📄 আলোচনা দীর্ঘ না করা
প্রতিটি জায়গার নির্ধারিত আলাদা বাচনরীতি আছে। আছে কথার নির্দিষ্ট পরিমান। তাই বাচালতা এবং বিরক্তি সৃষ্টি করা থেকে বিরত থাকুন। দীর্ঘসূত্রতা এবং বোঝা হওয়া থেকে দূরে থাকুন।
📄 মানুষের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রাখা
বন্ধুকে মেসেজ লেখার পর দেখতে পেলেন সে আর আগের মতো নেই। তার মাঝে আগের সে অন্তরঙ্গভাব নেই। অভিবাদনে নেই পূর্বের সে উষ্ণতাও। এতে বিচলিত হবেন না। ধরে নিন, হয়ত আপনার পক্ষ হতে কোনো ত্রুটি হয়েছে। অথবা তার অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ রয়েছে। অথবা তার মন মেজায ভালো নেই। তার আনন্দঘন জীবনের ছন্দপতন ঘটেছে। তাই তার প্রতি সুধারণা রাখুন। সন্দেহের পিছে পড়বেন না। এতে করে আপনার এক সুহৃদ ভাইয়ের প্রতি খারাপ ধারণা জন্ম নেবে।
যদি কোনো প্রমাণ পেয়ে যান যে, সে আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তাহলে ভেবে দেখুন আপনি কী ভুল করেছেন। আপনার অপরাধটা কী। যদি না পান, তবে চিন্তা বাদ দিন।
📄 প্রয়োজন ব্যতীত অন্যের পেইজে মেসেজ পাঠিও না
এতে অনেকে বিরক্তিবোধ করে। অনিচ্ছা সত্বেও কখনো এতে সম্মতিও জানায়। তাছাড়া কোনো কারণবশতও অনেকে এটি পছন্দ করেন না।
📄 সালাম দিয়ে মেসেজ শেষ করা
যেমনিভাবে সালামের মাধ্যমে মেসেজ লেখা শুরু করেছেন, তেমনি ইসলামের প্রতীক এ সালামের মাধ্যমেই মেসেজ শেষ করুন।
আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
إِذَا انْتَهَى أَحَدُكُمْ إِلَى الْمَجْلِسِ فَالْيُسَلِّمْ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَقُوْمَ فَلْيُسَلِّمْ ، فَلَيْسَتِ الْأُولَى بِأَحَقَّ مِنَ الْآخِرَةِ.
তোমাদের কেউ মজলিসে উপস্থিত হলে যেন সালাম দেয় এবং মজলিস হতে বিদায়ের সময়ও যেন সালাম দেয়। প্রথম সালাম শেষ সালামের চেয়ে জরুরি নয়।¹
টিকাঃ
1. সুনানে আবু দাউদ: ৫২০৮।