📄 বিরোধীদের গালমন্দ করা
প্রতিটি প্রেক্ষাপটের উপযুক্ত কিছু কথাবার্তা থাকে। সত্য পথের আহ্বায়ক এবং অন্যায় প্রতিরোধকারী ব্যক্তি দ্বীনের সম্মান রক্ষা, প্রতিপক্ষকে হেয় করা বা যেকোনো কল্যাণ চিন্তায় এসব বাক্য ব্যবহার করতে পারেন।
এক ব্যক্তি বলল, আমেরের আমল নিষ্ফল হয়েছে। একথা শুনে নбиজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, একথা যে বলেছে সে মিথ্যা বলেছে।*
উরওয়া ইবনু মাসউদ যখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্পর্কে বলল, মানুষের মধ্যে আমি এক যুবককে দেখছি, সে যোগ্য লোক বটে, কিন্তু সে পালিয়ে যাচ্ছে এবং আবু বকর তোমাকেও সে সাথে নিয়ে যাচ্ছে। একথা শুনে আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, তুমি গিয়ে লাতের ভগাঙ্কুর চোষ।
হাফিয ইবনু হাজার রাহিমাহুল্লাহ বলেন: এ ঘটনা থেকে বুঝা যায়, শাসানোর উদ্দেশ্যে বিশ্রী কোনো শব্দ প্রয়োগ করা বৈধ। ওই ব্যক্তির ক্ষেত্রে, যার থেকে এমন কিছু প্রকাশ পেয়েছে যেকারণে সে তারই উপযুক্ত।' (যেমন কুকুর তেমন মুগুর!)¹
এসব কঠোরতা কেবল ভর্ৎসনা, ধমকি ও প্রতিরোধের জন্য। যেগুলোর ব্যবহার লাভ ক্ষতির হিসেব করেই করতে হবে। তবে এগুলো মুখলিস নাসিহ ও উপদেশদাতাদের স্বভাবে পরিণত হওয়া কিছুতেই কাম্য নয়।
টিকাঃ
*. সহীহ বুখারী: ৪১৯৬, সহীহ মুসলিম: ১৮০২।
1. ফাতহুল বারী: ৫/৩৪০।