📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া সমূহ

📄 অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া সমূহ


বিষাক্ত দংশন-এর দোয়া

বিষাক্ত দংশন-এর দোয়া

সূরা ফাতিহা

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ ﴿١﴾ الْحَمْدُ لِلَّـهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٢﴾ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ ﴿٣﴾ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ﴿٤﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿٥﴾ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ ﴿٦﴾ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ ﴿٧﴾

(১) বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (২) আলহামদু লিল্লা-হি রাব্বিল আ’-লামি-ন। (৩) আর-রাহমা-নির রাহি-ম। (৪) মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন। (৫) ইয়্যা-কা না’বুদু ওয়া ইয়্যা-কা নাসতাই’-ন। (৬) ইহদিনাস সিরা-তা’ল মুসতাকি’-ম। (৭) সিরা-তা’ল্লা যি-না আনআ’মতা আ’লাইহিম। গা’ইরিল মাগ’দু’বি আ’লাইহিম। ওয়ালা দ্দ-ল্লি-ন

(১) পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (২) সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি সৃষ্টিকুলের রব। (৩) দয়াময়, পরম দয়ালু, পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। (৪) বিচার দিবসের মালিক। (৫) আপনারই আমরা ইবাদাত করি এবং আপনারই নিকট আমরা সাহায্য চাই। (৬) আমাদেরকে সরল পথ দেখান। পথের হিদায়াত দিন। (৭) তাদের পথ, যাদের উপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন। যাদেরকে নিয়ামত দিয়েছেন।যাদের উপর (আপনার) ক্রোধ আপতিত হয়নি এবং যারা পথভ্রষ্টও নয়। (সূরা ফাতিহা: ১-৭)

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৭৪১

‘আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদের পিতা আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ‘আয়েশা (রাঃ)-কে বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের কারণে ঝাড়-ফুঁক করার বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) সকল প্রকার বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়-ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন।

সূরা ফাতিহা

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ ﴿١﴾ الْحَمْدُ لِلَّـهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ﴿٢﴾ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ ﴿٣﴾ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ﴿٤﴾ إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ﴿٥﴾ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ ﴿٦﴾ صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلَا الضَّالِّينَ ﴿٧﴾

(১) পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (২) সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি সৃষ্টিকুলের রব। (৩) দয়াময়, পরম দয়ালু, পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। (৪) বিচার দিবসের মালিক। (৫) আপনারই আমরা ইবাদাত করি এবং আপনারই নিকট আমরা সাহায্য চাই। (৬) আমাদেরকে সরল পথ দেখান। পথের হিদায়াত দিন। (৭) তাদের পথ, যাদের উপর আপনি অনুগ্রহ করেছেন। যাদেরকে নিয়ামত দিয়েছেন।যাদের উপর (আপনার) ক্রোধ আপতিত হয়নি এবং যারা পথভ্রষ্টও নয়। (সূরা ফাতিহা: ১-৭)

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৭৪১

কোনো কিছুর উপর নিজের চোখ লাগার ভয় থাকলে দোয়া

কোনো কিছুর উপর নিজের চোখ লাগার ভয় থাকলে দোয়া

যখন তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের, অথবা নিজের কোনো বিষয়ে, অথবা নিজের কোনো সম্পদে এমন কিছু দেখে যা তাকে চমৎকৃত করে, তখন সে যেন বলে -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ

বা-রাকাল্লাহু লাক

আল্লাহ্‌ তোমাকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫০৮, ৩৫০৯

কারণ, চোখ লাগার (বদ নজরের) বিষয়টি সত্য।

যখন তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের, অথবা নিজের কোনো বিষয়ে, অথবা নিজের কোনো সম্পদে এমন কিছু দেখে যা তাকে চমৎকৃত করে, তখন সে যেন বলে -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ

আল্লাহ্‌ তোমাকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫০৮, ৩৫০৯

বিভিন্ন রোগে ঝাড়-ফুঁকের দোয়া

বিভিন্ন রোগে ঝাড়-ফুঁকের দোয়া

‘আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন পীড়িত হতেন, তখন সূরা নাস, ফালাক পড়ে নিজের শরীরে ফুঁ দিতেন এবং নিজের হাত দ্বারা শরীর মুছে ফেলতেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪৪৩৯

‘আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ﷺ) যখন পীড়িত হতেন, তখন সূরা নাস, ফালাক পড়ে নিজের শরীরে ফুঁ দিতেন এবং নিজের হাত দ্বারা শরীর মুছে ফেলতেন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪৪৩৯

অসুস্থতার মাসনূন দোয়া

অসুস্থতার মাসনূন দোয়া

اَللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ اِشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

আল্লা-হুম্মা রাব্বান না-স, আয্‌হিবিল বা-'স, ইশ্‌ফি, ওয়া আনতাশ শা-ফী, লা- শিফা-আ ইল্লা- শিফা-উকা, শিফা-আন লা- ইউগা-দিরু সাক্বামা

হে আল্লাহ্‌, হে মানুষের প্রতিপালক, অসুবিধা দূর করুন, সুস্থতা দান করুন, আপনিই শিফা বা সুস্থতা দানকারী, আপনার শিফা (সুস্থতা প্রদান বা রোগ নিরাময়) ছাড়া আর কোনো শিফা নেই, এমনভাবে শিফা দান করুন যার পরে আর কোনো অসুস্থতা-রোগব্যাধি অবশিষ্ট থাকবে না।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৭৪৩

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ নবী (ﷺ) তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে সূরা নাস ও সূরা ফালাক পড়ে ডান হাত দিয়ে বুলিয়ে দিতেন এবং পড়তেনঃ (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ أَذْهِبِ الْبَأْسَ اِشْفِ وَأَنْتَ الشَّافِي لَا شِفَاءَ إِلاَّ شِفَاؤُكَ شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

হে আল্লাহ্‌, হে মানুষের প্রতিপালক, অসুবিধা দূর করুন, সুস্থতা দান করুন, আপনিই শিফা বা সুস্থতা দানকারী, আপনার শিফা (সুস্থতা প্রদান বা রোগ নিরাময়) ছাড়া আর কোনো শিফা নেই, এমনভাবে শিফা দান করুন যার পরে আর কোনো অসুস্থতা-রোগব্যাধি অবশিষ্ট থাকবে না।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৭৪৩

অসুস্থতা, ক্ষত ও ব্যথার দোয়া

অসুস্থতা, ক্ষত ও ব্যথার দোয়া

باِسْمِ اللَّهِ تُرْبَةُ أَرْضِنَا بِرِيْقَةِ بَعْضِنَا يُشْفَى (بِهِ) سَقِيْمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا

বিসমিল্লা-হি। তুরবাতু আরদ্বিনা-, বিরীক্বতি বা’অদ্বিনা-, ইউশফা (বিহী) সাক্বীমুনা, বিইযনি রাব্বিনা-

আল্লাহ্‌র নামে। আমাদের যমিনের মাটি, আমাদের কারো লালার সাথে, যেন আমাদের অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করে, আমাদের রবের অনুমতিতে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৭৪৫, মুসলিমঃ ২১৯৪

আয়েশা (রাঃ) বলেন, কারো দেহের কোথাও অসুস্থতা, ব্যাথা বা ক্ষত হলে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) তাঁর (শাহাদাত) আঙুল মাটিতে রেখে তা উঠিয়ে এ দোয়াটি পাঠ করতেন। অন্য বর্ণনায় তিনি আঙুলে নিজের মুখের সামান্য লালা লাগিয়ে আঙুলটি মাটিতে রাখতেন এরপর তা ব্যাথার স্থানে রেখে এ দোয়াটি বলতেন।

باِسْمِ اللَّهِ تُرْبَةُ أَرْضِنَا بِرِيْقَةِ بَعْضِنَا يُشْفَى (بِهِ) سَقِيْمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا

আল্লাহ্‌র নামে। আমাদের যমিনের মাটি, আমাদের কারো লালার সাথে, যেন আমাদের অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থতা লাভ করে, আমাদের রবের অনুমতিতে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৭৪৫, মুসলিমঃ ২১৯৪

নিজের ব্যাথার জন্য দোয়া

নিজের ব্যাথার জন্য দোয়া

৭ বার বলবে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ (بِعِزَّةِ اللَّهِ) وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ

আ’ঊযু বিল্লা-হি (দ্বিতীয় বর্ণনায়: আঊযূ বি’ইয্‌যাতিল্লা-হি) ওয়া ক্বুদরাতিহী মিন শার্‌রি মা- আজিদু ওয়া উ’হা-যির

আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহ্‌র (দ্বিতীয় বর্ণনায়: আল্লাহ্‌র মর্যাদার) ও তার ক্ষমতার, যা আমি অনুভব করছি এবং ভয় পাচ্ছি তা থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২২০২, সহীহ। আবু দাউদঃ ৩৮৯১

উসমান ইবন আবিল আস (রাঃ) বলেন, তার শরীরের ব্যাখ্যার কথা তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে জানান। তিনি বলেন: তোমার শরীরের যে স্থানে ব্যাথা সেখানে তোমার হাত রাখ এবং তিন বার বিসমিল্লাহ এবং সাত বার এ দোয়াটি বল। (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

৭ বার বলবে -

أَعُوْذُ بِاللَّهِ (بِعِزَّةِ اللَّهِ) وَقُدْرَتِهِ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ وَأُحَاذِرُ

আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহ্‌র (দ্বিতীয় বর্ণনায়: আল্লাহ্‌র মর্যাদার) ও তার ক্ষমতার, যা আমি অনুভব করছি এবং ভয় পাচ্ছি তা থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২২০২, সহীহ। আবু দাউদঃ ৩৮৯১

নিজের ও অন্যের রোগমুক্তির দোয়া

নিজের ও অন্যের রোগমুক্তির দোয়া

সূরা ফালাক

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (১) ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। (২) মিন শাররি মা- খালাক্ব। (৩) ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা- ওয়াক্বাব। (৪) ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। (৫) ওয়া মিন শাররি 'হা-সিদিন ইযা- 'হাসাদ

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে, (২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, (৩) আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়, (৪) আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে, (৫) আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে’। (সূরা ফালাকঃ ১-৫)

সূরা নাস

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (১) ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। (২) মালিকিন্না-স, (৩) ইলা-হিন্না-স, (৪) মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, (৫) আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন্না-স, (৬) মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৭৩৫

আয়েশা (রাঃ) বলেন: “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) অসুস্থ হলে তিনি মুআওয়িযাত সূরাগুলো (ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করে নিজের দেহে ফুঁক দিতেন এবং নিজের হাত নিজ দেহে বুলাতেন। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাঁর পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে তিনি এ সূরাগুলো পাঠ করে তাকে ফুঁক দিতেন এবং নিজ হাত তার দেহে বুলাতেন। তিনি তাঁর ওফাতের পূর্বে যখন অসুস্থ হলেন তখন আমি নিজে সূরাগুলো পড়ে তাকে ফুঁক দিতাম এবং তাঁর নিজের হাত দিয়ে তাঁর দেহ মাসহ’ করতাম (বুলাতাম)।” আমরা ইতোপূর্বে রাত্রে বিছানায় শয়নের সময় নিয়মিত যিক্‌রের মধ্যেও এভাবে সূরাগুলো পাঠ করার কথা জেনেছি।

সূরা ফালাক

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ﴿١﴾ مِن شَرِّ مَا خَلَقَ ﴿٢﴾ وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ﴿٣﴾ وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ﴿٤﴾ وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের কাছে, (২) তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, (৩) আর রাতের অন্ধকারের অনিষ্ট থেকে যখন তা গভীর হয়, (৪) আর গিরায় ফুঁ-দানকারী নারীদের অনিষ্ট থেকে, (৫) আর হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে’। (সূরা ফালাকঃ ১-৫)

সূরা নাস

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহ্‌র নামে। (১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৭৩৫

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার ফযীলত #১

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার ফযীলত #১

আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাসান ইবনু আলী (রাঃ)-এর অসুস্থতার সময় আবূ মূসা (রাঃ) তাকে দেখতে আসেন। তখন আলী (রাঃ) তাকে জিজ্ঞাসা করেন, “কী জন্য এসেছেন: আত্মতৃপ্তির জন্য, নাকি রোগী-দেখার উদ্দেশে?” তিনি বলেন, “না; বরং রোগী দেখতে এসেছি।” এর পরিপ্রেক্ষিতে আলী (রাঃ) তাকে বলেন, “যদি রোগী দেখার উদ্দেশে এসে থাকেন, তা হলে শুনুন-আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যখন কোনও ব্যক্তি তার অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, তখন সেখানে গিয়ে বসার আগ পর্যন্ত সে জান্নাতের ফলবাগানের মধ্যে বিচরণ করতে থাকে। যখন সে বসে, তখন (আল্লাহ্‌র) রহমত তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। সকালবেলা রোগী দেখতে গেলে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য দোয়া করতে থাকে; আর সন্ধ্যাবেলা রোগী দেখতে গেলে, সকাল পর্যন্ত সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য দোয়া করতে থাকে।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৯৬৯

আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাসান ইবনু আলী (রাঃ)-এর অসুস্থতার সময় আবূ মূসা (রাঃ) তাকে দেখতে আসেন। তখন আলী (রাঃ) তাকে জিজ্ঞাসা করেন, “কী জন্য এসেছেন: আত্মতৃপ্তির জন্য, নাকি রোগী-দেখার উদ্দেশে?” তিনি বলেন, “না; বরং রোগী দেখতে এসেছি।” এর পরিপ্রেক্ষিতে আলী (রাঃ) তাকে বলেন, “যদি রোগী দেখার উদ্দেশে এসে থাকেন, তা হলে শুনুন-আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যখন কোনও ব্যক্তি তার অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, তখন সেখানে গিয়ে বসার আগ পর্যন্ত সে জান্নাতের ফলবাগানের মধ্যে বিচরণ করতে থাকে। যখন সে বসে, তখন (আল্লাহ্‌র) রহমত তাকে আচ্ছন্ন করে রাখে। সকালবেলা রোগী দেখতে গেলে, সন্ধ্যা পর্যন্ত সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য দোয়া করতে থাকে; আর সন্ধ্যাবেলা রোগী দেখতে গেলে, সকাল পর্যন্ত সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য দোয়া করতে থাকে।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৯৬৯

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার ফযীলত #২

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়ার ফযীলত #২

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “যে-ব্যক্তি কোনও রোগীকে দেখতে যায়, সে জান্নাতের ফলবাগানে বিচরণ করতে থাকে।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৫৬৮

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “যে-ব্যক্তি কোনও রোগীকে দেখতে যায়, সে জান্নাতের ফলবাগানে বিচরণ করতে থাকে।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৫৬৮

অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া

অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া

أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

আযহিবিল বা-'স, রাব্বা না-স, ওয়াশফি আন্তা আশ-শাফি, লা-শিফা-আ ইল্লা- শিফা-উকা। শিফা-আন লা-ইউগা-দিরু সাক্বামা

হে মানুষের প্রতিপালক! তুমি রোগ দূর করে দাও এবং আরোগ্য দান করো। তুমিই তো আরোগ্যদানকারী, তোমার আরোগ্য ভিন্ন আর কোন আরোগ্য নেই, এমন আরোগ্য দাও, যারপর কোন রোগ থাকে না।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৬৭৫

নবী (ﷺ) তাদের (তার স্ত্রীদের) কাউকে ঝাড়ার সময় ডান হাত দিয়ে মাসাহ্ করতেন এবং বলতেন, (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

أَذْهِبِ الْبَأْسَ رَبَّ النَّاسِ، وَاشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا

হে মানুষের প্রতিপালক! তুমি রোগ দূর করে দাও এবং আরোগ্য দান করো। তুমিই তো আরোগ্যদানকারী, তোমার আরোগ্য ভিন্ন আর কোন আরোগ্য নেই, এমন আরোগ্য দাও, যারপর কোন রোগ থাকে না।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৬৭৫

রোগীর জন্য দোয়া #১

রোগীর জন্য দোয়া #১

لَا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

লা- বাঅ্‌সা, ত্বাহূরুন ইন শা- আল্লা-হ

চিন্তা করো না গুনাহ হতে তুমি পবিত্র হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্‌ (এর কারণে আল্লাহ্‌ আপনার পাপরাশি ক্ষমা করে আপনাকে পবিত্র করবেন)

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৬১৬

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) কোনো অসুস্থকে দেখতে গেলে এ দোয়া বলতেন।

لَا بَأْسَ طَهُورٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

চিন্তা করো না গুনাহ হতে তুমি পবিত্র হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্‌ (এর কারণে আল্লাহ্‌ আপনার পাপরাশি ক্ষমা করে আপনাকে পবিত্র করবেন)

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৬১৬

রোগীর জন্য দোয়া #২

রোগীর জন্য দোয়া #২

৭ বার বলবে -

أَسْأَلُ اللَّهَ الْعَظِيْمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ أَنْ يَشْفِيَكَ

আসআলুল্লা-হাল ‘আযীম, রাব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম আন ইয়াশফিইয়াক

আমি প্রার্থনা করছি মহামর্যাদাময় আল্লাহ্‌র নিকট, যিনি মহামর্যাদাময় আরশের প্রভু, তিনি যেন তোমাকে সুস্থতা প্রদান করেন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৮৩

ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, “যদি কোনো মুসলিম কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গিয়ে এ কথাগুলো সাত বার বলেন তাহলে তার মৃত্যু উপস্থিত না হলে সে সুস্থতা লাভ করবেই।” (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

৭ বার বলবে -

أَسْأَلُ اللَّهَ الْعَظِيْمَ رَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ أَنْ يَشْفِيَكَ

আমি প্রার্থনা করছি মহামর্যাদাময় আল্লাহ্‌র নিকট, যিনি মহামর্যাদাময় আরশের প্রভু, তিনি যেন তোমাকে সুস্থতা প্রদান করেন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৮৩

মুমূর্ষ রোগীর দোয়া #১

মুমূর্ষ রোগীর দোয়া #১

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী (ﷺ) আমার দিকে হেলান দিয়ে ছিলেন। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনি -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الْأَعْلَى

আল্লা-হুম্মাগফিরলী ওয়ার'হামনী ওয়া আল'হিক্বনী বির রফীক্বিল আ‘লা

হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও! আমার উপর রহম করো! আর আমাকে সর্বোচ্চ বন্ধুর কাছে পৌঁছে দাও!

রেফারেন্স: সহীহ সহীহুল জামেঃ ১২৬৭

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী (ﷺ) আমার দিকে হেলান দিয়ে ছিলেন। তখন আমি তাঁকে বলতে শুনি -

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي، وَارْحَمْنِي، وَأَلْحِقْنِي بِالرَّفِيقِ الْأَعْلَى

হে আল্লাহ্‌! আমাকে মাফ করে দাও! আমার উপর রহম করো! আর আমাকে সর্বোচ্চ বন্ধুর কাছে পৌঁছে দাও!

রেফারেন্স: সহীহ সহীহুল জামেঃ ১২৬৭

মুমূর্ষ রোগীর দোয়া #২

মুমূর্ষ রোগীর দোয়া #২

তার রব তাকে সত্যায়ন করে বলেন, আমি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; আর আমিই সর্বশ্রেষ্ঠ।

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি একক।

তখন আল্লাহ্‌ বলেন, আমি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; আমি একক। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি একক; তাঁর কোনও অংশীদার নেই।

তখন আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেনঃ আমি ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই, রাজত্ব আমারই এবং সকল প্রশংসা আমার জন্যই। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; রাজত্ব ও প্রশংসা সবই তাঁর।

তক্ষনি আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেনঃ আমি ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই, আমি ছাড়া (আমার সহযোগিতা ব্যতীত) অকল্যাণ দূর করা ও মঙ্গল লাভ করার সামর্থ্য কারো নেই। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা হাউলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; আর আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

তখন আল্লাহ্‌ বলেন, “আমি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; আমি ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই। আর তিনি (ﷺ) বলতেন, “যে-ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় এসব দোয়া পড়ে মারা যায়, জাহান্নাম তাকে দগ্ধ করবে না।”

তার রব তাকে সত্যায়ন করে বলেন, আমি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; আর আমিই সর্বশ্রেষ্ঠ।

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি একক।

তখন আল্লাহ্‌ বলেন, আমি ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই; আমি একক। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; তিনি একক; তাঁর কোনও অংশীদার নেই।

তখন আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেনঃ আমি ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই, রাজত্ব আমারই এবং সকল প্রশংসা আমার জন্যই। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; রাজত্ব ও প্রশংসা সবই তাঁর।

তক্ষনি আল্লাহ্‌ তা‘আলা বলেনঃ আমি ব্যতীত কোন মা‘বূদ নেই, আমি ছাড়া (আমার সহযোগিতা ব্যতীত) অকল্যাণ দূর করা ও মঙ্গল লাভ করার সামর্থ্য কারো নেই। যখন সে বলে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই; আর আল্লাহ্‌ ছাড়া কারও কোনও শক্তি-সামর্থ্য নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

মুমূর্ষ ব্যক্তিকে যে দোয়া পড়তে উদ্বুদ্ধ করা উচিত #১

মুমূর্ষ ব্যক্তিকে যে দোয়া পড়তে উদ্বুদ্ধ করা উচিত #১

মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূলঃ বলেছেন, “যার শেষকথা হবে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩১১৬

সে জান্নাতে যাবে।

মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূলঃ বলেছেন, “যার শেষকথা হবে -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩১১৬

মুমূর্ষ ব্যক্তিকে যে দোয়া পড়তে উদ্বুদ্ধ করা উচিত #২

মুমূর্ষ ব্যক্তিকে যে দোয়া পড়তে উদ্বুদ্ধ করা উচিত #২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা তোমাদের মুমূর্য ব্যক্তিকে এ কথা বলতে উদ্বুদ্ধ করো -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৬

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তোমরা তোমাদের মুমূর্য ব্যক্তিকে এ কথা বলতে উদ্বুদ্ধ করো -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনও হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৬

জীবনের আশা ছেড়ে দেওয়া রোগীর দোয়া #১

জীবনের আশা ছেড়ে দেওয়া রোগীর দোয়া #১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) মৃত্যুর সময় তাঁর দু’হাত পানিতে প্রবেশ করিয়ে তা দিয়ে তাঁর চেহারা মুছছিলেন এবং বলছিলেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ إِنَّ لِلْمَوْتِ سَكَرَاتٍ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ইন্না লিল মাওতি সাকারা-ত

আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, নিশ্চয় মৃত্যুর রয়েছে বিভিন্ন প্রকার ভয়াবহ কষ্ট।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪৪৪৯

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) মৃত্যুর সময় তাঁর দু’হাত পানিতে প্রবেশ করিয়ে তা দিয়ে তাঁর চেহারা মুছছিলেন এবং বলছিলেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ إِنَّ لِلْمَوْتِ سَكَرَاتٍ

আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, নিশ্চয় মৃত্যুর রয়েছে বিভিন্ন প্রকার ভয়াবহ কষ্ট।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪৪৪৯

জীবনের আশা ছেড়ে দেওয়া রোগীর দোয়া #২

জীবনের আশা ছেড়ে দেওয়া রোগীর দোয়া #২

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা- হাউলা ওয়ালা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা- বিল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আল্লাহ্‌ মহান। একমাত্র আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই। একমাত্র আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যাবতীয় রাজত্ব তাঁরই, তার জন্যই সকল প্রশংসা, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আল্লাহ্‌র সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি নেই

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আল্লাহ্‌ মহান। একমাত্র আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই। একমাত্র আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যাবতীয় রাজত্ব তাঁরই, তার জন্যই সকল প্রশংসা, আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আল্লাহ্‌র সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি নেই

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

বিপদ-মুসিবতের মুখোমুখি হলে

বিপদ-মুসিবতের মুখোমুখি হলে

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, কোনও বান্দা যদি বিপদ-মুসিবতের মুখোমুখি হয়ে বলে -

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اَللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا

ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলাইহি রা-জি‘উন। আল্লা-হুম্মা'জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়াখলিফ লী খাইরান মিনহা-

আমরা আল্লাহ্‌র জন্য, আর আমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ্‌! আমার মুসিবতে তুমি আমাকে আশ্রয় দাও! এবং তা থেকে উত্তম কিছু আমাকে দাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৮

আল্লাহ্‌ অবশ্যই এর বদলে তাকে এর চেয়ে উত্তম কিছু দেবেন। আবু সালামা'র মৃত্যুর পর, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ অনুযায়ী আমি এ দোয়া পাঠ করি, এরপর আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাকে তার চেয়ে উত্তম অর্থাৎ আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে দিয়েছেন।

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, কোনও বান্দা যদি বিপদ-মুসিবতের মুখোমুখি হয়ে বলে -

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اَللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي، وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا

আমরা আল্লাহ্‌র জন্য, আর আমাদেরকে তাঁর কাছেই ফিরে যেতে হবে। হে আল্লাহ্‌! আমার মুসিবতে তুমি আমাকে আশ্রয় দাও! এবং তা থেকে উত্তম কিছু আমাকে দাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৮

অসুস্থ ও মৃতব্যক্তির পাশে

অসুস্থ ও মৃতব্যক্তির পাশে

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَلَهُ وَأَعْقِبْنِي مِنْهُ عُقْبٰى حَسَنَةً

আল্লা-হুম্মাগ্‌ফির লি ওয়ালাহু ওয়া-আক্বিব্‌নি মিনহু উক্ববা হাসানাহ

হে আল্লাহ্‌! আমাকে ও তাকে ক্ষমা করে দাও! তার পর আমাকে উত্তম বিকল্পের ব্যবস্থা করে দাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৯

উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমরা অসুস্থ বা মৃত ব্যক্তির কাছে গেলে ভালো দোয়া করবে, কারণ তোমরা যা বলো, তার সঙ্গে ফেরেশতারা বলে ‘আমীন (এমনটিই হোক)!' “আবু সালামা (রাঃ)-এর মৃত্যুর পর, আমি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আবু সালামা মারা গিয়েছে!” নবী (ﷺ) বলেন, “তুমি বলো- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে) আমি এ দোয়া পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহ্‌ আমাকে তার [আবু সালামা (রাঃ)] চেয়ে উত্তম বিকল্প দিয়েছেন; আর তিনি হলেন মুহাম্মাদ (ﷺ)!

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَلَهُ وَأَعْقِبْنِي مِنْهُ عُقْبٰى حَسَنَةً

হে আল্লাহ্‌! আমাকে ও তাকে ক্ষমা করে দাও! তার পর আমাকে উত্তম বিকল্পের ব্যবস্থা করে দাও!

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৯

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে #১

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে #১

اَللَّهُمَّ أَحْيِنِيْ مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِّيْ، وَتَوَفَّنِيْ إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِّيْ

আল্লা-হুম্মা আহ্‌ইনি মা- কা-নাতিল্‌ হায়া-তু খাইরাল্লি, ওয়া তাওয়াফ্‌-ফানী ইযা- কা-নাতিল্‌ ওয়াফা-তু খাইরাল্লি।

হে আল্লাহ, যত দিন আমার জন্য বেঁচে থাকা কল্যাণকর, তত দিন আমাকে জীবিত রাখুন। আর যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর, তখন আমাকে মৃত্যু দান করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৬৭১

اَللَّهُمَّ أَحْيِنِيْ مَا كَانَتِ الْحَيَاةُ خَيْرًا لِّيْ، وَتَوَفَّنِيْ إِذَا كَانَتِ الْوَفَاةُ خَيْرًا لِّيْ

হে আল্লাহ, যত দিন আমার জন্য বেঁচে থাকা কল্যাণকর, তত দিন আমাকে জীবিত রাখুন। আর যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যাণকর, তখন আমাকে মৃত্যু দান করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৬৭১

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে #২

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে #২

اَللَّهُمَّ اشْفِ عَبْدَكَ يَنْكَأُ لَكَ عَدُوًّا، أَوْ يَمْشِيْ لَكَ إِلٰى جَنَازَةٍ.

আল্লা-হুম্মাশ্‌ ফি আব্‌দাকা ইয়ান্‌কাউ লাকা আদুওয়্যা, আও ইয়াম্‌শি লাকা ইলা জানাযাহ।

হে আল্লাহ, আপনি আপনার এই বান্দাকে সুস্থতা দান করুন, যেন সে সুস্থ হয়ে আপনার কোনাে শত্রুকে আহত করতে পারে, অথবা (কমপক্ষে) আপনার সন্তুষ্টি লাভের জন্য কোনাে জানাযার সঙ্গে যেতে পারে।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩১০৭

اَللَّهُمَّ اشْفِ عَبْدَكَ يَنْكَأُ لَكَ عَدُوًّا، أَوْ يَمْشِيْ لَكَ إِلٰى جَنَازَةٍ.

হে আল্লাহ, আপনি আপনার এই বান্দাকে সুস্থতা দান করুন, যেন সে সুস্থ হয়ে আপনার কোনাে শত্রুকে আহত করতে পারে, অথবা (কমপক্ষে) আপনার সন্তুষ্টি লাভের জন্য কোনাে জানাযার সঙ্গে যেতে পারে।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩১০৭

শহিদি মৃত্যু ও মদিনায় মৃত্যু চাওয়ার দোয়া

শহিদি মৃত্যু ও মদিনায় মৃত্যু চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ ارْزُقْنِيْ شَهَادَةً فِيْ سَبِيْلِكَ، وَاجْعَلْ مَوْتِيْ فِي بَلَدِ رَسُوْلِكَ (ﷺ).

আল্লা-হুম্মার্‌ যূক্বনী শাহাদাতান ফি সাবিলিক, ওয়াজ্‌’আল মাওতি ফি বালাদি রাসূলিক (ﷺ)

হে আল্লাহ, আমাকে আপনার পথে শাহাদাত দান করুন এবং আপনার রাসূল (ﷺ)-এর শহরে (মদীনায়) আমাকে মৃত্যু দান করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৮৯০

اَللَّهُمَّ ارْزُقْنِيْ شَهَادَةً فِيْ سَبِيْلِكَ، وَاجْعَلْ مَوْتِيْ فِي بَلَدِ رَسُوْلِكَ (ﷺ).

হে আল্লাহ, আমাকে আপনার পথে শাহাদাত দান করুন এবং আপনার রাসূল (ﷺ)-এর শহরে (মদীনায়) আমাকে মৃত্যু দান করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১৮৯০

ব্যাথার জন্য দোয়া #১

ব্যাথার জন্য দোয়া #১

তিনবার বিসমিল্লাহ্‌ বলার পর সাতবার বলবে -

أَعُوْذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتَهٖ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ مِنْ وَجَعِي هٰذَا

আ‘উযু বি’ইয্‌যাতিল্লা-হি ওয়া ক্বুদরাতিহী মিন শার্‌রি মা- আজিদু মিন ওয়া-জা’য়ী হাযা

আমি আল্লাহ তা’আলার মর্যাদা এবং তাঁর কুদরতের আশ্রয় নিচ্ছি ওই ব্যথার কষ্ট থেকে, যা আমি অনুভব করছি।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫৮৮

তিনবার বিসমিল্লাহ্‌ বলার পর সাতবার বলবে -

أَعُوْذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتَهٖ مِنْ شَرِّ مَا أَجِدُ مِنْ وَجَعِي هٰذَا

আমি আল্লাহ তা’আলার মর্যাদা এবং তাঁর কুদরতের আশ্রয় নিচ্ছি ওই ব্যথার কষ্ট থেকে, যা আমি অনুভব করছি।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫৮৮

ফিতরাত’ তথা দীন ইসলামের উপর মৃত্যু কামনা

ফিতরাত’ তথা দীন ইসলামের উপর মৃত্যু কামনা

اَللَّهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ : اُدْعُوْنِيْ أَسْتَجِبْ لَكُمْ، وَإِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ، وَإِنِّيْ أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِيْ لِلْإِسْلَامِ أَنْ لَّا تَنْزِعَهُ مِنِّيْ حَتّٰى تَتَوَفَّانِيْ وَأَنَا مُسْلِمٌ

আল্লা-হুম্মা ইন্নাকা ক্বুলতাঃ উদ্‌উ’নী আস্‌তাজিব লাকুম, ওয়া ইন্নাকা লা- তুখলিফুল মিআ-দা, ওয়া ইন্নি আস্‌আলুকা কামা- হাদাইত্বানী লিল ইসলা-মী আন্‌লা- তানযিআ’হু মিন্নি হাত্‌তা তাতা'ওয়াফফা-নী ওয়া আন্না- মুস্‌লিমুন।

হে আল্লাহ, নিশ্চয় আপনি বলেছেন, আমার নিকট দোয়া কর, আমি তােমাদের দোয়া কবুল করব। নিশ্চয় আপনি ওয়াদা ভঙ্গ করেন না। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, যেভাবে আপনি আমাকে ইসলাম (ও ইমানের নেয়ামত) দান করেছেন, সেভাবে আপনি আমাকে তা থেকে বঞ্চিত করবেন না। অবশেষে আমাকে ইসলামের উপরই মৃত্যু দান করুন।

রেফারেন্স: জায়্যিদ সনদ (মুহাম্মাদ ইবনে আব্দিল ওয়াহহাব)। আল-হাদিস লিবনি আব্দিল ওয়াহহাব ৩/১৪৫

اَللَّهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ : اُدْعُوْنِيْ أَسْتَجِبْ لَكُمْ، وَإِنَّكَ لَا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ، وَإِنِّيْ أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِيْ لِلْإِسْلَامِ أَنْ لَّا تَنْزِعَهُ مِنِّيْ حَتّٰى تَتَوَفَّانِيْ وَأَنَا مُسْلِمٌ

হে আল্লাহ, নিশ্চয় আপনি বলেছেন, আমার নিকট দোয়া কর, আমি তােমাদের দোয়া কবুল করব। নিশ্চয় আপনি ওয়াদা ভঙ্গ করেন না। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি, যেভাবে আপনি আমাকে ইসলাম (ও ইমানের নেয়ামত) দান করেছেন, সেভাবে আপনি আমাকে তা থেকে বঞ্চিত করবেন না। অবশেষে আমাকে ইসলামের উপরই মৃত্যু দান করুন।

রেফারেন্স: জায়্যিদ সনদ (মুহাম্মাদ ইবনে আব্দিল ওয়াহহাব)। আল-হাদিস লিবনি আব্দিল ওয়াহহাব ৩/১৪৫

ব্যাথার জন্য দোয়া #২

ব্যাথার জন্য দোয়া #২

সাতবার পড়তে হবে

أَعُوْذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهٖ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ مِّنْ شَرِّ مَا أَجِدُ

আ’ঊযু বি’ইয্‌যাতিল্লা-হি ওয়া ক্বুদরাতিহী আলা- কুল্লি শাইয়িন মিন শার্‌রি মা- আজিদু।

আমি আল্লাহ তা’আলার মর্যাদা এবং সকল বস্তুর উপর তাঁর কুদরতের আশ্রয় নিচ্ছি ওই ব্যথার কষ্ট থেকে, যা আমি অনুভব করছি।

রেফারেন্স: সহিহ লিগাইরি। সিলসিলাতুস সহিহাহ ১৪১৫

সাতবার পড়তে হবে

أَعُوْذُ بِعِزَّةِ اللَّهِ وَقُدْرَتِهٖ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ مِّنْ شَرِّ مَا أَجِدُ

আমি আল্লাহ তা’আলার মর্যাদা এবং সকল বস্তুর উপর তাঁর কুদরতের আশ্রয় নিচ্ছি ওই ব্যথার কষ্ট থেকে, যা আমি অনুভব করছি।

রেফারেন্স: সহিহ লিগাইরি। সিলসিলাতুস সহিহাহ ১৪১৫

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া সমূহ

📄 মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া সমূহ


পুরুষ মৃতব্যক্তির চোখ বন্ধ করার সময় দোয়া

পুরুষ মৃতব্যক্তির চোখ বন্ধ করার সময় দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ

আল্লা-হুম্মা’গফির লাহূ (ব্যক্তির নাম), ওয়ার্‌ফা দারাজাতাহু ফিল মাহদিইয়ীন, ওয়া’খলুফহু ফী ‘আকিবিহী ফিল গা-বিরীন, ওয়া’গফির লানা- ওয়া লাহূ ইয়া- রাব্বাল ‘আ-লামীন, ওয়াফসা’হ্ লাহূ ফী ক্কাব্‌রিহী, ওয়া নাওয়ির্‌ লাহূ ফীহ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে মাফ করে দাও! হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মধ্যে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও! তুমি তার পেছনে-রেখে-যাওয়া পরিবারের দেখভালো করো! জগৎ সমূহের অধিপতি! আমাদেরকে ও তাকে ক্ষমা করো! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। এবং তার জন্য সেখানে নূরের ব্যবস্থা করে দাও!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

(আবু সালামার মৃত্যুর পর) আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আবু সালামার কাছে আসেন। তার চোখ ছিল খোলা ও স্থির। নবী (ﷺ) তা বন্ধ করে দিয়ে বলেন, “রূহ বা আত্মা নিয়ে যাওয়া হলে, চোখ তার পেছনে পেছনে যায়।” এরপর তিনি বলেন- (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ، وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهُ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهُ فِي قَبْرِهِ، وَنَوِّرْ لَهُ فِيهِ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে মাফ করে দাও! হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মধ্যে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও! তুমি তার পেছনে-রেখে-যাওয়া পরিবারের দেখভালো করো! জগৎ সমূহের অধিপতি! আমাদেরকে ও তাকে ক্ষমা করো! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। এবং তার জন্য সেখানে নূরের ব্যবস্থা করে দাও!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

মহিলা মৃতব্যক্তির চোখ বন্ধ করার সময় দোয়া

মহিলা মৃতব্যক্তির চোখ বন্ধ করার সময় দোয়া

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهَا وَارْفَعْ دَرَجَتَهَا فِي الْمَهْدِيِّيْنَ، وَاخْلُفْهَآ فِي عَقِبِهَا فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهَا يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهَا فِي قَبْرِهَا، وَنَوِّرْ لَهَا فِيهِ

আল্লা-হুম্মা’গফির লাহা (ব্যক্তির নাম), ওয়ার্‌ফা দারাজাতাহা ফিলমাহদিইয়ীন, ওয়া’খলুফহা ফী ‘আক্কিবিহা ফিল গা-বিরীন, ওয়া’গফির লানা- ওয়া লাহা ইয়া- রাব্বাল ‘আ-লামীন, ওয়াফসা’হ্ লাহা ফী ক্কাব্‌রিহা, ওয়া নাওয়ির্‌ লাহা ফীহ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে মাফ করে দাও! হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মধ্যে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও! তুমি তার পেছনে-রেখে-যাওয়া পরিবারের দেখভালো করো! জগৎ সমূহের অধিপতি! আমাদেরকে ও তাকে ক্ষমা করো! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। এবং তার জন্য সেখানে নূরের ব্যবস্থা করে দাও!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

اَللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهَا وَارْفَعْ دَرَجَتَهَا فِي الْمَهْدِيِّيْنَ، وَاخْلُفْهَآ فِي عَقِبِهَا فِي الْغَابِرِيْنَ، وَاغْفِرْ لَنَا وَلَهَا يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ، وَافْسَحْ لَهَا فِي قَبْرِهَا، وَنَوِّرْ لَهَا فِيهِ

হে আল্লাহ্‌! তুমি তাকে মাফ করে দাও! হিদায়াতপ্রাপ্ত লোকদের মধ্যে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও! তুমি তার পেছনে-রেখে-যাওয়া পরিবারের দেখভালো করো! জগৎ সমূহের অধিপতি! আমাদেরকে ও তাকে ক্ষমা করো! তার কবরকে প্রশস্ত করে দাও। এবং তার জন্য সেখানে নূরের ব্যবস্থা করে দাও!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯২০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বদনজর সম্পর্কিত দোয়া সমূহ

📄 বদনজর সম্পর্কিত দোয়া সমূহ


বদনজর ও রোগব্যাধি থেকে হিফাযতের দোয়া

বদনজর ও রোগব্যাধি থেকে হিফাযতের দোয়া

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَّامَّةٍ

আ‘উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্বা-নিওঁ ওয়া হা-ম্মাহ, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিল লা-ম্মাহ

আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণী থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এ বাক্যগুলো দ্বারা হাসান (রাঃ) ও হুসাইন (রাঃ)-কে হেফাজত করাতেন। তিনি বলতেন, ইবরাহীম (আঃ) এ বাক্যদ্বারা তার দু সন্তান ইসমাঈল ও ইসহাক (আঃ)-কে হেফাজত করাতেন। সকল মুমিন পিতা ও মাতার উচিত সকাল ও সন্ধ্যায় এ বাক্যগুলো পাঠ করে সন্তানদের ফুঁক দেওয়া ও দোয়া করা। এছাড়া প্রত্যেকে নিজের হিফাযতের জন্য সকাল সন্ধ্যায় দোয়াটি পাঠ করবেন।

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ، وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَّامَّةٍ

আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের, সকল শয়তান থেকে, সকল ক্ষতিকারক পোকামাকড় ও প্রাণী থেকে এবং সকল ক্ষতিকারক দৃষ্টি থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

বদনজর থেকে হিফাযত

বদনজর থেকে হিফাযত

সূরা নাস

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

বিসমিল্লা-হির রাহমা-নির রাহি-ম। (১) ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। (২) মালিকিন্না-স, (৩) ইলা-হিন্না-স, (৪) মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, (৫) আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন্না-স, (৬) মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স

(১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: [১] সূরা ফালাক: ১-৫ [২] সূরা নাসঃ ১-৬ [৩] সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫১১

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন: “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) মানুষের এবং জিনের নযর থেকে হিফাযতের বিভিন্ন দোয়া পাঠ করতেন। যখন সূরা ফালাক ও সূরা নাস নাযিল হলো তখন তিনি অন্যান্য সকল দোয়া বাদ দিলেন।” [২]

সূরা নাস

بِسْمِ اللَّـهِ الرَّحْمَـٰنِ الرَّحِيمِ قُلْ أَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِ ﴿٢﴾ إِلَـٰهِ النَّاسِ ﴿٣﴾ مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ﴿٤﴾ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾

(১) বল, ‘আমি আশ্রয় চাই মানুষের রব, (২) মানুষের অধিপতি, (৩) মানুষের ইলাহ-এর কাছে, (৪) কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট থেকে, যে দ্রুত আত্মগোপন করে। (৫) যে মানুষের মনে কুমন্ত্রণা দেয়। (৬) জিন ও মানুষ থেকে। (সূরা নাসঃ ১-৬)

রেফারেন্স: [১] সূরা ফালাক: ১-৫ [২] সূরা নাসঃ ১-৬ [৩] সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫১১

অসুস্থতা ও বদনজরের মাসনূন দোয়া

অসুস্থতা ও বদনজরের মাসনূন দোয়া

بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اَللَّهُ يَشْفِيكْ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ

বিসমিল্লা-হি আর্‌ক্বীক, মিন কুল্লি শাইয়িন ইউ’যীক, মিন শার্‌রি কুল্লি নাফসিন আউ আ'ইনিন ‘হা-সিদিন, আল্লা-হু ইয়াশফীক, বিসমিল্লা-হি আর্‌ক্বীক

আল্লাহ্‌র নামে তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি, সকল কিছু থেকে যা তোমাকে কষ্ট দেয়, সকল প্রাণী ও হিংসুক চক্ষুর অনিষ্ট থেকে, আল্লাহ্‌ তোমাকে রোগমুক্ত করবেন, আল্লাহ্‌র নামে তোমাকে ঝাড়ফুক করছি।

রেফারেন্স: মুুসলিমঃ ২১৮৬

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, জিবরাঈল (আঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-এর কাছে আগমন করেন (তখন তিনি জ্বরাক্রান্ত ছিলেন)। জিবরাঈল (আঃ) বলেন, মুহাম্মাদ, আপনি কি অসুস্থ? তিনি বলেন: হ্যাঁ। তখন তিনি উপরের কথাগুলো বলেন।

بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيْكَ، مِنْ شَرِّ كُلِّ نَفْسٍ أَوْ عَيْنٍ حَاسِدٍ، اَللَّهُ يَشْفِيكْ، بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيْكَ

আল্লাহ্‌র নামে তোমাকে ঝাড়ফুঁক করছি, সকল কিছু থেকে যা তোমাকে কষ্ট দেয়, সকল প্রাণী ও হিংসুক চক্ষুর অনিষ্ট থেকে, আল্লাহ্‌ তোমাকে রোগমুক্ত করবেন, আল্লাহ্‌র নামে তোমাকে ঝাড়ফুক করছি।

রেফারেন্স: মুুসলিমঃ ২১৮৬

নজর লাগার আশঙ্কা হলে

নজর লাগার আশঙ্কা হলে

اَللَّهُمَّ أَذْهِبْ حَرَّهَا وَبَرْدَهَا، وَوَصَبَهَا

আল্লা-হুম্মা আয্‌হিব হার্‌রাহা- ওয়া বার্‌দাহা- ওয়া ওয়া-সাবাহা-

হে আল্লাহ্‌! তুমি তার (শরীরের) উত্তাপ দূর করে দাও! তার ঠান্ডা ও স্থায়ী ব্যথা দূর করে দাও!

রেফারেন্স: জায়্যিদ বা উত্তম সনদ (হুসাইন সালিম আসাদ)। মুসনাদ আবি ইয়া’লা আল-মাওসিলিঃ ৮১৯৫

اَللَّهُمَّ أَذْهِبْ حَرَّهَا وَبَرْدَهَا، وَوَصَبَهَا

হে আল্লাহ্‌! তুমি তার (শরীরের) উত্তাপ দূর করে দাও! তার ঠান্ডা ও স্থায়ী ব্যথা দূর করে দাও!

রেফারেন্স: জায়্যিদ বা উত্তম সনদ (হুসাইন সালিম আসাদ)। মুসনাদ আবি ইয়া’লা আল-মাওসিলিঃ ৮১৯৫

যখন কেউ কোন প্রীতিকর কিছু দেখে এবং বদনজর দিয়ে ক্ষতি না করতে চায় তখন তার জন্য পঠিতব্য দোয়া

যখন কেউ কোন প্রীতিকর কিছু দেখে এবং বদনজর দিয়ে ক্ষতি না করতে চায় তখন তার জন্য পঠিতব্য দোয়া

নবী (ﷺ) বলেন, "তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের মনোমুগ্ধকর কিছু দেখলে যেন তার জন্য বরকতের দোয়া করে।"

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ

বা-রাকাল্লা-হু লাক‌

আল্লাহ্‌ তোমাকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫০৯

নবী (ﷺ) বলেন, "তোমাদের কেউ তার ভাইয়ের মনোমুগ্ধকর কিছু দেখলে যেন তার জন্য বরকতের দোয়া করে।"

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ

আল্লাহ্‌ তোমাকে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৫০৯

দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

দুষ্ট শয়তানদের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে যা বলবে

শয়তানকে প্রতিহত করতে জিব্রীল (আঃ) নবী (ﷺ) কে বলেন -

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ

আ‘উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্-তা-ম্মা-তিল্লাতী লা ইয়ুজা-উইযুহুন্না বাররুন ওয়ালা- ফা-জিরুন মিন শাররি মা- খালাক্বা, ওয়া বারা’আ, ওয়া যারা’আ, ওয়ামিন শাররি মা- ইয়ানযিলু মিনাস্ সামা-য়ি, ওয়া মিন শার্‌রি মা- ইয়া’অ্‌রুজু ফীহা-, ওয়ামিন শাররি মা- যারাআ ফিল আরদ্বি, ওয়ামিন শাররি মা- ইয়াখরুজু মিনহা-, ওয়ামিন শাররি ফিতানিল-লাইলি ওয়ান-নাহা-রি, ওয়ামিন শাররি কুল্লি ত্বা-রিকিন ইল্লা- ত্বা-রিকান ইয়াত্বরুকু বিখাইরিন, ইয়া- রহ্‌মান

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না- আল্লাহ্‌ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: শাইখ আরনাউত (রহ) এর সনদকে সহিহ বলেছেন তাখরিজ লিতাহাবিয়্যাহ (১৩৩ পৃঃ)

শয়তানকে প্রতিহত করতে জিব্রীল (আঃ) নবী (ﷺ) কে বলেন -

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ الَّتِي لَا يُجَاوِزُهُنَّ بَرٌّ وَلَا فَاجِرٌ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ، وَبَرَأَ وَذَرَأَ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَنْزِلُ مِنَ السَّمَاءِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَعْرُجُ فِيهَا، وَمِنْ شَرِّ مَا ذَرَأَ فِي الْأَرْضِ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ مِنْهَا، وَمِنْ شَرِّ فِتَنِ اللَّيْلِ وَالنَّهَارِ، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ طَارِقٍ إِلَّا طَارِقًا يَطْرُقُ بِخَيْرٍ يَا رَحْمَنُ

আমি আল্লাহ্‌র ঐ সকল পরিপূর্ণ বাণীসমূহের সাহায্যে আশ্রয় চাই যা কোনো সৎলোক বা অসৎলোক অতিক্রম করতে পারে না- আল্লাহ্‌ যা সৃষ্টি করেছেন, অস্তিত্বে এনেছেন এবং তৈরি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, আসমান থেকে যা নেমে আসে তার অনিষ্ট থেকে, যা আকাশে উঠে তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবীতে তিনি সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট থেকে, যা পৃথিবী থেকে বেরিয়ে আসে তার অনিষ্ট থেকে, দিনে-রাতে সংঘটিত ফেতনার অনিষ্ট থেকে, আর রাত্রিবেলা হঠাৎ করে আগত অনিষ্ট থেকে, তবে রাতে আগত যে বিষয় কল্যাণ নিয়ে আসে তা ব্যতীত; হে দয়াময়!

রেফারেন্স: শাইখ আরনাউত (রহ) এর সনদকে সহিহ বলেছেন তাখরিজ লিতাহাবিয়্যাহ (১৩৩ পৃঃ)

নিজের কোন কিছু দেখে পছন্দ হলে

নিজের কোন কিছু দেখে পছন্দ হলে

مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

মা-শা-আল্লাহু লা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা- বিল্লা-হ

আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন শক্তি নেই।

রেফারেন্স: সূরা আল-কাহাফঃ ৩৯

مَا شَاءَ اللَّهُ لَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লাহ যা ইচ্ছে করেন, আল্লাহ ব্যতীত আর কোন শক্তি নেই।

রেফারেন্স: সূরা আল-কাহাফঃ ৩৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px