📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 হাঁচির আদব ও দোয়া সমূহ

📄 হাঁচির আদব ও দোয়া সমূহ


হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #১

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #১

নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে সে যেন বলে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ

আল-‘হামদু লিল্লা-হ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬২২৪

নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে সে যেন বলে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬২২৪

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #২

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #২

অথবা হাঁচি দিলে বলবে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ (عَلَى كُلِّ حَالٍ)

আল-‘হামদু লিল্লা-হি (‘আলা- কুল্লি ‘হা-ল)

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য (সকল অবস্থায়)।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৪১

অথবা হাঁচি দিলে বলবে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ (عَلَى كُلِّ حَالٍ)

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য (সকল অবস্থায়)।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৪১

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৩

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৩

হাঁচি দানকারীকে (আলহামদুলিল্লাহ) বলতে শুনলে শ্রোতা বলবেন -

يَرْحَمُكَ اللَّهُ

ইয়ার‘হামুকাল্লা-হ

আল্লাহ্‌ আপনার প্রতি রহমত করুন

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১২৪০, ৬২২৪

হাঁচি দানকারীকে (আলহামদুলিল্লাহ) বলতে শুনলে শ্রোতা বলবেন -

يَرْحَمُكَ اللَّهُ

আল্লাহ্‌ আপনার প্রতি রহমত করুন

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১২৪০, ৬২২৪

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৪

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৪

হাঁচি দাতাকে (ইয়ারহামুকাল্লাহ) বললে, তিনি উত্তরে বলবেন -

يَهْدِيْكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ

ইয়াহদিকুমুল্লা-হু ওয়া ইউসলিহু বা-লাকুম

আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন এবং আপনাদের অবস্থাকে ভালো ও পরিশুদ্ধ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৪১

সালামের উত্তর প্রদানের ন্যায় হাঁচির দোয়ার উত্তর প্রদানের জন্য হাদীসে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমাদের সমাজে এ সুন্নাতগুলি অবহেলিত।

হাঁচি দাতাকে (ইয়ারহামুকাল্লাহ) বললে, তিনি উত্তরে বলবেন -

يَهْدِيْكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ

আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন এবং আপনাদের অবস্থাকে ভালো ও পরিশুদ্ধ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৪১

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৫

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৫

যে ব্যক্তি কারও হাঁচির জবাব দিবে সে যেন বলে, ইয়ারহামুকাল্লাহ। তখন হাঁচিদাতা আবার বলবে -

يَرْحَمُنَا اللَّهُ وَإِيَّاكُمْ، وَيَغْفِرُ لَنَا وَلَكُمْ

ইয়ার‘হামুনাল্লাহু ওয়া ইয়্যাকুম ওয়া ইয়াগফিরু লানা ওয়ালাকুম

আল্লাহ্‌ আমাদের ও তোমাদের প্রতি দয়া করুক, আল্লাহ্‌ আমাদের ও তোমাদেরকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: আদাবুল মুফরাদঃ ৯৪১

যে ব্যক্তি কারও হাঁচির জবাব দিবে সে যেন বলে, ইয়ারহামুকাল্লাহ। তখন হাঁচিদাতা আবার বলবে -

يَرْحَمُنَا اللَّهُ وَإِيَّاكُمْ، وَيَغْفِرُ لَنَا وَلَكُمْ

আল্লাহ্‌ আমাদের ও তোমাদের প্রতি দয়া করুক, আল্লাহ্‌ আমাদের ও তোমাদেরকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: আদাবুল মুফরাদঃ ৯৪১

অমুসলিমদের হাঁচির জবাবে যা বলতে হয়

অমুসলিমদের হাঁচির জবাবে যা বলতে হয়

يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُم

ইয়াহদিকুমুল্লা-হু ওয়া ইউসলিহু বা-লাকুম

আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন এবং আপনাদের অবস্থাকে ভালো ও পরিশুদ্ধ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৩৯

আবু মূসা আশআরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, ইয়াহুদিরা নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে হাঁচি দিত। তাদের আশা ছিল-নবী-(ﷺ) তাদের জন্য বলবেন ‘ইয়ার’হামুকাল্লা-হু (আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর রহম করুন!) কিন্তু নবী (ﷺ) বলতেন - (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُم

আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন এবং আপনাদের অবস্থাকে ভালো ও পরিশুদ্ধ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৩৯

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 মজলিস / বৈঠক শেষের দোয়া

📄 মজলিস / বৈঠক শেষের দোয়া


মজলিসে যা বলতে হয়

মজলিসে যা বলতে হয়

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ

রব্বিগফির লী ওয়াতুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত্ তাউওয়া-বুল গাফূর

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনিই তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩৪

ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, গণনা করে দেখা যেতো যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এক বৈঠক থেকে উঠে যাবার পূর্বে একশবার এই দোয়া পড়তেন-(উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনিই তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩৪

বৈঠকের শেষে কাফ্‌ফারা হিসেবে দোয়া

বৈঠকের শেষে কাফ্‌ফারা হিসেবে দোয়া

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

সুব্‌হা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া বি'হামদিকা আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তাওবা করি।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৪৮৫৯

আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) যখনই কোনো মজলিসে বসেছেন, অথবা কুরআন তেলাওয়াত করেছেন, অথবা সালাত আদায় করেছেন, তখনই তা কিছু বাক্যের মাধ্যমে শেষ করেছেন-(উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তাওবা করি।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৪৮৫৯

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 আনন্দদায়ক অথবা ক্ষতিকারক কিছু দেখলে পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 আনন্দদায়ক অথবা ক্ষতিকারক কিছু দেখলে পঠিতব্য দোয়া সমূহ


আনন্দদায়ক/পছন্দনীয় বিষয় দেখলে

আনন্দদায়ক/পছন্দনীয় বিষয় দেখলে

নবী করীম (ﷺ) যখন আনন্দদায়ক কিছু লক্ষ্য করতেন, তখন বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ بِنِعْمَتِهِ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ

আল’হাম্‌দু লিল্লা-হিল্লাযী বিনি'অ্‌মাতিহী তাতিম্মুস্‌ স্বা-লিহা-ত

প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যার অনুগ্রহে ভালো কাজগুলো সুসম্পন্ন হয়।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৩

নবী করীম (ﷺ) যখন আনন্দদায়ক কিছু লক্ষ্য করতেন, তখন বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ بِنِعْمَتِهِ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ

প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যার অনুগ্রহে ভালো কাজগুলো সুসম্পন্ন হয়।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৩

ক্ষতিকারক/অপছন্দনীয় বিষয় দেখলে

ক্ষতিকারক/অপছন্দনীয় বিষয় দেখলে

নবী করীম (ﷺ) কোনো অপছন্দনীয় বিষয় দেখলে বা দুঃসংবাদ পেলে বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ

আল্‌’হাম্‌দু লিল্লা-হি ‘আলা- কুল্লি ‘হা-ল

সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৩

নবী করীম (ﷺ) কোনো অপছন্দনীয় বিষয় দেখলে বা দুঃসংবাদ পেলে বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ

সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৩

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 প্রশংসা বিষয়ে দোয়া সমূহ

📄 প্রশংসা বিষয়ে দোয়া সমূহ


কাউকে প্রশংসা করার মাসনূন যিক্‌র

কাউকে প্রশংসা করার মাসনূন যিক্‌র

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, তোমাদের যদি কখনো কাউকে প্রশংসা করতেই হয় তাহলে বলবে -

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللَّهُ حَسِيْبُهُ وَلَا أُزَكِّيْ عَلَى اللَّهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

আহ্‌সিবু ফুলানান্‌ ওয়াল্লা-হু 'হাসি‘বুহু ওয়ালা উঝাক্কি 'আলাল্লা-হি 'আহাদান 'আহ্‌সিবুহু কাযা ওয়া-কাযা

আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আল্লাহ্‌ই তাকে ভালো জানেন (তিনি তার পরিপূর্ণ হিসেব সংরক্ষক), আল্লাহ্‌র উপরে আমি কাউকে ভালো বলছি না। আমি তাকে অমুক অমুক গুণের অধিকারী বলে মনে করি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৬৬২

কোন মানুষের পিছনে নিন্দা করা এবং সামনে ঢালাও প্রশংসা করা অপরাধ। প্রশংসার ক্ষেত্রে কারো বিশেষ স্বভাব বা গুণের প্রশংসা করা যেতে পারে। কারো ঢালাও প্রশংসা করতে বা নিশ্চিতরূপে কাউকে ভালো বলতে হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশংসার ক্ষেত্রে বলতে হবে: আমার ধারণা, অমুক ব্যক্তি ভালো; নিশ্চয়তা প্রকাশ করা যাবে না।

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, তোমাদের যদি কখনো কাউকে প্রশংসা করতেই হয় তাহলে বলবে -

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللَّهُ حَسِيْبُهُ وَلَا أُزَكِّيْ عَلَى اللَّهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আল্লাহ্‌ই তাকে ভালো জানেন (তিনি তার পরিপূর্ণ হিসেব সংরক্ষক), আল্লাহ্‌র উপরে আমি কাউকে ভালো বলছি না। আমি তাকে অমুক অমুক গুণের অধিকারী বলে মনে করি।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৬৬২

প্রশংসিতের দোয়া

প্রশংসিতের দোয়া

اَللَّهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ وَاغْفِرْ لِي مَا لَا يَعْلَمُوْنَ (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِمَّا يَظُنُّوْنَ)

আল্লা-হুম্মা লা-তু’আ-খিযনী বিমা- ইয়াক্বূলূনা, ওয়াগফিরলী মা-লা- ইয়া‘লামূনা, (ওয়াজ‘আলনী খাইরাম মিম্মা- ইয়াযুন্নূন)

হে আল্লাহ্‌, তারা যা বলছে তার জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, তারা (আমার ব্যাপারে) যা জানে না সে ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন (এবং তারা যেরূপ ধারণা করছে আমাকে তার চেয়েও উত্তম বানিয়ে দিন)।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৭৬১, ব্রাকেটের অংশ (শু'আবুল ঈমান ৪/২৮৮)

সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাদের ভালো বললে তারা বলতেন - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ وَاغْفِرْ لِي مَا لَا يَعْلَمُوْنَ (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِمَّا يَظُنُّوْنَ)

হে আল্লাহ্‌, তারা যা বলছে তার জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, তারা (আমার ব্যাপারে) যা জানে না সে ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন (এবং তারা যেরূপ ধারণা করছে আমাকে তার চেয়েও উত্তম বানিয়ে দিন)।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৭৬১, ব্রাকেটের অংশ (শু'আবুল ঈমান ৪/২৮৮)

ফন্ট সাইজ
15px
17px