📘 দুজনার পাঠশালা > 📄 কোথাও বেড়াতে যাওয়ার সময় লক্ষণীয়

📄 কোথাও বেড়াতে যাওয়ার সময় লক্ষণীয়


এবার আসি বেড়াতে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে-
পুরুষরা অনেক সময় স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে কোথাও বেড়াতে যান। বেড়াতে যাওয়ার সময় তাদের রেডি হতে হয়। স্বাভাবিকভাবেই পুরুষের রেডি হতে সময় কম লাগে। নারীদের সময় বেশি লাগে।
পুরুষ দেখা যায় আগেই রেডি হয়ে বাড়ির বাইরে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বা গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছে। এদিকে স্ত্রীর বের হতে একটু দেরি হচ্ছে। তারপর স্ত্রী যখন বের হয়, তখন স্বামী অভিযোগের সুরে বলতে শুরু করে, তোমার সবসময় দেরি হয়। আমি কতক্ষণ ধরে তোমার অপেক্ষা করছি। এজন্য তোমাকে নিয়ে কোথাও যেতে মন চায় না। তুমি শুরুতেই মুড নষ্ট করে দাও।
সে এটা খেয়াল করে না যে, তাদের হয়ত ছোট ছোট সন্তান আছে, তাই স্ত্রী শুধু একাই রেডি হন না। সন্তানদেরও তার রেডি করতে হয়। তাদের রেডি করতে গিয়ে অনেক সময় একটু দেরি হয়। একেবারে বের হওয়ার আগ মুহূর্তে দেখা যায় কোনো বাচ্চাকে বাথরুমে নিয়ে যেতে হয়।
সে যদি তাকে তিরস্কার করার আগে এসব বিষয় নিয়ে একটু চিন্তা করত। আরেকটু সবর করত। তাহলে তার জন্য মঙ্গল হত।
অনেক নারী আছে, স্বামীকে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে কিংবা গাড়িতে বসিয়ে রেখে প্রতিবেশিনীর সঙ্গে কথা বলতে থাকে। ‘ভাবি, বেড়াতে যাচ্ছি, আমার বাসার দিকে একটু খেয়াল রাইখেন’—এ কথা বলতে গিয়ে অন্যান্য আলাপও শুরু করে দেয়। এদিকে স্বামী বেচারা অপেক্ষা করতে করতে চরম বিরক্ত।

টিকাঃ
৭৪ হামাসাতুন ফি উযুনি যাওযাইন।

📘 দুজনার পাঠশালা > 📄 শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যাওয়া

📄 শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যাওয়া


আমরা অনেক সময় স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে যাই। উৎসবে, উপলক্ষে, বিশেষ কোনো আয়োজনে। এটি খুবই আনন্দের। বিশেষ করে সন্তানদের জন্য। নানুর বাড়ির কথা শুনলে তাদের আনন্দের যেন বাঁধ ছুটে। খুশিতে তারা কী করবে বুঝতে পারে না। সারা বাড়ি লাফাতে থাকে।
কিন্তু অনেক পুরুষ আছে, তারা তাদের কিছু আচার-আচরণের দ্বারা এই আনন্দকে বিষাদে পরিণত করে। পুরো বেড়ানোটা মাটি করে দেয়।
যেমন অনেকে বাসায় ফিরে এসে শ্বশুর বাড়ির বদনাম শুরু করে দেয়। এর চেয়ে বড় কথা হলো, যতক্ষণ শ্বশুর বাড়ি থাকে, চেহারায় একটা বিরক্তির ভাব নিয়ে থাকে। মুখ অন্ধকার করে রাখে। কপাল কুঁচকে রাখে।
এটা ঠিক না। কখনো স্ত্রীর পরিবারের সমালোচনা করবেন না। কারণ, এভাবে তার মনে আঘাত দেওয়া হয়। সে কষ্ট পায়। আপনার প্রতি তার মনে শ্রদ্ধার যে কোমল জায়গাটি ছিল, সেটি নষ্ট হয়। আপনি যদি আপনার স্ত্রীকে সম্মান করতে চান, তাহলে তার পরিবারকেও আপনার সম্মান করতে হবে। কেননা, তাদের সম্মানেই তার সম্মান।

টিকাঃ
৭৫ 'হামাসাতুন ফি উযুনি যাওযাইন।

📘 দুজনার পাঠশালা > 📄 এরই নাম ভালোবাসা

📄 এরই নাম ভালোবাসা


মাহমুদ একদিন তার বন্ধুকে আক্ষেপ নিয়ে বলছিল, তিন বছর হলো আমাদের বিয়ের। আমি তাকে শরিয়তসম্মতভাবেই বিয়ে করেছিলাম। খুব আখলাকি। দীনদার। তবে আমার কেন জানি তাকে ভালো লাগে না। সে তেমন সুন্দর না। সেটাই হয়ত তাকে আমার ভালো না লাগার কারণ।
বিয়ের প্রথম দিকে সে স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত ছিল। সিজারে সন্তান হওয়ার পর তার এই সমস্যা আরও বেড়েছে। আগের চেয়ে অনেক মোটা হয়েছে। থলথলে মেদ জমেছে। এখন আমি কী করব?
সমাধান
* যেহেতু সে দীনদার ও উত্তম আখলাকের অধিকারিণী। সুতরাং আপনি তার সঙ্গে থাকুন। সুখ শুধু সৌন্দর্যের মাঝেই নিহিত নয়। জগতের সমস্ত নারী কি সুন্দরী?
* দৃঢ় বিশ্বাস রাখুন, আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই এর বিনিময়ে আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করবেন। তার উসিলায় আপনাকে রিজিক দান করবেন। অজানা বিপদের হাত থেকে রক্ষা করবেন।
* আপনি আপনার নিয়তকে আল্লাহর ওয়াস্তে খাঁটি করুন; ব্যাপক কল্যাণ লাভ করবেন। আপনি তাকে ডিভোর্স দিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করলে কী নিশ্চয়তা আছে যে, সেই নারীর এর চেয়ে বড় কোনো রোগ থাকবে না কিংবা তাকে নিয়ে আপনি সুখি হবেন? এমনও তো হতে পারে আপনি আরও কঠিন বিপদে পড়বেন। তখন আবার ডিভোর্স। তারপর আবার বিয়ে।
* আপনি বরং তাকে মেদ কমানোর জন্য এক্সারসাইজ করতে উদ্বুদ্ধ করুন। নিয়মিত হাঁটতে বলুন। তাকে কোনো মহিলা ফিটনেস স্পেশালিস্টের কাছে নিয়ে যান। সন্তান জন্মদানের পর প্রায় সব নারীরই কম বেশি ওজন বেড়ে যায়। কিছু এক্সারসাইজ করলে এটি আবার ঠিক হয়ে যায়। তাকে বলুন, ওজন না কমালে ভবিষ্যতে সে কী কী স্বাস্থ্য জটিলতায় ভুগবে। যেমন তার হাঁটুর সমস্যা দেখা দিতে পারে, ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। তার ডায়াবেটিস, স্ট্রোক সহ জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
এবার একটি ঘটনা শুনুন, এক লোক সুন্দরী এক নারীকে বিয়ে করলো। সে তাকে খুব ভালোবাসত। বিয়ের কয়েক বছর পর তার স্ত্রীর ব্রণের সমস্যা দেখা দিল। দাগে দাগে তার পুরো চেহারা একেবারে নষ্ট হয়ে গেল।
স্ত্রীর এই সমস্যা দেখা দেওয়ার সময় সে সফরে ছিল। তাই সে জানতে পারেনি।
ফিরে আসার সময় রাস্তায় এক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে।
এরপর তারা উভয়ে একসঙ্গে বসবাস করতে থাকে। এদিকে তার স্ত্রীর ব্রণের সমস্যা দিন দিন আরও প্রকট হতে থাকে। একসময় তার সম্পূর্ণ চেহারা নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু স্বামী তো অন্ধ। সে তো তার স্ত্রীর চেহারার এই দশা দেখতে পায় না।
এভাবেই তারা দুজন দুজনকে ভালোবেসে বছরের পর বছর কাটিয়ে দেয়। একদিন তার স্ত্রী মারা যায়। সে তখন তার মৃত্যুশোকে ভীষণ মুষড়ে পড়ে।
স্ত্রীকে দাফন করে সে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। এমন সময় পেছন থেকে এক লোক তাকে ডাক দিয়ে বলল, কোথায় যাচ্ছ হে?
-বাড়িতে।
-তুমি তো অন্ধ। একা কীভাবে যাবে?
-আমি অন্ধ নই। অন্ধ সেজেছিলাম। সফর থেকে ফেরার সময় পথিমধ্যেই আমি আমার স্ত্রীর সমস্যার কথা জেনেছিলাম। কিন্তু আমি তার মনে কষ্ট দিতে চাইনি। সে স্ত্রী হিসেবে খুব উত্তম ছিল। তাই আমি এত বছর অন্ধ সেজে থেকেছি।
সুবহানাল্লাহ! এরই নাম ভালোবাসা! আজকাল এমন স্বামীর কথা শুধু কল্পনাতেই সম্ভব। ১৬

টিকাঃ
৭৬ 'হামাসাতুন ফি উযুনি যাওযাইন।

📘 দুজনার পাঠশালা > 📄 আয় বুঝে ব্যয় না করা

📄 আয় বুঝে ব্যয় না করা


অনেক পুরুষ আছে পকেটে টাকা এলে হুঁশ থাকে না, পরিবারের পিছনে হাত খুলে খরচ করতে থাকে। প্রয়োজনীয়-অপ্রয়োজনীয় সব কিনতে থাকে। কোনোকিছুই বাদ রাখে না। কিন্তু যখন টাকা শেষ হয়ে যায় তখন মানুষের কাছে হাত পাততেও তার বাধে না। এক হাতে ঋণ করতে থাকে আরেক হাতে খরচ। এভাবে একসময় সে বিশাল ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে।
আর কেউ আছে ব্যবসা ভালোভাবে না বুঝে, কারও সঙ্গে পরামর্শ না করে কোথাও বিনিয়োগ করে ফেলে, পরে যখন ধরা খায়, তখন ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে লোন নেয়। এভাবে সে বিশাল ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ে।
অথচ পবিত্র কুরআনের নির্দেশনা এমন নয়। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন,
وَلَا تَجْعَلْ يَدَكَ مَغْلُولَةً إِلَىٰ عُنُقِكَ وَلَا تَبْسُطْهَا كُلَّ الْبَسْطِ فَتَقْعُدَ مَلُومًا مَّحْسُورًا
'তুমি তোমার হাত তোমার গ্রীবায় আবদ্ধ করে রেখো না এবং তা সম্পূর্ণ প্রসারিতও করো না। তাহলে তুমি তিরস্কৃত ও নিঃস্ব হয়ে পড়বে।'
এই আয়াতে আমাদেরকে দুটি কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে। এক. কার্পণ্য। দুই. অপব্যয়।
অর্থাৎ আমরা যেমন কার্পণ্য করব না তেমনি অপব্যয়ও করব না। বরং মধ্যপন্থা অবলম্বন করব। আয় বুঝে ব্যয় করব। পারিবারিক সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করব। তাহলে আমাদের কখনো অভাবের মুখে পড়তে হবে না। কারও কাছে হাত পাততে হবে না। ঋণ করতে হবে না।
নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
مَا عَالَ مَنْ اقْتَصَدَ
'যে মধ্যপন্থা অবলম্বন করে সে কখনো অভাবে পড়ে না।'৭৮
পুরুষের মাঝে অতিমাত্রায় খরচ কিংবা আয় বুঝে ব্যয় না করার এই যে প্রবণতা, এটা মূলত কয়েকটি কারণে হয়,
১. পারিবারিকভাবে। অর্থাৎ ছোটকাল থেকে সে তার বাবা-মাকে দেখে আসছে তারা অধিক খরুচে। অমিতব্যয়ী। হাতে যা থাকে সব খরচ ফেলে। তারপর মানুষের কাছ থেকে ঋণ করে। এভাবে তার মাঝেও অপব্যয়ের অভ্যাস গড়ে উঠেছে।
যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে তার জেনে রাখা উচিত, পবিত্র কুরআনে অপব্যয় করতে নিষেধ করা হয়েছে এবং অপব্যয়কারীকে শয়তানের ভাই বলে আখ্যায়িত করেছে।
সুতরাং তার উচিত নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা, আয় বুঝে ব্যয় করা, অপব্যয়ের হাত থেকে বেঁচে থাকা। এর জন্য সর্বপ্রথম নিজেকে পরিবর্তনের দৃঢ়সংকল্প থাকতে হবে, নিয়ত সঠিক করতে হবে এবং আল্লাহর কাছে তাওফিক ক মনা করতে হবে।
২. স্ত্রীর কারণে। স্ত্রীর চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে অনেক স্বামী অতিরিক্ত খরচ করতে বাধ্য হয়। দেখা যায় স্ত্রীর তার সামর্থ্যের কথা বিবেচনা না করে কিছু চেয়ে বসেছে এবং সেটা তাকে দিতেই হবে, এমন জিদ ধরেছে। তখন স্বামী বেচারার বাধ্য হয়ে তা পূরণ করতে হয় এবং ব্যয়ের অতিরিক্ত বোঝা নিজের মাথায় চাপাতে হয়।
এমতাবস্থায় পুরুষের মনে রাখা উচিত যে, স্ত্রী সং-শরের কর্তা নয়। আদেশ-নিষেধকারী নয়। বরং সে অধিনস্থ এবং গুনাহর কাজ না হলে স্বামীর নির্দেশ মানতে বাধ্য। তবে এর অর্থ এই নয় যে, তার কোনো কথা ধর্তব্য হবে না। তার চাওয়া-পাওয়ার কোনো গুরুত্ব স্বামীর কাছে থাকবে না। বরং সাধ্যের মধ্যে থেকে এবং স্বামীর সন্তুষ্টির ভিত্তিতে। কারণ সে-ই পরিবারের কর্তা।
তাই সে যদি দেখে, স্ত্রী তাকে এমন অপ্রয়োজনীয় কিছু কিনে দিতে বলছে, যা সম্পূর্ণ অপচয় এবং যার জন্য তাকে ঋণ করতে হবে, কিংবা পরে কিনে দিলেও হবে, তখন সে তাকে বুঝিয়ে বলবে যে, অপচয় করা হারাম। আর কোনো হারাম কাজ করা তার পক্ষে সম্ভব না। সে আল্লাহর ক্রোধের পাত্র হতে পারবে না। তাছাড়া এটা কিনে দিতে গেলে তাকে ঋণ করতে হবে। নিজেকে সে আর ঋণগ্রস্ত করতে চাচ্ছে না। এতে তার মান-সম্মান ও আত্মিক প্রশান্তি বিনষ্ট হয়।
স্ত্রীর বিষয়টি উপলব্ধি করা উচিত। স্বামীকে মিতব্যয়ী হতে সাহায্য করা উচিত। অন্যথায় তাকে অপব্যয়ের দিকে ঠেলে দেওয়ার কারণে সেও গুনাহগার হবে। এর কুফল তাকেও ভোগ করতে হবে। কখনো দেখা যায় স্ত্রীর এসব চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে স্বামীকে হারাম উপার্জনের দিকে হাত বাড়াতে হয়। আমাদের পূর্ববর্তী নেককার স্ত্রীগণ এমন ছিলেন না। তাদের তাকওয়া পরহেযগারী এত অধিক ছিল যে, তারা স্বামীকে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় বলতেন,
اتَّقُوا اللهَ فِيْنَا وَ لَا تُطْعِمُوْنَا الكَسْبَ الحرامَ فَإِنَّا نَصْبِرُ عَلَى الجُوعِ والضر ولا نَصْبِرُ عَلى النار
'আমাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের হারাম কামাই খাওয়াবেন না। কারণ, আমরা ক্ষুধা ও কষ্ট সহ্য করে নিতে পারব, কিন্তু জাহান্নামের আগুন সহ্য করতে পারব না।' ৭৯
এটাই প্রকৃত মুমিন স্ত্রীর কথা। তার কথা কখনো এমন হবে না, যাও, আমি যা চেয়েছি, তা জলদি গিয়ে নিয়ে আসো। আমাদের কথা অবশ্য এর চেয়ে কম হয় না।
পুরুষের জেনে রাখা উচিত, অধিকাংশ নারীরাই স্বভাবত এটা সেটা কিনতে পছন্দ করে। তার মন কখনো তৃপ্ত হয় না। এখন সে যদি তার এই প্রবণতাকে আরও উস্কে দেয়, তাহলে তো তার মরণ। খরচ করতে করতে সে শেষ হয়ে যাবে।
৩. অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা ও লোক দেখানো অপচয় ও অপব্যয়ের এটি অন্যতম একটি কারণ। স্ত্রীর মাঝে যদি এমন অসুস্থ প্রবণতা থাকে যে, কেউ কিছু কিনলে তার দেখাদেখি তারও সেটা কিনতে হবে কিংবা মানুষকে দেখাতে হবে, তাহলে স্বামীর উচিত তাকে বোঝানো যে, প্রতিযোগিতা করতে চাইলে আখেরাতের বিষয়ে করো। সৎকর্মে করো। ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার লয়শীল কোনো জিনিসের জন্য নয়।

টিকাঃ
* সূরা বনি ইসরাইল: ২৯।
৭৮ শুআবুল ঈমান: ৬৫৬৮।
** ইহইয়াউ উলুমুদ্দিন : বিবাহ অধ্যায়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00