📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 খাওয়া ও পান করার মাঝের দোয়া

📄 খাওয়া ও পান করার মাঝের দোয়া


খাওয়া ও পান করার মাঝের দোয়া

খাওয়া ও পান করার মাঝের দোয়া

আল্লাহ্‌ তা‘আলা ঐ ব্যক্তির উপর সন্তুষ্ট হন, যে খাওয়া ও পান করার মাঝে বলে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ‎

আলহামদুলিল্লা-হ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৪

আল্লাহ্‌ তা‘আলা ঐ ব্যক্তির উপর সন্তুষ্ট হন, যে খাওয়া ও পান করার মাঝে বলে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ‎

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৪

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 খাওয়া শেষে দোয়া সমূহ

📄 খাওয়া শেষে দোয়া সমূহ


খাওয়া শেষে দোয়ার গুরুত্ব

খাওয়া শেষে দোয়ার গুরুত্ব

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “আল্লাহ্‌ ওই বান্দার উপর অবশ্যই খুশি হবেন, যে খাবার খেয়ে খাবারের জন্য আল্লাহ্‌র প্রশংসা করে অথবা পানীয় পান করে পানীয়র জন্য আল্লাহ্‌র প্রশংসা করে"।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৪

আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “আল্লাহ্‌ ওই বান্দার উপর অবশ্যই খুশি হবেন, যে খাবার খেয়ে খাবারের জন্য আল্লাহ্‌র প্রশংসা করে অথবা পানীয় পান করে পানীয়র জন্য আল্লাহ্‌র প্রশংসা করে"।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭৩৪

খাবারের পরের যিক্‌র

খাবারের পরের যিক্‌র

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِيْ هَذَا وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ

আল’হামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত’আমানী হা-যা ওয়া রাঝাক্বানীহি মিন গাইরি ‘হাওলিম মিন্নী ওয়ালা ক্বুওয়্যাহ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র, যিনি আমাকে এ খাবার খাইয়েছেন এবং এ রিযক দিয়েছেন, (এখানে) আমার কোনও শক্তি-সামর্থ্য কিছুই নেই।

রেফারেন্স: হাসান। ইবন মাজাহঃ ৩২৮৫

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, “যদি কেউ খাদ্য গ্রহণ করে এ কথাগুলো বলে তাহলে তার পূর্বেকার গোনাহ ক্ষমা করা হবে।”

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنِيْ هَذَا وَرَزَقَنِيْهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلَا قُوَّةٍ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র, যিনি আমাকে এ খাবার খাইয়েছেন এবং এ রিযক দিয়েছেন, (এখানে) আমার কোনও শক্তি-সামর্থ্য কিছুই নেই।

রেফারেন্স: হাসান। ইবন মাজাহঃ ৩২৮৫

দুধ খাওয়ার পরের যিক্‌র

দুধ খাওয়ার পরের যিক্‌র

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, যদি কেউ দুধ পান করে তবে বলবে -

اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ وَزِدْنَا مِنْهُ

আল্লা-হুম্মা বা-রিক লানা- ফীহি ওয়া যিদনা মিনহু

হে আল্লাহ্‌ আপনি এতে বরকত প্রদান করুন এবং আমাদেরকে এর চেয়ে উত্তম কিছু খাওয়ান।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনু মাজাহঃ ৩৩২২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, যদি কেউ দুধ পান করে তবে বলবে -

اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِيهِ وَزِدْنَا مِنْهُ

হে আল্লাহ্‌ আপনি এতে বরকত প্রদান করুন এবং আমাদেরকে এর চেয়ে উত্তম কিছু খাওয়ান।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনু মাজাহঃ ৩৩২২

খাবারের পরের যিক্‌র #১

খাবারের পরের যিক্‌র #১

(খাওয়া শেষে) নবী (ﷺ) দস্তরখানা ওঠানোর সময় বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ، غَيْرَ مَكْفِيٍّ وَلَا مُوَدَّعٍ، وَلَا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا

আলহামদু লিল্লা-হি হামদান কাছিরান তায়্যিবান মুবা-রাকান ফীহি, গাইরা মাকফিয়্যিন ওয়ালা মুয়াদ্দা‘ইন, ওয়ালা মুসতাগনান ‘আনহু রব্বানা-

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র, (এমন প্রশংসা যা) পরিমাণে বিপুল, পবিত্র, বরকতময়, (তুমি আমাদের জন্য) যথেষ্ট ও অপরিত্যাজ্য; আমরা সবাই তোমার মুখাপেক্ষী, হে আমাদের রব!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৪৫৮, সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৫৬

(খাওয়া শেষে) নবী (ﷺ) দস্তরখানা ওঠানোর সময় বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ، غَيْرَ مَكْفِيٍّ وَلَا مُوَدَّعٍ، وَلَا مُسْتَغْنًى عَنْهُ رَبَّنَا

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র, (এমন প্রশংসা যা) পরিমাণে বিপুল, পবিত্র, বরকতময়, (তুমি আমাদের জন্য) যথেষ্ট ও অপরিত্যাজ্য; আমরা সবাই তোমার মুখাপেক্ষী, হে আমাদের রব!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫৪৫৮, সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৫৬

খাবারের পরের যিক্‌র #২

খাবারের পরের যিক্‌র #২

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) খাবার বা পানীয় গ্রহণ করে বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَ وَسَقَى وَسَوَّغَهُ وَجَعَلَ لَهُ مَخْرَجًا

আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ব‘আমা ওয়া সাক্বা- ওয়া সাউওয়াগাহূ ওয়া জা‘আলা লাহূ মাখরাজা

ঐ আল্লাহ্‌র প্রশংসা, যিনি খাওয়ালেন, পান করালেন এবং সহজভাবে প্রবেশ করালেন ও তা বের হওয়ার ব্যবস্থা করলেন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩৮৫১

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) খাবার বা পানীয় গ্রহণ করে বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَ وَسَقَى وَسَوَّغَهُ وَجَعَلَ لَهُ مَخْرَجًا

ঐ আল্লাহ্‌র প্রশংসা, যিনি খাওয়ালেন, পান করালেন এবং সহজভাবে প্রবেশ করালেন ও তা বের হওয়ার ব্যবস্থা করলেন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩৮৫১

খাবার এর শেষে

খাবার এর শেষে

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ يُطْعِمُ وَلَا يُطْعَمُ، مَنَّ عَلَيْنَا فَهَدَانَا وَأَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَكُلَّ بَلَاءٍ حَسَنٍ أَبْلَانَا، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ غَيرَ مُوَدَّعٍ وَّلَا مُكَافَأٍ وَّلَا مُكَافَأٍ وَّلَا مَكْفُوْرٍ وَّلَا مُسْتَغْنًى عَنْهُ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ أَطْعَمَ مِنَ الطَّعَامِ وَسَقٰى مِنَ الشَّرَابِ وَكَسٰی مِنَ العُرْيِ وَهَدٰى مِنَ الضَّلَالَةِ وَبَصَّرَ مِنَ العَمْيِ وَفَضَّلَ عَلٰى كَثِيْرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلًا، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ.

আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযি উত্বইমু ওয়ালা- উত্বআমু, মান্না আলাইনা- ফাহাদা-না ওয়া আত্ব’আমানা- ওয়া সাক্বানা- ওয়া কুল্লা বালা-ইন হাসানিন আবলা-না, আলহামদু লিল্লা-হি গাইরা মুওয়াদ্দাইও ওয়ালা মুকা-ফাইও ওয়ালা- মুকা-ফাইও ওয়ালা মাকফু’রিন ওয়ালা- মুস্তাগনান আনহু, আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযি আত্ব’আমা মিনাত্ব’ ত্বাআ-মি ওয়া সাক্বা- মিনাশ্‌ শারা-বি ওয়া কাসা- মিনাল উর্‌ইয়ি ওয়া হাদা- মিনাদ্ব দালা-লাতি ওয়া বাছ্‌ছারা মিনাল আম’য়ি ওয়া ফাদ্ব’দালা আলা- কাছিরিন মিম্‌মান খালাক্বা তাফ্‌দ্বিলান, আলহামদু লিল্লা-হি রাব্বিল আ-লামিন।

সমস্ত প্রশংসা (ও অগণিত শুকরিয়া) আল্লাহ তা’আলার জন্য, যিনি (স্বীয় বান্দাদের) খাওয়ান কিন্তু নিজে খান না। তিনি আমাদের প্রতি অনগ্রহ করেছেন যে, (সত্য দীনের দিকে) আমাদেরকে হেদায়েত দিয়েছেন। আমাদেরকে খাইয়েছেন, পান করিয়েছেন এবং সকল উন্নত নেয়ামত আমাদেরকে দান করেছেন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্য, যাকে কখনও বর্জন করা যায় না যার বিনিময় কখনও আদায় করা যায় না, যার অকৃতজ্ঞতা করা যায় না, যার থেকে অমুখাপেক্ষী থাকা যায় না। অসংখ্য কৃতজ্ঞতা আল্লাহ তা’আলার জন্য, যিনি (পেট ভরে খাবার খাইয়েছেন, (প্রাণভরে) পানি পান করিয়েছেন, দেহ ঢাকার জন্য পােশাক দিয়েছেন ,ভ্রান্তি থেকে রক্ষা করে) সঠিক পথ দেখিয়েছেন। (কুফুরের) অন্ধকার থেকে (রক্ষা করে ইমানের) আলাে দান করেছেন। অনেক সৃষ্টির উপর আমাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্যই।

রেফারেন্স: সহিহ (আহমাদ শাকীর)। ‘উমদাতুত তাফসীর ১/৮৬৫

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ يُطْعِمُ وَلَا يُطْعَمُ، مَنَّ عَلَيْنَا فَهَدَانَا وَأَطْعَمَنَا وَسَقَانَا وَكُلَّ بَلَاءٍ حَسَنٍ أَبْلَانَا، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ غَيرَ مُوَدَّعٍ وَّلَا مُكَافَأٍ وَّلَا مُكَافَأٍ وَّلَا مَكْفُوْرٍ وَّلَا مُسْتَغْنًى عَنْهُ، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ أَطْعَمَ مِنَ الطَّعَامِ وَسَقٰى مِنَ الشَّرَابِ وَكَسٰی مِنَ العُرْيِ وَهَدٰى مِنَ الضَّلَالَةِ وَبَصَّرَ مِنَ العَمْيِ وَفَضَّلَ عَلٰى كَثِيْرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيلًا، اَلْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ.

সমস্ত প্রশংসা (ও অগণিত শুকরিয়া) আল্লাহ তা’আলার জন্য, যিনি (স্বীয় বান্দাদের) খাওয়ান কিন্তু নিজে খান না। তিনি আমাদের প্রতি অনগ্রহ করেছেন যে, (সত্য দীনের দিকে) আমাদেরকে হেদায়েত দিয়েছেন। আমাদেরকে খাইয়েছেন, পান করিয়েছেন এবং সকল উন্নত নেয়ামত আমাদেরকে দান করেছেন। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্য, যাকে কখনও বর্জন করা যায় না যার বিনিময় কখনও আদায় করা যায় না, যার অকৃতজ্ঞতা করা যায় না, যার থেকে অমুখাপেক্ষী থাকা যায় না। অসংখ্য কৃতজ্ঞতা আল্লাহ তা’আলার জন্য, যিনি (পেট ভরে খাবার খাইয়েছেন, (প্রাণভরে) পানি পান করিয়েছেন, দেহ ঢাকার জন্য পােশাক দিয়েছেন ,ভ্রান্তি থেকে রক্ষা করে) সঠিক পথ দেখিয়েছেন। (কুফুরের) অন্ধকার থেকে (রক্ষা করে ইমানের) আলাে দান করেছেন। অনেক সৃষ্টির উপর আমাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। সকল প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার জন্যই।

রেফারেন্স: সহিহ (আহমাদ শাকীর)। ‘উমদাতুত তাফসীর ১/৮৬৫

খাবার শেষে পড়ার দোয়া

খাবার শেষে পড়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ أَطْعَمْتَ وَأَسْقَيْتَ، وَأَغْنَيْتَ وَأَقْنَيْتَ، وَهَدَيْتَ وَأَحْيَيْتَ، فَلَكَ الْحَمْدُ عَلَى مَا أَعْطَيْتَ

আল্লা-হুম্মা আত’আমতা ওয়া আস্‌ক্বাইতা, ওয়া আগ্‌নাইতা, ওয়া আক্বনাইতা, ওয়া হাদাইতা, ওয়া আহ্‌ইয়াইতা, ফালাকাল হামদু ‘আলা- মা আ’ত্বাইতা।

হে আল্লাহ, আপনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেছেন, আপনি আমাকে পরিতৃপ্ত করেছেন এবং যথেষ্ট করেছেন, (আপনি) আমাকে পথ প্রদর্শন করেছেন এবং আমাকে জীবন দিয়েছেন, অতএব, আপনি যা দিয়েছেন তার জন্য আমি আপনার প্রশংসা করি।

রেফারেন্স: সহিহ। কালিমুত ত্বায়্যিবঃ ১৯০

اَللَّهُمَّ أَطْعَمْتَ وَأَسْقَيْتَ، وَأَغْنَيْتَ وَأَقْنَيْتَ، وَهَدَيْتَ وَأَحْيَيْتَ، فَلَكَ الْحَمْدُ عَلَى مَا أَعْطَيْتَ

হে আল্লাহ, আপনি আমাকে খাদ্য ও পানীয় দান করেছেন, আপনি আমাকে পরিতৃপ্ত করেছেন এবং যথেষ্ট করেছেন, (আপনি) আমাকে পথ প্রদর্শন করেছেন এবং আমাকে জীবন দিয়েছেন, অতএব, আপনি যা দিয়েছেন তার জন্য আমি আপনার প্রশংসা করি।

রেফারেন্স: সহিহ। কালিমুত ত্বায়্যিবঃ ১৯০

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 যে পানাহার করালো তার জন্য দোয়া

📄 যে পানাহার করালো তার জন্য দোয়া


যে পানাহার করাল তার জন্য দোয়া #১

যে পানাহার করাল তার জন্য দোয়া #১

একদা রাসূল (ﷺ) জনৈক সাহাবীর বাড়িতে কিছু পান করার পরে বলেছিলেন -

اَللَّهُمَّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِيْ وَاسْقِ مَنْ سَقَانِيْ (وَأَسْقِ مَنْ أَسْقَانِي)

আল্লা-হুম্মা, আত্ব’ইম মান আত্ব'আমানী, ওয়াসক্বি মান সাক্বা-নী (অন্য বর্ণনায় ওয়া আসক্বি মান আসক্বানী)

হে আল্লাহ্‌, যে আমাকে খাইয়েছে তাকে আপনি খাদ্য প্রদান করুন এবং যে আমাকে পান করিয়েছে তাকে আপনি পানীয় প্রদান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২০৫৫

একদা রাসূল (ﷺ) জনৈক সাহাবীর বাড়িতে কিছু পান করার পরে বলেছিলেন -

اَللَّهُمَّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِيْ وَاسْقِ مَنْ سَقَانِيْ (وَأَسْقِ مَنْ أَسْقَانِي)

হে আল্লাহ্‌, যে আমাকে খাইয়েছে তাকে আপনি খাদ্য প্রদান করুন এবং যে আমাকে পান করিয়েছে তাকে আপনি পানীয় প্রদান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২০৫৫

যে পানাহার করাল তার জন্য দোয়া #২

যে পানাহার করাল তার জন্য দোয়া #২

أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُوْنَ، وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ

আফত্বারা ‘ইনদাকুমুস স্বা-ইমূন, ওয়া আকালা ত্বা'আ-মাকুমুল আবরা-র, ওয়া স্বাল্লাত ‘আলাইকুমুল মালা-ইকাহ

তোমাদের কাছে রোযাদারগণ ইফতার করুন, তোমাদের খাদ্য নেককারগণ ভক্ষণ করুন এবং তোমাদের জন্য ফিরিশতাগণ দোয়া করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩৮৫৪

কেউ রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে ইফতার করালে বা সিয়াম ছাড়া অন্য সময়ে কোনো খাদ্য খাওয়ালে তিনি এ কথা বলে তার জন্য দোয়া করতেন - (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

أَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُوْنَ، وَأَكَلَ طَعَامَكُمُ الْأَبْرَارُ وَصَلَّتْ عَلَيْكُمُ الْمَلَائِكَةُ

তোমাদের কাছে রোযাদারগণ ইফতার করুন, তোমাদের খাদ্য নেককারগণ ভক্ষণ করুন এবং তোমাদের জন্য ফিরিশতাগণ দোয়া করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৩৮৫৪

যে পানাহার করাল তার জন্য দোয়া #৩

যে পানাহার করাল তার জন্য দোয়া #৩

اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِي مَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ

আল্লা-হুম্মা বা-রিক লাহুম ফীমা- রযাক্বতাহুম ওয়াগফিরলাহূম ওয়ার'হাম'হূম

হে আল্লাহ্‌! আপনি তাদেরকে যে রিযিক দান করেছেন তাতে তাদের জন্য বরকত দিন এবং তাদের গুনাহ মাফ করুন, আর তাদের প্রতি দয়া করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২০৪২

আব্দুল্লাহ্ ইবনু বিশর বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আমার পিতার বাড়িতে আগমন করেন। তিনি কিছু খাদ্য পেশ করেন। তিনি তা থেকে কিছু খাদ্য গ্রহণ করেন। আমার পিতা তার কাছে দোয়া চান। তখন তিনি এ কথাগুলো বলেন। (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِي مَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ

হে আল্লাহ্‌! আপনি তাদেরকে যে রিযিক দান করেছেন তাতে তাদের জন্য বরকত দিন এবং তাদের গুনাহ মাফ করুন, আর তাদের প্রতি দয়া করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২০৪২

ফন্ট সাইজ
15px
17px