📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বিবিধ বিষয়ের দোয়া সমূহ

📄 বিবিধ বিষয়ের দোয়া সমূহ


আল্লাহ্‌ যা দ্বারা দাজ্জাল থেকে হেফাযত করবেন

আল্লাহ্‌ যা দ্বারা দাজ্জাল থেকে হেফাযত করবেন

যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, তাকে দাজ্জাল থেকে রক্ষা করা হবে। অনুরূপভাবে প্রতি নামাযের শেষ বৈঠকে তাশাহুদের পর তার (দাজ্জালের) বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবার জন্য আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮০৯

যে ব্যক্তি সূরা কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্থ করবে, তাকে দাজ্জাল থেকে রক্ষা করা হবে। অনুরূপভাবে প্রতি নামাযের শেষ বৈঠকে তাশাহুদের পর তার (দাজ্জালের) বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবার জন্য আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮০৯

শিরক থেকে বাঁচার দোয়া

শিরক থেকে বাঁচার দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা আন উশরিকা বিকা ওয়া ‘আনা- আ‘লামু ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা- লা- আ‘লামু

হে আল্লাহ্‌! আমি জ্ঞাতসারে আপনার সাথে শির্ক করা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় চাই এবং অজ্ঞতাসারে (শির্ক) হয়ে গেলে তার জন্য ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৭১৬

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا أَعْلَمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি জ্ঞাতসারে আপনার সাথে শির্ক করা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় চাই এবং অজ্ঞতাসারে (শির্ক) হয়ে গেলে তার জন্য ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৭১৬

বরকতের দোয়া করলে #১

বরকতের দোয়া করলে #১

وَفِيهِمْ بَارَكَ اللَّهُ

ওয়াফীহিম বা-রাকাল্লা-হ

আর তাদের মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন

وَفِيكَ بَارَكَ اللَّهُ

ওয়াফীকা বা-রাকাল্লা-হ

আর আপনার মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

রেফারেন্স: হাদীসটি ইবনুস সুন্নী সংকলন করেছেন, পৃ. ১৩৮, নং ২৭৮। আরও দেখুন, ইবনুল কাইয়্যেমের আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যেব, পৃ. ৩০৪। তাহকীক, বশীর মুহাম্মাদ উয়ূন।

তাই আমরাও একই ভাবে দোয়া করব একই রকম সাওয়াবের আশায়।

وَفِيهِمْ بَارَكَ اللَّهُ

আর তাদের মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন

وَفِيكَ بَارَكَ اللَّهُ

আর আপনার মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

রেফারেন্স: হাদীসটি ইবনুস সুন্নী সংকলন করেছেন, পৃ. ১৩৮, নং ২৭৮। আরও দেখুন, ইবনুল কাইয়্যেমের আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যেব, পৃ. ৩০৪। তাহকীক, বশীর মুহাম্মাদ উয়ূন।

অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দোয়া

অশুভ লক্ষণ গ্রহণকে অপছন্দ করে দোয়া

اَللَّهُمَّ لَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ، وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

আল্লা-হুম্মা লা- ত্বাইরা ইল্লা- ত্বাইরুকা ওয়ালা- খাইরা ইল্লা- খাইরুকা ওয়ালা- ইলা-হা গাইরুকা

হে আল্লাহ্‌! আপনার পক্ষ থেকে অশুভ মঞ্জুর না হলে অশুভ বলে কিছু নেই। আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। [১]

রেফারেন্স: [১] সহিহ। আহমাদঃ ৭০৪৫ [২] আবু দাউদ, নং ৩৭১৯; আহমাদ, নং ৯০৪০। আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুস সহীহায় একে সহীহ বলেছেন, ২/৩৬৩; আবুশ শাইখ, আখলাকুন নবী (ﷺ), পৃ. ২৭০।

তবে সুলক্ষণ নেওয়া রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) পছন্দ করতেন। সেজন্য যখন তিনি কোনো মানুষ থেকে কোনো ভালো বাক্য বা সুবচন শুনতেন, তখন সেটা তাঁর কাছে ভালো লাগত এবং বলতেন, “তোমার মুখ থেকে তোমার সুলক্ষণ গ্রহণ করেছি”। [২]

اَللَّهُمَّ لَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ، وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

হে আল্লাহ্‌! আপনার পক্ষ থেকে অশুভ মঞ্জুর না হলে অশুভ বলে কিছু নেই। আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। [১]

রেফারেন্স: [১] সহিহ। আহমাদঃ ৭০৪৫ [২] আবু দাউদ, নং ৩৭১৯; আহমাদ, নং ৯০৪০। আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুস সহীহায় একে সহীহ বলেছেন, ২/৩৬৩; আবুশ শাইখ, আখলাকুন নবী (ﷺ), পৃ. ২৭০।

নবী (ﷺ)-এর উপর দরূদ পাঠের ফযীলত

নবী (ﷺ)-এর উপর দরূদ পাঠের ফযীলত

নবী (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, তার বিনিময়ে আল্লাহ্‌ তার উপর দশবার দরুদ পাঠ করবেন।” [১] নবী (ﷺ) আরও বলেন, “তোমরা আমার কবরকে ঈদ তথা সম্মিলনস্থলে পরিণত করবে না, আর তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ কর; কেননা তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়, তোমরা যেখানেই থাক না কেন।” [২] নবী (ﷺ) আরও বলেন, “যার সামনে আমার নাম উল্লেখ করা হলো অতঃপর সে আমার উপর দরূদ পড়লো না, সে-ই কৃপণ।” [৩] রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, “পৃথিবীতে আল্লাহ্‌র একদল ভ্রাম্যমাণ ফেরেশতা রয়েছে যারা উম্মতের পক্ষ থেকে প্রেরিত সালাম আমার কাছে পৌঁছিয়ে দেয়।” [৪] রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, “যখন কোনো ব্যক্তি আমাকে সালাম দেয়, তখন আল্লাহ্‌ আমার রূহ ফিরিয়ে দেন, যাতে আমি সালামের জবাব দিতে পারি।” [৫]

রেফারেন্স: [১] মুসলিমঃ ৩৮৪ [২] সহিহ। আবূ দাঊদঃ ২০৪২ [৩] সহিহ। তিরমিযীঃ ৩৫৪৬ [৪] সহিহ। নাসাঈঃ ১২৮২ [৫] হাসান। আবূ দাঊদঃ ২০৪১

নবী (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, তার বিনিময়ে আল্লাহ্‌ তার উপর দশবার দরুদ পাঠ করবেন।” [১] নবী (ﷺ) আরও বলেন, “তোমরা আমার কবরকে ঈদ তথা সম্মিলনস্থলে পরিণত করবে না, আর তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ কর; কেননা তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়, তোমরা যেখানেই থাক না কেন।” [২] নবী (ﷺ) আরও বলেন, “যার সামনে আমার নাম উল্লেখ করা হলো অতঃপর সে আমার উপর দরূদ পড়লো না, সে-ই কৃপণ।” [৩] রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, “পৃথিবীতে আল্লাহ্‌র একদল ভ্রাম্যমাণ ফেরেশতা রয়েছে যারা উম্মতের পক্ষ থেকে প্রেরিত সালাম আমার কাছে পৌঁছিয়ে দেয়।” [৪] রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, “যখন কোনো ব্যক্তি আমাকে সালাম দেয়, তখন আল্লাহ্‌ আমার রূহ ফিরিয়ে দেন, যাতে আমি সালামের জবাব দিতে পারি।” [৫]

রেফারেন্স: [১] মুসলিমঃ ৩৮৪ [২] সহিহ। আবূ দাঊদঃ ২০৪২ [৩] সহিহ। তিরমিযীঃ ৩৫৪৬ [৪] সহিহ। নাসাঈঃ ১২৮২ [৫] হাসান। আবূ দাঊদঃ ২০৪১

পশু যবেহ বা নাহর করার সময় যা বলবে

পশু যবেহ বা নাহর করার সময় যা বলবে

بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ [اَللَّهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ] اَللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنِّي

বিসমিল্লা-হি ওয়াল্লা-হু আকবার, [আল্লা-হুম্মা মিনকা ওয়ালাকা], আল্লা-হুম্মা তাকাব্বাল মিন্নী

আল্লাহ্‌র নামে, আর আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়। [হে আল্লাহ্‌! এটা আপনার নিকট থেকে প্রাপ্ত এবং আপনার জন্যই] হে আল্লাহ্‌! আপনি আমার তরফ থেকে তা কবুল করুন।

রেফারেন্স: মুসলিম, ৩/১৫৫৭, ১৯৬৭ নং, বায়হাক্বী ৯/২৮৭ (ব্রাকেটের অংশটুকু)

بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ [اَللَّهُمَّ مِنْكَ وَلَكَ] اَللَّهُمَّ تَقَبَّلْ مِنِّي

আল্লাহ্‌র নামে, আর আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়। [হে আল্লাহ্‌! এটা আপনার নিকট থেকে প্রাপ্ত এবং আপনার জন্যই] হে আল্লাহ্‌! আপনি আমার তরফ থেকে তা কবুল করুন।

রেফারেন্স: মুসলিম, ৩/১৫৫৭, ১৯৬৭ নং, বায়হাক্বী ৯/২৮৭ (ব্রাকেটের অংশটুকু)

গাধা বা কুকুরের ডাক শুনলে

গাধা বা কুকুরের ডাক শুনলে

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيـمِ

আ‘উযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৫১০৩

যখন তোমরা রাত্রিবেলা কুকুরের ডাক ও গাধার স্বর শুনবে, তখন তোমরা সেগুলো থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাও; কেননা সেগুলো তা দেখে তোমরা যা দেখতে পাও না। [১]

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيـمِ

বিতাড়িত শয়তান থেকে আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় নিচ্ছি।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৫১০৩

দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ

আ‘উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্-তা-ম্মা-তিল্লাতী লা ইয়ুজা-উইযুহুন্না বাররুন ওয়ালা- ফা-জিরুম মিন শাররি মা খালাক্বা, ওয়া বারা’আ, ওয়া যারা’আ, ওয়ামিন শাররি মা- ইয়ানঝিলু মিনাস্ সামা-য়ি, ওয়া মিন শার্‌রি মা- ইয়া’অ্‌রুজু ফীহা-, ওয়ামিন শাররি মা যারাআ ফিল আরদ্বি, ওয়ামিন শাররি মা- ইয়াখরুজু মিনহা-, ওয়ামিন শাররি ফিতানিল-লাইলি ওয়ান-নাহা-রি, ওয়ামিন শাররি কুল্লি ত্বা-রিক্কীন ইল্লা- ত্বা-রিকান ইয়াত্বরুকু বিখাইরিন, ইয়া- রহ্‌মান

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না- আল্লাহ্‌ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: শাইখ আরনাউত (রহ) এর সনদকে সহিহ বলেছেন তাখরিজ লিতাহাবিয়্যাহ (১৩৩ পৃঃ)

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না- আল্লাহ্‌ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: শাইখ আরনাউত (রহ) এর সনদকে সহিহ বলেছেন তাখরিজ লিতাহাবিয়্যাহ (১৩৩ পৃঃ)

ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা

ক্ষমা প্রার্থনা ও তাওবা করা

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, যে ব্যক্তি বলবে -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيهِ

আস্তাগফিরুল্লা-হাল ‘আযীমাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুয়াল হাইয়্যুল ক্বায়্যূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি

আমি মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি চিরস্থায়ী, সর্বসত্তার ধারক। আর আমি তাঁরই নিকট তাওবা করছি।

রেফারেন্স: [১] সহীহ। আবূ দাউদ ১৫১৭ [২] সহীহ। তিরমিযী ৩৫৭৯ [৩] মুসলিম ৪৮২ [৪] মুসলিম ২৭০২

আল্লাহ্‌ তাকে মাফ করে দিবেন যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়নকারী হয়।” [১] রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, “রব একজন বান্দার সবচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয় রাতের শেষ প্রান্তে, সুতরাং যদি তুমি সে সময়ে আল্লাহ্‌র যিক্‌রকারীদের অন্তর্ভুক্ত হতে সক্ষম হও, তবে তা-ই হও।” [২] তিনি (ﷺ) আরও বলেন, “একজন বান্দা তার রবের সবচেয়ে কাছে তখনই থাকে, যখন সে সিজদায় যায়, সুতরাং তোমরা তখন বেশি বেশি করে দোয়া করো।” [৩] তিনি (ﷺ) আরও বলেন, “নিশ্চয় আমার অন্তরেও ঢাকনা এসে পড়ে, আর আমি দৈনিক আল্লাহ্‌র কাছে একশত বার ক্ষমা প্রার্থনা করি।” [৪]

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আরও বলেন, যে ব্যক্তি বলবে -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيهِ

আমি মহামহিম আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি চিরস্থায়ী, সর্বসত্তার ধারক। আর আমি তাঁরই নিকট তাওবা করছি।

রেফারেন্স: [১] সহীহ। আবূ দাউদ ১৫১৭ [২] সহীহ। তিরমিযী ৩৫৭৯ [৩] মুসলিম ৪৮২ [৪] মুসলিম ২৭০২

ফলের কলি দেখলে পড়ার দোয়া

ফলের কলি দেখলে পড়ার দোয়া

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, মানুষেরা নতুন ফল রাসূল (ﷺ)-এর নিকটে নিয়ে আসতেন। রাসূল (ﷺ) তা গ্রহণ করে বলতেন -

اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي ثَمَرِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي مَدِينَتِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي مُدِّنَا

আল্লা-হুম্মা বা-রিক লানা- ফী ছামারিনা-, ওয়াবা-রিক লানা ফী মাদীনাতিনা-, ওয়াবা-রিক লানা ফী সা‘ইনা-, ওয়াবা-রিক লানা ফী মুদ্দিনা-

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাদের ফল-ফলাদিতে বরকত দিন, আমাদের শহরে বরকত দিন, আমাদের সা‘ তথা বড় পরিমাপক যন্ত্রে বরকত দিন, আমাদের মুদ্দ তথা ছোট পরিমাপক যন্ত্রে বরকত দিন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৭৩

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, মানুষেরা নতুন ফল রাসূল (ﷺ)-এর নিকটে নিয়ে আসতেন। রাসূল (ﷺ) তা গ্রহণ করে বলতেন -

اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي ثَمَرِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي مَدِينَتِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي صَاعِنَا، وَبَارِكْ لَنَا فِي مُدِّنَا

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমাদের ফল-ফলাদিতে বরকত দিন, আমাদের শহরে বরকত দিন, আমাদের সা‘ তথা বড় পরিমাপক যন্ত্রে বরকত দিন, আমাদের মুদ্দ তথা ছোট পরিমাপক যন্ত্রে বরকত দিন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৩৭৩

অন্তরকে পাপ কাজ থেকে বাঁচিয়ে রাখার দোয়া

অন্তরকে পাপ কাজ থেকে বাঁচিয়ে রাখার দোয়া

অন্তরকে পাপ কাজ থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ اِنِّي اَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الْاَخْلَاقِ وَالْأَعْمَالِ وَالْأَهْوَاءِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন মুনকারা-তিল আখলা-ক্বি ওয়াল আ‘মা-লি ওয়াল আহ্ওয়া-

হে আল্লাহ্‌! আমি চরিত্র, কর্ম ও প্রবৃত্তির অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫৯১

অন্তরকে পাপ কাজ থেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ اِنِّي اَعُوذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الْاَخْلَاقِ وَالْأَعْمَالِ وَالْأَهْوَاءِ

হে আল্লাহ্‌! আমি চরিত্র, কর্ম ও প্রবৃত্তির অনিষ্ট হতে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫৯১

চক্ষু, কর্ণ, জিহ্বা ও অন্তরের অনিষ্ট হতে বাঁচার দোয়া

চক্ষু, কর্ণ, জিহ্বা ও অন্তরের অনিষ্ট হতে বাঁচার দোয়া

اَللَّهُمَّ اِنِّي اَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِيْ وَمِنْ شَرِّ بَصَرِيْ وَمِنْ شَرِّ لِسَانِيْ وَمِنْ شَرِّ قَلْبِيْ مِنْ شَرِّ مَنِيِّيْ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন শাররি সাম্'ঈ ওয়া মিন শাররি বাস্বারী ওয়া মিন শাররি লিসা-নী ওয়া মিন শাররি ক্বলবী ওয়া মিন শাররি মানিয়্যী

হে আল্লাহ্‌! আমি আশ্রয় চাই আমাদের কর্ণ, আমাদের চক্ষু, আমাদের জিহ্বা ও আমাদের অন্তরের অনিষ্ট হতে এবং আমার শুক্রাণু অবৈধ স্থানে পতিত হওয়া থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫৫১

اَللَّهُمَّ اِنِّي اَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِيْ وَمِنْ شَرِّ بَصَرِيْ وَمِنْ شَرِّ لِسَانِيْ وَمِنْ شَرِّ قَلْبِيْ مِنْ شَرِّ مَنِيِّيْ

হে আল্লাহ্‌! আমি আশ্রয় চাই আমাদের কর্ণ, আমাদের চক্ষু, আমাদের জিহ্বা ও আমাদের অন্তরের অনিষ্ট হতে এবং আমার শুক্রাণু অবৈধ স্থানে পতিত হওয়া থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫৫১

অন্তরকে সবসময় আল্লাহ্‌র আনুগত্যে রাখার দোয়া

অন্তরকে সবসময় আল্লাহ্‌র আনুগত্যে রাখার দোয়া

অন্য বর্ণনায় রয়েছে, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বেশী বেশী বলতেন -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ

ইয়া- মুক্বাল্লিবাল ক্বুলূবি ছাব্বিত ক্বালবী ‘আলা দীনিক

হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর দৃঢ় রাখ। [২]

রেফারেন্স: [১] মুসলিমঃ ২৬৫৪ [২] সহীহ। তিরমিযীঃ ২১৪০

অন্য বর্ণনায় রয়েছে, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বেশী বেশী বলতেন -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوْبِ ثَبِّتْ قَلْبِيْ عَلَى دِيْنِكَ

হে অন্তর পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর দৃঢ় রাখ। [২]

রেফারেন্স: [১] মুসলিমঃ ২৬৫৪ [২] সহীহ। তিরমিযীঃ ২১৪০

কেউ আপনার সাথে সদাচারণ করলে তার জন্য দোয়া

কেউ আপনার সাথে সদাচারণ করলে তার জন্য দোয়া

جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا

জাঝা-কাল্লা-হু খাইরান

আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৩৫

আমরা দেখেছি যে, মুমিন কাউকে উপকার করলে কখনোই তার থেকে কৃতজ্ঞতা বা প্রতিদানের আশা করে না। পক্ষান্তরে উপকৃত মুমিনের দায়িত্ব, উপকারীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, তার প্রশংসা করা, তার উপকারের কথা অকপটে স্বীকার করা এবং তার জন্য দোয়া করা। রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, কেউ কারো উপকার করলে সে যদি উপকারীকে এ কথা বলে কৃতজ্ঞতা জানায় তাহলে তা সর্বোত্তম প্রশংসা করা হবে।

جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا

আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৩৫

আয়না দেখার দোয়া

আয়না দেখার দোয়া

রাসূল (ﷺ) আয়নার প্রতি লক্ষ্য করলে বলতেন -

اَللَّهُمَّ حَسَّنْتَ خَلْقِي فَأَحْسِنْ خُلُقِي

আল্ল-হুম্মা 'হাসসানতা খালক্বী ফা আ'হসিন খুলুক্বী

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে সুন্দর করে সৃষ্টি করেছ, কাজেই আমার চরিত্র সুন্দর করো।

রেফারেন্স: সহিহ। মুসনাদে আহমাদঃ ৫০৯৯

রাসূল (ﷺ) আয়নার প্রতি লক্ষ্য করলে বলতেন -

اَللَّهُمَّ حَسَّنْتَ خَلْقِي فَأَحْسِنْ خُلُقِي

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে সুন্দর করে সৃষ্টি করেছ, কাজেই আমার চরিত্র সুন্দর করো।

রেফারেন্স: সহিহ। মুসনাদে আহমাদঃ ৫০৯৯

রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি দরূদ পাঠের ফযীলত

রাসূল (ﷺ)-এর প্রতি দরূদ পাঠের ফযীলত

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ্‌ তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন’।

রেফারেন্স: সহিহ। আবূ দাঊদঃ ১৫৩০

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ্‌ তার উপর দশবার রহমত বর্ষণ করবেন’।

রেফারেন্স: সহিহ। আবূ দাঊদঃ ১৫৩০

দুরুদ পাঠের ফযীলত

দুরুদ পাঠের ফযীলত

উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি আপনার প্রতি বেশী বেশী দরূদ পড়তে চাই, অতএব আমি আমার দোয়ার কত অংশ দরূদ পড়তে পারি? রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তোমার ইচ্ছা’। আমি বললাম, চার ভাগের এক ভাগ দরূদ পাঠ করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তোমার ইচ্ছা, যদি বেশী করো তবে তোমার জন্য ভাল’। আমি বললাম, দুই ভাগের এক ভাগ দরূদ পাঠ করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তোমার ইচ্ছা। যদি বেশী করো তোমার জন্য ভাল’। আমি বললাম, তিন ভাগের দুই ভাগ দরূদ পাঠ করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমার ইচ্ছা। যদি বেশী করো তোমার জন্য ভাল। আমি বললাম, আমি আমার দোয়ার সর্বাংশই দরূদ পাঠ করব। রাসূল (ﷺ) বললেন, তাহলে তোমার কোন চিন্তা ও পাপ থাকবে না।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৪৫৭

আলোচ্য হাদীসের সারমর্ম হচ্ছে-অধিক পরিমাণে দরূদ পাঠ করা। এ ক্ষেত্রে কুরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত দরূদ পড়া শ্রেয় এবং উচিত।

উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি আপনার প্রতি বেশী বেশী দরূদ পড়তে চাই, অতএব আমি আমার দোয়ার কত অংশ দরূদ পড়তে পারি? রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তোমার ইচ্ছা’। আমি বললাম, চার ভাগের এক ভাগ দরূদ পাঠ করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তোমার ইচ্ছা, যদি বেশী করো তবে তোমার জন্য ভাল’। আমি বললাম, দুই ভাগের এক ভাগ দরূদ পাঠ করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, ‘তোমার ইচ্ছা। যদি বেশী করো তোমার জন্য ভাল’। আমি বললাম, তিন ভাগের দুই ভাগ দরূদ পাঠ করব? রাসূল (ﷺ) বললেন, তোমার ইচ্ছা। যদি বেশী করো তোমার জন্য ভাল। আমি বললাম, আমি আমার দোয়ার সর্বাংশই দরূদ পাঠ করব। রাসূল (ﷺ) বললেন, তাহলে তোমার কোন চিন্তা ও পাপ থাকবে না।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৪৫৭

জান্নাত চাওয়া ও জাহান্নাম হতে বাঁচার দোয়া

জান্নাত চাওয়া ও জাহান্নাম হতে বাঁচার দোয়া

রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

‘আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযুবিকা মিনান না-র

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম হতে বাঁচতে চাই।

রেফারেন্স: সহিহ। আবূ দাঊদঃ ৭৯২

রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম হতে বাঁচতে চাই।

রেফারেন্স: সহিহ। আবূ দাঊদঃ ৭৯২

কেউ দোয়া চাইলে কি বলতে হবে?

কেউ দোয়া চাইলে কি বলতে হবে?

اَللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ

আল্লা-হুম্মাকছির মা-লাহূ ওয়া ওয়ালাদাহূ ওয়া বা-রিক লাহু ফিমা- আ'ত্বাইতাহু

হে আল্লাহ্‌! আপনি তার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন। আর তাকে আপনি যা কিছু দিয়েছেন তাতে বারাকাত দিন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৪৪

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, আমার মা, আমাকে নিয়ে রাসূল (ﷺ) এর নিকটে গেলেন এবং বললেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনার এই ছোট খাদেম, আনাস্, আপনি তার জন্য আল্লাহ্‌র নিকট দোয়া করুন। তখন রাসূল (ﷺ) বললেন- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ

হে আল্লাহ্‌! আপনি তার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন। আর তাকে আপনি যা কিছু দিয়েছেন তাতে বারাকাত দিন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৪৪

বিস্মিত হলে

বিস্মিত হলে

বিস্ময়কর কথা শুনে সাহাবীগণ বলে উঠলেন -

سُبْحَانَ اللَّهِ

সুব’হা-নাল্লা-হ

আল্লাহ্‌ পবিত্র ও ত্রুটিমুক্ত!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৬০৭৭

বিস্ময়কর কথা শুনে সাহাবীগণ বলে উঠলেন -

سُبْحَانَ اللَّهِ

আল্লাহ্‌ পবিত্র ও ত্রুটিমুক্ত!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৬০৭৭

খুশির সংবাদ পেলে

খুশির সংবাদ পেলে

নবী (ﷺ)-এর কাছে কোনও খুশির সংবাদ এলে, আল্লাহ্‌ তা'আলার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশে তিনি সিজদায় চলে যেতেন।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদ, ২৭৭৪

নবী (ﷺ)-এর কাছে কোনও খুশির সংবাদ এলে, আল্লাহ্‌ তা'আলার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উদ্দেশে তিনি সিজদায় চলে যেতেন।

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদ, ২৭৭৪

দুঃখ-কষ্টের সময় পঠিতব্য দোয়া

দুঃখ-কষ্টের সময় পঠিতব্য দোয়া

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) কোন দুঃখ-কষ্টের সম্মুখীন হলে বলতেন -

يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ

ইয়া- হাইয়্যূ ইয়া- ক্বাইয়্যূমু বিরাহমাতিকা আসতাগীছ

হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে আপনার নিকটে সাহায্য চাই।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৫২৪

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) কোন দুঃখ-কষ্টের সম্মুখীন হলে বলতেন -

يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ بِرَحْمَتِكَ أَسْتَغِيثُ

হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আপনার রহমতের মাধ্যমে আপনার নিকটে সাহায্য চাই।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৫২৪

একটি অতীব সুন্দর দু'আ বা যিকির

একটি অতীব সুন্দর দু'আ বা যিকির

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا خَلَقَ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ مَا خَلَقَ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ مَا فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ سُبْحَانَ لِلَّهِ عَدَدَ مَا خَلَقَ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ مِلْءَ مَا خَلَقَ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ عَدَدَ مَا فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ مِلْءَ مَا فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ

আলহামদুলিল্লাহি 'আদাদা মা খলাক্বা,ওয়ালহামদুলিল্লাহি মিল'আ মা খলাক্বা,ওয়ালহামদুলিল্লাহি 'আদাদা মা ফিল আরদ্বি ওয়াস সামায়ি, ওয়ালহামদুলিল্লাহি মিল'আ মা ফিল আরদ্বি ওয়াস সামায়ি, ওয়ালহামদুলিল্লাহি 'আদাদা মা আ'হস্বা কিতাবুহু, ওয়ালহামদুলিল্লাহি 'আদাদা কুল্লি শাইয়িন, ওয়ালহামদুলিল্লাহি মিল'আ কুল্লি শাইয়িন। সুবহানাল্লাহি 'আদাদা মা খলাক্বা,ওয়া সুবহানাল্লাহি মিল'আ মা খলাক্বা,ওয়া সুবহানাল্লাহি 'আদাদা মা ফিল আরদ্বি ওয়াস সামায়ি, ওয়া সুবহানাল্লাহি মিল'আ মা ফিল আরদ্বি ওয়াস সামায়ি,ওয়া সুবহানাল্লাহি 'আদাদা মা আ'হস্বা কিতাবুহু, ওয়া সুবহানাল্লাহি 'আদাদা কুল্লি শাইয়িন,ওয়া সুবহানাল্লাহি মিল'আ কুল্লি শাইয়িন।

আল্লাহর প্রশংসা তাঁর সৃষ্টির সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তাঁর সৃষ্টি পরিপূর্ণ, আল্লাহর প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা আছে তার সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তার সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তার পরিপূর্ণ, আল্লাহর প্রশংসা সকল বস্তর সংখ্যা পরিমাণ এবং আল্লাহর প্রশংসা সকল বস্ত পরিপূর্ণ। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর সৃষ্টির সমান সংখ্যক, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তার সৃষ্টি পরিপূর্ণ, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা আছে তার সমান সংখ্যক, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তার সমান সংখ্যক, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তার পরিপূর্ণ, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি সকল বস্তর সংখ্যা পরিমাণ এবং আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি সকল বস্ত পরিপূর্ণ।

রেফারেন্স: সহিহ। সহিহুল জামিঃ ২৬১৫

আবু উমামা বাহিলী (রাঃ) কে রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন, "আমি কি তোমাকে শিখিয়ে দিব না এমন দু'আ/যিকির যা কিনা সমগ্র দিন-রাতের (নফল) যিকির থেকেও উত্তম কিছু? তুমি বলোঃ (উপরে উল্লেখিত দু’আ) তুমি নিজে এ দু'আ শিখো, এবং তোমার পরবর্তীতে যারা আসবে তাদেরকেও শিখাও"

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا خَلَقَ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ مَا خَلَقَ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ مَا فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ سُبْحَانَ لِلَّهِ عَدَدَ مَا خَلَقَ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ مِلْءَ مَا خَلَقَ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ عَدَدَ مَا فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ مِلْءَ مَا فِي الْأَرْضِ وَالسَّمَاءِ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ عَدَدَ مَا أَحْصَى كِتَابُهُ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ، وَسُبْحَانَ لِلَّهِ مِلْءَ كُلِّ شَيْءٍ

আল্লাহর প্রশংসা তাঁর সৃষ্টির সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তাঁর সৃষ্টি পরিপূর্ণ, আল্লাহর প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা আছে তার সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তার সমান সংখ্যক, আল্লাহর প্রশংসা তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তার পরিপূর্ণ, আল্লাহর প্রশংসা সকল বস্তর সংখ্যা পরিমাণ এবং আল্লাহর প্রশংসা সকল বস্ত পরিপূর্ণ। আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর সৃষ্টির সমান সংখ্যক, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তার সৃষ্টি পরিপূর্ণ, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা আছে তার সমান সংখ্যক, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তার সমান সংখ্যক, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তার পরিপূর্ণ, আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি সকল বস্তর সংখ্যা পরিমাণ এবং আমি আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি সকল বস্ত পরিপূর্ণ।

রেফারেন্স: সহিহ। সহিহুল জামিঃ ২৬১৫

কামনা-বাসনার ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া

কামনা-বাসনার ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ ذَۢنْبِي وَطَهِّرْ قَلْبِي، وَحَصِّنْ فَرْجِي

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফির যাম্‌বী- ওয়া ত্বহ্‌হির ক্বল্‌বী- ওয়া হাস্‌সিন ফারজী

হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন। আমার অন্তরকে পরিষ্কার করুন এবং আমার চরিত্র রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: মুসনাদে আহমদ: ২২২৬৫

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ ذَۢنْبِي وَطَهِّرْ قَلْبِي، وَحَصِّنْ فَرْجِي

হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন। আমার অন্তরকে পরিষ্কার করুন এবং আমার চরিত্র রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: মুসনাদে আহমদ: ২২২৬৫

ফন্ট সাইজ
15px
17px