📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া সমূহ

📄 মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া সমূহ


পুরুষ মৃতব্যক্তির চোখ বন্ধ করার সময় দোয়া

পুরুষ মৃতব্যক্তির চোখ বন্ধ করার সময় দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ

আল্লা-হুম্মা’গফির লাহূ (ব্যক্তির নাম), ওয়ার্‌ফা দারাজাতাহু ফিল মাহদিইয়ীন, ওয়া’খলুফহু ফী ‘আকিবিহী ফিল গা-বিরীন, ওয়া’গফির লানা- ওয়া লাহূ ইয়া- রাব্বাল ‘আ-লামীন, ওয়াফসা’হ্ লাহূ ফী ক্কাব্‌রিহী, ওয়া নাওয়ির্‌ লাহূ ফীহ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে মাফ করে দাও! হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মধ্যে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও! তুমি তার পেছনে-রেখে-যাওয়া পরিবারের দেখভালো করো! জগৎ সমূহের অধিপতি! আমাদেরকে ও তাকে ক্ষমা করো! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। এবং তার জন্য সেখানে নূরের ব্যবস্থা করে দাও!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

(আবু সালামার মৃত্যুর পর) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আবু সালামার কাছে আসেন। তার চোখ ছিল খোলা ও স্থির। নবী (ﷺ) তা বন্ধ করে দিয়ে বলেন, “রূহ বা আত্মা নিয়ে যাওয়া হলে, চোখ তার পেছনে পেছনে যায়।” এরপর তিনি বলেন- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে মাফ করে দাও! হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মধ্যে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও! তুমি তার পেছনে-রেখে-যাওয়া পরিবারের দেখভালো করো! জগৎ সমূহের অধিপতি! আমাদেরকে ও তাকে ক্ষমা করো! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। এবং তার জন্য সেখানে নূরের ব্যবস্থা করে দাও!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

মহিলা মৃতব্যক্তির চোখ বন্ধ করার সময় দোয়া

মহিলা মৃতব্যক্তির চোখ বন্ধ করার সময় দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهَا وَارْفَعْ دَرَجَتَهَا فِي الْمَهْدِيِّيْنَ، وَاخْلُفْهَآ فِي عَقِبِهَا فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهَا يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهَا فِي قَبْرِهَا، وَنَوِّرْ لَهَا فِيهِ

আল্লা-হুম্মা’গফির লাহা (ব্যক্তির নাম), ওয়ার্‌ফা দারাজাতাহা ফিলমাহদিইয়ীন, ওয়া’খলুফহা ফী ‘আক্কিবিহা ফিল গা-বিরীন, ওয়া’গফির লানা- ওয়া লাহা ইয়া- রাব্বাল ‘আ-লামীন, ওয়াফসা’হ্ লাহা ফী ক্কাব্‌রিহা, ওয়া নাওয়ির্‌ লাহা ফীহ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে মাফ করে দাও! হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মধ্যে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও! তুমি তার পেছনে-রেখে-যাওয়া পরিবারের দেখভালো করো! জগৎ সমূহের অধিপতি! আমাদেরকে ও তাকে ক্ষমা করো! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। এবং তার জন্য সেখানে নূরের ব্যবস্থা করে দাও!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهَا وَارْفَعْ دَرَجَتَهَا فِي الْمَهْدِيِّيْنَ، وَاخْلُفْهَآ فِي عَقِبِهَا فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهَا يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهَا فِي قَبْرِهَا، وَنَوِّرْ لَهَا فِيهِ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে মাফ করে দাও! হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মধ্যে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও! তুমি তার পেছনে-রেখে-যাওয়া পরিবারের দেখভালো করো! জগৎ সমূহের অধিপতি! আমাদেরকে ও তাকে ক্ষমা করো! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। এবং তার জন্য সেখানে নূরের ব্যবস্থা করে দাও!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বদনজর সম্পর্কিত দোয়া সমূহ

📄 বদনজর সম্পর্কিত দোয়া সমূহ


বদনজর ও রোগব্যাধি থেকে হিফাযতের দোয়া

বদনজর ও রোগব্যাধি থেকে হিফাযতের দোয়া

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَّامَّةٍ

আ‘উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বা-নিওঁ ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিল লা-ম্মাহ

আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণী থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এ বাক্যগুলো দ্বারা হাসান (রাঃ) ও হুসাইন (রাঃ)-কে হেফাজত করাতেন। তিনি বলতেন, ইবরাহীম (আঃ) এ বাক্যদ্বারা তার দু সন্তান ইসমাঈল ও ইসহাক (আঃ)-কে হেফাজত করাতেন। সকল মুমিন পিতা ও মাতার উচিত সকাল ও সন্ধ্যায় এ বাক্যগুলো পাঠ করে সন্তানদের ফুঁক দেওয়া ও দোয়া করা। এছাড়া প্রত্যেকে নিজের হিফাযতের জন্য সকাল সন্ধ্যায় দোয়াটি পাঠ করবেন।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَّامَّةٍ

আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণী থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

বদনজর থেকে হিফাযত

বদনজর থেকে হিফাযত

সূরা নাস

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (১) ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। (২) মালিকিন্না-স, (৩) ইলা-হিন্না-স, (৪) মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, (৫) আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন্না-স, (৬) মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স

(১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: [১] সূরা ফালাক: ১-৫ [২] সূরা নাসঃ ১-৬ [৩] সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫১১

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন: “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) মানুষের এবং জিনের নযর থেকে হিফাযতের বিভিন্ন দোয়া পাঠ করতেন। যখন সূরা ফালাক ও সূরা নাস নাযিল হলো তখন তিনি অন্যান্য সকল দোয়া বাদ দিলেন।” [২]

সূরা নাস

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

(১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: [১] সূরা ফালাক: ১-৫ [২] সূরা নাসঃ ১-৬ [৩] সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫১১

অসুস্থতা ও বদনজরের মাসনূন দোয়া

অসুস্থতা ও বদনজরের মাসনূন দোয়া

بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اَللَّهُ يَشْفِيكْ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ

বিসমিল্লা-হি আর্‌ক্বীক, মিন কুল্লি শাইয়িন ইউ’যীক, মিন শার্‌রি কুল্লি নাফসিন আউ আ'ইনিন ‘হা-সিদিন, আল্লা-হু ইয়াশফীক, বিসমিল্লা-হি আর্‌ক্বীক

আল্লাহ্‌র নামে তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি, সকল কিছু থেকে যা তোমাকে কষ্ট দেয়, সকল প্রাণী ও হিংসুক চক্ষুর অনিষ্ট থেকে, আল্লাহ্‌ তোমাকে রোগমুক্ত করবেন, আল্লাহ্‌র নামে তোমাকে ঝাড়ফুক করছি।

রেফারেন্স: মুুসলিমঃ ২১৮৬

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, জিবরাঈল (আঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর কাছে আগমন করেন (তখন তিনি জ্বরাক্রান্ত ছিলেন)। জিবরাঈল (আঃ) বলেন, মুহাম্মাদ, আপনি কি অসুস্থ? তিনি বলেন: হ্যাঁ। তখন তিনি উপরের কথাগুলো বলেন।

بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اَللَّهُ يَشْفِيكْ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ

আল্লাহ্‌র নামে তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি, সকল কিছু থেকে যা তোমাকে কষ্ট দেয়, সকল প্রাণী ও হিংসুক চক্ষুর অনিষ্ট থেকে, আল্লাহ্‌ তোমাকে রোগমুক্ত করবেন, আল্লাহ্‌র নামে তোমাকে ঝাড়ফুক করছি।

রেফারেন্স: মুুসলিমঃ ২১৮৬

নজর লাগার আশঙ্কা হলে

নজর লাগার আশঙ্কা হলে

اَللَّهُمَّ أَذْهِبْ حَرَّهَا وَبَرْدَهَا، وَوَصَبَهَا

আল্লা-হুম্মা আয্‌হিব হার্‌রাহা- ওয়া বার্‌দাহা- ওয়া ওয়া-সাবাহা-

হে আল্লাহ্‌! তুমি তার (শরীরের) উত্তাপ দূর করে দাও! তার ঠান্ডা ও স্থায়ী ব্যথা দূর করে দাও!

রেফারেন্স: জায়্যিদ বা উত্তম সনদ (হুসাইন সালিম আসাদ)। মুসনাদ আবি ইয়া’লা আল-মাওসিলিঃ ৮১৯৫

اَللَّهُمَّ أَذْهِبْ حَرَّهَا وَبَرْدَهَا، وَوَصَبَهَا

হে আল্লাহ্‌! তুমি তার (শরীরের) উত্তাপ দূর করে দাও! তার ঠান্ডা ও স্থায়ী ব্যথা দূর করে দাও!

রেফারেন্স: জায়্যিদ বা উত্তম সনদ (হুসাইন সালিম আসাদ)। মুসনাদ আবি ইয়া’লা আল-মাওসিলিঃ ৮১৯৫

যখন কেউ কোন প্রীতিকর কিছু দেখে এবং বদনজর দিয়ে ক্ষতি না করতে চায় তখন তার জন্য পঠিতব্য দোয়া

যখন কেউ কোন প্রীতিকর কিছু দেখে এবং বদনজর দিয়ে ক্ষতি না করতে চায় তখন তার জন্য পঠিতব্য দোয়া

নবী (ﷺ) বলেন, "তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের মনোমুগ্ধকর কিছু দেখলে যেন তার জন্য বরকতের দোয়া করে।"

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ

বা-রাকাল্লা-হু লাক‌

আল্লাহ্‌ তোমাকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫০৯

নবী (ﷺ) বলেন, "তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের মনোমুগ্ধকর কিছু দেখলে যেন তার জন্য বরকতের দোয়া করে।"

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ

আল্লাহ্‌ তোমাকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫০৯

দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

শয়তানকে প্রতিহত করতে জিব্রীল (আঃ) নবী (ﷺ) কে বলেন -

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ

আ‘উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্-তা-ম্মা-তিল্লাতী লা ইয়ুজা-উইযুহুন্না বাররুন ওয়ালা- ফা-জিরুন মিন শাররি মা- খালাক্বা, ওয়া বারা’আ, ওয়া যারা’আ, ওয়ামিন শাররি মা- ইয়ানযিলু মিনাস্ সামা-য়ি, ওয়া মিন শার্‌রি মা- ইয়া’অ্‌রুজু ফীহা-, ওয়ামিন শাররি মা- যারাআ ফিল আরদ্বি, ওয়ামিন শাররি মা- ইয়াখরুজু মিনহা-, ওয়ামিন শাররি ফিতানিল-লাইলি ওয়ান-নাহা-রি, ওয়ামিন শাররি কুল্লি ত্বা-রিকিন ইল্লা- ত্বা-রিকান ইয়াত্বরুকু বিখাইরিন, ইয়া- রহ্‌মান

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না- আল্লাহ্‌ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: শাইখ আরনাউত (রহ) এর সনদকে সহিহ বলেছেন তাখরিজ লিতাহাবিয়্যাহ (১৩৩ পৃঃ)

শয়তানকে প্রতিহত করতে জিব্রীল (আঃ) নবী (ﷺ) কে বলেন -

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না- আল্লাহ্‌ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: শাইখ আরনাউত (রহ) এর সনদকে সহিহ বলেছেন তাখরিজ লিতাহাবিয়্যাহ (১৩৩ পৃঃ)

নিজের কোন কিছু দেখে পছন্দ হলে

নিজের কোন কিছু দেখে পছন্দ হলে

مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

মা-শা-আল্লাহু লা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা- বিল্লা-হ

আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন শক্তি নেই।

রেফারেন্স: সূরা আল-কাহাফঃ ৩৯

مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন শক্তি নেই।

রেফারেন্স: সূরা আল-কাহাফঃ ৩৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px