, তবে তা জায়েয।

টিকাঃ
৩ সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: ওসীয়ত, অনুচ্ছেদ: মৃত্যুর পর মানুষের কাছে যে সাওয়াব পৌঁছে থাকে তার বর্ণনা।

📘 ফাতওয়া আরকানুল ইসলামঃ হজ > 📄 মৃত দাদার পক্ষ থেকে হজ্জ করার বিধান কী?

📄 মৃত দাদার পক্ষ থেকে হজ্জ করার বিধান কী?


প্রশ্ন: (৪৬৯) মৃত দাদার পক্ষ থেকে হজ করার বিধান কী? অবশ্য তার পক্ষ থেকে হজ আদায়কারী নিজের হজ সম্পাদন করেছে।
উত্তর: যে মৃত দাদা নিজের হজ করে নি তার পক্ষ থেকে হজ সম্পাদন করা জায়েয। কেননা সুন্নাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ ব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00