📄 কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধের পরিসংখ্যান
বদর যুদ্ধ: দ্বিতীয় হিজরী ১৭ রমযান। মুসলিম সৈন্য ৩১৩ জন, শত্রু ১০০০ জন। ১৪ জন মুসলিম শহীদ হন, ৭০ জন কাফির নিহত ও ৭০ জন বন্দী হয়।
উহুদ যুদ্ধ: ৩ হিজরী ২১ সাওয়াল। মুসলিম সৈন্য ৭০০ জন, শত্রু ৩০০০ জন। ৭০ জন মুসলিম শহীদ হন। রাসূল (স) এ যুদ্ধে আহত হন।
খন্দক যুদ্ধ: ৫ হিজরী ৫ যিলকদ। সালমান ফারসীর পরামর্শে খন্দক খনন করা হয়। মুসলিম সৈন্য ৩০০০, শত্রু ১০ হাজার। মুসলমানদের বিজয় হয়।
খাইবার যুদ্ধ: ৭ হিজরী ১ মুহররম। মুসলিম সৈন্য ১৪০০, শত্রু ২০ হাজার। মুসলমানদের বিজয় হয়।
মুতার যুদ্ধ: ৮ হিজরী জমাদিউল আউয়াল। মুসলিম সৈন্য ৩০০০, শত্রু ১ লাখ।
হুনাইনের যুদ্ধ: ৮ হিজরী ১০ সাওয়াল। মুসলিম সৈন্য ১২ হাজার। মুসলমানদের বিজয় হয়।
তাবুক যুদ্ধ: ৯ হিজরী রজব মাস। মুসলিম সৈন্য ৩০ হাজার, শত্রু ২ লাখ। রোম সম্রাট পিছুটান দিলে বিনা যুদ্ধে বিজয় অর্জিত হয়।
📄 কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি
মিরাজ: ১১ নবুওয়াতী বছরে ২৭ রজব রাতে মিরাজের ঘটনা ঘটে। এই রাতে রাসূলুল্লাহ (স) বায়তুল মুকাদ্দাসে নবীদের ইমামতি করেন এবং আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নির্দেশ নিয়ে ফিরে আসেন।
হিজরত: ১৩ নবুওয়াতী বছর ৮ রবিউল আউয়াল (৬২২ ঈসায়ী) গভীর রাতে আবূ বকর (রা)-কে নিয়ে মক্কা ত্যাগ করেন। সওর পাহাড়ের গুহায় তিন রাত কাটানোর পর মদীনার পথে রওনা হন। ১২ রবিউল আউয়াল তিনি কুবায় পৌঁছেন।
মক্কা বিজয়: ৮ হিজরীর রমযান মাসে ১০ হাজার সৈন্য নিয়ে রাসূলুল্লাহ (স) মক্কা বিজয় করেন। তিনি মক্কায় প্রবেশ করে কোনো প্রতিশোধ না নিয়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। কাবার ৩৬০টি মূর্তি অপসারণ করা হয়।
📄 রাসূলুল্লাহ (স)-এর ইনতিকাল
২৮ সফর শেষ বুধবার রাসূলুল্লাহ (স) জ্বর ও মাথার ব্যথায় আক্রান্ত হন। ১২ রবিউল আউয়াল ১১ হিজরী (৬৩২ খ্রিস্টাব্দ) সোমবার দুপুরের কাছাকাছি সময়ে আয়েশার (রা) ঘরে তাঁর কোলে মাথা রেখে তিনি চির বিদায় নেন। জানাযায় কেউ ইমামতি করেননি, লাইন ধরে সাহাবীগণ দু'আ পাঠ করেন। আয়েশার (রা) ঘরেই তাঁকে দাফন করা হয়। রাসূল (স)-এর মোট জীবনকাল ৬৩ বছর ৪ মাস।
📄 রাসূলুল্লাহ (স) সম্পর্কে কুরআনে আলোচিত আয়াতসমূহ
* আগমনবার্তা: সূরা আরাফ: ১৫৭; সূরা সফ: ৬।
* আত্মপরিচয়: সূরা আলে ইমরান: ১৪৪; সূরা আনআম: ৫০; সূরা আরাফ: ১৮৭-১৮৮; সূরা হজ্জ: ৪৯।
* নবুওয়াত প্রাপ্তি ও সত্যতার সাক্ষী: সূরা তাকবীর: ২২-২৫; সূরা ইয়াসিন: ৩-৪; সূরা ফাতহ: ৮, ২৯; সূরা নজম: ১-১২।
* বিশ্বনবী ও শেষ নবী: সূরা আহযাব: ৪০, ৪৫, ৪৬; সূরা আম্বিয়া: ১০৭; সূরা সাবা: ২৮।
* মিরাজ ও ফেরেশতা দর্শন: সূরা ইনশিরাহ: ১-৮; সূরা নজম: ৬-১৮; সূরা বনু ইসরাইল: ১।
* পারিবারিক জীবন ও স্ত্রীদের মর্যাদা: সূরা আহযাব: ৬, ২৮-৩৪; সূরা তাহরীম: ১-৫।
* অনুসরণ ও সম্মান প্রদর্শন: সূরা নিসা: ৫৯-৮০; সূরা আহযাব: ২১, ৫৬-৫৭; সূরা হুজরাত: ১-৮।