📘 ফেইসবুক ক্ষতি নয় কল্যাণ বয়ে আনুক > 📄 মহিলা এবং পুরুষদের মধ্যে লিখিত ফেইসবুক মেসেজ বিনিময় করার হুকুম কি?

📄 মহিলা এবং পুরুষদের মধ্যে লিখিত ফেইসবুক মেসেজ বিনিময় করার হুকুম কি?


জেনে রাখবেন, পুরুষ মহিলার সঙ্গে বা মহিলা পুরুষের সঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া এবং ফিতনার আশংকা মুক্ত হওয়া ব্যতীত কথা বলা জায়েয নেই। তাছাড়া অপরিচিত নারী পুরুষের কথা বলার সময় কখনোই কোমল স্বরে কথা বলা যাবে না। দেখুন, আল্লাহ তায়ালা বলেন :
يُنِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاءِ إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ وَقُلْنَ قَوْلًا مَّعْرُوفًا
হে নবিপত্নিগণ, তোমরা অন্যকোন নারীর মত নও। যদি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে (পরপুরুষের সাথে) কোমল কন্ঠে কথা বলো না, তাহলে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায়সংগত কথা বলবে।¹
এ আয়াতে যদিও নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে, তবে এর হুকুম সাধারণ নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বরং সাধারণ নারীদেরই এ হুকুম বেশি প্রয়োজন।

ফেইসবুকে লিখিত মেসেজ বিনিময় করার বিধান :
এ মেসেজগুলো মূলত দু ধরণের হয়ে থাকে :
এক, শিক্ষামূলক সেবা সম্বলিত মেসেজ আদান-প্রদান। যেমন নারী-পুরুষদের পরস্পর কোনো গবেষণা বা বইপত্র বিনিময়, অথবা কোনো সমস্যার সমাধান বা এমন কোনো পরামর্শ প্রদান যা জনসমক্ষে বলা যায় না।
এসব মেসেজের বিধান ব্যক্তির নিজের ওপর নির্ভর করে। নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই। সুতরাং যে নিজের ভেতর দুর্বলতা অনুভব করে এবং শয়তানের ফাঁদে পড়ে যাওয়ার আশংকা করে, তার জন্য এসব মেসেজ থেকেও বিরত থাকা এবং নিজেকে হিফাজত করা ওয়াজিব।
আর যে ব্যক্তির নিজের ওপর আস্থা এবং দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে তার জন্য কিছু শর্তসাপেক্ষে এ ধরণের মেসেজ আদান-প্রদান বৈধ:

প্রথম শর্ত: দুজনের মধ্য হতে কেউই ব্যক্তিগত প্রশ্নে যাবে না। যেমন বয়স, বৈবাহিক অবস্থা, বাসস্থান, পড়াশোনা, ইত্যাদি কোনো কিছু জানতে চাইবে না।

দ্বিতীয় শর্ত : নির্ধারিত বিষয়বস্তু বহির্ভূত কোনো কথা বলবে না। দুজনের মধ্যে কেউ যদি এমন কোনো কথা বলে, অপরজনের জন্য ওই বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানানো কর্তব্য।

তৃতীয় শর্ত: এ মেসেজ সম্পর্কে অভিভাবকগণ অবগত থাকা। যেমন পিতা বা স্বামীর জানা থাকা। যাতে এ মেসেজ শয়তানের হাতিয়ারে পরিণত না হয়।

দুই, পরিচিতি মেসেজ। ফেইসবুকের এ নীল দুনিয়ায় একদল বিভ্রান্ত যুবক যুবতীদের ফাঁদে ফেলার জন্য কখনো পরিচিতি মেসেজ লিখে থাকে। নারী-পুরুষের মধ্যে এসব মেসেজ আদান-প্রদান কখনো বৈধ নয়। ইসলামে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ হারাম। তেমনি প্রত্যেক ওই কাজ যা মানুষকে হারাম পথে নিয়ে যায়, তাও হারাম। যদিও তা মুবাহ বা বৈধ কোনো কাজ হয়। এ দিকে ইঙ্গিত করেই আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَنِ
হে মুমিনগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্কসমূহ অনুসরণ করো না।¹
সদিচ্ছা এবং নিজেকে পাক সাফ মনে করেও এসব মেসেজ আদান-প্রদান করা ঠিক নয়।
আতা ইবনে আবি রাবাহ রাহিমাহুল্লাহ বলেন: সরকারি ধনাগারের ব্যাপারে যদি আমি নিজেকে নিয়ে আশ্বস্ত হতাম, তবে অবশ্যই আমি কোষাগারের তত্ত্বাবধায়ক হয়ে যেতাম। আমি কোনো কুশ্রী দাসীর ক্ষেত্রেও নিজের কুপ্রবৃত্তিকে নিরাপদ মনে করি না।¹
তাঁর এ কথা প্রসঙ্গে ইমাম যাহাবি রাহিমাহুল্লাহ বলেন : হযরত রাহিমাহুল্লাহ যথার্থই বলেছেন। কারণ হাদিসে এসেছে :
أَلَا لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةِ، فَإِنَّ ثَالِثُهُمَا الشَّيْطَانُ.
সাবধান! কোনো পুরুষ যেন কোনো অপরিচিত নারীর সাথে গোপনে মিলিত না হয়। কারণ এক্ষেত্রে শয়তান তাদের তৃতীয়জনরূপে হাজির হয়।²
তাছাড়া কেউ যদি মনে করে, অথবা শয়তান তার মগজে এ কথা ঢুকিয়ে দেয় যে, এ পরিচয় এবং বন্ধুত্ব বিবাহের উদ্দেশ্যে। বিবাহের নিয়ত তো ভাল, তবে এটি একটি কল্পিত এবং ধারণাপ্রসূত বিষয়। অথচ কল্যাণ বয়ে আনার চেয়ে অকল্যাণ ও ক্ষতি থেকে বাঁচা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই মদ হারাম করা হয়েছে, যদিও মদের ভেতর কিছু উপকারিতাও বিদ্যমান। তবে তাতে ভালোর চেয়ে মন্দের দিকটাই প্রবল। জুয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
আল্লাহ তায়ালা বলেন :
يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ قُلْ فِيهِمَا إِثْمٌ كَبِيرٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَإِثْمُهُمَا أَكْبَرُ مِنْ نَفْعِهِمَا
তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বল, এ দুটোয় রয়েছে বড় পাপ ও মানুষের জন্য উপকার। আর তার পাপ তার উপকারের চেয়ে অধিক বড়।³
এ মদ এবং জুয়া মানুষকে আরো কত হারাম কাজে জড়িয়েছে। কত মানুষকে ঠেলে দিয়েছে অন্ধকার জগতে। আছে কি এগুলোর কোনো হিসাব?
তাই যে কাজ মানুষকে হারাম পথে নিয়ে যায়, সে কাজটিও হারাম। আর সালিহীন ও সৎকর্মশীলদের চেয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার লোকই ঢের বেশি। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ- আল্লাহর তাওফিক ছাড়া ভাল কাজ করা এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা সম্ভব নয়।

টিকাঃ
1. সূরা আহযাব, আয়াত: ৩২।
1. সূরা নূর, আয়াত: ২১।
1. সিয়ারু আ'লামিন নুবালা, যাহাবী: ৫/৮৮।
2. মুসনাদে আহমদ: ১৫৬৯৬।
3. সূরা বাকারা, আয়াত: ২১৯।

জেনে রাখবেন, পুরুষ মহিলার সঙ্গে বা মহিলা পুরুষের সঙ্গে প্রয়োজন ছাড়া এবং ফিতনার আশংকা মুক্ত হওয়া ব্যতীত কথা বলা জায়েয নেই। তাছাড়া অপরিচিত নারী পুরুষের কথা বলার সময় কখনোই কোমল স্বরে কথা বলা যাবে না। দেখুন, আল্লাহ তায়ালা বলেন :
يُنِسَاءَ النَّبِيِّ لَسْتُنَّ كَأَحَدٍ مِّنَ النِّسَاءِ إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ وَقُلْنَ قَوْلًا مَّعْرُوفًا
হে নবিপত্নিগণ, তোমরা অন্যকোন নারীর মত নও। যদি তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর, তবে (পরপুরুষের সাথে) কোমল কন্ঠে কথা বলো না, তাহলে যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায়সংগত কথা বলবে।¹
এ আয়াতে যদিও নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে, তবে এর হুকুম সাধারণ নারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বরং সাধারণ নারীদেরই এ হুকুম বেশি প্রয়োজন।

ফেইসবুকে লিখিত মেসেজ বিনিময় করার বিধান :
এ মেসেজগুলো মূলত দু ধরণের হয়ে থাকে :
এক, শিক্ষামূলক সেবা সম্বলিত মেসেজ আদান-প্রদান। যেমন নারী-পুরুষদের পরস্পর কোনো গবেষণা বা বইপত্র বিনিময়, অথবা কোনো সমস্যার সমাধান বা এমন কোনো পরামর্শ প্রদান যা জনসমক্ষে বলা যায় না।
এসব মেসেজের বিধান ব্যক্তির নিজের ওপর নির্ভর করে। নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই। সুতরাং যে নিজের ভেতর দুর্বলতা অনুভব করে এবং শয়তানের ফাঁদে পড়ে যাওয়ার আশংকা করে, তার জন্য এসব মেসেজ থেকেও বিরত থাকা এবং নিজেকে হিফাজত করা ওয়াজিব।
আর যে ব্যক্তির নিজের ওপর আস্থা এবং দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে তার জন্য কিছু শর্তসাপেক্ষে এ ধরণের মেসেজ আদান-প্রদান বৈধ:

প্রথম শর্ত: দুজনের মধ্য হতে কেউই ব্যক্তিগত প্রশ্নে যাবে না। যেমন বয়স, বৈবাহিক অবস্থা, বাসস্থান, পড়াশোনা, ইত্যাদি কোনো কিছু জানতে চাইবে না।

দ্বিতীয় শর্ত : নির্ধারিত বিষয়বস্তু বহির্ভূত কোনো কথা বলবে না। দুজনের মধ্যে কেউ যদি এমন কোনো কথা বলে, অপরজনের জন্য ওই বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানানো কর্তব্য।

তৃতীয় শর্ত: এ মেসেজ সম্পর্কে অভিভাবকগণ অবগত থাকা। যেমন পিতা বা স্বামীর জানা থাকা। যাতে এ মেসেজ শয়তানের হাতিয়ারে পরিণত না হয়।

দুই, পরিচিতি মেসেজ। ফেইসবুকের এ নীল দুনিয়ায় একদল বিভ্রান্ত যুবক যুবতীদের ফাঁদে ফেলার জন্য কখনো পরিচিতি মেসেজ লিখে থাকে। নারী-পুরুষের মধ্যে এসব মেসেজ আদান-প্রদান কখনো বৈধ নয়। ইসলামে শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ হারাম। তেমনি প্রত্যেক ওই কাজ যা মানুষকে হারাম পথে নিয়ে যায়, তাও হারাম। যদিও তা মুবাহ বা বৈধ কোনো কাজ হয়। এ দিকে ইঙ্গিত করেই আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَنِ
হে মুমিনগণ, তোমরা শয়তানের পদাঙ্কসমূহ অনুসরণ করো না।¹
সদিচ্ছা এবং নিজেকে পাক সাফ মনে করেও এসব মেসেজ আদান-প্রদান করা ঠিক নয়।
আতা ইবনে আবি রাবাহ রাহিমাহুল্লাহ বলেন: সরকারি ধনাগারের ব্যাপারে যদি আমি নিজেকে নিয়ে আশ্বস্ত হতাম, তবে অবশ্যই আমি কোষাগারের তত্ত্বাবধায়ক হয়ে যেতাম। আমি কোনো কুশ্রী দাসীর ক্ষেত্রেও নিজের কুপ্রবৃত্তিকে নিরাপদ মনে করি না।¹
তাঁর এ কথা প্রসঙ্গে ইমাম যাহাবি রাহিমাহুল্লাহ বলেন : হযরত রাহিমাহুল্লাহ যথার্থই বলেছেন। কারণ হাদিসে এসেছে :
أَلَا لَا يَخْلُوَنَّ رَجُلٌ بِامْرَأَةِ، فَإِنَّ ثَالِثُهُمَا الشَّيْطَانُ.
সাবধান! কোনো পুরুষ যেন কোনো অপরিচিত নারীর সাথে গোপনে মিলিত না হয়। কারণ এক্ষেত্রে শয়তান তাদের তৃতীয়জনরূপে হাজির হয়।²
তাছাড়া কেউ যদি মনে করে, অথবা শয়তান তার মগজে এ কথা ঢুকিয়ে দেয় যে, এ পরিচয় এবং বন্ধুত্ব বিবাহের উদ্দেশ্যে। বিবাহের নিয়ত তো ভাল, তবে এটি একটি কল্পিত এবং ধারণাপ্রসূত বিষয়। অথচ কল্যাণ বয়ে আনার চেয়ে অকল্যাণ ও ক্ষতি থেকে বাঁচা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই মদ হারাম করা হয়েছে, যদিও মদের ভেতর কিছু উপকারিতাও বিদ্যমান। তবে তাতে ভালোর চেয়ে মন্দের দিকটাই প্রবল। জুয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
আল্লাহ তায়ালা বলেন :
يَسْأَلُونَكَ عَنِ الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ قُلْ فِيهِمَا إِثْمٌ كَبِيرٌ وَمَنَافِعُ لِلنَّاسِ وَإِثْمُهُمَا أَكْبَرُ مِنْ نَفْعِهِمَا
তারা তোমাকে মদ ও জুয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। বল, এ দুটোয় রয়েছে বড় পাপ ও মানুষের জন্য উপকার। আর তার পাপ তার উপকারের চেয়ে অধিক বড়।³
এ মদ এবং জুয়া মানুষকে আরো কত হারাম কাজে জড়িয়েছে। কত মানুষকে ঠেলে দিয়েছে অন্ধকার জগতে। আছে কি এগুলোর কোনো হিসাব?
তাই যে কাজ মানুষকে হারাম পথে নিয়ে যায়, সে কাজটিও হারাম। আর সালিহীন ও সৎকর্মশীলদের চেয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার লোকই ঢের বেশি। লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ- আল্লাহর তাওফিক ছাড়া ভাল কাজ করা এবং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা সম্ভব নয়।

টিকাঃ
1. সূরা আহযাব, আয়াত: ৩২।
1. সূরা নূর, আয়াত: ২১।
1. সিয়ারু আ'লামিন নুবালা, যাহাবী: ৫/৮৮।
2. মুসনাদে আহমদ: ১৫৬৯৬।
3. সূরা বাকারা, আয়াত: ২১৯।

📘 ফেইসবুক ক্ষতি নয় কল্যাণ বয়ে আনুক > 📄 অনেক যুবক-যুবতী বলে, নিজের ব্যাপারে আমার আস্থা আছে!

📄 অনেক যুবক-যুবতী বলে, নিজের ব্যাপারে আমার আস্থা আছে!


তাদের জানা উচিত, ফিতনার স্থলে গিয়ে ঈমান পরিক্ষা করা মুসলমানের জন্য জায়েয নেই। কারণ এতে ভ্রষ্টতা ও বিচ্যুতির আশংকা থাকেই।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
مِنْكُمْ بِخُرُوجِ الدَّجَّالِ فَلْيَنْأَ عَنْهُ ، فَإِنَّ الرَّجُلَ يَأْتِيْهِ فَيَحْسَبُ أَنَّهُ مُؤْمِنٌ، فَمَا يَزَالُ يَتْبَعُهُ مِمَّا يَرَى مِنَ الشُّبُهَاتِ. مَنْ سَمِعَ
তোমাদের মধ্যে যে দাজ্জালের আবির্ভাবের কথা শোনে সে যেন তার থেকে দূরে সরে যায়। কারণ দাজ্জাল যার কাছে আসবে, সে তাকে দেখে মুমিন মনে করবে। ফলে সে তার সন্দেহজনক বিষয়গুলোর অনুসরণ করতে থাকবে।'
তদুপরি ভাল উদ্দেশ্য কর্মের ন্যায্যতা দেয় না, অথবা বলা যায় ব্যক্তি এর মাধ্যমে নিজের অপরাধকে বৈধ বলে প্রমাণ করতে প্রয়াসী হয়। তাই এ পথটি বন্ধ করে দেওয়াই প্রয়োজন। যাতে নারী-পুরুষ নিষিদ্ধ কাজে জড়িয়ে না পড়ে, অন্ধকার পথে পা না বাড়ায়।
আল্লাহ তায়ালা সর্বজ্ঞ।

তাদের জানা উচিত, ফিতনার স্থলে গিয়ে ঈমান পরিক্ষা করা মুসলমানের জন্য জায়েয নেই। কারণ এতে ভ্রষ্টতা ও বিচ্যুতির আশংকা থাকেই।
নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
مِنْكُمْ بِخُرُوجِ الدَّجَّالِ فَلْيَنْأَ عَنْهُ ، فَإِنَّ الرَّجُلَ يَأْتِيْهِ فَيَحْسَبُ أَنَّهُ مُؤْمِنٌ، فَمَا يَزَالُ يَتْبَعُهُ مِمَّا يَرَى مِنَ الشُّبُهَاتِ. مَنْ سَمِعَ
তোমাদের মধ্যে যে দাজ্জালের আবির্ভাবের কথা শোনে সে যেন তার থেকে দূরে সরে যায়। কারণ দাজ্জাল যার কাছে আসবে, সে তাকে দেখে মুমিন মনে করবে। ফলে সে তার সন্দেহজনক বিষয়গুলোর অনুসরণ করতে থাকবে।'
তদুপরি ভাল উদ্দেশ্য কর্মের ন্যায্যতা দেয় না, অথবা বলা যায় ব্যক্তি এর মাধ্যমে নিজের অপরাধকে বৈধ বলে প্রমাণ করতে প্রয়াসী হয়। তাই এ পথটি বন্ধ করে দেওয়াই প্রয়োজন। যাতে নারী-পুরুষ নিষিদ্ধ কাজে জড়িয়ে না পড়ে, অন্ধকার পথে পা না বাড়ায়।
আল্লাহ তায়ালা সর্বজ্ঞ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00