📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 রাসূল (ﷺ) এবং সাহাবীগণ যেভাবে দোয়া করেছিলেন

📄 রাসূল (ﷺ) এবং সাহাবীগণ যেভাবে দোয়া করেছিলেন


দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ কামনা

দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ কামনা

নবী (ﷺ) যে দোয়াটি অধিক পরিমাণে পড়তেন, তা হলো -

اَللَّهُمَّ آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা আ-তিনা- ফিদ্ দুন্ইয়া- হাসানাতাওঁ ওয়াফিল্ আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ ওয়াক্বিনা- ‘আযা-বান না-র

হে আল্লাহ্‌! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও, কল্যাণ দাও আখিরাতে, আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৯০

আনাস (রাঃ) কোনও দোয়া করতে চাইলে, এ দোয়া করতেন; আর কোনও কিছুর প্রয়োজন দেখা দিলে, দোয়ার মধ্যে এ কথাগুলো উল্লেখ করতেন।

নবী (ﷺ) যে দোয়াটি অধিক পরিমাণে পড়তেন, তা হলো -

اَللَّهُمَّ آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আল্লাহ্‌! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও, কল্যাণ দাও আখিরাতে, আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে বাঁচাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৯০

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #১

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এই দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، اَللَّهُمَّ اغْسِلْ قَلْبِي بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا، كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিন্‌ না-র, ওয়া আযা-বিন্‌ না-র, ওয়া ফিতনাতিল ক্বাবর, ওয়া আযা-বিল ক্বাবর, ওয়া শার্‌রি ফিতনাতিল গিনা, ওয়া শার্‌রি ফিতনাতিল ফাক্বর, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জা-ল, আল্লা-হুম্মাগ্‌সিল ক্বল্‌বী বিমা-ইছ ছাল্‌জি ওয়াল বারাদ, ওয়া নাক্কি ক্বল্‌বী মিনাল খাত্বা-ইয়া- কামা- নাক্কাইতাছ ছাওবাল আব্‌ইয়াদ্বা মিনাদ দানাস। ওয়া বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা- বা-‘আদ্‌তা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল কাসালি ওয়াল মা’ছামি ওয়াল মাগরাম

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই। জাহান্নামের পরীক্ষা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে, কবরের পরীক্ষা ও কবরের শাস্তি থেকে, প্রাচুর্যের পরীক্ষার অনিষ্ট থেকে এবং দারিদ্রের পরীক্ষার অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই (ভণ্ড) ত্রাণকর্তা দাজ্জালের পরীক্ষা থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমার অন্তরকে ধুয়ে দাও শীতল ও বরফগলা পানি দিয়ে; আমার অন্তরকে গোনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন করো, যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করো; আর আমার ও আমার গোনাহগুলোর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করো, যেভাবে দূরত্ব সৃষ্টি করেছো পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই। অলসতা ও বার্ধক্য থেকে এবং গোনাহ ও ঋণে জড়িয়ে পড়া থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৭৭

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এই দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، اَللَّهُمَّ اغْسِلْ قَلْبِي بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا، كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَاىَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই। জাহান্নামের পরীক্ষা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে, কবরের পরীক্ষা ও কবরের শাস্তি থেকে, প্রাচুর্যের পরীক্ষার অনিষ্ট থেকে এবং দারিদ্রের পরীক্ষার অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই (ভণ্ড) ত্রাণকর্তা দাজ্জালের পরীক্ষা থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমার অন্তরকে ধুয়ে দাও শীতল ও বরফগলা পানি দিয়ে; আমার অন্তরকে গোনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন করো, যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করো; আর আমার ও আমার গোনাহগুলোর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করো, যেভাবে দূরত্ব সৃষ্টি করেছো পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই। অলসতা ও বার্ধক্য থেকে এবং গোনাহ ও ঋণে জড়িয়ে পড়া থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৭৭

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #২

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #২

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْهَرَمِ، وَالْبُخْلِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল ‘আজ্‌ঝি ওয়াল কাসালি ওয়াল জুব্‌নি ওয়াল হারামি ওয়াল বুখ্‌লি ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্ববর, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া- ওয়াল মামা-ত

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা, বার্ধক্য ও কৃপণতা থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের শাস্তি থেকে এবং জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৬৭, মুসলিমঃ ২৭০৬

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْهَرَمِ، وَالْبُخْلِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা, বার্ধক্য ও কৃপণতা থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের শাস্তি থেকে এবং জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৬৭, মুসলিমঃ ২৭০৬

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #৩

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বালা মুসীবতের কঠোরতা, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং দুশমনের আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইলেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৪৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বালা মুসীবতের কঠোরতা, দুর্ভাগ্যে পতিত হওয়া, ভাগ্যের অশুভ পরিণতি এবং দুশমনের আনন্দিত হওয়া থেকে আশ্রয় চাইলেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৪৭

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #৪

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #৪

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَالْهَرَمِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ، اَللَّهُمَّ آتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল ‘আজ্‌ঝি ওয়াল কাসালি ওয়াল জুব্‌নি ওয়াল বুখ্‌লি, ওয়াল হারামি ওয়া ‘আযা-বিল ক্বাবর। আল্লা-হুম্মা, আ-তি নাফ্‌সি তাক্বওয়া-হা-, ওয়া ঝাক্‌কিহা- আনতা খাইরু মান ঝাক্কা-হা-, আনতা ওয়ালিইউহা- ওয়া মাওলা-হা-। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন্ ‘ইলমিন লা- ইয়ানফা’উ, ওয়ামিন ক্বালবিন্‌ লা- ইয়াখ্‌শা’উ ওয়ামিন নাফ্‌সিন লা-তাশ্‌বা’উ ওয়ামিন দা’অ্ওয়াতিন লা-ইউস্‌তাজা-বু লাহা-

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে, এবং বার্ধক্য ও কবরের শাস্তি থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমার সত্ত্বাকে ত্বাকওয়া দাও, একে পরিশুদ্ধ করো, তুমিই সর্বোত্তম শুদ্ধতা-দানকারী, তুমি আমার সত্ত্বার বন্ধু ও অভিভাবক। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- এমন জ্ঞান থেকে যা উপকারে আসে না, এমন অন্তর থেকে যা (তোমার সামনে) বিনয়ী হয় না, এমন (দেহ) সত্ত্বা থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না, এবং এমন আহ্বান থেকে যার কোনও সাড়া পাওয়া যায় না৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَالْهَرَمِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ، اَللَّهُمَّ آتِ نَفْسِيْ تَقْوَاهَا وَزَكِّهَا أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا أَنْتَ وَلِيُّهَا وَمَوْلَاهَا، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَمِنْ قَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَمِنْ نَفْسٍ لَا تَشْبَعُ وَمِنْ دَعْوَةٍ لَا يُسْتَجَابُ لَهَا

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে, এবং বার্ধক্য ও কবরের শাস্তি থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমার সত্ত্বাকে ত্বাকওয়া দাও, একে পরিশুদ্ধ করো, তুমিই সর্বোত্তম শুদ্ধতা-দানকারী, তুমি আমার সত্ত্বার বন্ধু ও অভিভাবক। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- এমন জ্ঞান থেকে যা উপকারে আসে না, এমন অন্তর থেকে যা (তোমার সামনে) বিনয়ী হয় না, এমন (দেহ) সত্ত্বা থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না, এবং এমন আহ্বান থেকে যার কোনও সাড়া পাওয়া যায় না৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২২

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #৫

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #৫

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এর একটি দোয়া ছিল এ রকম -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন ঝাওয়া-লি নি'অ্‌মাতিকা, ওয়া তা'হাওউলি ‘আ-ফিয়াতিকা, ওয়া ফুজা-আতি নিক্বমাতিকা ওয়া জামী’য়ি সাখাতিক

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে (এসব বিষয়ে) আশ্রয় চাই তোমার অনুগ্রহ দূরে সরে যাওয়া, তোমার ক্ষমার মোড় ঘুরে যাওয়া, তোমার আচমকা শাস্তি ও তোমার সব ধরনের ক্রোধ৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৯

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এর একটি দোয়া ছিল এ রকম -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ، وَتَحَوُّلِ عَافِيَتِكَ، وَفُجَاءَةِ نِقْمَتِكَ، وَجَمِيعِ سَخَطِكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে (এসব বিষয়ে) আশ্রয় চাই তোমার অনুগ্রহ দূরে সরে যাওয়া, তোমার ক্ষমার মোড় ঘুরে যাওয়া, তোমার আচমকা শাস্তি ও তোমার সব ধরনের ক্রোধ৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৯

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #৬

আল্লাহ্‌র কাছে অপছন্দনীয় বিষয়-বস্তু থেকে আশ্রয় প্রার্থনা #৬

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) যা বলে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَمِلْتُ، وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন শাররি মা- ‘আমিলতু ওয়া মিন শাররি মা- লাম আ‘মাল

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই আমি যা করেছি তার অনিষ্ট থেকে এবং যা করিনি তার অনিষ্ট থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৬

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) যা বলে আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَمِلْتُ، وَمِنْ شَرِّ مَا لَمْ أَعْمَلْ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই আমি যা করেছি তার অনিষ্ট থেকে এবং যা করিনি তার অনিষ্ট থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৬

দুুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ চাওয়া #১

দুুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ চাওয়া #১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِيَ الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي فِيهَا مَعَادِي، وَاجْعَلِ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ

আল্লা-হুম্মা, আস্বলি’হ লী দীনিয়াল লাযী হুওয়া 'ইস্ব্‌মাতু আমরী। ওয়া আস্বলি’হ লী দুন্‌ইয়া- ইয়াল‌ লাতী ফীহা- মা’আ-শী। ওয়া আস্বলি’হ লী আ-খিরাতি‘ল‌‌ লাতী ফিহা- মাআ'-দ্বি ওয়াজ-আলিল 'হায়া-তা ঝিয়া-‘দাতান লী ফি কুল্লি খাইরিন ওয়াজ-আলিল মাওতা র-হাতান লী মিন কুল্লি শার্‌রীন

হে আল্লাহ্‌! আমাকে সঠিকভাবে দ্বীন পালনের সুযোগ দাও, যা হলো আমার যাবতীয় বিষয়ের রক্ষাকবচ। আমাকে দুনিয়ায় সঠিকভাবে চলার সুযোগ দাও, যেখানে আছে আমার জীবনোপকরণ। পরকালের জন্য আমাকে সঠিকভাবে প্রস্তুত করো, যেখানে রয়েছে আমার শেষ ঠিকানা (আমার) জীবনকে বানিয়ে দাও সকল কল্যাণ লাভের পাত্র; আর মৃত্যুকে বানিয়ে দাও সকল অনিষ্ট থেকে প্রশান্তি লাভের মাধ্যম।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২০

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَصْلِحْ لِي دِينِيَ الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِي، وَأَصْلِحْ لِي دُنْيَايَ الَّتِي فِيهَا مَعَاشِي، وَأَصْلِحْ لِي آخِرَتِي الَّتِي فِيهَا مَعَادِي، وَاجْعَلِ الْحَيَاةَ زِيَادَةً لِي فِي كُلِّ خَيْرٍ، وَاجْعَلِ الْمَوْتَ رَاحَةً لِي مِنْ كُلِّ شَرٍّ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে সঠিকভাবে দ্বীন পালনের সুযোগ দাও, যা হলো আমার যাবতীয় বিষয়ের রক্ষাকবচ। আমাকে দুনিয়ায় সঠিকভাবে চলার সুযোগ দাও, যেখানে আছে আমার জীবনোপকরণ। পরকালের জন্য আমাকে সঠিকভাবে প্রস্তুত করো, যেখানে রয়েছে আমার শেষ ঠিকানা (আমার) জীবনকে বানিয়ে দাও সকল কল্যাণ লাভের পাত্র; আর মৃত্যুকে বানিয়ে দাও সকল অনিষ্ট থেকে প্রশান্তি লাভের মাধ্যম।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২০

দুুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ চাওয়া #২

দুুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ চাওয়া #২

নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى، وَالتُّقَى، وَالْعَفَافَ، وَالْغِنَى

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকাল হুদা- ওয়াত্ তুক্বা, ওয়াল ‘আফা-ফা ওয়াল ‘গিনা-

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই পথ-নির্দেশনা ও আল্লাহ্‌-সচেতনতা, গোনাহমুক্ত জীবন ও মনের প্রাচুর্য৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২১

নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى، وَالتُّقَى، وَالْعَفَافَ، وَالْغِنَى

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই পথ-নির্দেশনা ও আল্লাহ্‌-সচেতনতা, গোনাহমুক্ত জীবন ও মনের প্রাচুর্য৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২১

হিদায়াত ও অবিচল থাকার দোয়া #১

হিদায়াত ও অবিচল থাকার দোয়া #১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ وَسَدِّدْنِي

আল্লা-হুম্মাহ্ দিনী ওয়া-সাদ্দিদনী

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে পথ দেখাও ও লক্ষ্যে অবিচল রাখো!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৫

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ اهْدِنِيْ وَسَدِّدْنِي

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে পথ দেখাও ও লক্ষ্যে অবিচল রাখো!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৫

হিদায়াত ও অবিচল থাকার দোয়া #২

হিদায়াত ও অবিচল থাকার দোয়া #২

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস’আলুকাল হুদা ওয়াস্‌-সাদা-দ

হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে হিদায়াত ও অবিচলতা চাই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৫

[আলী (রাঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন] পথ দেখানোর কথা বলার সময় সেসব লোকের কথা স্মরণ করবে, যারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে (মানুষকে) পথ বলে দেয়, আর অবিচলতার কথা বলার সময় তিরন্দাজের অবিচলতার কথা স্মরণ করবে।

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَى وَالسَّدَادَ

হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে হিদায়াত ও অবিচলতা চাই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭২৫

ধন-সম্পদ ও সন্তানসন্ততিতে বারাকাহ প্রার্থনা

ধন-সম্পদ ও সন্তানসন্ততিতে বারাকাহ প্রার্থনা

اَللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ

আল্লা-হুম্মা আকছির মা-লাহূ ওয়া ওয়ালাদাহূ ওয়া বা-রিক লাহূ ফীমা- আ‘ত্বইতাহু

হে আল্লাহ্‌! তাকে বেশি করে সম্পদ ও সন্তান দিয়ো; তাকে তুমি যা দেবে, তাতে বরকত দিয়ো।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৪৪

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমার মা বললেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)! আনাস আপনারই খাদিম। আপনি তার জন্য দোয়া করুন। তিনি (ﷺ) দোয়া করলেনঃ (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ أَكْثِرْ مَالَهُ وَوَلَدَهُ وَبَارِكْ لَهُ فِيمَا أَعْطَيْتَهُ

হে আল্লাহ্‌! তাকে বেশি করে সম্পদ ও সন্তান দিয়ো; তাকে তুমি যা দেবে, তাতে বরকত দিয়ো।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৪৪

উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার সময় দোয়া

উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার সময় দোয়া

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيْمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল আযীমুল হালীম, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রাব্বুল আরশিল আযীম, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রাব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রাব্বুল আরদ্বি ওয়া রাব্বুল আরশিল কারীম

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি মহান, ধৈর্যশীল; আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ্ নেই; তিনি মহান আরশের অধিপতি; আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি আকাশসমূহের অধিপতি, পৃথিবীর অধিপতি ও মহিমান্বিত আরশের অধিপতি৷

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৪৬

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ الْعَظِيْمُ الْحَلِيمُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَرَبُّ الْأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি মহান, ধৈর্যশীল; আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ্ নেই; তিনি মহান আরশের অধিপতি; আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি আকাশসমূহের অধিপতি, পৃথিবীর অধিপতি ও মহিমান্বিত আরশের অধিপতি৷

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৪৬

অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিরাপত্তা এবং অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা

অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিরাপত্তা এবং অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা

আবূ বাকরা (রাঃ) প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে তিনবার করে বলতেন -

اَللَّهُمَّ عَافِنِيْ فِي بَدَنِي اَللَّهُمَّ عَافِنِيْ فِي سَمْعِيْ اَللَّهُمَّ عَافِنِيْ فِي بَصَرِيْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী বাদানী, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ফিনী ফী সাম’য়ী, আল্লা-হুম্মা, ‘আ-ফিনী ফী বাসারী, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌! আমার শরীর সুস্থ রাখো! হে আল্লাহ্‌! আমার শ্রবণশক্তি সুস্থ রাখো! হে আল্লাহ্‌! আমার দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখো! তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা’বুদ নেই।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৯০

আবূ বাকরা (রাঃ) প্রতিদিন সকালে এবং বিকালে তিনবার করে বলতেন -

اَللَّهُمَّ عَافِنِيْ فِي بَدَنِي اَللَّهُمَّ عَافِنِيْ فِي سَمْعِيْ اَللَّهُمَّ عَافِنِيْ فِي بَصَرِيْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌! আমার শরীর সুস্থ রাখো! হে আল্লাহ্‌! আমার শ্রবণশক্তি সুস্থ রাখো! হে আল্লাহ্‌! আমার দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখো! তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা’বুদ নেই।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৯০

অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাওয়া

অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাওয়া

এরপর সকালে এবং বিকালে তিনবার করে বলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাক্বর, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন আযা-বিল ক্বাবর। লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই অবাধ্যতা ও দারিদ্র্যতা থেকে; হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের শাস্তি থেকে; তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৯০

তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে এসব বলতে শুনেছি। তাঁর সুন্নাহ বা রীতি অনুসরণ করা আমার কাছে খুবই পছন্দের।

এরপর সকালে এবং বিকালে তিনবার করে বলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই অবাধ্যতা ও দারিদ্র্যতা থেকে; হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের শাস্তি থেকে; তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৯০

দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া #১

দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া #১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া হলো -

اَللَّهُمَّ رَحْمَتَكَ أَرْجُو فَلَا تَكِلْنِيْ إِلَى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ وَأَصْلِحْ لِي شَأْنِيْ كُلَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ

আল্লা-হুম্মা রহ্‌মাতাকা আরজু ফালা- তাকিলনী ইলা- নাফসী ত্বারফাতা ‘আইনিন, ওয়া আসলিহ্ লী শা’নি কুল্লাহু, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার করুণা প্রত্যাশা করি; আমাকে আমার নিজের কাছে ছেড়ে দিয়ো না; এক মুহূর্তের জন্যও না; আমার সবকিছু সংশোধন করে দাও! তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই৷

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৯০

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া হলো -

اَللَّهُمَّ رَحْمَتَكَ أَرْجُو فَلَا تَكِلْنِيْ إِلَى نَفْسِيْ طَرْفَةَ عَيْنٍ وَأَصْلِحْ لِي شَأْنِيْ كُلَّهُ لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার করুণা প্রত্যাশা করি; আমাকে আমার নিজের কাছে ছেড়ে দিয়ো না; এক মুহূর্তের জন্যও না; আমার সবকিছু সংশোধন করে দাও! তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই৷

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫০৯০

দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া #২

দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া #২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মাছের পেটের ভেতর থাকাবস্থায় ইউনুস (আঃ) দোয়া করেছিলেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ

লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা সুব‘হা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায যা-লিমীন

তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই! তুমি পবিত্র! আমি তো জালিমদের একজন!

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযিঃ ৩৫০৫

কোনও মুসলিম যে বিষয়েই এভাবে (আল্লাহ্‌কে) ডেকেছে, আল্লাহ্‌ তার ডাকে সাড়া দিয়েছেন।

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, মাছের পেটের ভেতর থাকাবস্থায় ইউনুস (আঃ) দোয়া করেছিলেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ

তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই! তুমি পবিত্র! আমি তো জালিমদের একজন!

রেফারেন্স: সহিহ। তিরমিযিঃ ৩৫০৫

দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া #৩

দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ব্যক্তির দোয়া #৩

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, কোনও বান্দা যদি কোনও দুশ্চিন্তা বা পেরেশানির মুখোমুখি হয়ে বলে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ نَاصِيَتِي بِيَدِكَ مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اِسْمٍ هُوَ لَكَ سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِي وَنُورَ صَدْرِي وَجَلَاءَ حُزْنِيْ وَذَهَابَ هَمِّيْ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা, ওয়াবনু ‘আবদিকা ওয়াবনু আমাতিকা, না-সিয়াতি বিইয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিইয়্যা হুকমুকা, ‘আদলুন ফিইয়্যা ‘কাদ্বা-উকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন হুআ লাকা, সাম্মাইতা বিহী নাফসাকা, আউ ‘আল্লামতাহু আহাদাম মিন খালকিকা, আউ আনযালতাহু ফী কিতা-বিকা, আউ ইসতা’-ছারতা বিহী ফী ‘ইলমিল ‘গাইবি ‘ইনদাকা আন তাজ‘আলাল ক্বুরআ-না রাবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদরী, ওয়া জালা-আ হুযনী, ওয়া যাহা-বা হাম্মী

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার দাস, তোমার এক দাসের ছেলে এবং তোমার এক দাসীর ছেলে; আমি পুরোপুরি তোমার নিয়ন্ত্রণে; তোমার সিদ্ধান্তই আমার উপর কার্যকর হয়; আমার ব্যাপারে তুমি যে সিদ্ধান্ত দাও, তা ন্যায়সংগত। তোমার প্রত্যেকটি নামের ওসীলা দিয়ে তোমার কাছে চাই যে নামে তুমি নিজেকে নামকরণ করেছ, কিংবা যে নাম তুমি তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার অদৃশ্য-জ্ঞানে যে নাম নিজের জন্য গ্রহণ করেছ, তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের বসন্তকাল। এবং আমার বক্ষের আলো, আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী!

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ১৯৯

আল্লাহ্‌ অবশ্যই তার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করে তা আনন্দ দিয়ে বদলে দেবেন। জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমরা কি তা শিখব না? নবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই! যে-ব্যক্তি এটি শুনে, তার উচিত তা মুখস্থ করা।”

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, কোনও বান্দা যদি কোনও দুশ্চিন্তা বা পেরেশানির মুখোমুখি হয়ে বলে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ وَابْنُ عَبْدِكَ وَابْنُ أَمَتِكَ نَاصِيَتِي بِيَدِكَ مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اِسْمٍ هُوَ لَكَ سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِي وَنُورَ صَدْرِي وَجَلَاءَ حُزْنِيْ وَذَهَابَ هَمِّيْ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার দাস, তোমার এক দাসের ছেলে এবং তোমার এক দাসীর ছেলে; আমি পুরোপুরি তোমার নিয়ন্ত্রণে; তোমার সিদ্ধান্তই আমার উপর কার্যকর হয়; আমার ব্যাপারে তুমি যে সিদ্ধান্ত দাও, তা ন্যায়সংগত। তোমার প্রত্যেকটি নামের ওসীলা দিয়ে তোমার কাছে চাই যে নামে তুমি নিজেকে নামকরণ করেছ, কিংবা যে নাম তুমি তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার অদৃশ্য-জ্ঞানে যে নাম নিজের জন্য গ্রহণ করেছ, তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের বসন্তকাল। এবং আমার বক্ষের আলো, আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী!

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ১৯৯

অন্তরকে আল্লাহ্‌র আনুগত্যে স্থির রাখার দোয়া #১

অন্তরকে আল্লাহ্‌র আনুগত্যে স্থির রাখার দোয়া #১

আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আস (রাঃ) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, আদম (আঃ)-সন্তানদের সকল ক্বলব (অন্তর) আল্লাহ্‌র দু আঙুলের মাঝখানে একটিমাত্র ক্বলবের মতো হয়ে আছে; তিনি যখন চান তখনই তা ঘুরিয়ে দেন। এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوْبِ صَرِّفْ قُلُوْبَنَا عَلَى طَاعَتِكَ

আল্লা-হুম্মা মুস্বাররিফাল ক্বুলূবি স্বররিফ ক্বুলূবানা- ‘আলা- ত্ব-‘আতিক

হে আল্লাহ্‌, অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তরগুলো তোমার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দাও।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৫৫

আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনু আস (রাঃ) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন, আদম (আঃ)-সন্তানদের সকল ক্বলব (অন্তর) আল্লাহ্‌র দু আঙুলের মাঝখানে একটিমাত্র ক্বলবের মতো হয়ে আছে; তিনি যখন চান তখনই তা ঘুরিয়ে দেন। এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ مُصَرِّفَ الْقُلُوْبِ صَرِّفْ قُلُوْبَنَا عَلَى طَاعَتِكَ

হে আল্লাহ্‌, অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমাদের অন্তরগুলো তোমার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দাও।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৬৫৫

অন্তরকে আল্লাহ্‌র আনুগত্যে স্থির রাখার দোয়া #২

অন্তরকে আল্লাহ্‌র আনুগত্যে স্থির রাখার দোয়া #২

শাহর বিন হাওশাব (রহঃ) উম্মু সালামা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘নবী (ﷺ) তার কাছে অবস্থান করার সময় কোন দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন?' তিনি বলেন, তিনি যে দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন তা হলো -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِيْنِكَ

ইয়া- মুক্বাল্লিবাল ক্বুলূব ছাব্‌বিত ক্বল্‌বী ‘আলা- দীনিক

হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫২২

আমি জিজ্ঞাসা করলাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আপনি এ দোয়াটি অধিক পরিমাণে পড়েন কেন?” নবী (ﷺ) বলেন, “উম্মু সালামা (রাঃ) এমন কোনও আদম (আঃ)-সন্তান নেই, যার কলব। আল্লাহ্‌র দু আঙুলের মাঝখানে নেই; তিনি যাকে চান সোজা রাখেন, আর যাকে চান বাঁকা করে দেন।”

শাহর বিন হাওশাব (রহঃ) উম্মু সালামা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘নবী (ﷺ) তার কাছে অবস্থান করার সময় কোন দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন?' তিনি বলেন, তিনি যে দোয়াটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন তা হলো -

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِيْنِكَ

হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫২২

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও কল্যাণ চাওয়া

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও কল্যাণ চাওয়া

আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, “আমি বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র কাছে কল্যাণ চান।” কিছুদিন পর আমি এসে বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাসূলের চাচা আব্বাস! আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চান।”

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৫১৪

আব্বাস ইবনু আবদিল মুত্তালিব (রাঃ) বলেন, “আমি বললাম, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র কাছে কল্যাণ চান।” কিছুদিন পর আমি এসে বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে এমন একটি জিনিস শিখিয়ে দিন, যা আমি আল্লাহ্‌র কাছে চাইব।” নবী (ﷺ) বলেন, “আল্লাহ্‌র রাসূলের চাচা আব্বাস! আল্লাহ্‌র কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ চান।”

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৫১৪

দ্বীনের উপর অবিচলতা ও সকল কাজে উত্তম পরিণতি

দ্বীনের উপর অবিচলতা ও সকল কাজে উত্তম পরিণতি

বুসর ইবনু আরতাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে দোয়া পড়তে শুনেছি -

اَللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْاَخِرَةِ

আল্লা-হুম্মা, আ’হ্‌সিন্ ‘আ-ক্কিবাতানা- ফিল উমূরি কুল্লিহা- ওয়া আজির্‌না- মিন্ খিঝইয়িদ্‌ দুনইয়া- ওয়া ‘আযা-বিল আ-খিরাহ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের সকল কাজে উত্তম পরিণতি দাও! আর আমাদের সুরক্ষা দাও দুনিয়া ও আখিরাতের অপমান থেকে!

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে'উস সগীরঃ ১৪৫০

বুসর ইবনু আরতাআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে এভাবে দোয়া পড়তে শুনেছি -

اَللَّهُمَّ أَحْسِنْ عَاقِبَتَنَا فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا وَأَجِرْنَا مِنْ خِزْيِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْاَخِرَةِ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের সকল কাজে উত্তম পরিণতি দাও! আর আমাদের সুরক্ষা দাও দুনিয়া ও আখিরাতের অপমান থেকে!

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে'উস সগীরঃ ১৪৫০

আল্লাহর সাহায্য ও দ্বীনদারিতা চাওয়ার দোয়া

আল্লাহর সাহায্য ও দ্বীনদারিতা চাওয়ার দোয়া

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) দোয়ায় বলতেন -

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلَا تُعِنْ عَلَىَّ وَانْصُرْنِيْ وَلَا تَنْصُرْ عَلَىَّ وَامْكُرْ لِي وَلَا تَمْكُرْ عَلَىَّ وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي وَانْصُرْنِيْ عَلَى مَنْ بَغَى عَلَىَّ رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ وَاغْسِلْ حَوْبَتِيْ وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ وَسَدِّدْ لِسَانِيْ وَاهْدِ قَلْبِيْ وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ صَدْرِيْ

রাব্বি আ‘ইন্নি ওয়ালা- তু‘ইন আলাইয়্যা ওয়ান্‌-স্বুর্‌নী ওয়ালা- তান্‌স্বুর 'আলাইয়্যা ওয়াম্‌কুর লি ওয়ালা- তাম্‌কুর 'আলাইয়্যা ওয়াহ্‌দিনী ওয়া-ইয়াস্‌ ‘সিরিল হুদা লি ওয়ান্‌-স্বুরনী 'আলা মান- বাগা 'আলাইয়্যা রব্বিজ্‌ ‘আলনী লাকা শাক্কারান লাকা যাক্কারান লাকা রাহ্‌‘হাবান লাকা মিত্বওয়া-‘আন লাকা মুখ্‌বিতান ইলাইকা আওয়া-হান মুনিবান রাব্বি তাক্বাব্বাল তাওবাতি ওয়াগ্‌সিল ‘হাওবাতি ওয়াআজিব দা‘ওয়াতি ওয়া ‘ছাব্বিত হুজ্জাতি ওয়া সাদ্দিদ লিসা-নী ওয়াহ্‌দী ক্বলবী ওয়াস্‌লুল সাখিমাতা স্বদরী

রব আমার! আমার পক্ষে সাহায্য করো, বিপক্ষে সাহায্য করো না; আমাকে জয়ী করো, আমার বিরুদ্ধে কাউকে জয়ী করো না; আমার অনুকূলে কৌশল করো, প্রতিকূলে কৌশল করো না; আমাকে পথ দেখাও এবং আমার পথনির্দেশনা সহজ করে দাও; আমার উপর সীমালঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আমাকে জয়ী করো৷ রব আমার! আমাকে বানিয়ে দাও তোমার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ, তোমাকে সব সময় স্মরণকারী, তোমার ভয়ে সদা-ভীত, তোমার মহা অনুগত, তোমার প্রতি বিনয়ী, তোমার দিকে আন্তরিকভাবে প্রত্যাবর্তনকারী। রব আমার! আমার তাওবা (ফিরে-আসা) কবুল করো, আমার গোনাহ ধুয়ে মুছে সাফ করে দাও, আমার ডাকে সাড়া দাও, আমার প্রমাণপত্র মজবুত করো, আমার জিহ্বায় দৃঢ়তা দাও, আমার অন্তরকে পথ-নির্দেশনা দাও আর আমার বুকের কপটতা ও বিদ্বেষ দূর করে দাও৷

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৫৫১

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) দোয়ায় বলতেন -

رَبِّ أَعِنِّيْ وَلَا تُعِنْ عَلَىَّ وَانْصُرْنِيْ وَلَا تَنْصُرْ عَلَىَّ وَامْكُرْ لِي وَلَا تَمْكُرْ عَلَىَّ وَاهْدِنِيْ وَيَسِّرِ الْهُدَى لِي وَانْصُرْنِيْ عَلَى مَنْ بَغَى عَلَىَّ رَبِّ اجْعَلْنِيْ لَكَ شَكَّارًا لَكَ ذَكَّارًا لَكَ رَهَّابًا لَكَ مِطْوَاعًا لَكَ مُخْبِتًا إِلَيْكَ أَوَّاهًا مُنِيبًا رَبِّ تَقَبَّلْ تَوْبَتِيْ وَاغْسِلْ حَوْبَتِيْ وَأَجِبْ دَعْوَتِيْ وَثَبِّتْ حُجَّتِيْ وَسَدِّدْ لِسَانِيْ وَاهْدِ قَلْبِيْ وَاسْلُلْ سَخِيْمَةَ صَدْرِيْ

রব আমার! আমার পক্ষে সাহায্য করো, বিপক্ষে সাহায্য করো না; আমাকে জয়ী করো, আমার বিরুদ্ধে কাউকে জয়ী করো না; আমার অনুকূলে কৌশল করো, প্রতিকূলে কৌশল করো না; আমাকে পথ দেখাও এবং আমার পথনির্দেশনা সহজ করে দাও; আমার উপর সীমালঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে আমাকে জয়ী করো৷ রব আমার! আমাকে বানিয়ে দাও তোমার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ, তোমাকে সব সময় স্মরণকারী, তোমার ভয়ে সদা-ভীত, তোমার মহা অনুগত, তোমার প্রতি বিনয়ী, তোমার দিকে আন্তরিকভাবে প্রত্যাবর্তনকারী। রব আমার! আমার তাওবা (ফিরে-আসা) কবুল করো, আমার গোনাহ ধুয়ে মুছে সাফ করে দাও, আমার ডাকে সাড়া দাও, আমার প্রমাণপত্র মজবুত করো, আমার জিহ্বায় দৃঢ়তা দাও, আমার অন্তরকে পথ-নির্দেশনা দাও আর আমার বুকের কপটতা ও বিদ্বেষ দূর করে দাও৷

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৫৫১

নবী (ﷺ)-যা চেয়েছেন তার অনুরূপ দোয়া

নবী (ﷺ)-যা চেয়েছেন তার অনুরূপ দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ بِكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلَاغُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লা-হুম্মা ইন্না নাস’আলুকা মিন খইরি মা- সাআলাকা মিনহু নাবিয়্যুকা মুহাম্মাদুন ওয়া নাউ’যুবিকা মিন শার্‌রি মাস্‌তাআ-‘যা বিকা মিনহু নাবিয়্যুকা মুহাম্মাদুন ওয়া আন্‌তাল মুস্‌তা‘আ-নু ওয়া ‘আলাইকাল বালা-‘গ ওয়ালা- হাওলা ওয়ালা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা- বিল্লা-হ

হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার কাছে সেই কল্যাণ চাই, যা তোমার কাছে তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) চেয়েছেন; তোমার কাছে সেই অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যা থেকে তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) আশ্রয় চেয়েছেন; কেবল তোমার কাছেই আশ্রয় পাওয়া যায়, (বার্তা) পৌঁছে দেওয়াই তোমার কাজ৷ আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

রেফারেন্স: হাসান (আশ-শাওকানী)। তুহফাতুয যাকেরীনঃ ৪৮৯

আবু উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একবার) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) অনেক দোয়া করেন, যার কিছুই আমরা মুখস্থ করতে পারিনি। আমরা বলি, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আপনি অনেক দোয়া করলেন, কিন্তু আমরা তো এর কিছুই মুখস্থ করতে পারিনি! তখন নবী (ﷺ) বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু বলে দেবো না, যাতে এর সব কিছুই অন্তর্ভুক্ত থাকবে? (সেটি হলো) তুমি বলবে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ بِكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ وَعَلَيْكَ الْبَلَاغُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার কাছে সেই কল্যাণ চাই, যা তোমার কাছে তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) চেয়েছেন; তোমার কাছে সেই অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যা থেকে তোমার নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) আশ্রয় চেয়েছেন; কেবল তোমার কাছেই আশ্রয় পাওয়া যায়, (বার্তা) পৌঁছে দেওয়াই তোমার কাজ৷ আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

রেফারেন্স: হাসান (আশ-শাওকানী)। তুহফাতুয যাকেরীনঃ ৪৮৯

কল্যাণ লাভ ও অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাওয়া

কল্যাণ লাভ ও অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাওয়া

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তাকে এ দোয়া শিখিয়েছেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ قَضَيْتَهُ لِي خَيْرًا

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহী, ‘আ-জিলিহী ওয়া আ-জিলিহী, মা- আলিম্‌তু মিন্‌হু ওয়ামা- লাম্ আ’অ্‌লাম। ওয়া আ‘উযু বিকা মিনাশ্‌ শার্‌রি কুল্লিহী ‘আ-জিলিহী ওয়া আজিলিহী মা- ‘আলিম্‌তু মিন্‌হু ওয়ামা- লাম্ আ’অ্‌লাম। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকা মিন খাইরি মা- সাআলাকা ‘আব্‌দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা, ওয়া আ’ঊযু বিকা মিন শার্‌রি ‘মা- ‘আ-যা বিহী ‘আব্‌দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকাল জান্নাতা ওয়ামা- ক্বার্‌রাবা ইলাইহা- মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আ’ঊযু বিকা মিনান না-র, ওয়ামা- ক্বার্‌রাবা ইলাইহা- মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আস্‌আলুকা আন তাজ্‌’আলা কুল্লা ক্বদাইন ক্বদাইতাহু লি খয়রা

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (ﷺ)। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (ﷺ)। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক্ব। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার কাছে চাই-আমার ব্যাপারে আপনার প্রত্যেকটি সিদ্ধান্ত কল্যাণজনক করে দিন৷

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৩৮৪৬

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তাকে এ দোয়া শিখিয়েছেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَجْعَلَ كُلَّ قَضَاءٍ قَضَيْتَهُ لِي خَيْرًا

হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (ﷺ)। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (ﷺ)। হে আল্লাহ্‌, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক্ব। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার কাছে চাই-আমার ব্যাপারে আপনার প্রত্যেকটি সিদ্ধান্ত কল্যাণজনক করে দিন৷

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৩৮৪৬

চক্ষু, কর্ণ, জিহ্বা ও অন্তরের অনিষ্ট হতে বাঁচার দোয়া

চক্ষু, কর্ণ, জিহ্বা ও অন্তরের অনিষ্ট হতে বাঁচার দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِيْ وَمِنْ شَرِّ بَصَرِيْ وَمِنْ شَرِّ لِسَانِيْ وَمِنْ شَرِّ قَلْبِيْ وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّيْ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন শার্‌রি সাম্‘ই ওয়া মিন শার্‌রি বাস্বারী ওয়া মিন শার্‌রি লিসা-নী ওয়া মিন শার্‌রি ক্বলবী ওয়া মিন শার্‌রি মানিয়্যী

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই আমার শ্রবণশক্তির অনিষ্ট থেকে, আমার দৃষ্টিশক্তির অনিষ্ট থেকে, আমার জিহ্বার অনিষ্ট থেকে, আমার অন্তরের অনিষ্ট থেকে, এবং আমার লজ্জাস্থানের অনিষ্ট থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৪৯২

শাকাল ইবনু হুমাইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) (আল্লাহ্‌র কাছে) আশ্রয় চাওয়ার জন্য আমাকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিন।” তখন নবী (ﷺ) আমার কাঁধ ধরে বলেন, তুমি বলো- (উপরে উল্লেখিত দোয়া)

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِيْ وَمِنْ شَرِّ بَصَرِيْ وَمِنْ شَرِّ لِسَانِيْ وَمِنْ شَرِّ قَلْبِيْ وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّيْ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই আমার শ্রবণশক্তির অনিষ্ট থেকে, আমার দৃষ্টিশক্তির অনিষ্ট থেকে, আমার জিহ্বার অনিষ্ট থেকে, আমার অন্তরের অনিষ্ট থেকে, এবং আমার লজ্জাস্থানের অনিষ্ট থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৪৯২

মহামারী ও রোগব্যাধি থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া

মহামারী ও রোগব্যাধি থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَالْجُنُوْنِ وَالْجُذَامِ وَمِنْ سَيِّئِ الْأَسْقَامِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল বারাস্বি, ওয়াল জুনূনি, ওয়াল জুযা-মি ওয়া মিন সাইয়্যিয়িল আস্‌ক্কা-ম

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই কুষ্ঠরোগ ও পাগলামি থেকে, এবং পা-ফোলা রোগ ও নিকৃষ্ট ব্যাধি থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫৫৪

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ وَالْجُنُوْنِ وَالْجُذَامِ وَمِنْ سَيِّئِ الْأَسْقَامِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই কুষ্ঠরোগ ও পাগলামি থেকে, এবং পা-ফোলা রোগ ও নিকৃষ্ট ব্যাধি থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৫৫৪

দুশ্চরিত্র ও মন্দ কর্ম থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া

দুশ্চরিত্র ও মন্দ কর্ম থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া

কুতবা ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الْأَخْلَاقِ وَالْأَعْمَالِ وَالْأَهْوَاءِ وَالْأَدْوَاءِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিন মুনকারা-তিল আখলা-‘ক্বি ওয়াল আ‘মা-লি ওয়াল আহ্ওয়া-ই ওয়াল আদ্‌ওয়া-ই

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নিকৃষ্ট মানের আচরণ থেকে, এবং নিকৃষ্ট মানের কাজ, আশা ও রোগ থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। মিশকাতঃ ২৪০৫

কুতবা ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ مُنْكَرَاتِ الْأَخْلَاقِ وَالْأَعْمَالِ وَالْأَهْوَاءِ وَالْأَدْوَاءِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই নিকৃষ্ট মানের আচরণ থেকে, এবং নিকৃষ্ট মানের কাজ, আশা ও রোগ থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। মিশকাতঃ ২৪০৫

ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা 'আফুউন, কারীমুন তু'হিব্বুল 'আফওয়া, ফা'আফু 'আন্নী

হে আল্লাহ্‌! তুমি ক্ষমাশীল, মহানুভব!, তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ করো অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৩

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি বললাম “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমি যদি বুঝতে পারি কোন রাতটি লাইলাতুল কদর, তা হলে ওই রাতে আমি কী বলব?” নবী (ﷺ) বলেন, তুমি বলো- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

হে আল্লাহ্‌! তুমি ক্ষমাশীল, মহানুভব!, তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ করো অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫১৩

সৎকর্ম ও আল্লাহর ভালোবাসা চাওয়ার দোয়া

সৎকর্ম ও আল্লাহর ভালোবাসা চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِيْنِ وَأَنْ تَغْفِرَ لِي وَتَرْحَمَنِي وَإِذَا أَرَدْتَ فِتْنَةَ قَوْمٍ فَتَوَفَّنِيْ غَيْرَ مَفْتُوْنٍ وَأَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ وَحُبَّ عَمَلٍ يُقَرِّبُ إِلَى حُبِّكَ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকা ফি'অ্‌লাল খাইরা-তি, ওয়া তার্‌কাল মুনকারা-তি, ওয়া ‘হুব্বাল মাসা-কিনী, ওয়া আন তাগ্‌ফিরা লী, ওয়া তার্‌'হামানী, ওয়া ইযা- আরাদ্‌তা ফিত্‌নাতা ক্বাওমিন্‌ ফাতাওয়াফ্‌ফানী গাইরা মাফ্‌তুন। ওয়া আস্আলুকা 'হুব্বাকা, ওয়া ‘হুব্বা মান ইউ’হিব্বুকা, ওয়া ‘হুব্বা ’আমালিন ইউক্বার্‌রিবু ইলা- ‘হুব্বিক

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই (যেন) যাবতীয় ভালো কাজ করতে পারি সকল খারাপ কাজ ছাড়তে পারি। এবং নিঃস্ব লোকদের ভালোবাসতে পারি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও, আমার উপর দয়া করো। কোনও জনগোষ্ঠীকে পরীক্ষায় ফেলতে চাইলে, পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়ার আগেই আমাকে নিয়ে যেয়ো। আমি তোমার কাছে চাই তোমার ভালোবাসা, যারা তোমাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসা। এবং এমন কাজের প্রতি ভালোবাসা, যা তোমার ভালোবাসার কাছে নিয়ে যায়।

রেফারেন্স: [১] অর্থাৎঃ যেসব কাজ করলে গোনাহ মাফ হয় [২] সহীহ। তিরমিযিঃ ৩২৩৫

মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন ভোরবেলা ফজরের সালাতের সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের কাছে আসতে দেরি করেন। একপর্যায়ে আমাদের মনে হতে থাকে, এক্ষুনি সূর্য ওঠবে! এমন সময় নবী (ﷺ) দ্রুত বেরিয়ে আসেন। এরপর সালাতের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এরপর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) স্বাভাবিকের চেয়ে একটু দ্রুত গতিতে সালাত শেষ করেন। সালাম ফিরিয়ে তিনি উচ্চ আওয়াজে আমাদের বলেন, “তোমরা নিজ নিজ সারিতে যেভাবে আছো, সেভাবেই থাকো।” এরপর তিনি আমাদের দিকে ঘুরে বলেন, আজ ভোরে তোমাদের কাছে আসতে আমার কেন দেরি হয়েছিল, তা এখনই বলছি: আমি রাতে উঠে ওযূ করে আমার-জন্য-নির্ধারিত সালাত আদায় করি। সালাতের মধ্যে আমি প্রচণ্ড তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ি। আচমকা দেখি, আমি আমার মহান রবের পাশে! সর্বোত্তম আকৃতিতে! তিনি বলেন, মুহাম্মাদ!' আমি বলি, ‘রব আমার! আমি হাজির! তিনি বলেন, ‘উচ্চতর দলটি কী নিয়ে তর্ক করে?' আমি বলি, আমার জানা নেই।' তিনি, তিনবার এটি জিজ্ঞাসা করেন। এরপর দেখি-তিনি তাঁর হাতের তালু আমার দু' কাঁধের মাঝখানে রাখেন; আমি তাঁর আঙুলসমূহের শীতলতা বক্ষে অনুভব করি! এরপর আমার সামনে সবকিছু উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং আমি (বিষয়টি) বুঝতে পারি। তখন আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন, ‘মুহাম্মাদ! আমি বলি, ‘রব আমার! আমি হাজির! তিনি বলেন, ‘(ফেরেশতাদের) উচ্চতর দলটি কী নিয়ে তর্ক করে?' আমি বলি, ‘কাফফারা বা প্রায়শ্চিত্তের ব্যাপারে৷ [১] তিনি বলেন, “কী সেগুলো?' আমি বলি, পায়ে হেঁটে জামাআতের দিকে যাওয়া, সালাতের পর মসজিদে বসা এবং কষ্টের মধ্যেও সঠিকভাবে ওযূ করা।' তিনি বলেন, এরপর কী?' আমি বলি, ‘খাবার খাওয়ানো, কোমলভাবে কথা বলা এবং রাতের বেলা মানুষ যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সালাত আদায় করা। আল্লাহ্‌ তা'আলা বলেন, (আমার কাছে) চাও! বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, এটি নিশ্চিত সত্য; সুতরাং এটি তোমরা শেখো, তারপর (লোকদের) শেখাও।” [২]

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فِعْلَ الْخَيْرَاتِ وَتَرْكَ الْمُنْكَرَاتِ وَحُبَّ الْمَسَاكِيْنِ وَأَنْ تَغْفِرَ لِي وَتَرْحَمَنِي وَإِذَا أَرَدْتَ فِتْنَةَ قَوْمٍ فَتَوَفَّنِيْ غَيْرَ مَفْتُوْنٍ وَأَسْأَلُكَ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يُحِبُّكَ وَحُبَّ عَمَلٍ يُقَرِّبُ إِلَى حُبِّكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই (যেন) যাবতীয় ভালো কাজ করতে পারি সকল খারাপ কাজ ছাড়তে পারি। এবং নিঃস্ব লোকদের ভালোবাসতে পারি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও, আমার উপর দয়া করো। কোনও জনগোষ্ঠীকে পরীক্ষায় ফেলতে চাইলে, পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়ার আগেই আমাকে নিয়ে যেয়ো। আমি তোমার কাছে চাই তোমার ভালোবাসা, যারা তোমাকে ভালোবাসে তাদের ভালোবাসা। এবং এমন কাজের প্রতি ভালোবাসা, যা তোমার ভালোবাসার কাছে নিয়ে যায়।

রেফারেন্স: [১] অর্থাৎঃ যেসব কাজ করলে গোনাহ মাফ হয় [২] সহীহ। তিরমিযিঃ ৩২৩৫

ইসলামের অসীলায় সর্বাবস্থায় সুরক্ষা চাওয়ার দোয়া

ইসলামের অসীলায় সর্বাবস্থায় সুরক্ষা চাওয়ার দোয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এভাবে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ احْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ قَائِمًا، وَاحْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ قَاعِدًا، وَاحْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ رَاقِدًا، وَلَا تُشْمِتْ بِي عَدُوًّا وَلَا حَاسِدًا اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ كُلِّ خَيْرٍ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ شَرٍّ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ

আল্লা-হুম্মা'হ্‌ফায্‌নী বিল্ ইস্‌লা-মি ক্বা-য়িমান্‌ ওয়া’হ্‌ফায্‌নী বিল্‌ ইসলা-মি ক্বা-’য়িদান্‌, ওয়া’হ্‌ফায্‌নী বিল ইসলা-মি রা-ক্বিদান, ওয়ালা- তুশ্‌মিত্‌ বী ‘আদুওয়ান্ ওয়ালা- ‘হা-সিদান। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্‌আলুকা মিন্‌ কুল্লি ‘খাইরিন্‌ খাঝা-য়িনুহূ বিইয়াদিক, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন কুল্লি শা্ররিন খাঝা-য়িনুহূ বিইয়াদিক

হে আল্লাহ্‌! আমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় ইসলাম দ্বারা সুরক্ষা দাও! বসা অবস্থায় আমাকে ইসলাম দ্বারা সুরক্ষা দাও! শোয়া অবস্থায় আমাকে ইসলাম দ্বারা সুরক্ষা দাও! আমার দ্বারা কোনও হিংসুটে শত্রুকে উল্লসিত হতে দিয়ো না! হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে প্রত্যেকটি কল্যাণ চাই, যার যাবতীয় ভাণ্ডার তোমার হাতে; আর প্রত্যেকটি অকল্যাণ থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যার সকল ভাণ্ডার তোমার হাতে৷

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ১৫৪০

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এভাবে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ احْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ قَائِمًا، وَاحْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ قَاعِدًا، وَاحْفَظْنِيْ بِالْإِسْلَامِ رَاقِدًا، وَلَا تُشْمِتْ بِي عَدُوًّا وَلَا حَاسِدًا اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ كُلِّ خَيْرٍ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ كُلِّ شَرٍّ خَزَائِنُهُ بِيَدِكَ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে দাঁড়ানো অবস্থায় ইসলাম দ্বারা সুরক্ষা দাও! বসা অবস্থায় আমাকে ইসলাম দ্বারা সুরক্ষা দাও! শোয়া অবস্থায় আমাকে ইসলাম দ্বারা সুরক্ষা দাও! আমার দ্বারা কোনও হিংসুটে শত্রুকে উল্লসিত হতে দিয়ো না! হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে প্রত্যেকটি কল্যাণ চাই, যার যাবতীয় ভাণ্ডার তোমার হাতে; আর প্রত্যেকটি অকল্যাণ থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যার সকল ভাণ্ডার তোমার হাতে৷

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ১৫৪০

মজবুত ঈমান ও শত্রুদের থেকে নিরাপত্তা চাওয়ার দোয়া

মজবুত ঈমান ও শত্রুদের থেকে নিরাপত্তা চাওয়ার দোয়া

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রায় প্রত্যেকটি বৈঠক থেকে ওঠা মাত্রই আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُوْلُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيْكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِيْنِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيْبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيْبَتَنَا فِي دِيْنِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا

আল্লা-হুম্মাক্বসিম্ লানা- মিন্ ‘খাশ্‌ইয়াতিকা মা- ইয়া’হূলূ বাইনানা- ওয়া বাইনা মা’আ-স্বীকা, ওয়া মিন্ ত্বা-‘আতিকা মা- তুবাল্লি’গুনা- বিহী জান্নাতাকা, ওয়া মিনাল ইয়াক্বীনি মা- তুহাওয়িনু বিহী ‘আলাইনা মুস্বীবা-তিদ্‌ দুন্‌ইয়া-। ওয়ামাত্‌তি‘অ্‌না- বিআস্‌মা-’য়িনা- ওয়াআব্‌স্বারিনা- ওয়াক্বুওয়্যাতিনা- মা- ‘আ’হ্‌ইয়াইতানা-, ওয়াজ্‌’আল্‌হুল ওয়া-রিছা মিন্‌না-, ওয়াজ্‌’আল ছা’অ্‌রানা ‘আলা- মান্‌ যোয়ালামানা- ওয়ান্‌স্বুর্‌না- ‘আলা- মান্‌ ‘আ-দা-না-, ওয়ালা-তাজ্‌'আল্ মুস্বীবাতানা- ফী দীনিনা- ওয়ালা- তাজ্‌’আলিদ দুন্‌ইয়া- আকবারা হাম্মিনা- ওয়ালা- মাব্‌লা’গা ‘ইলমিনা- ওয়ালা- তুসাল্লিত্ব ‘আলাইনা- মান্ লা- ইয়ার্‌‘হামুনা-

হে আল্লাহ্‌! আমাদেরকে তোমার এমন ভয় দান করো, যা আমাদের ও তোমার অবাধ্যতার মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়াবে; তোমার এমন আনুগত্য করার সামর্থ্য দাও, যা আমাদেরকে তোমার জান্নাতে পৌঁছে দেবে; এমন সন্দেহমুক্ত ঈমান দাও, যা দুনিয়ার মুসিবতগুলোকে আমাদের কাছে তুচ্ছ করে দেবে! আমাদের শ্রবণশক্তি দিয়ে উপকৃত হতে দাও, দৃষ্টিশক্তি ও শারীরিক শক্তি থেকে উপকৃত হতে দাও, যতদিন তুমি আমাদের বাঁচিয়ে রাখো! এসব শক্তিকে আমাদের ওয়ারিশ বানিয়ে দাও! আমাদের জালিমদের বিরুদ্ধে আমাদের ক্রুদ্ধ করে তোলো! আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করো; আমাদের দ্বীন-পালনে কোনও মুসিবত রেখো না; দুনিয়া যেন আমাদের সবচেয়ে বড় ভাবনার বস্তু না হয়; আমাদের জ্ঞানের লক্ষ্য যেন দুনিয়া না হয়; আমাদের উপর এমন কাউকে চাপিয়ে দিয়ো না, যে আমাদের উপর দয়া করবে না!

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযিঃ ৩৫০২

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রায় প্রত্যেকটি বৈঠক থেকে ওঠা মাত্রই আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُوْلُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيْكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِيْنِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيْبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيْبَتَنَا فِي دِيْنِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا

হে আল্লাহ্‌! আমাদেরকে তোমার এমন ভয় দান করো, যা আমাদের ও তোমার অবাধ্যতার মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়াবে; তোমার এমন আনুগত্য করার সামর্থ্য দাও, যা আমাদেরকে তোমার জান্নাতে পৌঁছে দেবে; এমন সন্দেহমুক্ত ঈমান দাও, যা দুনিয়ার মুসিবতগুলোকে আমাদের কাছে তুচ্ছ করে দেবে! আমাদের শ্রবণশক্তি দিয়ে উপকৃত হতে দাও, দৃষ্টিশক্তি ও শারীরিক শক্তি থেকে উপকৃত হতে দাও, যতদিন তুমি আমাদের বাঁচিয়ে রাখো! এসব শক্তিকে আমাদের ওয়ারিশ বানিয়ে দাও! আমাদের জালিমদের বিরুদ্ধে আমাদের ক্রুদ্ধ করে তোলো! আমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করো; আমাদের দ্বীন-পালনে কোনও মুসিবত রেখো না; দুনিয়া যেন আমাদের সবচেয়ে বড় ভাবনার বস্তু না হয়; আমাদের জ্ঞানের লক্ষ্য যেন দুনিয়া না হয়; আমাদের উপর এমন কাউকে চাপিয়ে দিয়ো না, যে আমাদের উপর দয়া করবে না!

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযিঃ ৩৫০২

দুনিয়া ও কবরের পরীক্ষা থেকে আশ্রয় চাওয়া

দুনিয়া ও কবরের পরীক্ষা থেকে আশ্রয় চাওয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল বুখ্‌লি ওয়া আ‘উযু বিকা মিনাল জুব্‌নি ওয়া আ‘উযু বিকা মিন আন উরাদ্দা ইলা- আরযালিল 'উমুরি ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিদ দুনইয়া- ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ‘আযা-বিল, ক্বাব্‌র

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে কৃপণতা থেকে আশ্রয় চাই ভীরুতা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই; তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যেন নিকৃষ্টতর বয়সে পৌঁছে না যাই; তোমার কাছে দুনিয়ার পরীক্ষা থেকে আশ্রয় চাই; আর তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের পরীক্ষা থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৭০

শিক্ষক যেভাবে বাচ্চাদের হাতের লেখা শেখায়, সাদ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাঃ) তার ছেলেদের এসব বাক্য সেভাবে শেখাতেন। আর তিনি বলতেন, সালাতের শেষের দিকে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এসব বিষয়ে (আল্লাহ্‌র কাছে) আশ্রয় চাইতেন – (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে কৃপণতা থেকে আশ্রয় চাই ভীরুতা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই; তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যেন নিকৃষ্টতর বয়সে পৌঁছে না যাই; তোমার কাছে দুনিয়ার পরীক্ষা থেকে আশ্রয় চাই; আর তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের পরীক্ষা থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৭০

ইচ্ছায় অনিচ্ছায় সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়া

ইচ্ছায় অনিচ্ছায় সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়া

আবূ মূসা আশআরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي خَطِيْئَتِيْ وَجَهْلِيْ وَإِسْرَافِي فِي أَمْرِيْ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي جِدِّيْ وَهَزَلِيْ وَخَطَئِيْ وَعَمْدِيْ وَكُلُّ ذَلِكَ عِنْدِيْ اَللَّهُمَ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ وَأَنْتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লী খাতিয়াতি ওয়া জাহ্‌লি ওয়া ইস্‌রা-ফি ফি আম্‌রি ওয়ামা- আনতা আ’লামু বিহি মিন্নী আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফিরলী জিদ্দি ওয়া ‘হাযালি ওয়া ‘খাত্বায়ি ওয়া আমদ্বি ওয়া- কুল্লু যালিকা ইন্‌দি আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লী মা- ক্বাদ্দামতু ওয়ামা- আখ্‌খারতু ওয়ামা- আসর্‌রাতু ওয়ামা- আ’লান্‌তু ওয়ামা- আনতা আ’লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুক্বাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখ্‌খিরু ওয়া আন্‌তা ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর

হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও আমার ভুলত্রুটি ও অজ্ঞতা (প্রসূত কাজ) এবং কাজ করতে গিয়ে আমি যেসব বাড়াবাড়ি করেছি যে-সকল (পাপের) বিষয়ে তুমি আমার চেয়ে ভালো জানো। হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও গুরুত্বের সঙ্গে অথবা তামাশা-বশত যেসব অন্যায় করেছি, এবং আমার ভুলত্রুটি ও ইচ্ছাকৃত অপরাধ; এ সবগুলোই আমার দ্বারা হয়েছে। হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও আগে-পরে আমি যেসব অন্যায় করেছি, যা-কিছু করেছি গোপনে ও প্রকাশ্যে, যেগুলো তুমি আমার চেয়ে ভালো জানো। আগ-পিছ করার ক্ষমতা কেবল তোমারই; তুমি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৯

আবূ মূসা আশআরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي خَطِيْئَتِيْ وَجَهْلِيْ وَإِسْرَافِي فِي أَمْرِيْ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي جِدِّيْ وَهَزَلِيْ وَخَطَئِيْ وَعَمْدِيْ وَكُلُّ ذَلِكَ عِنْدِيْ اَللَّهُمَ اغْفِرْ لِي مَا قَدَّمْتُ وَمَا أَخَّرْتُ وَمَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّي أَنْتَ الْمُقَدِّمُ وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ وَأَنْتَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও আমার ভুলত্রুটি ও অজ্ঞতা (প্রসূত কাজ) এবং কাজ করতে গিয়ে আমি যেসব বাড়াবাড়ি করেছি যে-সকল (পাপের) বিষয়ে তুমি আমার চেয়ে ভালো জানো। হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও গুরুত্বের সঙ্গে অথবা তামাশা-বশত যেসব অন্যায় করেছি, এবং আমার ভুলত্রুটি ও ইচ্ছাকৃত অপরাধ; এ সবগুলোই আমার দ্বারা হয়েছে। হে আল্লাহ্‌! আমার (এসব বিষয়) মাফ করে দাও আগে-পরে আমি যেসব অন্যায় করেছি, যা-কিছু করেছি গোপনে ও প্রকাশ্যে, যেগুলো তুমি আমার চেয়ে ভালো জানো। আগ-পিছ করার ক্ষমতা কেবল তোমারই; তুমি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান৷

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৯

ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيْرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী যালাম্‌তু নাফ্‌সী যুলমান কাছীরান ওয়ালা- ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আনতা, ফাগ্‌ফিরুলী মাগফিরাতান মিন ‘ইনদিকা ওয়ার’হামনী ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর্‌ রাহীম

হে আল্লাহ্‌! আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি; তুমি ছাড়া আর কেউ গোনাহ ক্ষমা করতে পারে না; তোমার পক্ষ থেকে আমাকে পুরোপুরি ক্ষমা করে দাও; আমার উপর দয়া করো; তুমি তো ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩৪

আবু বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলেন, “আমাকে এমন একটি দোয়া শিখিয়ে দিন, যা আমি সালাতে পাঠ করব।” নবী (ﷺ) বলেন, তুমি বলো - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ إِنِّي ظَلَمْتُ نَفْسِي ظُلْمًا كَثِيْرًا وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ فَاغْفِرْ لِي مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি; তুমি ছাড়া আর কেউ গোনাহ ক্ষমা করতে পারে না; তোমার পক্ষ থেকে আমাকে পুরোপুরি ক্ষমা করে দাও; আমার উপর দয়া করো; তুমি তো ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩৪

পথভ্রষ্টতা থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাওয়া

পথভ্রষ্টতা থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাওয়া

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ وَبِكَ خَاصَمْتُ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِعِزَّتِكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَنْ تُضِلَّنِيْ أَنْتَ الْحَيُّ الَّذِيْ لَا يَمُوْتُ وَالْجِنُّ وَالْإِنْسُ يَمُوتُونَ

আল্লা-হুম্মা লাকা আসলামতু, ওয়াবিকা আ-মানতু, ওয়া 'আলাইকা তাওয়াক্কালতু, ওয়া ইলাইকা আনাবতু, ওয়া বিকা খা-সাম্‌তু, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বি‘ইঝঝাতিকা লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা আন তুদ্বিল্লানী আনতাল ‘হাইয়্যূল লাযী লা- ইয়ামূতু ওয়াল জিন্নু ওয়াল ইন‘সু ইয়ামূতুন

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার সামনে আত্মসমর্পণ করেছি, তোমার প্রতি ঈমান এনেছি, তোমার উপর ভরসা করেছি, তোমার কাছে ফিরে এসেছি, (আমার অভাব ও অনুযোগ) তোমার কাছে পেশ করেছি। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার শক্তিমত্ত্বার কাছে আশ্রয় চাই, তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, আমাকে বিপথে যেতে দিয়ো না; তুমিই চিরঞ্জীব-মৃত্যুহীন, জ্বিন ও মানুষ সবাই মারা যাবে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৭

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ وَبِكَ آمَنْتُ وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ وَبِكَ خَاصَمْتُ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِعِزَّتِكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ أَنْ تُضِلَّنِيْ أَنْتَ الْحَيُّ الَّذِيْ لَا يَمُوْتُ وَالْجِنُّ وَالْإِنْسُ يَمُوتُونَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার সামনে আত্মসমর্পণ করেছি, তোমার প্রতি ঈমান এনেছি, তোমার উপর ভরসা করেছি, তোমার কাছে ফিরে এসেছি, (আমার অভাব ও অনুযোগ) তোমার কাছে পেশ করেছি। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার শক্তিমত্ত্বার কাছে আশ্রয় চাই, তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, আমাকে বিপথে যেতে দিয়ো না; তুমিই চিরঞ্জীব-মৃত্যুহীন, জ্বিন ও মানুষ সবাই মারা যাবে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৭

জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া

জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এর (একটি) দোয়া ছিল এ রকম -

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مُوْجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ وَالْغَنِيْمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالْفَوْزَ بِالْجَنَّةِ وَالنَّجَاةَ بِعَوْنِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্না নাস’আলুকা মু-জিবা-তি রাহ্‌মাতিকা ওয়া আঝা-‘ইমা মাগফিরাতিকা ওয়াস্‌ সালা-মাতা মিন কুল্লি ইছমিন ওয়াল গানিমাতা মিন কুল্লি বির্‌রিন ওয়াল ফাওঝা বিল জান্নাতি ওয়ান্‌ নাজা-তা বিআও‘নিকা মিনান্‌ না-র

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে সেসব জিনিস চাই, যার ফলে নিশ্চিতভাবে তোমার দয়া লাভ করা যাবে এবং তোমার ক্ষমা অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠবে, (তোমার কাছে) প্রত্যেকটি গোনাহ থেকে নিরাপত্তা চাই, প্রত্যেকটি ভালো কাজ আঞ্জাম দেওয়ার সুযোগ চাই, জান্নাত-লাভের সফলতা চাই। এবং তোমার দয়ায় জাহান্নাম থেকে রেহাই চাই৷

রেফারেন্স: হাসান (আরনাঊত)। আল-আযকার ১/৩৪০

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এর (একটি) দোয়া ছিল এ রকম -

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مُوْجِبَاتِ رَحْمَتِكَ وَعَزَائِمَ مَغْفِرَتِكَ وَالسَّلَامَةَ مِنْ كُلِّ إِثْمٍ وَالْغَنِيْمَةَ مِنْ كُلِّ بِرٍّ وَالْفَوْزَ بِالْجَنَّةِ وَالنَّجَاةَ بِعَوْنِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে সেসব জিনিস চাই, যার ফলে নিশ্চিতভাবে তোমার দয়া লাভ করা যাবে এবং তোমার ক্ষমা অবশ্যম্ভাবী হয়ে ওঠবে, (তোমার কাছে) প্রত্যেকটি গোনাহ থেকে নিরাপত্তা চাই, প্রত্যেকটি ভালো কাজ আঞ্জাম দেওয়ার সুযোগ চাই, জান্নাত-লাভের সফলতা চাই। এবং তোমার দয়ায় জাহান্নাম থেকে রেহাই চাই৷

রেফারেন্স: হাসান (আরনাঊত)। আল-আযকার ১/৩৪০

বৃদ্ধাবস্থায় ও মৃত্যুর পর প্রশস্ততর জীবনোপকরণ কামনা করা

বৃদ্ধাবস্থায় ও মৃত্যুর পর প্রশস্ততর জীবনোপকরণ কামনা করা

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) (এভাবে) দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ اجْعَلْ أَوْسَعَ رِزْقِكَ عَلَيَّ عِنْدَ كِبَرِ سِنِّيْ وَانْقِطَاعِ عُمُرِيْ

আল্লা-হুম্মাজ্‌ আল আউসা'আ রিয্‌ক্বিকা ‘আলাইয়্যা ‘ইন্‌দা কিবারী সিন্নী ওয়ান'কিত্বা-য়ী ‘উমুরী

হে আল্লাহ্‌! যখন আমি বার্ধক্যে পৌঁছে যাব এবং আমার আয়ু ফুরিয়ে আসবে তখন আমাকে তোমার প্রশস্ততর জীবনোপকরণ দিয়ো।

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে' আস-সগীরঃ ১৪৮৫

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) (এভাবে) দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ اجْعَلْ أَوْسَعَ رِزْقِكَ عَلَيَّ عِنْدَ كِبَرِ سِنِّيْ وَانْقِطَاعِ عُمُرِيْ

হে আল্লাহ্‌! যখন আমি বার্ধক্যে পৌঁছে যাব এবং আমার আয়ু ফুরিয়ে আসবে তখন আমাকে তোমার প্রশস্ততর জীবনোপকরণ দিয়ো।

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে' আস-সগীরঃ ১৪৮৫

রিজিক ও গৃহের প্রশস্ততা চাওয়ার দোয়া

রিজিক ও গৃহের প্রশস্ততা চাওয়ার দোয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) ওযূ করে সালাত আদায় করে বলেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ وَوَسِّعْ لِي فِي دَارِيْ وَبَارِكْ لِي فِي رِزْقِيْ

আল্লা-হুম্মাগ্ ‌ফির লী যান্‌বী ওয়া ওয়াস্‌সি’য়্‌ লী ফী দা-রী ওয়া বা-রিক্‌ লী ফী রিযক্বী

হে আল্লাহ্‌! আমার গোনাহ মাফ করে দাও। আমার ঘরে প্রশস্ততা দাও। এবং আমার জীবনোপকরণে বরকত দাও।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযিঃ ৩৫০০, সহীহ আল জামিঃ ১২৬৫

নবী (ﷺ) বলেন, ‘এর পর আর কোনও কল্যাণ বাকি থাকে কি?

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) ওযূ করে সালাত আদায় করে বলেন -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ وَوَسِّعْ لِي فِي دَارِيْ وَبَارِكْ لِي فِي رِزْقِيْ

হে আল্লাহ্‌! আমার গোনাহ মাফ করে দাও। আমার ঘরে প্রশস্ততা দাও। এবং আমার জীবনোপকরণে বরকত দাও।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযিঃ ৩৫০০, সহীহ আল জামিঃ ১২৬৫

আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহ চাওয়ার দোয়া

আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহ চাওয়ার দোয়া

নবী (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের কাছে কোনও খাবার না পেয়ে নবী (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্‌আলুকা মিন ফাদ্বলিকা ওয়া রাহ্‌মাতিকা ফা'ইন্নাহু লা- ইয়ামলিকুহা- ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই তোমার অনুগ্রহ ও তোমার দয়া; কারণ, এগুলোর মালিক একমাত্র তুমিই।

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ১৫৪৩

এরপর তাঁর কাছে একটি ভুনা খাসি উপহার হিসেবে পাঠানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নবী (ﷺ) বলেন, “এটি হলো আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ; এখন আমরা (তাঁর) দয়ার অপেক্ষায় আছি।”

নবী (ﷺ) তাঁর স্ত্রীদের কাছে কোনও খাবার না পেয়ে নবী (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই তোমার অনুগ্রহ ও তোমার দয়া; কারণ, এগুলোর মালিক একমাত্র তুমিই।

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ১৫৪৩

দুর্ঘটনাগ্রস্থ হওয়া থেকে মুক্তির দোয়া

দুর্ঘটনাগ্রস্থ হওয়া থেকে মুক্তির দোয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এভাবে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَدْمِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّيْ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ وَالْهَرَمِ وَأَعُوْذُ بِكَ أَنْ يَتَخَبَّطَنِيَ الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَأَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَمُوْتَ فِي سَبِيْلِكَ مُدْبِرًا وَأَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَمُوْتَ لَدِيْغًا

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল হাদ্‌মি ওয়া আ‘উযু বিকা মিনাত্‌ তারাদ্দি ওয়া আ‘উযু বিকা মিনাল গারাক্বী ওয়াল ‘হারাক্বী ওয়াল হারামি ওয়া আ‘উযু বিকা আন ইয়াতা খাব্বাত্বানীআশ শাইত্বা-নু ‘ইন্‌দাল মাওতি ওয়া আ‘উযু বিকা আন আমুতা ফি সাবিলিকা মুদ্‌বিরান ওয়া আ‘উযু বিকা আন আমুতা লাদিগা

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই চাপা-পড়া থেকে; আশ্রয় চাই উঁচু স্থান থেকে পড়ে-যাওয়া থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই-পানিতে ডুবে-যাওয়া, আগুনে পোড়া ও বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যেন মৃত্যুর সময় শয়তান আমাকে থাবা মারতে না পারে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই যেন তোমার পথে (লড়াই করতে গিয়ে) পালানোর সময় না মরি; আর তোমার কাছে আশ্রয় চাই। (বিষাক্ত প্রাণীর) দংশনে মারা যাওয়া থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫৫২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এভাবে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَدْمِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ التَّرَدِّيْ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْغَرَقِ وَالْحَرَقِ وَالْهَرَمِ وَأَعُوْذُ بِكَ أَنْ يَتَخَبَّطَنِيَ الشَّيْطَانُ عِنْدَ الْمَوْتِ وَأَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَمُوْتَ فِي سَبِيْلِكَ مُدْبِرًا وَأَعُوْذُ بِكَ أَنْ أَمُوْتَ لَدِيْغًا

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই চাপা-পড়া থেকে; আশ্রয় চাই উঁচু স্থান থেকে পড়ে-যাওয়া থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই-পানিতে ডুবে-যাওয়া, আগুনে পোড়া ও বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই, যেন মৃত্যুর সময় শয়তান আমাকে থাবা মারতে না পারে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই যেন তোমার পথে (লড়াই করতে গিয়ে) পালানোর সময় না মরি; আর তোমার কাছে আশ্রয় চাই। (বিষাক্ত প্রাণীর) দংশনে মারা যাওয়া থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫৫২

নিকৃষ্ট সঙ্গী ও নিকৃষ্ট বৈশিষ্ট্য থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া

নিকৃষ্ট সঙ্গী ও নিকৃষ্ট বৈশিষ্ট্য থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُوْعِ فَإِنَّهُ بِئْسَ الضَّجِيْعُ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْخِيَانَةِ فَإِنَّهَا بِئْسَتِ الْبِطَانَةُ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল জূ’ই, ফাইন্নাহু বি’সাদ্‌দ্বাজী’য়ু ওয়া আ‘উযু বিকা মিনাল খিয়া-নাতি ফাইন্নাহা- বি'-সাতিল বিত্বা'-নাহ

হে আল্লাহ্‌! আমি ক্ষুধা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই, কারণ এটি হলো নিকৃষ্ট সঙ্গী; তোমার কাছে আশ্রয় চাই খিয়ানাত বা বিশ্বাসভঙ্গ থেকে, কারণ তা হলো নিকৃষ্ট বৈশিষ্ট্য৷

রেফারেন্স: হাসান। আবূ দাঊদঃ ১৫৪৭

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُوْعِ فَإِنَّهُ بِئْسَ الضَّجِيْعُ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْخِيَانَةِ فَإِنَّهَا بِئْسَتِ الْبِطَانَةُ

হে আল্লাহ্‌! আমি ক্ষুধা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই, কারণ এটি হলো নিকৃষ্ট সঙ্গী; তোমার কাছে আশ্রয় চাই খিয়ানাত বা বিশ্বাসভঙ্গ থেকে, কারণ তা হলো নিকৃষ্ট বৈশিষ্ট্য৷

রেফারেন্স: হাসান। আবূ দাঊদঃ ১৫৪৭

দরিদ্রতা,অপমান ও জুলুম থেকে আশ্রয় চাওয়া

দরিদ্রতা,অপমান ও জুলুম থেকে আশ্রয় চাওয়া

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْفَقْرِ، وَالْقِلَّةِ، وَالذِّلَّةِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল ফাক্বরি ওয়াল ক্বিল্লাতী ওয়ায্‌ যিল্লাতি ওয়া আ‘উযু বিকা মিন আন আযলিমা আও উযলামা

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই-দারিদ্র্য থেকে, স্বল্পতা ও অপমান থেকে; আর তোমার কাছে আশ্রয় চাই-কারও উপর জুলুম করা থেকে অথবা কারও জুলুমের শিকার হওয়া থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫৪৪

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْفَقْرِ، وَالْقِلَّةِ، وَالذِّلَّةِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই-দারিদ্র্য থেকে, স্বল্পতা ও অপমান থেকে; আর তোমার কাছে আশ্রয় চাই-কারও উপর জুলুম করা থেকে অথবা কারও জুলুমের শিকার হওয়া থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫৪৪

খারাপ প্রতিবেশী থেকে আশ্রয় চাওয়া

খারাপ প্রতিবেশী থেকে আশ্রয় চাওয়া

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ جَارِ السُّوْءِ فِي دَارِ الْمُقَامَةِ فَإِنَّ جَارَ الْبَادِيَةِ يَتَحَوَّلُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন জা-রিস্‌ সূ-ই ফি দা'-রিল মুক্ব-মাহ ফাইন্না জা'-রাল বা-দিআতি ইয়াতা ‘হাওয়াল

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- স্থায়ী বাসস্থানে খারাপ প্রতিবেশী থেকে, কারণ, যাযাবর জীবনের প্রতিবেশী তো ক্ষণস্থায়ী৷

রেফারেন্স: হাসান। সহীহুল জামিঃ ১২৯০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ جَارِ السُّوْءِ فِي دَارِ الْمُقَامَةِ فَإِنَّ جَارَ الْبَادِيَةِ يَتَحَوَّلُ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- স্থায়ী বাসস্থানে খারাপ প্রতিবেশী থেকে, কারণ, যাযাবর জীবনের প্রতিবেশী তো ক্ষণস্থায়ী৷

রেফারেন্স: হাসান। সহীহুল জামিঃ ১২৯০

অপকারী জ্ঞান ও দোয়া ক্ববুল না হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া

অপকারী জ্ঞান ও দোয়া ক্ববুল না হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) এসব দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَقَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَدُعَاءٍ لَا يُسْمَعُ وَنَفْسٍ لَا تَشْبَعُ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَؤُلَاءِ الْأَرْبَعِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন ইল্‌মিন লা- ইয়ানফাউ ওয়া ক্বালবীন লা- ইয়াখশাউ ওয়া দোয়া-'ইন লা ইউসমা‘উ ওয়া নাফ্‌সিন লা- তাশবা‘উ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন হা-উলা-ইল আরবা'য়ী

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই-এমন জ্ঞান থেকে যা উপকারে আসে না, এমন অন্তর থেকে যা বিনয়ী হয় না, এমন দোয়া থেকে যা কবুল হয় না, এবং এমন দেহসত্তা থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না। হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে এ চারটি বিষয়ে আশ্রয় চাই৷

রেফারেন্স: সহীহ। নাসায়ীঃ ৫৪৭০

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) এসব দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عِلْمٍ لَا يَنْفَعُ وَقَلْبٍ لَا يَخْشَعُ وَدُعَاءٍ لَا يُسْمَعُ وَنَفْسٍ لَا تَشْبَعُ اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ هَؤُلَاءِ الْأَرْبَعِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই-এমন জ্ঞান থেকে যা উপকারে আসে না, এমন অন্তর থেকে যা বিনয়ী হয় না, এমন দোয়া থেকে যা কবুল হয় না, এবং এমন দেহসত্তা থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না। হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে এ চারটি বিষয়ে আশ্রয় চাই৷

রেফারেন্স: সহীহ। নাসায়ীঃ ৫৪৭০

অপ্রীতিকর দিন-রাত ও খারাপ সঙ্গী থেকে আশ্রয় চাওয়া

অপ্রীতিকর দিন-রাত ও খারাপ সঙ্গী থেকে আশ্রয় চাওয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ يَوْمِ السُّوْءِ وَمِنْ لَيْلَةِ السُّوْءِ وَمِنْ سَاعَةِ السُّوْءِ وَمِنْ صَاحِبِ السُّوْءِ وَمِنْ جَارِ السُوْءِ فِي دَارِ الْمُقَامَةِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন ইয়াওমিস সূয়ি ওয়া মিন লাইলাতিস সূয়ি ও মিন সা-‘আতিস সূয়ি, ওয়া মিন স্বা-’হিবিস সূয়ি, ওয়া মিন জা-রিস সূয়ি ফী দা-রিল মুক্কা-মাহ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- খারাপ দিন থেকে, খারাপ রাত থেকে, খারাপ সময় থেকে, খারাপ সঙ্গী থেকে, এবং খারাপ প্রতিবেশী থেকে, যখন স্থায়ী বাসস্থানে থাকি৷

রেফারেন্স: হাসান। সহীহুল জামেঃ ১২৯৯

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ يَوْمِ السُّوْءِ وَمِنْ لَيْلَةِ السُّوْءِ وَمِنْ سَاعَةِ السُّوْءِ وَمِنْ صَاحِبِ السُّوْءِ وَمِنْ جَارِ السُوْءِ فِي دَارِ الْمُقَامَةِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- খারাপ দিন থেকে, খারাপ রাত থেকে, খারাপ সময় থেকে, খারাপ সঙ্গী থেকে, এবং খারাপ প্রতিবেশী থেকে, যখন স্থায়ী বাসস্থানে থাকি৷

রেফারেন্স: হাসান। সহীহুল জামেঃ ১২৯৯

জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়

জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায়

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কাছে তিনবার জান্নাত চায়, তখন জান্নাত বলে- হে আল্লাহ্‌, তুমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও; আর যে ব্যক্তি তিনবার জাহান্নাম থেকে সুরক্ষা চায়, তখন জাহান্নাম বলে- হে আল্লাহ্‌, তুমি তাকে জাহান্নাম থেকে সুরক্ষা দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ২৫৭২

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কাছে তিনবার জান্নাত চায়, তখন জান্নাত বলে- হে আল্লাহ্‌, তুমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাও; আর যে ব্যক্তি তিনবার জাহান্নাম থেকে সুরক্ষা চায়, তখন জাহান্নাম বলে- হে আল্লাহ্‌, তুমি তাকে জাহান্নাম থেকে সুরক্ষা দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ২৫৭২

দ্বীনের গভীর জ্ঞান লাভের দোয়া

দ্বীনের গভীর জ্ঞান লাভের দোয়া

ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর জন্য নবী (ﷺ) দোয়া করেন -

اَللَّهُمَّ فَقِّهْهُ فِي الدِّيْنِ

আল্লা-হুম্মা ফাক্কিহ্-‌হু ফিদ্‌ দ্বীন

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করো।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৪৩

ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর জন্য নবী (ﷺ) দোয়া করেন -

اَللَّهُمَّ فَقِّهْهُ فِي الدِّيْنِ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে দ্বীনের গভীর জ্ঞান দান করো।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৪৩

জানা অজানা শির্ক থেকে আশ্রয় চাওয়া

জানা অজানা শির্ক থেকে আশ্রয় চাওয়া

শির্ক থেকে বেঁচে থাকার জন্য নবী (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ نُشْرِكَ بِكَ شَيْئًا نَعْلَمُهُ وَنَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا نَعْلَمُهُ

আল্লা-হুম্মা ইন্না নাউযু‘বিকা মিন আন নুশরিকা বিকা শাইআন না'অ্‌লামুহু ওয়া- নাসতাগফিরুকা লিমা- লা- না'অ্‌লামুহ

হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই যেন জেনে বুঝে তোমার সঙ্গে কোনও কিছুকে শির্ক না করি আর না-জানা (শির্কের) জন্য তোমার কাছে ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: হাসান লিগাইরিহি। সহীহ আত তারগীবঃ ৩৬

শির্ক থেকে বেঁচে থাকার জন্য নবী (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ نُشْرِكَ بِكَ شَيْئًا نَعْلَمُهُ وَنَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لَا نَعْلَمُهُ

হে আল্লাহ্‌! আমরা তোমার কাছে আশ্রয় চাই যেন জেনে বুঝে তোমার সঙ্গে কোনও কিছুকে শির্ক না করি আর না-জানা (শির্কের) জন্য তোমার কাছে ক্ষমা চাই।

রেফারেন্স: হাসান লিগাইরিহি। সহীহ আত তারগীবঃ ৩৬

উপকারী জ্ঞান চাওয়া

উপকারী জ্ঞান চাওয়া

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ انْفَعْنِيْ بِمَا عَلَّمْتَنِيْ وَعَلِّمْنِيْ مَا يَنْفَعُنِيْ وَارْزُقْنِيْ عِلْمًا تَنْفَعُنِيْ بِهِ

আল্লা-হুম্মান্‌ ফা'অ্‌নী বিমা- ‘আল্লাম্‌তানী, ওয়া ‘আল্লিমনী মা- ইয়ানফা’উনী, ওয়ারযুক্বনী ‘ইলমান তানফা’উনী বিহী

হে আল্লাহ্‌! আমাকে যা শিখিয়েছো, তা থেকে আমাকে উপকৃত করো; আমার জন্য যা উপকারী, তা আমাকে শেখাও; আর আমাকে এমন জ্ঞান দাও, যার মাধ্যমে তুমি আমার কল্যাণ সাধন করবে৷

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ৩১৫১, তিরমিযিঃ ৩৫৯৯

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ انْفَعْنِيْ بِمَا عَلَّمْتَنِيْ وَعَلِّمْنِيْ مَا يَنْفَعُنِيْ وَارْزُقْنِيْ عِلْمًا تَنْفَعُنِيْ بِهِ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে যা শিখিয়েছো, তা থেকে আমাকে উপকৃত করো; আমার জন্য যা উপকারী, তা আমাকে শেখাও; আর আমাকে এমন জ্ঞান দাও, যার মাধ্যমে তুমি আমার কল্যাণ সাধন করবে৷

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ৩১৫১, তিরমিযিঃ ৩৫৯৯

কবুল আমল, উপকারী জ্ঞান ও উত্তম রিযিক চাওয়া

কবুল আমল, উপকারী জ্ঞান ও উত্তম রিযিক চাওয়া

নবী (ﷺ) ফজরের সালাতে সালাম ফেরানোর পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا طَيِّبًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা ই’লমান না-ফি’আন, ওয়া রিয্‌ক্বান ত্বাইয়িবান, ওয়া ‘আমালান মুতাক্বাব্বালান

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই উপকারী জ্ঞান, পবিত্র জীবনোপকরণ ও (তোমার নিকট) কবুল হওয়ার মতো আমল।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৯২৫

নবী (ﷺ) ফজরের সালাতে সালাম ফেরানোর পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا طَيِّبًا وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই উপকারী জ্ঞান, পবিত্র জীবনোপকরণ ও (তোমার নিকট) কবুল হওয়ার মতো আমল।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৯২৫

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #১

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #১

নবী (ﷺ) ফজরের সালাতে সালাম ফেরানোর পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ يَا اَللَّهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ أَنْ تَغْفِرَ لِي ذُنُوْبِيْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইয়া- আল্লা-হু বিআন্নাকাল ওয়া-হিদুল আহাদুস্ সমাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইয়ূলাদ ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফূওয়ান আহাদ, আন্ তাগফিরালী যুনূবী, ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রহীম

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই, হে আল্লাহ্‌! তুমি এক, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই; তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, একমাত্র তুমিই ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ১৩০১

তার দোয়া শুনে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তিনবার বলেন, তাকে মাফ করে দেওয়া হয়েছে।

নবী (ﷺ) ফজরের সালাতে সালাম ফেরানোর পর বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ يَا اَللَّهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ أَنْ تَغْفِرَ لِي ذُنُوْبِيْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই, হে আল্লাহ্‌! তুমি এক, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই; তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, একমাত্র তুমিই ক্ষমাশীল, দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ১৩০১

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #২

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #২

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيْعُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু, লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতাল-মান্না-নু, বাদী'উস সামাওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, ইয়া- যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম, ইয়া- হাইউ ইয়া- কাইউম ইন্নী আসআলুকা

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই৷ প্রশংসা কেবল তোমারই; তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, তুমি মহানদাতা এবং মহাকাশ ও পৃথিবীর অস্তিত্বদানকারী হে মহত্ত্ব ও মহানুভবতার অধিকারী। হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমি তোমার কাছেই চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ১৩০০

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে বসে আছি। তখন এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছে। সে রুকূ, সাজদা ও তাশাহুদের পর দোয়া করে। ওই দোয়ায় সে বলে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) তখন নবী (ﷺ) তাঁর সাহাবীদের বলেন, “তোমরা কি জানো, সে কী দোয়া করেছে?” তারা বলেন, “আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (ﷺ) ভালো জানেন।” নবী (ﷺ) বলেন, “শপথ সেই সত্ত্বার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহ্‌কে তাঁর মহান নাম নিয়ে ডেকেছে, যে নাম নিয়ে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম নিয়ে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দেন।”

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْمَنَّانُ بَدِيْعُ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ إِنِّي أَسْأَلُكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই৷ প্রশংসা কেবল তোমারই; তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, তুমি মহানদাতা এবং মহাকাশ ও পৃথিবীর অস্তিত্বদানকারী হে মহত্ত্ব ও মহানুভবতার অধিকারী। হে চিরঞ্জীব! হে চিরস্থায়ী! আমি তোমার কাছেই চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ১৩০০

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #৩

ইসমে আযমের অসীলায় ক্ষমা চাওয়া #৩

নবী (ﷺ) শুনতে পান এক ব্যক্তি এভাবে দোয়া করছে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَّنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ اَلَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্নী আশ্‌হাদু আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতাল আহাদুস সামাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইয়ূলাদ ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র তুমিই আল্লাহ্‌, তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি। এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই;

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৪৯৩

তখন নবী (ﷺ) বলেন, “শপথ সেই সত্ত্বার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সে আল্লাহ্‌কে তাঁর মহান নাম নিয়ে ডেকেছে, যে নাম নিয়ে ডাকা হলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম নিয়ে কিছু চাওয়া হলে তিনি তা দেন।”

নবী (ﷺ) শুনতে পান এক ব্যক্তি এভাবে দোয়া করছে -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَّنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ اَلَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, একমাত্র তুমিই আল্লাহ্‌, তুমি ছাড়া সত্য কোনও মা'বুদ নেই, একক, অমুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কারও থেকে জন্ম নেননি। এবং যার সমকক্ষ কেউ নেই;

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ১৪৯৩

আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করা ও ক্ষমা চাওয়া

আল্লাহ্‌র কাছে তাওবা করা ও ক্ষমা চাওয়া

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ

রাব্বিগ্‌ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম

হে আমার রব! আমাকে মাফ করে দাও! আমার তাওবা কবুল করো! নিশ্চয়ই তুমি তাওবা-কবুলকারী ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫১৬

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা গণনা করে দেখতাম, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) ক্ষুদ্র এক বৈঠকে একশ বার বলছেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ

হে আমার রব! আমাকে মাফ করে দাও! আমার তাওবা কবুল করো! নিশ্চয়ই তুমি তাওবা-কবুলকারী ও পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫১৬

আল্লাহ্‌র চেহারায় তাকানোর নিয়ামত লাভের দোয়া

আল্লাহ্‌র চেহারায় তাকানোর নিয়ামত লাভের দোয়া

اَللَّهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَحْيِنِي مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِيْ، وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِي، اَللَّهُمَّ وَأَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِي الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِي الرِّضَا وَالْغَضَبِ، وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِي الْفَقْرِ وَالْغِنَى، وَأَسْأَلُكَ نَعِيمًا لَا يَنْفَدُ، وأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَا تَنْقَطِعُ، وَأَسْأَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ، وَأَسْأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ، وَأَسْأْلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَى وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ إِلَى لِقَائِكَ، فِي غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ، وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ، اَللَّهُمَّ زَيِّنَّا بِزِينَةِ الْإِيمَانِ، وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِينَ

আল্লা-হুম্মা, বি‘ইলমিকাল গাইবা ওয়া ক্বুদ্‌রাতিকা ‘আলাল খাল্‌ক্কি, আ’হ্‌য়িনী মা- ‘আলিম্‌তাল ‘হায়া-তা খাইরান লী, ওয়া তাওয়াফ্‌ফানী ইযা- ‘আলিম্‌তাল ওয়াফা-তা খাইরান লী, আল্লা-হুম্মা, ওয়া আস্‌আলুকা খাশ্‌ইয়াতাকা ফিল গাইবি ওয়াশ শাহা-দাতি, ওয়া আস্‌আলুকা কালিমাতাল হাক্বি ফির রিদ্বা- ওয়াল গাদ্বাবি, ওয়া আস্আলুকাল ক্বাস্‌দা ফিল ফাক্বরি ওয়াল গিনা- ওয়া আস্‌আলুকা না’য়ীমান লা- ইয়ান্‌ফাদু, ওয়া আস্‌আলুকা ক্বুর্‌রাতা ‘আইনিন লা- তান্‌ক্বাতি’উ, ওয়া আস্আলুকার রিদ্বা- বা'অ্‌দাল ক্বাদ্বা-ই, ওয়া আস্‌আলুকা বার্‌দাল ‘আইশি বা’অ্‌দাল মাউতি, ওয়া আস্‌আলুকা লায্‌যাতান নাযারি ইলা- ওয়াজ্‌হিকা ওয়াশ্‌ শাওক্বা ইলা- লিক্বা-য়িকা ফী গাইরি দ্বার্‌রা-আ মুদ্বির্‌রাতিন ওয়ালা- ফিত্‌নাতিন মুদ্বিল্লাতিন। আল্লা-হুম্মা, ঝাইয়িন্না- বিঝীনাতিল ঈমা-নি ওয়াজ্‌‘আলনা- হুদা-তাম মুহ্‌তাদীন

হে আল্লাহ্‌! তোমার অদৃশ্য-জ্ঞান ও সৃষ্টিজগতের উপর তোমার ক্ষমতার ভিত্তিতে আমাকে ততদিন বাঁচিয়ে রেখো, যতদিন আমার বেঁচে-থাকা কল্যাণময় বলে তুমি জানো। আমাকে তখনই নিয়ে যেয়ো, যখন তোমার জ্ঞান অনুযায়ী (আমার) চলে যাওয়া আমার জন্য কল্যাণময়। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই, যেন গোপনে ও প্রকাশ্যে তোমাকে ভয় করে চলতে পারি। আমি তোমার কাছে চাই, যেন সত্য কথা বলতে পারি রাগ ও সন্তুষ্টি-উভয়াবস্থায়। তোমার কাছে চাই, যেন মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে পারি দারিদ্র্য ও প্রাচুর্য-উভয়াবস্থায়। তোমার কাছে এমন অনুগ্রহ চাই, যা কখনও শেষ হবে না। তোমার কাছে চক্ষু-শীতলকারী নিরবচ্ছিন্ন (অনুগ্রহ) চাই। তোমার কাছে চাই, যেন তোমার সিদ্ধান্তে খুশি থাকি। তোমার কাছে মৃত্যুর পর আরামদায়ক জীবন চাই; তোমার কাছে চাই, (যেন) তোমার সত্ত্বার দিকে তাকানোর মিষ্টতা অনুভব করি। তোমার সঙ্গে এমনভাবে সাক্ষাৎ করার আগ্রহ চাই, যেন কোনও কষ্টদায়ক বেদনা না থাকে, না থাকে পথ-ভোলানো কোনও পরীক্ষা। হে আল্লাহ্‌! ঈমানের সৌন্দর্যে আমাদের সুশোভিত করো এবং আমাদের সঠিক পথের দিশারী ও পথিক বানাও৷

রেফারেন্স: সহীহ। নাসাঈঃ ১৩০৫

‘আত্বা ইবনুস সাইয়্যিব (রহ) কর্তৃক তার পিতার মাধ্যমে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একবার) আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করেন। ওই সালাত আদায়ে খুব বেশি সময় লাগেনি। তাই লোকদের মধ্য থেকে একজন বলে ওঠে, “আপনার এ সালাত আদায়ে তো বেশি সময় লাগল না!” আম্মার (রাঃ) বলেন, “(হ্যাঁ!) তা সত্ত্বেও (এর মধ্যে) আমি এমন কিছু দোয়া পড়েছি, যা আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এর কাছ থেকে শুনেছি৷” তিনি উঠে যাওয়ার পর লোকদের মধ্যে থেকে একজন তাঁর পেছনে পেছনে গিয়ে দোয়াটি সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসা করেন। তখন তিনি বলেন, (দোয়াটি হলো) - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَحْيِنِي مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِيْ، وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِي، اَللَّهُمَّ وَأَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِي الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِي الرِّضَا وَالْغَضَبِ، وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِي الْفَقْرِ وَالْغِنَى، وَأَسْأَلُكَ نَعِيمًا لَا يَنْفَدُ، وأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَا تَنْقَطِعُ، وَأَسْأَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ، وَأَسْأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ، وَأَسْأْلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَى وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ إِلَى لِقَائِكَ، فِي غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ، وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ، اَللَّهُمَّ زَيِّنَّا بِزِينَةِ الْإِيمَانِ، وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِينَ

হে আল্লাহ্‌! তোমার অদৃশ্য-জ্ঞান ও সৃষ্টিজগতের উপর তোমার ক্ষমতার ভিত্তিতে আমাকে ততদিন বাঁচিয়ে রেখো, যতদিন আমার বেঁচে-থাকা কল্যাণময় বলে তুমি জানো। আমাকে তখনই নিয়ে যেয়ো, যখন তোমার জ্ঞান অনুযায়ী (আমার) চলে যাওয়া আমার জন্য কল্যাণময়। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই, যেন গোপনে ও প্রকাশ্যে তোমাকে ভয় করে চলতে পারি। আমি তোমার কাছে চাই, যেন সত্য কথা বলতে পারি রাগ ও সন্তুষ্টি-উভয়াবস্থায়। তোমার কাছে চাই, যেন মধ্যপন্থা অবলম্বন করতে পারি দারিদ্র্য ও প্রাচুর্য-উভয়াবস্থায়। তোমার কাছে এমন অনুগ্রহ চাই, যা কখনও শেষ হবে না। তোমার কাছে চক্ষু-শীতলকারী নিরবচ্ছিন্ন (অনুগ্রহ) চাই। তোমার কাছে চাই, যেন তোমার সিদ্ধান্তে খুশি থাকি। তোমার কাছে মৃত্যুর পর আরামদায়ক জীবন চাই; তোমার কাছে চাই, (যেন) তোমার সত্ত্বার দিকে তাকানোর মিষ্টতা অনুভব করি। তোমার সঙ্গে এমনভাবে সাক্ষাৎ করার আগ্রহ চাই, যেন কোনও কষ্টদায়ক বেদনা না থাকে, না থাকে পথ-ভোলানো কোনও পরীক্ষা। হে আল্লাহ্‌! ঈমানের সৌন্দর্যে আমাদের সুশোভিত করো এবং আমাদের সঠিক পথের দিশারী ও পথিক বানাও৷

রেফারেন্স: সহীহ। নাসাঈঃ ১৩০৫

আল্লাহর ভালবাসা চাওয়ার দোয়া

আল্লাহর ভালবাসা চাওয়ার দোয়া

নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ ارْزُقْنِيْ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يَنْفَعُنِيْ حُبُّهُ عِنْدَكَ اَللَّهُمَّ مَا رَزَقْتَنِيْ مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ قُوَّةً لِي فِيمَا تُحِبُّ اَللَّهُمَّ وَمَا زَوَيْتَ عَنِّيْ مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ لِي فَرَاغًا فِيمَا تُحِبُّ

আল্লা-হুম্মার্‌ ঝুক্বনী ‘হুব্বাকা ওয়া ‘হুব্বা মান ইয়ান্‌ফা’উনী ‘হুব্বুহু ‘ইনদাকা, আল্লা-হুম্মা মা- রাযাক্কতানী মিম্মা- উ’হিব্বু ফাজ্‌’আলহু ক্বুও-ওয়াতান্ লী ফীমা- তু’হিব্বু। আল্লা-হুম্মা, ওয়ামা- ঝাওয়াইতা ‘আন্নী মিম্মা- উ’হিব্বু ফাজ’আল্‌হু লী ফারা-গান ফীমা- তু’হিব্বু

হে আল্লাহ্‌! আমাকে দাও তোমার মহব্বত এবং সেসব বিষয়ের মহব্বত যা তোমার কাছে আমার কল্যাণ সাধন করবে; হে আল্লাহ্‌! আমার পছন্দনীয় যা-ই আমাকে দিয়েছো, সেটিকে তোমার পছন্দের ক্ষেত্রে আমার শক্তিতে পরিণত করো; আর আমার পছন্দনীয় যা-কিছু আমার থেকে সরিয়ে দিয়েছো, তোমার পছন্দের ক্ষেত্রে সেটিকে আমার অবসরে পরিণত করো৷

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। তাখরিজ মিশকাতঃ ৩/৩১

নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ ارْزُقْنِيْ حُبَّكَ وَحُبَّ مَنْ يَنْفَعُنِيْ حُبُّهُ عِنْدَكَ اَللَّهُمَّ مَا رَزَقْتَنِيْ مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ قُوَّةً لِي فِيمَا تُحِبُّ اَللَّهُمَّ وَمَا زَوَيْتَ عَنِّيْ مِمَّا أُحِبُّ فَاجْعَلْهُ لِي فَرَاغًا فِيمَا تُحِبُّ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে দাও তোমার মহব্বত এবং সেসব বিষয়ের মহব্বত যা তোমার কাছে আমার কল্যাণ সাধন করবে; হে আল্লাহ্‌! আমার পছন্দনীয় যা-ই আমাকে দিয়েছো, সেটিকে তোমার পছন্দের ক্ষেত্রে আমার শক্তিতে পরিণত করো; আর আমার পছন্দনীয় যা-কিছু আমার থেকে সরিয়ে দিয়েছো, তোমার পছন্দের ক্ষেত্রে সেটিকে আমার অবসরে পরিণত করো৷

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। তাখরিজ মিশকাতঃ ৩/৩১

গুনাহ ও ভুলভ্রান্তি থেকে পবিত্র হওয়ার দোয়া

গুনাহ ও ভুলভ্রান্তি থেকে পবিত্র হওয়ার দোয়া

নবী (ﷺ) দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ مِنَ الذُّنُوبِ وَالْخَطَايَا اَللَّهُمَّ نَقِّنِيْ مِنْهَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ

আল্লা-হুম্মা ত্বাহ্‌‘হিরনী মিনায্‌ যুনূবী ওয়াল খাত্বা-ইয়া- আল্লা-হুম্মা নাক্বক্বিনী মিনহা- কামা- ইয়ুনাক্বছ ছাওবুল আবইয়াদ্বু মিনাদ দানাসি, আল্লা-হুম্মা ত্বাহ্‌‘হিরনী বিছছালজি ওয়াল বা-রাদ ওয়াল- মা’ইল বা-রিদ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে গোনাহ ও ভুলত্রুটি থেকে পবিত্র করে দাও; হে আল্লাহ্‌! আমাকে সেসব থেকে পরিচ্ছন্ন করো, যেভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়; হে আল্লাহ্‌! বরফ, শীতলতা ও ঠান্ডা পানি দিয়ে আমাকে পবিত্র করো।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ৪০২

নবী (ﷺ) দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ مِنَ الذُّنُوبِ وَالْخَطَايَا اَللَّهُمَّ نَقِّنِيْ مِنْهَا كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللَّهُمَّ طَهِّرْنِيْ بِالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ وَالْمَاءِ الْبَارِدِ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে গোনাহ ও ভুলত্রুটি থেকে পবিত্র করে দাও; হে আল্লাহ্‌! আমাকে সেসব থেকে পরিচ্ছন্ন করো, যেভাবে সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করা হয়; হে আল্লাহ্‌! বরফ, শীতলতা ও ঠান্ডা পানি দিয়ে আমাকে পবিত্র করো।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ৪০২

কৃপণতা, ভীরুতা ও অন্তরের পরীক্ষা থেকে বাঁচার দোয়া

কৃপণতা, ভীরুতা ও অন্তরের পরীক্ষা থেকে বাঁচার দোয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) পাঁচটি বিষয়ে (আল্লাহ্‌র কাছে) আশ্রয় চাইতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَسُوْءِ الْعُمُرِ، وَفِتْنَةِ الصَّدْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল জুব্‌নি ওয়াল বুখ্‌লি ওয়া সূয়িল ‘উমুরি ওয়া ফিতনাতিস্‌ স্বদরী ওয়া আযা-বিল ক্বাব্‌র

হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে আশ্রয় চাই-ভীরুতা থেকে, কৃপণতা ও খারাপ বয়স (বার্ধক্য) থেকে, এবং অন্তরের পরীক্ষা ও কবরের শাস্তি থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাঊদঃ ১৩৭৬

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) পাঁচটি বিষয়ে (আল্লাহ্‌র কাছে) আশ্রয় চাইতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَسُوْءِ الْعُمُرِ، وَفِتْنَةِ الصَّدْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে আশ্রয় চাই-ভীরুতা থেকে, কৃপণতা ও খারাপ বয়স (বার্ধক্য) থেকে, এবং অন্তরের পরীক্ষা ও কবরের শাস্তি থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাঊদঃ ১৩৭৬

জাহান্নামের উত্তাপ এবং কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাওয়া

জাহান্নামের উত্তাপ এবং কবরের শাস্তি থেকে আশ্রয় চাওয়া

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন -

اَللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيْلَ وَمِيْكَائِيْلَ ورَبَّ إِسْرَافِيلَ أَعُوذُ بِكَ مِنْ حَرِّ النَّارِ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা, রাব্বা জিবরা-ঈল ওয়া মীকা-ঈল ওয়া রাব্বা ইসরা-ফীল, ‘আউযুবিকা মিন ‘হার্‌রিন না-র, ওয়া মিন ‘আযা-বিল ক্বাব্‌র

হে আল্লাহ্‌ জিবরাঈল, মীকাঈল ও ইসরাফিলের রব! তোমার কাছে আশ্রয় চাই-জাহান্নামের উত্তাপ থেকে এবং কবরের শাস্তি থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। নাসাঈঃ ৫৫১৯

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন -

اَللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيْلَ وَمِيْكَائِيْلَ ورَبَّ إِسْرَافِيلَ أَعُوذُ بِكَ مِنْ حَرِّ النَّارِ وَمِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ্‌ জিবরাঈল, মীকাঈল ও ইসরাফিলের রব! তোমার কাছে আশ্রয় চাই-জাহান্নামের উত্তাপ থেকে এবং কবরের শাস্তি থেকে৷

রেফারেন্স: সহীহ। নাসাঈঃ ৫৫১৯

দৃঢ়তা ও সঠিকতা প্রার্থনা

দৃঢ়তা ও সঠিকতা প্রার্থনা

নবী (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَعْزِمَ لِي عَلَى رُشْدِ أَمْرِيْ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন শার্‌রি নাফ্‌সী ওয়া আসআলুকা আন তা'অ্‌যীমা লী আলা- রুশ্‌দী আম্‌রী

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই। আমার ব্যক্তিসত্ত্বার অনিষ্ট থেকে; আর তোমার কাছে চাই-তুমি আমাকে দৃঢ়তা দাও আমার জন্য যা সঠিক তা করার ক্ষেত্রে।

রেফারেন্স: সহীহ (আল ওয়াদী)। সহিহুল মুসনাদঃ ৩২২

নবী (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ وَأَسْأَلُكَ أَنْ تَعْزِمَ لِي عَلَى رُشْدِ أَمْرِيْ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই। আমার ব্যক্তিসত্ত্বার অনিষ্ট থেকে; আর তোমার কাছে চাই-তুমি আমাকে দৃঢ়তা দাও আমার জন্য যা সঠিক তা করার ক্ষেত্রে।

রেফারেন্স: সহীহ (আল ওয়াদী)। সহিহুল মুসনাদঃ ৩২২

গোপনে ও প্রকাশ্যে সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

গোপনে ও প্রকাশ্যে সংঘটিত পাপ থেকে ক্ষমা চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَخْطَأْتُ وَمَا تَعَمَّدْتُ وَمَا عَلِمْتُ وَمَا جَهِلْتُ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ফিরলী মা- আস্‌রা‌র্‌তু ওয়ামা- আ‘লান্‌তু ওয়ামা- আখত্বা'তু ওয়ামা- তা'আম্মাদ্‌তু ওয়ামা- 'আলিম্‌তু ওয়ামা- জাহিল্‌তু

হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও আমি যা গোপনে করেছি আর যা প্রকাশ্যে করেছি, যা ভুলে করেছি আর যা ইচ্ছা করে করেছি, যা না জেনে করেছি আর যা জেনে করেছি।

রেফারেন্স: সহিহ (ইবনুল ক্বয়্যিম)। আল ওয়াবিলুস সয়্যিবঃ ১৯৯ পৃঃ

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي مَا أَسْرَرْتُ وَمَا أَعْلَنْتُ وَمَا أَخْطَأْتُ وَمَا تَعَمَّدْتُ وَمَا عَلِمْتُ وَمَا جَهِلْتُ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও আমি যা গোপনে করেছি আর যা প্রকাশ্যে করেছি, যা ভুলে করেছি আর যা ইচ্ছা করে করেছি, যা না জেনে করেছি আর যা জেনে করেছি।

রেফারেন্স: সহিহ (ইবনুল ক্বয়্যিম)। আল ওয়াবিলুস সয়্যিবঃ ১৯৯ পৃঃ

উপকারী জ্ঞান চাওয়া এবং অপকারী জ্ঞান হতে আশ্রয় চাওয়া

উপকারী জ্ঞান চাওয়া এবং অপকারী জ্ঞান হতে আশ্রয় চাওয়া

জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে উপকারী জ্ঞান চাও আর সেই জ্ঞান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাও যা কোনও উপকারে আসবে না।”

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৩

জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে উপকারী জ্ঞান চাও আর সেই জ্ঞান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাও যা কোনও উপকারে আসবে না।”

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৩

ঋণ মুক্তির দোয়া

ঋণ মুক্তির দোয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের নির্দেশ দিতেন, ঘুমুতে যাওয়ার সময় আমরা যেন বলি -

اَللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَرَبَّ الْأَرْضِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ، فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى، وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيْلِ وَالْفُرْقَانِ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ، اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَيْءٌ، اِقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ

আল্লা-হুম্মা, রাব্বাস সামাওয়া-তি, ওয়ারাব্বাল আরদ্বি ওয়ারাব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম। রাব্বানা- ওয়ারাব্বা কুল্লি শাইয়িন, ফা-লিক্বাল হাব্বি ওয়ান নাওয়া-। ওয়া মুনঝিলাত তাওরা-তি ওয়াল ইনজীলি ওয়াল ফুরক্বা-ন। আ‘উযু বিকা মিন শার্‌রি কুল্লি শাইয়িন আনতা আ-খিযুম বিনা-সিয়াতিহী। আল্লা-হুম্মা, আনতাল আউওয়ালু, ফালাইসা ক্বাবলাকা শাইঊন। ওয়া আনতাল আ-খিরু ফালাইসা বা’দাকা শাইঊন। ওয়া আনতায যা-হিরু ফালাইসা ফাউক্বাকা শাইঊন। ওয়া আনতাল বা-তিনু ফালাইসা দূনাকা শাইঊন। ইকদ্বি 'আন্নাদ দাইনা ওয়া আগনিনা- মিনাল ফাক্বর

হে আল্লাহ্‌! মহাকাশ ও পৃথিবীর শাসক-অধিপতি, মহান আরশের অধিপতি, আমাদের ও সবকিছুর অধিপতি, বীজ ও শস্যদানা থেকে চারা উৎপন্নকারী, তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন নাযিলকারী! তোমার কাছে প্রত্যেক বস্তুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যা সবাই তোমার অধীন! তুমিই অনাদি; তোমার আগে কিছুই ছিল না; তুমিই অনন্ত, তোমার পরে কিছু নেই; তুমিই প্রকাশ্য, তোমার চেয়ে বেশি প্রকাশিত কিছুই নেই তুমিই গোপন, তোমার চেয়ে গোপন আর কিছুই নেই! তুমি আমাদের ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দাও! আর আমাদের অভাবমুক্ত করে দাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৩

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের নির্দেশ দিতেন, ঘুমুতে যাওয়ার সময় আমরা যেন বলি -

اَللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَرَبَّ الْأَرْضِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ، فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى، وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيْلِ وَالْفُرْقَانِ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ، اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَيْءٌ، اِقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ

হে আল্লাহ্‌! মহাকাশ ও পৃথিবীর শাসক-অধিপতি, মহান আরশের অধিপতি, আমাদের ও সবকিছুর অধিপতি, বীজ ও শস্যদানা থেকে চারা উৎপন্নকারী, তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন নাযিলকারী! তোমার কাছে প্রত্যেক বস্তুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই, যা সবাই তোমার অধীন! তুমিই অনাদি; তোমার আগে কিছুই ছিল না; তুমিই অনন্ত, তোমার পরে কিছু নেই; তুমিই প্রকাশ্য, তোমার চেয়ে বেশি প্রকাশিত কিছুই নেই তুমিই গোপন, তোমার চেয়ে গোপন আর কিছুই নেই! তুমি আমাদের ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দাও! আর আমাদের অভাবমুক্ত করে দাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৩

ব্যাপক অর্থবোধক ও সর্বোত্তম বাক্যাবলির সাহায্যে দোয়া

ব্যাপক অর্থবোধক ও সর্বোত্তম বাক্যাবলির সাহায্যে দোয়া

رَبَّنَا أَصْلِحْ بَيْنَنَا، وَاهْدِنَا سَبِيلَ الْإِسْلَامِ، وَنَجِّنَا مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ، وَاصْرِفْ عَنَّا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهْرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ، وَبَارِكْ لَنَا فِي أَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُلُوبِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا، وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ، وَاجْعَلْنَا شَاكِرِينَ لِنِعْمَتِكَ، مُثْنِينَ بِهَا، قَائِلِينَ بِهَا، وَأَتْمِمْهَا عَلَيْنَا

রাব্বানা- আস্বলি’হ বাইনানা- ওয়াহদিনা- সাবিলাল ইসলা-ম, ওয়া নাজ্জিনা- মিনায যুলুমা-তি ইলান নুর, ওয়াস্বরিফ ‘আন্নাল ফাওয়া-হিশা মা- যাহরা মিনহা- ওয়া মা বাত্বানা ওয়া বা-রিক লানা- ফি আসমা’ইনা- ওয়া আবস্ব-রিনা- ওয়া ক্বুলুবিনা- ওয়া আঝওয়া-জিনা- ওয়া যুররিয়্যা-তিনা- ওয়া তুব ‘আলাইনা- ইন্নাকা আনতাত তাওয়্যাবুর রহিম ওয়াজ’আলনা- শা-কিরিনা লিনি’মাতিকা মুছনিনা বিহা- ক্বা-ইলিনা বিহা- ওয়া আতমিমহা- ‘আলাইনা-

আমাদের প্রতিপালক! আমাদের মধ্যকার সম্পর্কের সংশোধন করে দাও, আমাদেরকে ইসলামের পথে পরিচালিত করো, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে মুক্তি দাও, প্রকাশ্য ও গুপ্ত সকল প্রকার অশ্লীলতা থেকে আমাদের দূরে রাখো, আমাদের শ্রবণেন্দ্রীয়, অন্তরসমূহ ও আমাদের স্ত্রী-পুত্রদের মধ্যে বরকত দান করো এবং আমাদের তাওবা কবুল করো। কেননা তুমিই তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। তুমি আমাদেরকে নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ, এগুলোর প্রশংসাকারী ও আলোচনাকারী বানাও এবং তা আমাদেরকে পূর্ণরূপে দান করে।

রেফারেন্স: সহিহ। সহিহ আদাবুল মুফরাদঃ ৬৩০

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, সালাতে বসে কী পড়ব, আমরা তা জানতাম না। আর আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে শেখানো হয়েছে ব্যাপক অর্থবোধক ও সর্বোত্তম বাক্যাবলি। এরপর তিনি তাশাহুদের আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তাশাহুদের মতো করে আমাদেরকে আরও কিছু বাক্য শেখাতেন – (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

رَبَّنَا أَصْلِحْ بَيْنَنَا، وَاهْدِنَا سَبِيلَ الْإِسْلَامِ، وَنَجِّنَا مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ، وَاصْرِفْ عَنَّا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهْرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ، وَبَارِكْ لَنَا فِي أَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُلُوبِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا، وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ، وَاجْعَلْنَا شَاكِرِينَ لِنِعْمَتِكَ، مُثْنِينَ بِهَا، قَائِلِينَ بِهَا، وَأَتْمِمْهَا عَلَيْنَا

আমাদের প্রতিপালক! আমাদের মধ্যকার সম্পর্কের সংশোধন করে দাও, আমাদেরকে ইসলামের পথে পরিচালিত করো, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে মুক্তি দাও, প্রকাশ্য ও গুপ্ত সকল প্রকার অশ্লীলতা থেকে আমাদের দূরে রাখো, আমাদের শ্রবণেন্দ্রীয়, অন্তরসমূহ ও আমাদের স্ত্রী-পুত্রদের মধ্যে বরকত দান করো এবং আমাদের তাওবা কবুল করো। কেননা তুমিই তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। তুমি আমাদেরকে নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ, এগুলোর প্রশংসাকারী ও আলোচনাকারী বানাও এবং তা আমাদেরকে পূর্ণরূপে দান করে।

রেফারেন্স: সহিহ। সহিহ আদাবুল মুফরাদঃ ৬৩০

দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ কামনা

দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ কামনা

মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর রবের কাছে এসব বিষয় চেয়েছেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ الْمَسْأَلَةِ، وَخَيْرَ الدُّعَاءِ، وَخَيْرَ النَّجَاحِ، وَخَيْرَ الْعَمَلِ، وَخَيْرَ الثَّوَابِ، وَخَيْرَ الْحَيَاةِ، وَخَيْرَ الْمَمَاتِ، وَثَبِّتْنِيْ، وَثَقِّل مَوَازِينِيْ، وَحَقِّقْ إِيْمَانِيْ، وَارْفَعْ دَرَجَاتِيْ، وَتَقَبَّلْ صَلَاتِيْ، وَاغْفِرْ خَطِيْئَتِيْ، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فَوَاتِحَ الْخَيْرِ، وَخَوَاتِمَهُ، وَجَوَامِعَهُ، وَأَوَّلَهُ، وَآخِرَهُ وَظَاهِرَهُ، وَبَاطِنَهُ، وَالدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ آمِينْ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا آتِيْ، وَخَيْرَ مَا أَفْعَلُ، وَخَيْرَ مَا أَعْمَلُ، وَخَيْرَ مَا بَطَنَ، وَخَيْرَ مَا ظَهَرَ، وَالدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ آمِينْ، اَللَّهُمَّ إنِّي أَسْأَلُكَ أَنْ تَرْفَعَ ذِكْرِيْ، وَتَضَعَ وِزْرِيْ، وَتُصْلِحَ أَمْرِيْ، وَتُطَهِّرَ قَلْبِيْ، وَتُحَصِّنَ فَرْجِيْ، وَتُنَوِّرَ قَلْبِيْ، وَتَغْفِرَ لِي ذَنْۢبِيْ، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ آمِينْ، اَللَّهُمَّ إنِّي أَسْأَلُكَ أَنْ تُبَارِكَ لِي فِي نَفْسِيْ، وَفِي سَمْعِيْ، وَفِي بَصَرِيْ، وَفِي رُوحِيْ، وَفِي خَلْقِيْ، وَفِي خُلُقِيْ، وَفِي أَهْلِيْ، وَفِي مَحْيَايَ، وَفِي مَمَاتِيْ، وَفِي عَمَلِيْ، فَتَقَبَّلْ حَسَنَاتِيْ، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ، آمِينْ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস‘আলুকা খাইরাল মাস্‌আলাতি, ওয়া খাইরাদ্‌ দু’আ-ই, ওয়া খাইরান নাজা-'হী, ওয়া খাইরাল 'আমালি, ওয়া খাইরাছ ছাওয়া-বি, ওয়া খাইরাল্‌ ‘হায়া-তি, ওয়া খাইরাল মামা-তি, ওয়া ছাব্বিত্‌নী, ওয়া ছাক্কীল মাওয়াযি-নী, ওয়া হাক্কীক্‌ ঈমা-নী, ওয়ার্‌ফা'অ দারাজা-তি, ওয়া তাক্বাব্বাল সালা-তি, ওয়াগ্‌ফির খাত্বিয়াতি, ওয়া আসআলুকাদ্‌ দারাজা-তিল্‌ 'উলা মিনাল জান্নাতি। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ফাওয়া-তি'হাল্‌ খাইরি, ওয়া খাওয়া-তিমাহু, ওয়াজাওয়া- মি'আহু, ওয়া আওয়ালাহু, ওয়া আ-খিরাহু ওয়া যা-হিরাহু, ওয়া বা-ত্বিনাহু, ওয়াদ্‌ দারাজা-তিল্‌‌ 'উলা মিনাল জান্নাতি, আ-মিন। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাইরা মা-আ-তি, ওয়া খাইরা মা আফ্‌'আলু, ওয়া খাইরা মা আ’মালু, ওয়া খাইরা মা বাত্বানা, ওয়া খাইরা মা যাহারা, ওয়াদ্‌ দারাজা-তিল্‌ 'উলা মিনাল জান্নাতি, আ-মিন। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা আন তারফা'আ যিক্‌রি, ওয়া তাদ্বা'আ উইঝরী, ওয়া তুস্‌লী'হা আমরী, ওয়া তুত্বাহ্‌ হিরা ক্বল্‌বী, ওয়া তুহাস্‌সীনা ফার্‌জী, ওয়া তুনাওয়্যিরা ক্বল্‌বী, ওয়া তাগ্‌ফিরা লী যাম্‌বী, ওয়া আসআলুকাদ্‌ দারাজা-তিল্‌ 'উলা মিনাল জান্নাতি, আ-মিন। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা আন তুবা-রিকা লী ফি নাফ্‌সী, ওয়াফী সাম’ঈ, ওয়াফী বাস্বারী, ওয়াফী রু’হী, ওয়াফী খাল্‌ক্বী, ওয়াফী খুলুক্বী, ওয়াফী আহ্‌লী, ওয়াফী মা'হ্‌ইয়া ইয়া, ওয়াফী মামা-তি, ওয়াফী 'আমালী, ফাতাক্বাব্বাল্‌ হাসানা-তি, ওয়া আসআলুকাদ্‌ দারাজা-তিল্‌ 'উলা মিনাল জান্নাতি, আ-মিন

"আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই চাওয়ার কল্যাণ, দোয়ার কল্যাণ ও সফলতার কল্যাণ, কাজের কল্যাণ ও প্রতিদানের কল্যাণ, এবং জীবনের কল্যাণ ও মৃত্যুর কল্যাণ। আমাকে দৃঢ়তা দাও, আমার (আমলের) ওজন ভারী করো, আমার ঈমান সুপ্রতিষ্ঠিত করে দাও, আমাকে সুউচ্চ মর্যাদা দাও, আমার সালাত কবুল করো, আমার গোনাহ মাফ করো, আমি তোমার কাছে জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা চাই। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই- কল্যাণের সূচনা ও সমাপ্তিসমূহ, সর্বব্যাপী কল্যাণ-যা আছে শুরুতে এবং শেষে, প্রকাশ্যে ও গোপনে আর জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা। আমীন! হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই- আমার আগমনের কল্যাণ, আমার কৃতকর্মের কল্যাণ, আমার আমলের কল্যাণ, গোপন বিষয়াদির কল্যাণ ও প্রকাশ্য বিষয়াদির কল্যাণ, আর জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা। আমীন! হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই- আমার স্মরণ বুলন্দ করে দাও, আমার বোঝা নামিয়ে দাও, আমার বিষয়াদি সংশোধন করে দাও, আমার অন্তর পবিত্র করে দাও, আমার যৌনতার সুরক্ষা দাও, আমার অন্তর আলোকিত করে দাও, আর আমার গোনাহ মাফ করে দাও। আমি তোমার কাছে জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা চাই। আমীন! হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে চাই-আমাকে বরকত দাও আমার দেহসত্ত্বা, শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তিতে, আমার আত্মা ও দেহকাঠামোতে, আমার স্বভাবচরিত্র ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে, আমার জীবন, মরণ ও (যাবতীয়) কাজে। আমার ভালো কাজগুলো কবুল করো। আমি তোমার কাছে জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা চাই। আমীন!"

রেফারেন্স: সহীহ (হাইসামী)। মাজমা আল-জাউয়াতঃ ১০/১০৮

মুহাম্মাদ (ﷺ) তাঁর রবের কাছে এসব বিষয় চেয়েছেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ الْمَسْأَلَةِ، وَخَيْرَ الدُّعَاءِ، وَخَيْرَ النَّجَاحِ، وَخَيْرَ الْعَمَلِ، وَخَيْرَ الثَّوَابِ، وَخَيْرَ الْحَيَاةِ، وَخَيْرَ الْمَمَاتِ، وَثَبِّتْنِيْ، وَثَقِّل مَوَازِينِيْ، وَحَقِّقْ إِيْمَانِيْ، وَارْفَعْ دَرَجَاتِيْ، وَتَقَبَّلْ صَلَاتِيْ، وَاغْفِرْ خَطِيْئَتِيْ، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ فَوَاتِحَ الْخَيْرِ، وَخَوَاتِمَهُ، وَجَوَامِعَهُ، وَأَوَّلَهُ، وَآخِرَهُ وَظَاهِرَهُ، وَبَاطِنَهُ، وَالدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ آمِينْ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ مَا آتِيْ، وَخَيْرَ مَا أَفْعَلُ، وَخَيْرَ مَا أَعْمَلُ، وَخَيْرَ مَا بَطَنَ، وَخَيْرَ مَا ظَهَرَ، وَالدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ آمِينْ، اَللَّهُمَّ إنِّي أَسْأَلُكَ أَنْ تَرْفَعَ ذِكْرِيْ، وَتَضَعَ وِزْرِيْ، وَتُصْلِحَ أَمْرِيْ، وَتُطَهِّرَ قَلْبِيْ، وَتُحَصِّنَ فَرْجِيْ، وَتُنَوِّرَ قَلْبِيْ، وَتَغْفِرَ لِي ذَنْۢبِيْ، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ آمِينْ، اَللَّهُمَّ إنِّي أَسْأَلُكَ أَنْ تُبَارِكَ لِي فِي نَفْسِيْ، وَفِي سَمْعِيْ، وَفِي بَصَرِيْ، وَفِي رُوحِيْ، وَفِي خَلْقِيْ، وَفِي خُلُقِيْ، وَفِي أَهْلِيْ، وَفِي مَحْيَايَ، وَفِي مَمَاتِيْ، وَفِي عَمَلِيْ، فَتَقَبَّلْ حَسَنَاتِيْ، وَأَسْأَلُكَ الدَّرَجَاتِ الْعُلَى مِنَ الْجَنَّةِ، آمِينْ

"আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই চাওয়ার কল্যাণ, দোয়ার কল্যাণ ও সফলতার কল্যাণ, কাজের কল্যাণ ও প্রতিদানের কল্যাণ, এবং জীবনের কল্যাণ ও মৃত্যুর কল্যাণ। আমাকে দৃঢ়তা দাও, আমার (আমলের) ওজন ভারী করো, আমার ঈমান সুপ্রতিষ্ঠিত করে দাও, আমাকে সুউচ্চ মর্যাদা দাও, আমার সালাত কবুল করো, আমার গোনাহ মাফ করো, আমি তোমার কাছে জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা চাই। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই- কল্যাণের সূচনা ও সমাপ্তিসমূহ, সর্বব্যাপী কল্যাণ-যা আছে শুরুতে এবং শেষে, প্রকাশ্যে ও গোপনে আর জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা। আমীন! হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই- আমার আগমনের কল্যাণ, আমার কৃতকর্মের কল্যাণ, আমার আমলের কল্যাণ, গোপন বিষয়াদির কল্যাণ ও প্রকাশ্য বিষয়াদির কল্যাণ, আর জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা। আমীন! হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই- আমার স্মরণ বুলন্দ করে দাও, আমার বোঝা নামিয়ে দাও, আমার বিষয়াদি সংশোধন করে দাও, আমার অন্তর পবিত্র করে দাও, আমার যৌনতার সুরক্ষা দাও, আমার অন্তর আলোকিত করে দাও, আর আমার গোনাহ মাফ করে দাও। আমি তোমার কাছে জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা চাই। আমীন! হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে চাই-আমাকে বরকত দাও আমার দেহসত্ত্বা, শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তিতে, আমার আত্মা ও দেহকাঠামোতে, আমার স্বভাবচরিত্র ও পরিবারের সদস্যদের মধ্যে, আমার জীবন, মরণ ও (যাবতীয়) কাজে। আমার ভালো কাজগুলো কবুল করো। আমি তোমার কাছে জান্নাতে সুউচ্চ মর্যাদা চাই। আমীন!"

রেফারেন্স: সহীহ (হাইসামী)। মাজমা আল-জাউয়াতঃ ১০/১০৮

যা হারিয়েছে তার চেয়ে উত্তম বদলা চাওয়ার দোয়া

যা হারিয়েছে তার চেয়ে উত্তম বদলা চাওয়ার দোয়া

নবী (ﷺ) দোয়ায় বলতেন -

اَللَّهُمَّ قَنِّعْنِيْ بِمَا رَزَقْتَنِيْ وَبَارِكْ لِي فِيهِ وَأَخْلِفْ عَلَيَّ كُلَّ غَائِبَةٍ لِي بِخَيْرٍ

আল্লা-হুম্মা ক্বান্নি'নী বিমা- রাযাক্ব্‌তানী ওয়া বা-রিক্‌‌ লী ফিহী ওয়া আখ্‌লিফ ‘আলাইয়্যা কুল্লা গা-ইবাতিন লী বি-খাইর

হে আল্লাহ্‌! আমাকে যা দিয়েছো, তাতে আমাকে তুষ্ট করো ও এর মধ্যে আমার জন্য বরকত দাও এবং যা আমি হারিয়েছি এমন প্রত্যেকটির উত্তম বদলা দাও।

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। ফুতুহাতুর রাব্বানিয়্যাহঃ ৪/৩৮৩

নবী (ﷺ) দোয়ায় বলতেন -

اَللَّهُمَّ قَنِّعْنِيْ بِمَا رَزَقْتَنِيْ وَبَارِكْ لِي فِيهِ وَأَخْلِفْ عَلَيَّ كُلَّ غَائِبَةٍ لِي بِخَيْرٍ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে যা দিয়েছো, তাতে আমাকে তুষ্ট করো ও এর মধ্যে আমার জন্য বরকত দাও এবং যা আমি হারিয়েছি এমন প্রত্যেকটির উত্তম বদলা দাও।

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। ফুতুহাতুর রাব্বানিয়্যাহঃ ৪/৩৮৩

সহজ হিসাবের জন্য দোয়া

সহজ হিসাবের জন্য দোয়া

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-কে কোনও এক সালাতে বলতে শুনেছি -

اَللَّهُمَّ حَاسِبْنِيْ حِسَابًا يَسِيْرًا

আল্লা-হুম্মা হা-সিব্‌নী হিসা-বাই ইয়াসি-রা

হে আল্লাহ্‌! আমার কাছ থেকে সহজ করে হিসাব নিয়ো!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৫৩৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (ﷺ) বলেছেনঃ ক্বিয়ামতের দিন যারই হিসাব নেয়া হবে সে ধ্বংস হয়ে যাবে। [‘আয়েশা (রাঃ) বলেন] আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)! আল্লাহ্‌ কি বলেননি, ‘অতঃপর যার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে তার হিসাব সহজভাবেই নেয়া হবে (৮৪ঃ৭-৮)। অতঃপর রসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেনঃ তা কেবল পেশ করা মাত্র। ক্বিয়ামতের দিন যার হিসাব খতিয়ে দেখা হবে তাকে অবশ্যই আযাব দেয়া হবে।

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-কে কোনও এক সালাতে বলতে শুনেছি -

اَللَّهُمَّ حَاسِبْنِيْ حِسَابًا يَسِيْرًا

হে আল্লাহ্‌! আমার কাছ থেকে সহজ করে হিসাব নিয়ো!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৫৩৭

যিক্‌র, শুকরিয়া এবং কবূলযোগ্য ইবাদতে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া

যিক্‌র, শুকরিয়া এবং কবূলযোগ্য ইবাদতে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া

নবী (ﷺ) বলেন, তোমরা কি দোয়ায় সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চাও? (তা হলে) বলো -

اَللَّهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

আল্লা-হুম্মা, আ’ইন্নী‌ ‘আলা- যিক্‌রিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ‘ইবা-দাতিক

হে আল্লাহ্‌! আমাকে সাহায্য করো যেন তোমাকে স্মরণ রাখতে পারি, তোমার শুকরিয়া আদায় করতে পারি এবং সুন্দরভাবে তোমার গোলামি করতে পারি।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫২২

নবী (ﷺ) বলেন, তোমরা কি দোয়ায় সর্বশক্তি নিয়োগ করতে চাও? (তা হলে) বলো -

اَللَّهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে সাহায্য করো যেন তোমাকে স্মরণ রাখতে পারি, তোমার শুকরিয়া আদায় করতে পারি এবং সুন্দরভাবে তোমার গোলামি করতে পারি।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১৫২২

পরিপূর্ণ ঈমান, অশেষ অনুগ্রহ এবং রাসুল (ﷺ) সাহচর্য চাওয়ার দোয়া

পরিপূর্ণ ঈমান, অশেষ অনুগ্রহ এবং রাসুল (ﷺ) সাহচর্য চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا لَا يَرْتَدُّ، وَنَعِيْمًا لَا يَنْفَدُ، وَمُرَافَقَةَ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ (ﷺ) فِي أَعْلَى جَنَّةِ الْخُلْدِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্‌আলুকা ঈমা-নান লা- ইয়ার-তাদ্দু, ওয়া না'ঈমান লা- ইয়ানফাদু, ওয়া মুরা-ফাক্বাতা নাবিয়্যিনা- মুহাম্মাদিন (ﷺ) ফি আ'লা জান্নাতি-ল খুলদ্ব

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই এমন ঈমান যা গ্রহণ করার পর কেউ তা ত্যাগ করে না, এমন অনুগ্রহ যা কখনও শেষ হবে না। এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহচর্য (যিনি থাকবেন) স্থায়ী জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে।

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ৫/৩৭৯

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি মসজিদে সালাত আদায় করছি। এমন সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) (মসজিদে) ঢুকেন। সঙ্গে আবু বকর ও উমর (রাঃ)। আমি সূরা আন-নিসা পাঠ করি। পাঠ শেষ হলে, বসে আল্লাহ্‌ তা'আলার প্রশংসা ও নবী (ﷺ) এর উপর দরুদ পড়তে শুরু করি। এরপর নিজের জন্য দোয়া করি। তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “চাও! তোমাকে দেওয়া হবে।” এরপর তিনি (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি সতেজভাবে কুরআন পাঠ করতে চায়, সে যেন ইবনু উম্মে আবদ (অর্থাৎ আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ)-এর মতো পাঠ করে। এরপর আমি ঘরে চলে আসি। কিছুক্ষণ পর আবু বকর (রাঃ) এসে বলেন, “তুমি যে দোয়া করেছিলে, তার কিছু কি মনে আছে?” আমি বলি, “হ্যাঁ! (সেটি হলো) - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) এরপর আল্লাহ্‌র (এ) বান্দাকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য উমর (রাঃ) আসেন। এসে দেখেন, তার আগেই আবু বকর (রাঃ) এসে বেরিয়ে যাচ্ছেন। তখন তিনি বলেন, “এ কাজ করে থাকলে, আপনি তো কল্যাণমূলক (সকল) কাজে সবার চেয়ে অগ্রগামী!”

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا لَا يَرْتَدُّ، وَنَعِيْمًا لَا يَنْفَدُ، وَمُرَافَقَةَ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ (ﷺ) فِي أَعْلَى جَنَّةِ الْخُلْدِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই এমন ঈমান যা গ্রহণ করার পর কেউ তা ত্যাগ করে না, এমন অনুগ্রহ যা কখনও শেষ হবে না। এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সাহচর্য (যিনি থাকবেন) স্থায়ী জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে।

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ৫/৩৭৯

সঠিক দিকনির্দেশনা এবং নফসের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার দোয়া

সঠিক দিকনির্দেশনা এবং নফসের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার দোয়া

اَللَّهُمَّ أَلْهِمْنِيْ رُشْدِيْ وَأَعِذْنِيْ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ

আল্লা-হুম্মা আল্‌হিম্‌নী রুশদী ওয়া আ-'ইযনী মিন শার্‌রি নাফ্‌সী

হে আল্লাহ্‌! আমার জন্য যা সঠিক, তা আমাকে দেখিয়ে দাও! আর আমাকে আমার দেহসত্ত্বার অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা দাও!

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। তাখরিজ মিশকাতঃ ৩/২৪

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) আমার পিতাকে বলেন, “হুসাইন! আজ কয়জন প্রভুর আরাধনা করেছ?” আমার পিতা বলেন, “সাতজনের; তাদের মধ্যে ছয়জন (আছেন) দুনিয়াতে, আর একজন আকাশে।” নবী (ﷺ) এসে বলেন, “তাদের মধ্যে কার উদ্দীপনা ও ভয়কে সামনে রেখে নিজেকে প্রস্তুত করছো?” তিনি বলেন, “যিনি আকাশে আছেন, তাঁর।” নবী (ﷺ) বলেন, “হুসাইন, শোনো! তুমি ইসলাম গ্রহণ করলে আমি তোমাকে এমন দুটি কথা শেখাব, যা তোমার উপকারে আসবে।” ইসলাম গ্রহণ করার পর হুসাইন (রাঃ) বলেন, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাকে যে-দুটি কথা শেখানোর ওয়াদা দিয়েছিলেন, তা শিখিয়ে দিন। তখন নবী (ﷺ) বলেন, বলো- (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ أَلْهِمْنِيْ رُشْدِيْ وَأَعِذْنِيْ مِنْ شَرِّ نَفْسِيْ

হে আল্লাহ্‌! আমার জন্য যা সঠিক, তা আমাকে দেখিয়ে দাও! আর আমাকে আমার দেহসত্ত্বার অনিষ্ট থেকে সুরক্ষা দাও!

রেফারেন্স: হাসান (ইবনে হাজার)। তাখরিজ মিশকাতঃ ৩/২৪

ঋণের বোঝা, শত্রুর বিজয় ও উল্লাস থেকে আশ্রয় চাওয়া

ঋণের বোঝা, শত্রুর বিজয় ও উল্লাস থেকে আশ্রয় চাওয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এসব কথা বলে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الْعَدُوِّ وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন গালাবাতিদ্‌ দাইনী ওয়া গালাবাতিল 'আদুওয়ি ওয়া শামা-তাতিল আ'অ্দা‌-ই

হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে আশ্রয় চাই ঋণের অত্যধিক বোঝা, শত্রুর বিজয় ও শত্রুবাহিনীর উল্লাস থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। নাসায়ীঃ ৫৪৮৭

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এসব কথা বলে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الْعَدُوِّ وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ

হে আল্লাহ্‌! তোমার কাছে আশ্রয় চাই ঋণের অত্যধিক বোঝা, শত্রুর বিজয় ও শত্রুবাহিনীর উল্লাস থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। নাসায়ীঃ ৫৪৮৭

কিয়ামতের দিন সংকীর্ণস্থান থেকে আশ্রয় চাওয়া

কিয়ামতের দিন সংকীর্ণস্থান থেকে আশ্রয় চাওয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَاهْدِنِيْ وَارْزُقْنِيْ وَعَافِنِيْ‏ أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنْ ضِيْقِ الْمَقَامِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

আল্লা-হুম্মাগ্‌- ফিরলী, ওয়াহ্‌দিনী, ওয়ারযুক্বনী, ওয়া'আ-ফিনী, আ‘উযুবিল্লা-হি মিন দ্বি-ক্বীল মাক্বা-মী ইয়াওমাল ক্বিয়া-মাহ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও; আমার সঠিক পথে পরিচালিত করো; আমার জীবনোপকরণ জুগিয়ে দাও; আমাকে সুস্থ রাখো। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই কিয়ামতের দিন সংকীর্ণ আবাস থেকে।

রেফারেন্স: হাসান সহীহ। নাসায়ীঃ ১৬১৭

আসিম ইবনু হুমাইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়িশা (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করি, “আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) কী বলে রাতের সালাত শুরু করতেন?” আয়িশা (রাঃ) বলেন, “তুমি আমাকে এমন এক বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেছ, যে বিষয়ে এর আগে আমাকে কেউ জিজ্ঞাসা করেনি। আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) দশ বার তাকবীর (‘আল্লাহু আকবার'), দশ বার তাহমীদ (‘আল-হামদু লিল্লাহ’), দশ বার তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ’), দশ বার তাহলীল (“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’), দশ বার ইস্তিগফার (‘আস্তাগফিরুল্লাহ’) বলে (তারপর) বলতেন - (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَاهْدِنِيْ وَارْزُقْنِيْ وَعَافِنِيْ‏ أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنْ ضِيْقِ الْمَقَامِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও; আমার সঠিক পথে পরিচালিত করো; আমার জীবনোপকরণ জুগিয়ে দাও; আমাকে সুস্থ রাখো। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই কিয়ামতের দিন সংকীর্ণ আবাস থেকে।

রেফারেন্স: হাসান সহীহ। নাসায়ীঃ ১৬১৭

শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি থেকে উপকৃত হওয়া এবং শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য চাওয়া

শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি থেকে উপকৃত হওয়া এবং শত্রুর বিরুদ্ধে সাহায্য চাওয়া

নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ مَتِّعْنِيْ بِسَمْعِيْ وَبَصَرِيْ وَاجْعَلْهُمَا الْوَارِثَ مِنِّيْ وَانْصُرْنِيْ عَلَى عَدُوِّيْ وَأَرِنِيْ مِنْهُ ثَأْرِيْ

আল্লা-হুম্মা, মাত্‌তি‘অ্‌নী বিসাম’ঈ, ওয়াবাসারী, ওয়াজ্‌-‘আলহুমাল ওয়া-রিছা মিন্নী। ওয়ান্‌-সুরনী ‘আলা- ‘আদুও্‌ঈ, ওয়া আরিনী মিনহু ছা’রী

হে আল্লাহ্‌! আমার শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি থেকে উপকৃত হওয়ার সুযোগ দাও; উভয়টিকে আমার উত্তরাধিকারী বানিয়ে দাও; আমার শত্রুর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো; তার উপর কতটুকু প্রতিশোধ নেওয়া যাবে, তা দেখিয়ে দাও!

রেফারেন্স: সহিহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৬৫০

নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ مَتِّعْنِيْ بِسَمْعِيْ وَبَصَرِيْ وَاجْعَلْهُمَا الْوَارِثَ مِنِّيْ وَانْصُرْنِيْ عَلَى عَدُوِّيْ وَأَرِنِيْ مِنْهُ ثَأْرِيْ

হে আল্লাহ্‌! আমার শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি থেকে উপকৃত হওয়ার সুযোগ দাও; উভয়টিকে আমার উত্তরাধিকারী বানিয়ে দাও; আমার শত্রুর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করো; তার উপর কতটুকু প্রতিশোধ নেওয়া যাবে, তা দেখিয়ে দাও!

রেফারেন্স: সহিহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৬৫০

পবিত্র জীবন ও সহজ মৃত্যু চাওয়া

পবিত্র জীবন ও সহজ মৃত্যু চাওয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এভাবে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِيْشَةً نَقِيَّةً وَمِيْتَةً سَوِيَّةً وَمَرَدًّا غَيْرَ مُخْزٍ وَلَا فَضِحٍ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্‌আলুকা ই'শাতান নাক্বিয়্যাতান ওয়া মিতাতান সাওয়ি'য়্যাতান ওয়া মারাদ্দান গাইরা মুখ্‌ঝীন ওয়ালা- ফাদি'হীন

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই পরিচ্ছন্ন জীবন, সরল মৃত্যু এবং অপমান ও লাঞ্ছনামুক্ত প্রত্যাবর্তন।

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে' আস-সগীরঃ ১৫০৫

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এভাবে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِيْشَةً نَقِيَّةً وَمِيْتَةً سَوِيَّةً وَمَرَدًّا غَيْرَ مُخْزٍ وَلَا فَضِحٍ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই পরিচ্ছন্ন জীবন, সরল মৃত্যু এবং অপমান ও লাঞ্ছনামুক্ত প্রত্যাবর্তন।

রেফারেন্স: সহিহ (সুয়ুত্বী)। জামে' আস-সগীরঃ ১৫০৫

আল্লাহর মর্যাদা ও তাঁর অনুগ্রহ লাভ এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিশোধ প্রার্থনা

আল্লাহর মর্যাদা ও তাঁর অনুগ্রহ লাভ এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিশোধ প্রার্থনা

اَللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كُلُّهُ، اَللَّهُمَّ لَا قَابِضَ لِمَا بَسَطْتَ، وَلَا مُقَرِّبَ لِمَا بَاعَدْتَ، وَلَا مُبَاعِدَ لِمَا قَرَّبْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ. اَللَّهُمَّ ابْسُطْ عَلَيْنَا مِنْ بَرَكَاتِكَ وَرَحْمَتِكَ وَفَضْلِكَ وَرِزْقِكَ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ النَّعِيمَ الْمُقِيمَ الَّذِي لَا يَحُولُ وَلَا يَزُولُ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ النَّعِيمَ يَوْمَ الْعَيْلَةِ، وَالْأَمْنَ يَوْمَ الْحَرْبِ، اَللَّهُمَّ عَائِذًا بِكَ مِنْ سُوءِ مَا أَعْطَيْتَنَا، وَشَرِّ مَا مَنَعْتَ مِنَّا. اَللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْإِيمَانَ وَزَيِّنْهُ فِي قُلُوبِنَا، وَكَرِّهْ إِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ، وَاجْعَلْنَا مِنَ الرَّاشِدِينَ. اَللَّهُمَّ تَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ، وَأَحْيِنَا مُسْلِمِينَ، وَأَلْحِقْنَا بِالصَّالِحِينَ، غَيْرَ خَزَايَا وَلَا مَفْتُونِينَ. اَللَّهُمَّ قَاتِلِ الْكَفَرَةَ الَّذِينَ يَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِكَ، وَيُكَذِّبُونَ رُسُلَكَ، وَاجْعَلْ عَلَيْهِمْ رِجْزَكَ وَعَذَابَكَ. اَللَّهُمَّ قَاتِلِ الْكَفَرَةَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ، إِلَهَ الْحَقِّ

আল্লা-হুম্মা লাকাল ‘হামদু কুল্লুহু, আল্লা-হুম্মা লা- ক্বা-বিদা লিমা-বাসাত্‌তা, ওয়ালা- মুক্বাররিবা লিমা- বা-’আদতা, ওয়ালা- মুবা’ইদা লিমা- ক্বররাবতা, ওয়ালা- মু'তিয়া লিমা- মানা'তা, ওয়ালা- মা-নি’আ লিমা- আ'তাইতা, আল্লা-হুম্মাব্‌ সূত্ব ‘আলাইনা- মিন বারাকা-তিকা, ওয়া রা’হ্‌মাতিকা ওয়া ফাদ্বলিকা, ওয়া রিয্‌ক্বিকা, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস ‘আলুকান্‌ নাঈমাল মুক্বীমাল লাযী লা- ইয়া’হুলু ওয়ালা- ইয়াযুলু, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস ‘আলুকান্‌ নাঈমা ইয়াওমাল ‘আইলাতি, ওয়াল আমনা ইয়াওমাল ‘হারবি, আল্লা-হুম্মা ‘আ-ইযান বিকা মিন সু-ই মা- আ'ত্বাইতানা- ওয়া শার্‌রি মা- মানা'তানা মিন্না, আল্লা-হুম্মা হাব্বিব ইলাইনাল ঈমা-না ওয়া যায়্যিনহু ফি ক্বুলুবিনা-, ওয়া কার্‌রিহ্‌ ইলাইনাল কূফরা ওয়াল ফুসুক্বা ওয়াল ‘‘ইস্‌ইয়া-না, ওয়াজ্‌- ‘আলনা- মিনার্‌ রা-শিদিন, আল্লা-হুম্মা তাওাফ্‌ফানা- মুসলিমিন, ওয়া আ’হ্‌ইয়িনা মুসলিমিন, ওয়া আলহিক্ব্‌না- বিস্‌ স্বা-লিহিনা গাইরা খাঝা-ইয়া ওয়ালা- মাফ্‌তুনিন, আল্লা-হুম্মা ক্বা-তিলীল কাফারাতাল্‌ লাযীনা ইয়াসুদ্দুনা ‘আন সাবিলিকা, ওয়া ইউকায্‌ যিবুনা রুসুলাকা, ওয়াজ্‌‘আল ‘আলাইহিম রিজ্‌ঝাকা ওয়া ‘‘আযা-বাকা, আল্লা-হুম্মা ক্বা-তিলীল কাফারাতাল্‌ লাযীনা উও'তূল কিতা-বা, ইলাহাল হাক্ক

হে আল্লাহ্‌! তোমার জন্য সকল প্রশংসা। হে আল্লাহ্‌! তুমি যা সম্প্রসারিত করো তা কেউ সংকুচিত করতে পারে না, তুমি যাকে দূরে ঠেলে দাও তাকে কেউ কাছে আনতে পারে না, তুমি যাকে কাছে টেনে নাও তাকে কেউ দূরে ঠেলে দিতে পারে না, তুমি যাকে না দাও তাকে কেউ দিতে পারে না এবং তুমি যাকে দান করো তাকে কেউ আটকে রাখতে পারে না। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর তোমার বরকত, তোমার রহমাত, তোমার অনুগ্রহ এবং তোমার দেয়া রিফিক প্রসারিত করো। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট স্থায়ী নিয়ামত প্রার্থনা করি যা পরিবর্তন বা বিলীন হয় না। হে আল্লাহ্‌ ! আমি তোমার নিকট দুঃখের দিনে তোমার নিয়ামত ও যুদ্ধের দিনে তোমার নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে যা দান করেছে তার অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করো। তুমি যা আমাকে দান করোনি তার অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করো। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের নিকট ঈমানকে প্রিয় বানাও, আমাদের অন্তরকে সৌন্দর্যময় করো এবং কুফর, পাপাচার ও বিদ্রোহকে আমাদের নিকট ঘৃণিত বানাও। তুমি আমাদেরকে হেদায়াতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করো। হে আল্লাহ্‌! আমাদেরকে মুসলমানরূপে মৃত্যু দান করো, মুসলমানরূপে জীবিত রাখো এবং সৎকর্মশীল লোকদের সাথে মিলিত করো, অপমানিত ও বিপর্যস্তরূপে নয়। হে আল্লাহ্‌! তুমি কাফেরদের ধ্বংস করো, যারা তোমার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তোমার ক্রোধ ও আযাব তাদের উপর অবতীর্ণ করো। হে আল্লাহ্‌! কিতাবপ্রাপ্ত কাফেরদের ধ্বংস করো। হে সত্য ইলাহ!

রেফারেন্স: সহিহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৬৯৯

উবাইদ ইবনে রিফাআ আয-যুরাকী (র) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, উহুদ যুদ্ধের দিন যখন মুশরিকরা ইতস্তত বিক্ষিপ্ত হয়ে চলে গেলো তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বললেনঃ তোমরা সারিবদ্ধভাবে সোজা হয়ে দাঁড়াও, যাতে আমি আমার মহামহিমান্বিত প্রতিপালকের প্রশংসা করতে পারি। অতএব সাহাবীগণ তাঁর পিছনে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকলেন। তিনি বলেনঃ (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ كُلُّهُ، اَللَّهُمَّ لَا قَابِضَ لِمَا بَسَطْتَ، وَلَا مُقَرِّبَ لِمَا بَاعَدْتَ، وَلَا مُبَاعِدَ لِمَا قَرَّبْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ. اَللَّهُمَّ ابْسُطْ عَلَيْنَا مِنْ بَرَكَاتِكَ وَرَحْمَتِكَ وَفَضْلِكَ وَرِزْقِكَ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ النَّعِيمَ الْمُقِيمَ الَّذِي لَا يَحُولُ وَلَا يَزُولُ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ النَّعِيمَ يَوْمَ الْعَيْلَةِ، وَالْأَمْنَ يَوْمَ الْحَرْبِ، اَللَّهُمَّ عَائِذًا بِكَ مِنْ سُوءِ مَا أَعْطَيْتَنَا، وَشَرِّ مَا مَنَعْتَ مِنَّا. اَللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْإِيمَانَ وَزَيِّنْهُ فِي قُلُوبِنَا، وَكَرِّهْ إِلَيْنَا الْكُفْرَ وَالْفُسُوقَ وَالْعِصْيَانَ، وَاجْعَلْنَا مِنَ الرَّاشِدِينَ. اَللَّهُمَّ تَوَفَّنَا مُسْلِمِينَ، وَأَحْيِنَا مُسْلِمِينَ، وَأَلْحِقْنَا بِالصَّالِحِينَ، غَيْرَ خَزَايَا وَلَا مَفْتُونِينَ. اَللَّهُمَّ قَاتِلِ الْكَفَرَةَ الَّذِينَ يَصُدُّونَ عَنْ سَبِيلِكَ، وَيُكَذِّبُونَ رُسُلَكَ، وَاجْعَلْ عَلَيْهِمْ رِجْزَكَ وَعَذَابَكَ. اَللَّهُمَّ قَاتِلِ الْكَفَرَةَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ، إِلَهَ الْحَقِّ

হে আল্লাহ্‌! তোমার জন্য সকল প্রশংসা। হে আল্লাহ্‌! তুমি যা সম্প্রসারিত করো তা কেউ সংকুচিত করতে পারে না, তুমি যাকে দূরে ঠেলে দাও তাকে কেউ কাছে আনতে পারে না, তুমি যাকে কাছে টেনে নাও তাকে কেউ দূরে ঠেলে দিতে পারে না, তুমি যাকে না দাও তাকে কেউ দিতে পারে না এবং তুমি যাকে দান করো তাকে কেউ আটকে রাখতে পারে না। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের উপর তোমার বরকত, তোমার রহমাত, তোমার অনুগ্রহ এবং তোমার দেয়া রিফিক প্রসারিত করো। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট স্থায়ী নিয়ামত প্রার্থনা করি যা পরিবর্তন বা বিলীন হয় না। হে আল্লাহ্‌ ! আমি তোমার নিকট দুঃখের দিনে তোমার নিয়ামত ও যুদ্ধের দিনে তোমার নিরাপত্তা প্রার্থনা করি। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাকে যা দান করেছে তার অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করো। তুমি যা আমাকে দান করোনি তার অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করো। হে আল্লাহ্‌! তুমি আমাদের নিকট ঈমানকে প্রিয় বানাও, আমাদের অন্তরকে সৌন্দর্যময় করো এবং কুফর, পাপাচার ও বিদ্রোহকে আমাদের নিকট ঘৃণিত বানাও। তুমি আমাদেরকে হেদায়াতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করো। হে আল্লাহ্‌! আমাদেরকে মুসলমানরূপে মৃত্যু দান করো, মুসলমানরূপে জীবিত রাখো এবং সৎকর্মশীল লোকদের সাথে মিলিত করো, অপমানিত ও বিপর্যস্তরূপে নয়। হে আল্লাহ্‌! তুমি কাফেরদের ধ্বংস করো, যারা তোমার পথে বাধা সৃষ্টি করে। তোমার ক্রোধ ও আযাব তাদের উপর অবতীর্ণ করো। হে আল্লাহ্‌! কিতাবপ্রাপ্ত কাফেরদের ধ্বংস করো। হে সত্য ইলাহ!

রেফারেন্স: সহিহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৬৯৯

ক্ষমা, রিযিক ও সুস্থ জীবন লাভের দোয়া

ক্ষমা, রিযিক ও সুস্থ জীবন লাভের দোয়া

এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমার রবের কাছে কিছু চাওয়ার সময়, কীভাবে (কী) বলব?” নবী (ﷺ) বলেন, তুমি বলো -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

আল্লা-হুম্মাগ্‌ ‌ফিরলী, ওয়ার‘হামনী, ওয়া'আ-ফিনী ওয়ারঝুক্বনী

হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও; আমার উপর দয়া করো; আমাকে সুস্থ রাখো এবং আমার জীবনোপকরণ জুগিয়ে দাও!

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৫

এরপর তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি ছাড়া অন্য আঙুলসমূহ একসঙ্গে করে বলেন, “এসব (দোয়া) তোমার দুনিয়া ও আখিরাত একত্র করে দেবে।”

এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমার রবের কাছে কিছু চাওয়ার সময়, কীভাবে (কী) বলব?” নবী (ﷺ) বলেন, তুমি বলো -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে ক্ষমা করে দাও; আমার উপর দয়া করো; আমাকে সুস্থ রাখো এবং আমার জীবনোপকরণ জুগিয়ে দাও!

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৪৫

বরকত, সম্মান ও সন্তুষ্টি চাওয়ার দোয়া

বরকত, সম্মান ও সন্তুষ্টি চাওয়ার দোয়া

এরপর নবী (ﷺ) বলেন, “আমার উপর দশটি আয়াত নাযিল হয়েছে; যে -ব্যক্তি এগুলো বাস্তবায়ন করবে, সে জান্নাতে যাবে।” এরপর তিনি এ দশটি আয়াত শেষ পর্যন্ত পাঠ করে শোনান -

قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ ﴿١﴾ الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ ﴿٢﴾ وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ ﴿٣﴾ وَالَّذِينَ هُمْ لِلزَّكَاةِ فَاعِلُونَ ﴿٤﴾ وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ ﴿٥﴾ إِلَّا عَلَىٰ أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ ﴿٦﴾ فَمَنِ ابْتَغَىٰ وَرَاءَ ذَٰلِكَ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْعَادُونَ ﴿٧﴾ وَالَّذِينَ هُمْ لِأَمَانَاتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَاعُونَ ﴿٨﴾ وَالَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَوَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ ﴿٩﴾ أُولَٰئِكَ هُمُ الْوَارِثُونَ ﴿١٠﴾

(১) অবশ্যই মুমিনগণ সফল হয়েছে, (২) যারা নিজদের সালাতে বিনয়াবনত। (৩) আর যারা অনর্থক কথাকর্ম থেকে বিমুখ। (৪) আর যারা যাকাতের ক্ষেত্রে সক্রিয়। (৫) আর যারা তাদের নিজদের লজ্জাস্থানের হিফাযতকারী। (৬) তবে তাদের স্ত্রী ও তাদের ডান হাত যার মালিক হয়েছে তারা ছাড়া, নিশ্চয় এতে তারা নিন্দিত হবে না। (৭) অতঃপর যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। (৮) আর যারা নিজদের আমানতসমূহ ও অঙ্গীকারে যত্নবান। (৯) আর যারা নিজদের সালাতসমূহ হিফাযত করে। (১০) তারাই হবে ওয়ারিস। (সূরা আল-মু'মিনূনঃ ২৩:১-১০)

রেফারেন্স: হাসান (বাগাওয়ী)। শারহুস সুন্নাহঃ ৩/১৫৪

এরপর নবী (ﷺ) বলেন, “আমার উপর দশটি আয়াত নাযিল হয়েছে; যে -ব্যক্তি এগুলো বাস্তবায়ন করবে, সে জান্নাতে যাবে।” এরপর তিনি এ দশটি আয়াত শেষ পর্যন্ত পাঠ করে শোনান -

قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ ﴿١﴾ الَّذِينَ هُمْ فِي صَلَاتِهِمْ خَاشِعُونَ ﴿٢﴾ وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ ﴿٣﴾ وَالَّذِينَ هُمْ لِلزَّكَاةِ فَاعِلُونَ ﴿٤﴾ وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ ﴿٥﴾ إِلَّا عَلَىٰ أَزْوَاجِهِمْ أَوْ مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَإِنَّهُمْ غَيْرُ مَلُومِينَ ﴿٦﴾ فَمَنِ ابْتَغَىٰ وَرَاءَ ذَٰلِكَ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْعَادُونَ ﴿٧﴾ وَالَّذِينَ هُمْ لِأَمَانَاتِهِمْ وَعَهْدِهِمْ رَاعُونَ ﴿٨﴾ وَالَّذِينَ هُمْ عَلَىٰ صَلَوَاتِهِمْ يُحَافِظُونَ ﴿٩﴾ أُولَٰئِكَ هُمُ الْوَارِثُونَ ﴿١٠﴾

(১) অবশ্যই মুমিনগণ সফল হয়েছে, (২) যারা নিজদের সালাতে বিনয়াবনত। (৩) আর যারা অনর্থক কথাকর্ম থেকে বিমুখ। (৪) আর যারা যাকাতের ক্ষেত্রে সক্রিয়। (৫) আর যারা তাদের নিজদের লজ্জাস্থানের হিফাযতকারী। (৬) তবে তাদের স্ত্রী ও তাদের ডান হাত যার মালিক হয়েছে তারা ছাড়া, নিশ্চয় এতে তারা নিন্দিত হবে না। (৭) অতঃপর যারা এদের ছাড়া অন্যকে কামনা করে তারাই সীমালঙ্ঘনকারী। (৮) আর যারা নিজদের আমানতসমূহ ও অঙ্গীকারে যত্নবান। (৯) আর যারা নিজদের সালাতসমূহ হিফাযত করে। (১০) তারাই হবে ওয়ারিস। (সূরা আল-মু'মিনূনঃ ২৩:১-১০)

রেফারেন্স: হাসান (বাগাওয়ী)। শারহুস সুন্নাহঃ ৩/১৫৪

উত্তম চরিত্র চাওয়ার দোয়া

উত্তম চরিত্র চাওয়ার দোয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَحْسَنْتَ خَلْقِيْ فَأَحْسِنْ خُلُقِيْ

আল্ল-হুম্মা আ’হ্‌সানতা খালক্বী ফা আ’হ্‌সিন খুলুক্বী

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার দেহকাঠামো সুন্দর করেছে, সুতরাং আমার স্বভাবচরিত্র সুন্দর করে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। আহমাদঃ ২৪৩৯২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَحْسَنْتَ خَلْقِيْ فَأَحْسِنْ خُلُقِيْ

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার দেহকাঠামো সুন্দর করেছে, সুতরাং আমার স্বভাবচরিত্র সুন্দর করে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। আহমাদঃ ২৪৩৯২

কারও জন্যে স্থিরতা, ও সঠিক পথের দিশা চাওয়া

কারও জন্যে স্থিরতা, ও সঠিক পথের দিশা চাওয়া

اَللَّهُمَّ ثَبِّتْهُ وَاجْعَلْهُ هَادِيًا مَهْدِيًّا

আল্লা-হুম্মা ছাববিতহু ওয়াজ্‌‘আলহু হাদি-আন মাহ্‌দিআন

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে স্থিরতা দাও, এবং তাকে (সঠিক পথের) দিশারী ও দিশাপ্রাপ্ত বানিয়ে দাও।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪৩৫৬

ক্বায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, জারীর (রাঃ) থেকে আমাকে বলেছেন যে, নবী (ﷺ) তাঁকে বললেন, তুমি কি আমাকে যুল খালাসা থেকে স্বস্তি দেবে না? যুল খালাসা ছিল খাসআম গোত্রের একটি ঘর, যার নাম দেয়া হয়েছিল ইয়ামানী কা'বা। এ কথা শুনে আমি আহ্‌মাস গোত্র থেকে একশ' পঞ্চাশ জন অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে চললাম। তাঁদের সকলেই অশ্ব পরিচালনায় পারদর্শী ছিল। আর আমি তখন ঘোড়ার পিঠে স্থিরভাবে বসতে পারছিলাম না। কাজেই নবী (ﷺ) আমার বুকের উপর হাত দিয়ে আঘাত করলেন। এমন কি আমি আমার বুকের উপর তার আঙ্গুলগুলোর ছাপ পর্যন্ত দেখতে পেলাম। তিনি দোয়া করলেন - (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ ثَبِّتْهُ وَاجْعَلْهُ هَادِيًا مَهْدِيًّا

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে স্থিরতা দাও, এবং তাকে (সঠিক পথের) দিশারী ও দিশাপ্রাপ্ত বানিয়ে দাও।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪৩৫৬

আল্লাহর পথে জিহাদকারীদের মর্যাদা

আল্লাহর পথে জিহাদকারীদের মর্যাদা

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, যে- "ব্যক্তি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে মেনে নেয়, সালাত প্রতিষ্ঠা করে, রমাদান মাসে সিয়াম পালন করে, সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় হিজরত করুক, কিংবা নিজ জন্মভূমিতে বসে থাকুক-তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো আল্লাহ্‌ তা'আলার দায়িত্ব। সাহাবীগণ বলেন, “আমরা কি লোকদেরকে এ সংবাদ দেবো না?” নবী (ﷺ) বলেন, “জান্নাতে একশ মর্যাদা আছে, যা আল্লাহ্‌ তা'আলা তাঁর পথে জিহাদকারীদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন। প্রতি দুটি মর্যাদার মাঝখানে ব্যবধান হলো আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যকার ব্যবধানের মতো। তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইলে, (জান্নাতুল) ফিরদাউস চাইবে; কারণ তা হলো জান্নাতের মধ্যমণি এবং জান্নাতের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর; সনদের বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় নবী (ﷺ) আরও বলেছেন, এর উপর রয়েছে দয়াময়ের আরশ; সেখান থেকে প্রবাহিত হয় জান্নাতের ঝরনাসমূহ৷”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৭৯০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, যে- "ব্যক্তি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূল (ﷺ)-কে মেনে নেয়, সালাত প্রতিষ্ঠা করে, রমাদান মাসে সিয়াম পালন করে, সে আল্লাহ্‌র রাস্তায় হিজরত করুক, কিংবা নিজ জন্মভূমিতে বসে থাকুক-তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো আল্লাহ্‌ তা'আলার দায়িত্ব। সাহাবীগণ বলেন, “আমরা কি লোকদেরকে এ সংবাদ দেবো না?” নবী (ﷺ) বলেন, “জান্নাতে একশ মর্যাদা আছে, যা আল্লাহ্‌ তা'আলা তাঁর পথে জিহাদকারীদের জন্য প্রস্তুত করে রেখেছেন। প্রতি দুটি মর্যাদার মাঝখানে ব্যবধান হলো আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যকার ব্যবধানের মতো। তোমরা আল্লাহ্‌র কাছে চাইলে, (জান্নাতুল) ফিরদাউস চাইবে; কারণ তা হলো জান্নাতের মধ্যমণি এবং জান্নাতের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর; সনদের বর্ণনাকারী বলেন, আমার মনে হয় নবী (ﷺ) আরও বলেছেন, এর উপর রয়েছে দয়াময়ের আরশ; সেখান থেকে প্রবাহিত হয় জান্নাতের ঝরনাসমূহ৷”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৭৯০

ক্রোধ দূর করার দোয়া

ক্রোধ দূর করার দোয়া

আমি বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আপনি কি আমাকে এমন কোনও দোয়া শেখাবেন না, যা আমি নিজের জন্য পাঠ করব?” নবী (ﷺ) বলেন, অবশ্যই! তুমি বলো -

اَللَّهُمَّ رَبَّ مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ اِغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ وَأَذْهِبْ غَيْظَ قَلْبِيْ وَأَجِرْنِيْ مِنْ مُضِلاَّتِ الْفِتَنِ مَا أَحْيَيْتَنَا

আল্লা-হুম্মা রাব্বা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যি ইগ্‌ফীর লী যান্‌বী ওয়া আয হিব গাইযা ক্বল্‌বী ওয়া আজির্‌নী মিন মুদ্বিল্লাতি-ল ফিতানী মা- আ'হ্‌-ইয়াইতানা-

হে আল্লাহ্‌, নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) এর রব! আমার গোনাহ মাফ করে দাও। আমার অন্তরের ক্রোধ দূর করে দাও; (ততদিন) আমাকে বিভ্রান্তকারী পরীক্ষা থেকে সুরক্ষা দাও, যতদিন তুমি আমাদের বাঁচিয়ে রাখবে।

রেফারেন্স: হাসান (হাইসামী)। মাযমাউয যাওয়াইদঃ ১০/২৭

আমি বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আপনি কি আমাকে এমন কোনও দোয়া শেখাবেন না, যা আমি নিজের জন্য পাঠ করব?” নবী (ﷺ) বলেন, অবশ্যই! তুমি বলো -

اَللَّهُمَّ رَبَّ مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ اِغْفِرْ لِي ذَنْبِيْ وَأَذْهِبْ غَيْظَ قَلْبِيْ وَأَجِرْنِيْ مِنْ مُضِلاَّتِ الْفِتَنِ مَا أَحْيَيْتَنَا

হে আল্লাহ্‌, নবী মুহাম্মাদ (ﷺ) এর রব! আমার গোনাহ মাফ করে দাও। আমার অন্তরের ক্রোধ দূর করে দাও; (ততদিন) আমাকে বিভ্রান্তকারী পরীক্ষা থেকে সুরক্ষা দাও, যতদিন তুমি আমাদের বাঁচিয়ে রাখবে।

রেফারেন্স: হাসান (হাইসামী)। মাযমাউয যাওয়াইদঃ ১০/২৭

নিরাপদ অন্তর, সত্যবাদিতা; ও কল্যাণকর সকল কিছু চাওয়ার দোয়া

নিরাপদ অন্তর, সত্যবাদিতা; ও কল্যাণকর সকল কিছু চাওয়ার দোয়া

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সালাতে বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الثَّبَاتَ فِي الْأَمْرِ وَالْعَزِيْمَةَ عَلَى الرُّشْدِ وَأَسْأَلُكَ شُكْرَ نِعْمَتِكَ وَحُسْنَ عِبَادَتِكَ وَأَسْأَلُكَ قَلْبًا سَلِيْمًا وَلِسَانًا صَادِقًا وَأَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا تَعْلَمُ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا تَعْلَمُ وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا تَعْلَمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাছ‌ ছাবা-তা ফিল আমরি ওয়াল 'আঝিমাতা 'আলার্‌ রুশদি ওয়া আসআলুকা শুক্‌রা নি'মাতিকা ওয়া ‘হুসনা ‘ইবা-দাতিকা ওয়া আসআলুকা ক্বল্‌বান সালিমান ওয়া লিসা-নান স্বদিকান ওয়া আস’আলুকা মিন খাইরি মা- তা'লামু ওয়া আ‘উযু বিকা মিন শার্‌রি মা- তা'লামু ওয়া আস্‌তাগ্‌ফিরুকা লিমা- তা'লামু

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই কাজ ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দৃঢ়তা এবং সঠিক কাজে অবিচলতা৷ আমি তোমার কাছে চাই যেন তোমার অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায় করতে পারি, এবং উত্তমভাবে তোমার গোলামি করতে পারি। তোমার কাছে চাই-নিরাপদ অন্তর ও সত্য বলার জিহ্বা; তোমার কাছে চাই তোমার জ্ঞানে যা কল্যাণকর, তা; তোমার জ্ঞানে যা অকল্যাণকর, তা থেকে তোমার আশ্রয় চাই; তুমি যা জানো, সে ব্যাপারে তোমার কাছে ক্ষমা চাই৷

রেফারেন্স: সহিহ লিগাইরিহি। তাখরিজ মিশকাতঃ ৯১৫

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সালাতে বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الثَّبَاتَ فِي الْأَمْرِ وَالْعَزِيْمَةَ عَلَى الرُّشْدِ وَأَسْأَلُكَ شُكْرَ نِعْمَتِكَ وَحُسْنَ عِبَادَتِكَ وَأَسْأَلُكَ قَلْبًا سَلِيْمًا وَلِسَانًا صَادِقًا وَأَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا تَعْلَمُ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا تَعْلَمُ وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا تَعْلَمُ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে চাই কাজ ও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে দৃঢ়তা এবং সঠিক কাজে অবিচলতা৷ আমি তোমার কাছে চাই যেন তোমার অনুগ্রহের শুকরিয়া আদায় করতে পারি, এবং উত্তমভাবে তোমার গোলামি করতে পারি। তোমার কাছে চাই-নিরাপদ অন্তর ও সত্য বলার জিহ্বা; তোমার কাছে চাই তোমার জ্ঞানে যা কল্যাণকর, তা; তোমার জ্ঞানে যা অকল্যাণকর, তা থেকে তোমার আশ্রয় চাই; তুমি যা জানো, সে ব্যাপারে তোমার কাছে ক্ষমা চাই৷

রেফারেন্স: সহিহ লিগাইরিহি। তাখরিজ মিশকাতঃ ৯১৫

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাওয়ার দোয়া

দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةَ

আল্ল-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকাল ‘আফ্ওয়া ওয়াল ‘আ-ফিয়াহ, ফিদ দুন্ইয়া- ওয়াল আ-খিরাহ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট ইহকাল ও পরকালের ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাচ্ছি।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৩৮৭১

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةَ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার নিকট ইহকাল ও পরকালের ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাচ্ছি।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনু মাজাহঃ ৩৮৭১

সাইয়্যিদুল ইসতিগফার

সাইয়্যিদুল ইসতিগফার

اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُؤُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُؤُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মা আনতা রব্বী লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা খলাক্বতানী ওয়া আনা- ‘আব্দুকা ওয়া আনা- ‘আলা ‘আহ্‌দিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাস্তাত্ব‘তু ওয়া আ‘উযুবিকা মিন শার্‌রি মা- স্বনা‘তু আবুউ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা ওয়া আবু-উ বিযাম্বী ফাগ্‌ফিরলী ফাইন্নাহূ লা- ইয়াগ্‌ফিরুয্ যুনূবা ইল্লা- আনতা

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার প্রতিপালক, তুমি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। আমি আমার উপর তোমার অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমার পাপও স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। নিশ্চয়ই তুমি ব্যতীত কোন ক্ষমাকারী নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৬

اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُؤُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُؤُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ্‌! তুমি আমার প্রতিপালক, তুমি ছাড়া ইবাদতের যোগ্য কোন উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমার বান্দা এবং আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ রয়েছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট হতে তোমার নিকট আশ্রয় চাই। আমি আমার উপর তোমার অনুগ্রহকে স্বীকার করছি এবং আমার পাপও স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। নিশ্চয়ই তুমি ব্যতীত কোন ক্ষমাকারী নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৬

তাওবা করা ও ক্ষমা চাওয়া

তাওবা করা ও ক্ষমা চাওয়া

রাসূল (ﷺ) দৈনিক সত্তর বারেরও অধিক পাঠ করতেন -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আস্তাগ্‌ফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি

আমি আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁর দিকেই ফিরে যাই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৭

রাসূল (ﷺ) দৈনিক সত্তর বারেরও অধিক পাঠ করতেন -

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

আমি আল্লাহ্‌র নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তাঁর দিকেই ফিরে যাই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩০৭

কোন মুমিনকে কষ্ট দিলে বা গালি দিলে তার জন্য দোয়া

কোন মুমিনকে কষ্ট দিলে বা গালি দিলে তার জন্য দোয়া

اَللَّهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ، فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

আল্লা-হুম্মা ফাআইয়ুমা- মু‘অ্মি‌নিন সাবাবতুহু ফাজ'আল যা-লিকা লাহু ক্বুরবাতান ইলাইকা ইয়াওমাল-ক্বিয়ামাহ-

হে আল্লাহ্‌! যে মুমিনকেই আমি গালি দিয়েছি, তা তার জন্য কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৬১

اَللَّهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ، فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ্‌! যে মুমিনকেই আমি গালি দিয়েছি, তা তার জন্য কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৬১

জান্নাতের ভান্ডার সমূহের একটি দোয়া

জান্নাতের ভান্ডার সমূহের একটি দোয়া

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এরশাদ করেন, ‘জান্নাতের ভান্ডার সমূহের একটি হচ্ছে -

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

লা- হাওলা ওয়ালা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা- বিল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৮৪

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এরশাদ করেন, ‘জান্নাতের ভান্ডার সমূহের একটি হচ্ছে -

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৮৪

দুশ্চিন্তা, অলসতা, কাপুরুষতা ও ঋণের বোঝা হতে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া

দুশ্চিন্তা, অলসতা, কাপুরুষতা ও ঋণের বোঝা হতে আশ্রয় চাওয়ার দোয়া

আনাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ اِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল ‘হুঝনি ওয়াল ‘আজঝি ওয়াল্ কাসালি ওয়াল জুবনি ওয়াল বুখলি ওয়া দ্বালা’য়িদ দায়নি ওয়া গলাবাতির রিজা-ল

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই চিন্তা, শোক, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, ঋণের বোঝা ও মানুষের জবরদস্তি হতে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৮৯৩

আনাস (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ اِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْجُبْنِ وَالْبُخْلِ وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার নিকট আশ্রয় চাই চিন্তা, শোক, অক্ষমতা, অলসতা, কাপুরুষতা, ঋণের বোঝা ও মানুষের জবরদস্তি হতে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৮৯৩

আনসার ও মুহাজিরদের জন্য দোয়া

আনসার ও মুহাজিরদের জন্য দোয়া

اَللَّهُمَّ لَا عَيْشَ إِلَّا عَيْشُ الآخِرَه فَاغْفِرْ لِلْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ

আল্লা-হুম্মা লা- ‘আইশা ইল্লা- ‘আইশুল আখিরাহ। ফাগফির লিলমুহাজিরিনা ওয়াল আনসার

হে আল্লাহ, পরকালের জীবন ব্যতীত আর কোন (প্রকৃত) জীবন নেই, সুতরাং মুহাজির ও আনসারদেরকে ক্ষমা করুন

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৮০৫

اَللَّهُمَّ لَا عَيْشَ إِلَّا عَيْشُ الآخِرَه فَاغْفِرْ لِلْمُهَاجِرِينَ وَالْأَنْصَارِ

হে আল্লাহ, পরকালের জীবন ব্যতীত আর কোন (প্রকৃত) জীবন নেই, সুতরাং মুহাজির ও আনসারদেরকে ক্ষমা করুন

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৮০৫

ফন্ট সাইজ
15px
17px