📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 সালাম বিষয়ক আদব

📄 সালাম বিষয়ক আদব


সালামের প্রসার

সালামের প্রসার

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ

আস-সালা-মু ‘আলাইকুম ওয়া রা’হমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহ

আপনার উপর আল্লাহ্‌র শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক

রেফারেন্স: [১] মুসনাদ আহমদ ১৪৩০ [২] সহীহ বুখারী (ফাতহুল বারী ) ১/৮২ [৩] সহীহ বুখারী (ফাতহুল বারী) ১/৫৫

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, “তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তোমরা পরস্পরকে না ভালোবাসা পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দিবো না যা করলে তোমরা পরস্পরকে ভালোবাসবে? (তা হলো) তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের ব্যাপক প্রসার ঘটাও।” [১] “তিনটি জিনিস যে ব্যক্তি একত্রিত করতে পারবে সে ঈমান একত্রিত করল- ১. নিজের ব্যাপারেও ইনসাফ করা, ২. জগতের সকলকে সালাম দেওয়া, আর ৩. অল্প সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে ব্যয় করা [২] ‘আবদুল্লাহ ইবনে ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলো, ইসলামের কোন কাজটি শ্রেষ্ঠ? নবী (ﷺ) বললেন, “তুমি খাবার খাওয়াবে এবং তোমার পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে।” [৩]

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ

আপনার উপর আল্লাহ্‌র শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক

রেফারেন্স: [১] মুসনাদ আহমদ ১৪৩০ [২] সহীহ বুখারী (ফাতহুল বারী ) ১/৮২ [৩] সহীহ বুখারী (ফাতহুল বারী) ১/৫৫

অমুসলিম সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

অমুসলিম সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

অমুসলিম ব্যক্তি সালাম দিলে তার উত্তরে বলতে হবে -

وَعَلَيْكُمْ

ওয়া ‘আলাইকুম

আর তোমাদেরও উপর

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬২৫৮

অমুসলিম ব্যক্তি সালাম দিলে তার উত্তরে বলতে হবে -

وَعَلَيْكُمْ

আর তোমাদেরও উপর

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬২৫৮

সালামের পদ্ধতি

সালামের পদ্ধতি

এরপর আরেকজন এসে বললো -

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ

আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

আপনার উপর আল্লাহ্‌র শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক

নবী (ﷺ) অনুরূপ জবাব দিলেন। লোকটি বসলো। তিনি বললেন, বিশ নেকি!

অতঃপর আরেকজন এসে বললো -

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ

আস্‌সালামু ‘আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

আপনার উপর আল্লাহ্‌র শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৫১৯৫

নবী (ﷺ) তারও জবাব দিলেন। লোকটি বসলো। তিনি বললেনঃ ত্রিশ নেকি।

এরপর আরেকজন এসে বললো -

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ

আপনার উপর আল্লাহ্‌র শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক

অতঃপর আরেকজন এসে বললো -

اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ

আপনার উপর আল্লাহ্‌র শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক

রেফারেন্স: সহিহ। আবু দাউদঃ ৫১৯৫

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বিবিধ আদব ও শিষ্টাচার বিষয়ক দোয়া সমূহ

📄 বিবিধ আদব ও শিষ্টাচার বিষয়ক দোয়া সমূহ


ক্রোধ নিয়ন্ত্রণের দোয়া

ক্রোধ নিয়ন্ত্রণের দোয়া

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ

আ'ঊযু বিল্লা-হি মিনাশ শাইত্বা-নির রাজীম

আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করছি বিতাড়িত শয়তান থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৮২

সুলাইমান ইবনু সূরাদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, এ কথাগুলি বললে ক্রোধান্বিত ব্যক্তির ক্রোধ দূরীভূত হবে। আমরা দেখেছি, ক্রোধ দমন করা এবং যার উপরে রাগ হয়েছে তাকে ক্ষমা করা আল্লাহ্‌র রহমত লাভের অন্যতম পথ। কাজেই মুমিনের উচিত ক্রোধ অনুভব করলে অর্থের দিকে লক্ষ্য করে এ বাক্যটি বারবার বলা।

أَعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ

আমি আল্লাহ্‌র আশ্রয় গ্রহণ করছি বিতাড়িত শয়তান থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৮২

কাউকে গালি দিলে/কটুবাক্য বললে তার জন্য দোয়া

কাউকে গালি দিলে/কটুবাক্য বললে তার জন্য দোয়া

اَللَّهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

আল্লা-হুম্মা, ফাআইউমা- মুঅ্‌মিনীন সাবাব্‌তুহূ ফাজ্‌'আল্‌ যা-লিকা লাহু ক্কুরবাতান ইলাইকা ইয়াওমাল ক্কিয়া-মাহ

হে আল্লাহ্‌, যে কোন মুমিন বান্দাকে আমি কটুবাক্য বলে থাকলে বা গালি দিয়ে থাকলে, তা তার জন্য কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৬১

اَللَّهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ্‌, যে কোন মুমিন বান্দাকে আমি কটুবাক্য বলে থাকলে বা গালি দিয়ে থাকলে, তা তার জন্য কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৬১

আল্লাহ্‌র সাড়া লাভ ও ক্ষমা লাভের দোয়া

আল্লাহ্‌র সাড়া লাভ ও ক্ষমা লাভের দোয়া

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার'। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া’হদাহু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল ‘হামদু। লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়ালা- ‘হাওলা ওয়ালা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লা-হ।

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই এবং আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তারই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহ্‌র (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) ও আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, যখন কোনো বান্দা এ বাক্যগুলো বলে তখন আল্লাহ্‌ তাঁর ডাকে সাড়া দেন এবং যদি কেউ অসুস্থ অবস্থায় এ কথাগুলি বলে এরপর সে মৃত্যুরণ করে তবে আগুন তাকে স্পর্শ করবে না।

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَاللَّهُ أَكْبَرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই এবং আল্লাহ্‌ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, তিনি একক, তার কোনো শরীক নেই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, রাজত্ব তারই এবং প্রশংসা তারই। আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই কোনো অবলম্বন নেই, কোনো ক্ষমতা নেই আল্লাহ্‌র (সাহায্য) ছাড়া।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩০

গবেষক, মুফতী ও সত্যানুসন্ধানীর দোয়া

গবেষক, মুফতী ও সত্যানুসন্ধানীর দোয়া

اَللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيْلَ وَمِيْكَائِيْلَ وَإِسْرَافِيلَ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ اهْدِنِيْ لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِيْ مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيْمٍ

আল্লা-হুম্মা, রাব্বা জিবরা-ঈল ওয়া মীকা-ঈল ওয়া ইসরা-ফীল, ফা-তিরাস সামাওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, ‘আ-লিমাল ‘গাইবি ওয়াশহা-দাহ, আন্‌তা তা‘হ্‌কুমু বাইনা ‘ইবা-দিকা ফীমা- কা-নূ ফীহি ইয়া‘খ্‌তালিফূনাহ্-‌দিনী লিমা‘খ্‌তুলিফা ফীহি মিনাল ‘হাক্কি বিইয্‌নিকা ইন্নাকা তাহ্‌দী মান্ তাশা-উ ইলা সিরাত্বিম্‌ মুস্‌তাক্বীম

হে আল্লাহ্‌, জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের প্রভু, আসমানসমূহ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আপনার বান্দারা যে সকল বিষয় নিয়ে মতভেদ করত তাদের মধ্যে সে বিষয়ে আপনিই ফয়সালা প্রদান করবেন। যে সকল বিষয়ে সত্য বা হক্ক নির্ধারণে মতভেদ হয়েছে সে সকল বিষয়ে আপনি আপনার অনুমতিতে আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আপনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে সিরাতুল মুস্তাকিমে পরিচালিত করেন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭০

আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) রাতের (তাহাজ্জুদের) সালাতের শুরুতে এ দোয়াটি পাঠ করতেন। উল্লেখ্য যে, প্রত্যেক গবেষক, আলিম, মুফতী ও সত্যসন্ধানী মুমিনের উচিত তাহাজ্জুদের শুরুতে, সিজদায় ও অন্যান্য সকল সময়ে এ দোয়াটি বেশি বেশি পাঠ করা। নিজের গবেষণা, ইলম বা অন্য কোনো কিছুর উপর পুরোপুরি নির্ভর না করে মহান আল্লাহ্‌র কাছে এ দোয়ার মাধ্যমে পথনির্দেশনা চাওয়া খুবই প্রয়োজন।

اَللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيْلَ وَمِيْكَائِيْلَ وَإِسْرَافِيلَ فَاطِرَ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ اهْدِنِيْ لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِيْ مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيْمٍ

হে আল্লাহ্‌, জিবরাঈল, মিকাঈল ও ইসরাফীলের প্রভু, আসমানসমূহ ও পৃথিবীর স্রষ্টা, দৃশ্য ও অদৃশ্যের জ্ঞানী, আপনার বান্দারা যে সকল বিষয় নিয়ে মতভেদ করত তাদের মধ্যে সে বিষয়ে আপনিই ফয়সালা প্রদান করবেন। যে সকল বিষয়ে সত্য বা হক্ক নির্ধারণে মতভেদ হয়েছে সে সকল বিষয়ে আপনি আপনার অনুমতিতে আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আপনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে সিরাতুল মুস্তাকিমে পরিচালিত করেন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৭৭০

উপকারীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশক দোয়া

উপকারীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশক দোয়া

جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا

জাযা-কাল্লা-হু খাইরান

আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৩৫

আমরা দেখেছি যে, মুমিন কাউকে উপকার করলে কখনোই তার থেকে কৃতজ্ঞতা বা প্রতিদানের আশা করে না। পক্ষান্তরে উপকৃত মুমিনের দায়িত্ব, উপকারীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, তার প্রশংসা করা, তার উপকারের কথা অকপটে স্বীকার করা এবং তার জন্য দোয়া করা। রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেন, কেউ কারো উপকার করলে সে যদি উপকারীকে এ কথা বলে কৃতজ্ঞতা জানায় তাহলে তা সর্বোত্তম প্রশংসা করা হবে।

جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا

আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান প্রদান করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৩৫

কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ্‌ আপনাকে ক্ষমা করুন’, তার জন্য দোয়া

কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ্‌ আপনাকে ক্ষমা করুন’, তার জন্য দোয়া

অতঃপর তিনি বললেন -

وَلَكَ

ওয়া লাকা

আর আপনাকেও। [২]

রেফারেন্স: [১] সহিহ (হুসাইন সালিম আসাদ)। মুসনাদ আবি ইয়া'লা ৩/১৩১ [২] সহীহ। রিয়াদুস সালেহীনঃ ১৮৫২

অতঃপর তিনি বললেন -

وَلَكَ

আর আপনাকেও। [২]

রেফারেন্স: [১] সহিহ (হুসাইন সালিম আসাদ)। মুসনাদ আবি ইয়া'লা ৩/১৩১ [২] সহীহ। রিয়াদুস সালেহীনঃ ১৮৫২

যে ব্যক্তি বলবে, ‘আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালোবাসি’- তার জন্য দোয়া

যে ব্যক্তি বলবে, ‘আমি আপনাকে আল্লাহ্‌র জন্য ভালোবাসি’- তার জন্য দোয়া

أَحَبَّكَ الَّذِي أَحْبَبْتَنِي لَهُ

আ'হাব্বাকাল্লাযী আ'হ্‌বাবতানী লাহু

যাঁর জন্য আপনি আমাকে ভালোবেসেছেন, তিনি আপনাকে ভালোবাসুন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাঊদঃ ৫১২৫

أَحَبَّكَ الَّذِي أَحْبَبْتَنِي لَهُ

যাঁর জন্য আপনি আমাকে ভালোবেসেছেন, তিনি আপনাকে ভালোবাসুন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাঊদঃ ৫১২৫

কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ্‌ আপনার উপর বরকত দিন’, তার জন্য দোয়া

কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ্‌ আপনার উপর বরকত দিন’, তার জন্য দোয়া

আয়েশা (রাঃ) তখন বললেন -

وَفِيهِمْ بَارَكَ اللَّهُ

ওয়াফীহিম বা-রাকাল্লা-হ

আর তাদের মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

একজন পুরুষের জন্য ‘ওয়াফীকা বা-রাকাল্লা-হ’ একজন মহিলার জন্য ‘ওয়াফীকি বা-রাকাল্লা-হ’ এক দল লোকের জন্য ‘ওয়াফীকুম বা-রাকাল্লা-হ’

তাই আমরাও একই ভাবে দোয়া করব একই রকম সাওয়াবের আশায় -

وَفِيكَ بَارَكَ اللَّهُ

ওয়াফীকা বা-রাকাল্লা-হ

আর আপনার মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

রেফারেন্স: জাইয়িদ (নাসাঈ)। আমালুল ইয়াওম ওয়াল লাইলাঃ ৩০৩, জাইয়িদ। কালেমা ত্বইয়্যবঃ ২৩৯

একজন পুরুষের জন্য ‘ওয়াফীকা বা-রাকাল্লা-হ’ একজন মহিলার জন্য ‘ওয়াফীকি বা-রাকাল্লা-হ’ এক দল লোকের জন্য ‘ওয়াফীকুম বা-রাকাল্লা-হ’

আয়েশা (রাঃ) তখন বললেন -

وَفِيهِمْ بَارَكَ اللَّهُ

আর তাদের মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

তাই আমরাও একই ভাবে দোয়া করব একই রকম সাওয়াবের আশায় -

وَفِيكَ بَارَكَ اللَّهُ

আর আপনার মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

রেফারেন্স: জাইয়িদ (নাসাঈ)। আমালুল ইয়াওম ওয়াল লাইলাঃ ৩০৩, জাইয়িদ। কালেমা ত্বইয়্যবঃ ২৩৯

কেউ তার সম্পদ দান করার জন্য পেশ করলে তার জন্য দোয়া

কেউ তার সম্পদ দান করার জন্য পেশ করলে তার জন্য দোয়া

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফী আহলিকা ওয়া মা-লিক

আল্লাহ্‌ আপনার পরিবারে ও সম্পদে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫১৬৭

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ

আল্লাহ্‌ আপনার পরিবারে ও সম্পদে বরকত দান করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৫১৬৭

তিলাওয়াতের সিজদার দোয়া

তিলাওয়াতের সিজদার দোয়া

اَللَّهُمَّ اكْتُبْ لِي بِهَا عِنْدَكَ أَجْرًا وَضَعْ عَنِّيْ بِهَا وِزْرًا وَاجعَلْهَا لِي عِنْدَكَ ذُخْرًا وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي كَمَا تَقَبَّلْتَهَا مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ

আল্লা-হুম্মাক্‌তুব লী বিহা- ‘ইনদাকা আজ্‌রান, ওয়াদ্বা’অ্‌ ‘আন্নী বিহা- উইঝরান, ওয়াজ্‌’আল্‌হা- লী 'ইন্‌দাকা যুখ্‌রান, ওয়া তাক্বাব্বালহা- মিন্নী কামা- তাক্বাব্বাল্‌তাহা- মিন ‘আব্‌দিকা দা-ঊদ

হে আল্লাহ্‌, আপনি লিপিবদ্ধ করুন আমার জন্য এ সিজদার বিনিময়ে পুরস্কার, এবং অপসারণ করুন আমার থেকে এর বিনিময়ে পাপ-বোঝা, এবং বানিয়ে দিন একে আপনার নিকট সম্পদ, এবং কবুল করুন একে আমার থেকে যেমন কবুল করেছিলেন আপনার বান্দা দাউদ থেকে।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪২৪

ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, “রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা করেন এবং এ দোয়াটি পাঠ করেন।” (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ اكْتُبْ لِي بِهَا عِنْدَكَ أَجْرًا وَضَعْ عَنِّيْ بِهَا وِزْرًا وَاجعَلْهَا لِي عِنْدَكَ ذُخْرًا وَتَقَبَّلْهَا مِنِّي كَمَا تَقَبَّلْتَهَا مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ

হে আল্লাহ্‌, আপনি লিপিবদ্ধ করুন আমার জন্য এ সিজদার বিনিময়ে পুরস্কার, এবং অপসারণ করুন আমার থেকে এর বিনিময়ে পাপ-বোঝা, এবং বানিয়ে দিন একে আপনার নিকট সম্পদ, এবং কবুল করুন একে আমার থেকে যেমন কবুল করেছিলেন আপনার বান্দা দাউদ থেকে।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিযীঃ ৩৪২৪

উপকারী ইলম চাওয়ার দোয়া

উপকারী ইলম চাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ انْفَعْنِيْ بِمَا عَلَّمْتَنِيْ وَعَلِّمْنِيْ مَا يَنْفَعُنِيْ وَارْزُقْنِيْ عِلْمًا تَنْفَعُنِيْ بِهِ.

আল্লা-হুম্মান ফা’নী বিমা- আল্লামতানী ওয়া আল্লিমনী মা- ইয়ানফাউনি ওয়ারযুক্বনী ইলমান তানফাউনী বিহী।

হে আল্লাহ, যে জ্ঞান আপনি আমাকে দান করেছেন তার দ্বারা আমাকে উপকৃত করুন। যা আমাকে উপকৃত করবে, এমন জ্ঞান দান করুন এবং আমাকে ওই ইলম দান করুন, যার দ্বারা আপনি আমাকে উপকৃত করবেন।

রেফারেন্স: সহিহ। সিলসিলাতুস সহীহাহ ৩১৫১

اَللَّهُمَّ انْفَعْنِيْ بِمَا عَلَّمْتَنِيْ وَعَلِّمْنِيْ مَا يَنْفَعُنِيْ وَارْزُقْنِيْ عِلْمًا تَنْفَعُنِيْ بِهِ.

হে আল্লাহ, যে জ্ঞান আপনি আমাকে দান করেছেন তার দ্বারা আমাকে উপকৃত করুন। যা আমাকে উপকৃত করবে, এমন জ্ঞান দান করুন এবং আমাকে ওই ইলম দান করুন, যার দ্বারা আপনি আমাকে উপকৃত করবেন।

রেফারেন্স: সহিহ। সিলসিলাতুস সহীহাহ ৩১৫১

ফন্ট সাইজ
15px
17px