📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 প্রকৃতি সম্পর্কিত দোয়া সমূহ

📄 প্রকৃতি সম্পর্কিত দোয়া সমূহ


তীব্র বায়ুপ্রবাহ শুরু হলে

তীব্র বায়ুপ্রবাহ শুরু হলে

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “বায়ুপ্রবাহ হলো আল্লাহ্‌র (পাঠানো) সজীবতা; এটি করুণা নিয়ে আসে, আবার শাস্তিও নিয়ে আসে। তাই, বায়ুপ্রবাহ দেখলে তোমরা একে গালমন্দ কোরো না; (বরং) আল্লাহ্‌র কাছে এর কল্যাণ চাও, আর এর অনিষ্ট থেকে (তাঁর কাছে) আশ্রয় চাও।”

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৫০৯৭

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন, “বায়ুপ্রবাহ হলো আল্লাহ্‌র (পাঠানো) সজীবতা; এটি করুণা নিয়ে আসে, আবার শাস্তিও নিয়ে আসে। তাই, বায়ুপ্রবাহ দেখলে তোমরা একে গালমন্দ কোরো না; (বরং) আল্লাহ্‌র কাছে এর কল্যাণ চাও, আর এর অনিষ্ট থেকে (তাঁর কাছে) আশ্রয় চাও।”

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ৫০৯৭

বায়ূ প্রবাহিত / ঝড় হলে পড়ার দোয়া

বায়ূ প্রবাহিত / ঝড় হলে পড়ার দোয়া

আয়েশা (রাঃ) বলেন, ঝড় উঠলে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا، وَخَيْرَ مَا فِيهَا، وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ مَا فِيهَا، وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্‌আলুকা খাইরাহা- ওয়া খাইরা মা- ফীহা-, ওয়া খাইরা মা- উর্‌সিলাত্ বিহী। ওয়া আ‘উযু বিকা মিন শার্‌রিহা-, ওয়া শার্‌রি মা- ফীহা-, ওয়া শার্‌রি মা- উর্‌সিলাত্‌ বিহী

হে আল্লাহ্‌ আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এর (এ বাতাসের) কল্যাণ, এর মধ্যে বিদ্যমান কল্যাণ ও এ যা বহন করে এনেছে সে কল্যাণ। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এর অনিষ্ট এর মধ্যে বিদ্যমান অনিষ্ট এবং যে অনিষ্ঠ সে বহন করে এনেছে তা থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮৯৯

আয়েশা (রাঃ) বলেন, ঝড় উঠলে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا، وَخَيْرَ مَا فِيهَا، وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ مَا فِيهَا، وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ

হে আল্লাহ্‌ আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এর (এ বাতাসের) কল্যাণ, এর মধ্যে বিদ্যমান কল্যাণ ও এ যা বহন করে এনেছে সে কল্যাণ। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এর অনিষ্ট এর মধ্যে বিদ্যমান অনিষ্ট এবং যে অনিষ্ঠ সে বহন করে এনেছে তা থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮৯৯

মেঘমালা ঘনীভূত হতে দেখলে #১

মেঘমালা ঘনীভূত হতে দেখলে #১

ঘন কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে গেলে নবী (ﷺ)-এর (চেহারার) রঙ বদলে যেত; তিনি তখন ঘরে ঢুকতেন, বের হতেন, সামনের দিকে যেতেন আবার পেছনের দিকে আসতেন। এরপর বৃষ্টি (শুরু) হলে, তাঁর আতঙ্কভাব চলে যেত। তাঁর চেহারা দেখে আমি তা বুঝতে পারতাম। একবার (এর কারণ সম্পর্কে) নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। জবাবে তিনি বলেন, “আয়িশা! এটি তো ওই মেঘমালার মতোও হতে পারে, যা দেখে আদ জাতির লোকেরা বলে ওঠেছিল - (২৪) অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে মেঘমালা দেখল তখন তারা বলল, ‘এ মেঘমালা আমাদেরকে বৃষ্টি দেবে’। (হূদ বলল,) বরং এটি তা-ই যা তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে। এ এক ঝড়, যাতে যন্ত্রণাদায়ক আযাব রয়েছে’। (২৫) এটা তার রবের নির্দেশে সব কিছু ধ্বংস করে দেবে’। ফলে তারা এমন (ধ্বংস) হয়ে গেল যে, তাদের আবাসস্থল ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এভাবেই আমি অপরাধী কওমকে প্রতিফল দিয়ে থাকি। (সূরা আল-আহকাফ ৪৬:২৪-২৫)

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২০৬

ঘন কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে গেলে নবী (ﷺ)-এর (চেহারার) রঙ বদলে যেত; তিনি তখন ঘরে ঢুকতেন, বের হতেন, সামনের দিকে যেতেন আবার পেছনের দিকে আসতেন। এরপর বৃষ্টি (শুরু) হলে, তাঁর আতঙ্কভাব চলে যেত। তাঁর চেহারা দেখে আমি তা বুঝতে পারতাম। একবার (এর কারণ সম্পর্কে) নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। জবাবে তিনি বলেন, “আয়িশা! এটি তো ওই মেঘমালার মতোও হতে পারে, যা দেখে আদ জাতির লোকেরা বলে ওঠেছিল - (২৪) অতঃপর যখন তারা তাদের উপত্যকার দিকে মেঘমালা দেখল তখন তারা বলল, ‘এ মেঘমালা আমাদেরকে বৃষ্টি দেবে’। (হূদ বলল,) বরং এটি তা-ই যা তোমরা ত্বরান্বিত করতে চেয়েছিলে। এ এক ঝড়, যাতে যন্ত্রণাদায়ক আযাব রয়েছে’। (২৫) এটা তার রবের নির্দেশে সব কিছু ধ্বংস করে দেবে’। ফলে তারা এমন (ধ্বংস) হয়ে গেল যে, তাদের আবাসস্থল ছাড়া আর কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। এভাবেই আমি অপরাধী কওমকে প্রতিফল দিয়ে থাকি। (সূরা আল-আহকাফ ৪৬:২৪-২৫)

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২০৬

মেঘমালা ঘনীভূত হতে দেখলে #২

মেঘমালা ঘনীভূত হতে দেখলে #২

اَللَّهُمَّ إِنِّي اَعُوذُبِكَ مِنْ شَرِّهَا

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন শাররিহা-

হে আল্লাহ্‌! আমি এর অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৫০৯৯

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আকাশের কোনও এক দিগন্তে মেঘমালা ঘনীভূত হতে দেখলে, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সকল কাজ বন্ধ করে দিতেন, এমনকি সালাতে থাকলেও! এরপর সেদিকে ফিরে বলতেন - (উপরে উল্লেখিত দোয়া)

اَللَّهُمَّ إِنِّي اَعُوذُبِكَ مِنْ شَرِّهَا

হে আল্লাহ্‌! আমি এর অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৫০৯৯

বৃষ্টির সময় দোয়া #১

বৃষ্টির সময় দোয়া #১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বৃষ্টি দেখলে বলতেন -

اَللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا

আল্লা-হুম্মা, স্বাইয়িবান না-ফি’আন

হে আল্লাহ্‌! মুষলধারে উপকারী বৃষ্টি বর্ষণ করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১০৩২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বৃষ্টি দেখলে বলতেন -

اَللَّهُمَّ صَيِّبًا نَافِعًا

হে আল্লাহ্‌! মুষলধারে উপকারী বৃষ্টি বর্ষণ করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১০৩২

বৃষ্টির পানি গায়ে লাগানো

বৃষ্টির পানি গায়ে লাগানো

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা ছিলাম আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে। একপর্যায়ে আমাদের উপর বৃষ্টি পড়তে শুরু করে। তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তাঁর কাপড়ের কিছু অংশ ওঠান, যাতে বৃষ্টির পানি তাঁর গায়ে লাগে। আমরা জিজ্ঞাসা করি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি এ কাজ কেন করেছেন?” তিনি বলেন, “এটি তাঁর মহান রবের পক্ষ থেকে এইমাত্র এসেছে!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮৯৮

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা ছিলাম আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর সঙ্গে। একপর্যায়ে আমাদের উপর বৃষ্টি পড়তে শুরু করে। তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তাঁর কাপড়ের কিছু অংশ ওঠান, যাতে বৃষ্টির পানি তাঁর গায়ে লাগে। আমরা জিজ্ঞাসা করি, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আপনি এ কাজ কেন করেছেন?” তিনি বলেন, “এটি তাঁর মহান রবের পক্ষ থেকে এইমাত্র এসেছে!”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮৯৮

বজ্রপাতের সময় #১

বজ্রপাতের সময় #১

আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) বজ্রধ্বনি শুনলে বলতেন -

سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيْفَتِهِ

সুব্‌’হা-নাল্লাযী ইউসাব্বি’হুর্‌ রা’অদু বি’হাম্‌দিহী ওয়াল মালা-য়িকাতু মিন ‘খিফাতিহী

পাক পবিত্র সেই মহান সত্তা, যাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করে প্রশংসা সহকারে মেঘের গর্জন এবং ফেরেশতাগণ তাঁর ভয়ে ভীত হয়ে পবিত্রতা বর্ণনা করে।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৫৬০

আব্দুল্লাহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) বজ্রধ্বনি শুনলে বলতেন -

سُبْحَانَ الَّذِي يُسَبِّحُ الرَّعْدُ بِحَمْدِهِ وَالْمَلَائِكَةُ مِنْ خِيْفَتِهِ

পাক পবিত্র সেই মহান সত্তা, যাঁর পবিত্রতা বর্ণনা করে প্রশংসা সহকারে মেঘের গর্জন এবং ফেরেশতাগণ তাঁর ভয়ে ভীত হয়ে পবিত্রতা বর্ণনা করে।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৫৬০

বজ্রপাতের সময় #২

বজ্রপাতের সময় #২

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, বজ্রধ্বনি বা বর্জতুল্য উচ্চ আওয়াজ শুনলে, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

আল্লা-হুম্মা লা- তাক্বতুল্‌না বিগাদ্বাবিকা ওয়ালা তুহ্‌লিক্বনা বি-আযা‘বিকা ওয়া-আ‘ফিনা ক্বব্‌লা যালিক

হে আল্লাহ্‌! তোমার ক্রোধ দিয়ে আমাদের হত্যা করো না; তোমার শাস্তি দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না; এর আগেই তুমি আমাদের মাফ করে দাও!

রেফারেন্স: সহিহুল ইসনাদ (আহমাদ শাকির)। মুসনাদ আহমাদঃ ৮/৯৮

আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, বজ্রধ্বনি বা বর্জতুল্য উচ্চ আওয়াজ শুনলে, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَا تَقْتُلْنَا بِغَضَبِكَ وَلَا تُهْلِكْنَا بِعَذَابِكَ وَعَافِنَا قَبْلَ ذَلِكَ

হে আল্লাহ্‌! তোমার ক্রোধ দিয়ে আমাদের হত্যা করো না; তোমার শাস্তি দিয়ে আমাদের ধ্বংস করো না; এর আগেই তুমি আমাদের মাফ করে দাও!

রেফারেন্স: সহিহুল ইসনাদ (আহমাদ শাকির)। মুসনাদ আহমাদঃ ৮/৯৮

অশুভ ধারণার কাফফারা

অশুভ ধারণার কাফফারা

اَللَّهُمَّ لَا طَيْرَ إِلاَّ طَيْرُكَ، وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

আল্লা-হুম্মা, লা-ত্বাইরা ইল্লা- ত্বাইরুকা, ওয়ালা- খাইরা ইল্লা- খাইরুকা, ওয়ালা- ইলা-হা গাইরুক

হে আল্লাহ্‌, আপনার শুভাশুভ ছাড়া কোনো অশুভত্ব নেই, আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই এবং আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলা সহিহাঃ ১০৬৫, মুসনাদে আহমাদঃ ৭০৪৫

ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, “অশুভ বা অযাত্রা চিন্তা করে যে ব্যক্তি তার কর্ম থেকে বিরত থাকল সে ব্যক্তি শিরকে নিপতিত হলো। সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল, এরূপ চিন্তা মনে আসলে তার কাফফারা কী? তিনি বলেন, সে যেন (উপরের কথাগুলো) বলে।

اَللَّهُمَّ لَا طَيْرَ إِلاَّ طَيْرُكَ، وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

হে আল্লাহ্‌, আপনার শুভাশুভ ছাড়া কোনো অশুভত্ব নেই, আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই এবং আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলা সহিহাঃ ১০৬৫, মুসনাদে আহমাদঃ ৭০৪৫

অনাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির সময়

অনাবৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির সময়

اَللَّهُمَّ عَلَى ظُهُوْرِ الْجِبَالِ وَالْآكَامِ وَبُطُوْنِ الْأَوْدِيَةِ وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ

আল্লা-হুম্মা ‘আলা যুহুরিল জিবা-লি ওয়াল আকা-মি ওয়া বুতুনিল আওদিয়াতি ওয়া মানা-বিতিশ শাজারি

হে আল্লাহ্‌! (বৃষ্টি বর্ষিত হোক) পাহাড়ের চূড়ার উপর, মালভূমিতে, বিভিন্ন উপত্যকায় ও যেখানে গাছপালা গজায়।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১০১৯

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের জীবজন্তু গুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে এবং রাস্তাঘাট বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আপনি আল্লাহ্‌র কাছে (বৃষ্টির জন্য) দোয়া করুন!” নবী (ﷺ) আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করেন। ফলে, এক জুমুআহ থেকে আরেক জুমুআহ পর্যন্ত আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়। এরপর এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে বলে, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের বাড়িঘরগুলো ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, রাস্তাঘাট বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে আর গবাদিপশুগুলো ধ্বংসের মুখে পতিত হয়েছে।” তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেন - (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে) ফলে মদীনা হতে মেঘ এমনভাবে কেটে গেল যেমন কাপড় ছিড়ে ফাঁক হয়ে যায়।

اَللَّهُمَّ عَلَى ظُهُوْرِ الْجِبَالِ وَالْآكَامِ وَبُطُوْنِ الْأَوْدِيَةِ وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ

হে আল্লাহ্‌! (বৃষ্টি বর্ষিত হোক) পাহাড়ের চূড়ার উপর, মালভূমিতে, বিভিন্ন উপত্যকায় ও যেখানে গাছপালা গজায়।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১০১৯

ইসতিসক্বা বা মেঘ-বৃষ্টির প্রয়োজন হলে #১

ইসতিসক্বা বা মেঘ-বৃষ্টির প্রয়োজন হলে #১

জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (বৃষ্টি না হওয়ায়) কিছু লোক কাঁদতে কাঁদতে নবী (ﷺ)-এর কাছে আসে। তখন নবী (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيْثًا مَرِيْئًا مَرِيْعًا نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ عَاجِلًا غَيْرَ آجِلٍ

আল্লা-হুম্মাসক্বিনা- গাইছান মুগীছান মারীয়ান মারী‘আন না-ফি‘আন গাইরা দ্বা-ররিন ‘আ-জিলান গাইরা আ-জিল

হে আল্লাহ্‌! আমাদের এমন বৃষ্টি দাও, যা উপকারী, কল্যাণময় ও কার্যকরী; যা আমাদের উপকার করবে, কোনও ক্ষতি করবে না; দ্রুত বৃষ্টি দাও, বিলম্বিত নয়।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১১৬৯

এর পরপরই তাদের উপরকার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে ওঠে।

জাবির ইবনু আব্দিল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, (বৃষ্টি না হওয়ায়) কিছু লোক কাঁদতে কাঁদতে নবী (ﷺ)-এর কাছে আসে। তখন নবী (ﷺ) বলেন -

اَللَّهُمَّ اسْقِنَا غَيْثًا مُغِيْثًا مَرِيْئًا مَرِيْعًا نَافِعًا غَيْرَ ضَارٍّ عَاجِلًا غَيْرَ آجِلٍ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের এমন বৃষ্টি দাও, যা উপকারী, কল্যাণময় ও কার্যকরী; যা আমাদের উপকার করবে, কোনও ক্ষতি করবে না; দ্রুত বৃষ্টি দাও, বিলম্বিত নয়।

রেফারেন্স: সহীহ। আবূ দাঊদঃ ১১৬৯

ইসতিসক্বা বা মেঘ-বৃষ্টির প্রয়োজন হলে #২

ইসতিসক্বা বা মেঘ-বৃষ্টির প্রয়োজন হলে #২

اَللَّهُمَّ أَغِثْنَا، اَللَّهُمَّ أَغِثْنَا، اَللَّهُمَّ أَغِثْنَا

আল্লা-হুম্মা আগিছনা-। আল্লা-হুম্মা আগিছনা-। আল্লা-হুম্মা আগিছনা-

হে আল্লাহ্‌! আমাদের বৃষ্টি দাও! হে আল্লাহ্‌! আমাদের বৃষ্টি দাও! হে আল্লাহ্‌! আমাদের বৃষ্টি দাও!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১০১৪

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি জুমুআর দিন মসজিদে প্রবেশ করে। আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তখন দাঁড়িয়ে খুতবা (ভাষণ) দিচ্ছেন। ওই লোকটি বলে, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল! (আমাদের) ধনসম্পদ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, রাস্তাঘাট বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে; আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করুন, তিনি যেন আমাদের বৃষ্টি দেন।” এ কথা শুনে, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) দু' হাত তুলে বলেন- (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ أَغِثْنَا، اَللَّهُمَّ أَغِثْنَا، اَللَّهُمَّ أَغِثْنَا

হে আল্লাহ্‌! আমাদের বৃষ্টি দাও! হে আল্লাহ্‌! আমাদের বৃষ্টি দাও! হে আল্লাহ্‌! আমাদের বৃষ্টি দাও!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১০১৪

ইসতিসক্বা বা মেঘ-বৃষ্টির প্রয়োজন হলে #৩

ইসতিসক্বা বা মেঘ-বৃষ্টির প্রয়োজন হলে #৩

বৃষ্টি চাওয়ার সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ اسْقِ عِبَادَكَ، وَبَهَائِمَكَ، وَانْشُرْ رَحْمَتَكَ، وَأَحْيِي بَلَدَكَ الْمَيِّتَ

আল্লা-হুম্মাসক্বি 'ইবা-দাকা ওয়া বাহা-ইমাকা ওয়ানশুর র'হমাতাকা ওয়া আ'হয়ি বালাদাকাল মায়্যিতা

হে আল্লাহ্‌! আপনি আপনার বান্দাগণকে ও জীব- জন্তুগুলোকে পানি পান করান, আর আপনার রহমত বিস্তৃত করুন এবং আপনার মৃত শহরকে সজীব করুন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ১১৭৬

বৃষ্টি চাওয়ার সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ اسْقِ عِبَادَكَ، وَبَهَائِمَكَ، وَانْشُرْ رَحْمَتَكَ، وَأَحْيِي بَلَدَكَ الْمَيِّتَ

হে আল্লাহ্‌! আপনি আপনার বান্দাগণকে ও জীব- জন্তুগুলোকে পানি পান করান, আর আপনার রহমত বিস্তৃত করুন এবং আপনার মৃত শহরকে সজীব করুন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ১১৭৬

অতিবৃষ্টি বন্ধের জন্য দোয়া

অতিবৃষ্টি বন্ধের জন্য দোয়া

اَللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اَللَّهُمَّ عَلَى الْآكَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ

আল্লা-হুম্মা 'হাওয়া-লাইনা- ওয়ালা ‘আলাইনা-। আল্লা-হুম্মা 'আলাল-আ-কা-মি ওয়ায্যিরা-বি ওয়াবুতূনিল আওদিয়াতি ওয়ামানা-বিতিশ শাজার

হে আল্লাহ্‌! আমাদের আশেপাশে (বর্ষিত হোক), আমাদের উপর না; হে আল্লাহ্‌! (বৃষ্টি বর্ষিত হোক) মালভূমি ও পাহাড়ে, উপত্যকা ও গাছপালা গজানোর জায়গায়।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ১/২১৮

اَللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا وَلَا عَلَيْنَا، اَللَّهُمَّ عَلَى الْآكَامِ وَالظِّرَابِ، وَبُطُونِ الْأَوْدِيَةِ، وَمَنَابِتِ الشَّجَرِ

হে আল্লাহ্‌! আমাদের আশেপাশে (বর্ষিত হোক), আমাদের উপর না; হে আল্লাহ্‌! (বৃষ্টি বর্ষিত হোক) মালভূমি ও পাহাড়ে, উপত্যকা ও গাছপালা গজানোর জায়গায়।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ১/২১৮

বৃষ্টি পাওয়ার পর আল্লাহ্‌র শুকরিয়া

বৃষ্টি পাওয়ার পর আল্লাহ্‌র শুকরিয়া

مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وَرَحْمَتِهِ

মুতিরনা- বিফাদলিল্লা-হি ওয়া রহমাতি-হি

আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও দয়ার ফলে আমরা বৃষ্টি পেয়েছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪৬

যাইদ ইবনু খালিদ জুহানি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘হুদাইবিয়ায় রাতের বেলা বৃষ্টি হওয়ার পর, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের নিয়ে ফজরের সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে, তিনি লোকদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বলেন, “তোমরা কি জানো, তোমাদের রব কী বলেছেন?” সাহাবীগণ বলেন, “আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন!” নবী (ﷺ) বলেন, “(আল্লাহ্‌ বলেছেন) আমার বান্দাদের মধ্যে কেউ আজ সকাল যাপন করেছে আমার প্রতি ঈমান রেখে, আর কেউ আমার প্রতি কুফরি করে। যে বলেছে- (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে) আমার উপর তার ঈমান আছে এবং সে তারকারাজির সঙ্গে কুফরি করেছে; আর যে বলেছে, “আমরা বৃষ্টি পেয়েছি অমুক অমুক তারকার কারণে, সে আমার সঙ্গে কুফরি করেছে, আর ঈমান এনেছে তারকার উপর!”

مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وَرَحْمَتِهِ

আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও দয়ার ফলে আমরা বৃষ্টি পেয়েছি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৪৬

বৃষ্টি চাওয়ার দোয়া (সালাতুল ইসতিসক্বা)

বৃষ্টি চাওয়ার দোয়া (সালাতুল ইসতিসক্বা)

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ يَفْعَلُ مَا يُرِيْدُ اَللَّهُمَّ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْغَنِيُّ وَنَحْنُ الْفُقَرَاءُ أَنْزِلْ عَلَيْنَا الْغَيْثَ وَاجْعَلْ مَا أَنْزَلْتَ لَنَا قُوَّةً وَّبَلَاغًا إِلٰى حِيْنٍ.

আল্‌হাম্‌দু লিল্লাহি রাব্বিল্‌ আ'লামি-ন, আর্‌-রাহ্‌মানির্‌ রাহি-ম, মা-লিকি ইয়াওমিদ্দি-ন, লা- ইলাহা- ইল্লাল্লাহু ইয়াফ্‌’আলু মা ইউরিদ, আল্লা-হুম্মা আন্‌তাল্লা-হু লা- ইলাহা- ইল্লা- আনতাল্‌ গানীয়্যূ ওয়া নাহ্‌নুল্‌ ফুক্বারা, আন্‌যিল্‌ আলাইনাল্‌ গাইস্বা ওয়াজ’আল মা আন্‌যাল্‌তা লানা ক্বুওয়্যাতাও-ওয়া বালাগান ইলা হীন।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্য, যিনি সমস্ত বিশ্ব জগতের রব। তিনি পরম দয়ালু, অতি মেহেরবান, কেয়ামত-দিবসের একচ্ছত্র অধিপতি। তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনি যা ইচ্ছা, তা-ই করেন। হে আল্লাহ, আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি অমুখাপেক্ষী, আমরা মুখাপেক্ষী। আপনি আমাদের বৃষ্টি দান করুন। যে বৃষ্টি আপনি বর্ষণ করবেন, তাকে আমাদের জন্য সুনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জীবন ও জীবিকা লাভের মাধ্যম বানিয়ে দেন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ১১৭৩

তারপর (আকাশ পানে) উভয় হাত (এতো উপরে) উঠাবে, যেন বগলের শুভ্রতা (অর্থাৎ বগলের ভেতরের অংশ) দেখা যায়। তারপর সমবেত লোকদের দিকে পিঠ দিয়ে (কেবলামুখী হয়ে) নিজের চাদর উল্টে দেবে (নিচের অংশ উপরে, উপরের অংশ নিচে, ডানের অংশ বামে এবং বামের অংশ ডানে করে দেবে)। এ সময় হাত (ওইভাবেই আকাশের দিকে) উঁচু করে রাখবে। তারপর লোকদের দিকে ফিরে মিম্বর থেকে নিচে নামবে এবং দুই রাকাত (ইসতেসকার) নামায পড়বে।

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ يَفْعَلُ مَا يُرِيْدُ اَللَّهُمَّ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْغَنِيُّ وَنَحْنُ الْفُقَرَاءُ أَنْزِلْ عَلَيْنَا الْغَيْثَ وَاجْعَلْ مَا أَنْزَلْتَ لَنَا قُوَّةً وَّبَلَاغًا إِلٰى حِيْنٍ.

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্য, যিনি সমস্ত বিশ্ব জগতের রব। তিনি পরম দয়ালু, অতি মেহেরবান, কেয়ামত-দিবসের একচ্ছত্র অধিপতি। তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনি যা ইচ্ছা, তা-ই করেন। হে আল্লাহ, আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। আপনি অমুখাপেক্ষী, আমরা মুখাপেক্ষী। আপনি আমাদের বৃষ্টি দান করুন। যে বৃষ্টি আপনি বর্ষণ করবেন, তাকে আমাদের জন্য সুনির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত জীবন ও জীবিকা লাভের মাধ্যম বানিয়ে দেন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ১১৭৩

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া #১

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া #১

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا أُرْسِلَ بِهِ اَللَّهُمَّ سَيْبًا نَافِعًا.

আল্লা-হুম্মা ইন্না নাঊ’যু বিকা মিন শার্‌রি মা উর্‌সিলা বিহি, আল্লা-হুম্মা সাইবান নাফি’আন।

হে আল্লাহ, আমরা ওই সকল অনিষ্টতা থেকে আপনার আশ্রয় চাই, যা নিয়ে এই মেঘমালা প্রেরিত হয়েছে। হে আল্লাহ, আপনি তাকে অবিরাম বর্ষণকারী ও উপকারী বৃষ্টি বানিয়ে দেন।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৮৯

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا أُرْسِلَ بِهِ اَللَّهُمَّ سَيْبًا نَافِعًا.

হে আল্লাহ, আমরা ওই সকল অনিষ্টতা থেকে আপনার আশ্রয় চাই, যা নিয়ে এই মেঘমালা প্রেরিত হয়েছে। হে আল্লাহ, আপনি তাকে অবিরাম বর্ষণকারী ও উপকারী বৃষ্টি বানিয়ে দেন।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৮৯

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া #২

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া #২

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ هٰذِهِ الرِّيْحِ، وَخَيْرِ مَا فِيْهَا، وَخَيْرِ مَا أُمِرَتْ بِهِ وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ هٰذِهِ الرِّيْحِ وَشَرِّ مَا فِيْهَا وَشَرِّ مَا أُمِرَتْ بِهِ

আল্লা-হুম্মা ইন্না নাস্‌আলুকা মিন খাইরি হা-যিহির্‌ রিহ, ওয়া খাইরি মা ফিহা, ওয়া খাইরি মা উমিরাত বিহী, ওয়া নাঊ’যু বিকা মিন শার্‌রি হা-যিহির্‌ রিহ, ওয়া শার্‌রি মা ফিহা ওয়া শার্‌রি মা উমিরাত বিহী।

হে আল্লাহ, আমরা আপনার কাছে এই তুফানের কল্যাণ ও বরকত, যা তাতে রয়েছে তার কল্যাণ ও বরকত, যা তাকে আদেশ করা হয়েছে তার কল্যাণ ও বরকত চাই। আর এই তুফানের অকল্যাণ, যা তাতে রয়েছে তার অকল্যাণ, যা তাকে আদেশ করা হয়েছে, তার অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২২৫২

اَللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ هٰذِهِ الرِّيْحِ، وَخَيْرِ مَا فِيْهَا، وَخَيْرِ مَا أُمِرَتْ بِهِ وَنَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ هٰذِهِ الرِّيْحِ وَشَرِّ مَا فِيْهَا وَشَرِّ مَا أُمِرَتْ بِهِ

হে আল্লাহ, আমরা আপনার কাছে এই তুফানের কল্যাণ ও বরকত, যা তাতে রয়েছে তার কল্যাণ ও বরকত, যা তাকে আদেশ করা হয়েছে তার কল্যাণ ও বরকত চাই। আর এই তুফানের অকল্যাণ, যা তাতে রয়েছে তার অকল্যাণ, যা তাকে আদেশ করা হয়েছে, তার অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২২৫২

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া #৩

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া #৩

اَللَّهُمَّ لَقْحًا، لَا عَقِيْمًا

আল্লা-হুম্মা লাক্বহা, লা আক্বি’মা।

হে আল্লাহ, (আপনি এই তুফানকে) বৃষ্টি বর্ষণকারী বানিয়ে দিন, বন্ধ্যা (কল্যাণশূণ্য) বানাবেন না।

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ২০৫৮

اَللَّهُمَّ لَقْحًا، لَا عَقِيْمًا

হে আল্লাহ, (আপনি এই তুফানকে) বৃষ্টি বর্ষণকারী বানিয়ে দিন, বন্ধ্যা (কল্যাণশূণ্য) বানাবেন না।

রেফারেন্স: হাসান। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ২০৫৮

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া #৪

বৃষ্টির ক্ষতি থেকে বাঁচার দোয়া #৪

اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا أُمِرَتْ بِهِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا أُمِرَتْ بِهِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন খাইরি মা উমিরাত বিহী, ওয়া আ‘উযুবিকা মিন শাররি মা উমিরাত বিহী।

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এই তুফানকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার কল্যাণ প্রার্থনা করি এবং এই তুফানকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ (ইবনে হাজার আল আসকালানী)। ফাতহুল বারীঃ ২/৬০৪, সহীহ (ওয়াদী)। সহীহ মুসনাদঃ ৭৩

اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا أُمِرَتْ بِهِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا أُمِرَتْ بِهِ

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে এই তুফানকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার কল্যাণ প্রার্থনা করি এবং এই তুফানকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার অকল্যাণ থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: সহীহ (ইবনে হাজার আল আসকালানী)। ফাতহুল বারীঃ ২/৬০৪, সহীহ (ওয়াদী)। সহীহ মুসনাদঃ ৭৩

বৃষ্টির সময় দোয়া #২

বৃষ্টির সময় দোয়া #২

اللَّهُمَّ صَيِّبًا هَنِيْئًا

আল্লা-হুম্মা স্বায়্যিবান হানিআ

হে আল্লাহ! উপকারী বৃষ্টি দাও।

রেফারেন্স: সহিহ। আবূ দাউদঃ ৫০৯৯

اللَّهُمَّ صَيِّبًا هَنِيْئًا

হে আল্লাহ! উপকারী বৃষ্টি দাও।

রেফারেন্স: সহিহ। আবূ দাউদঃ ৫০৯৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px