📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 হাঁচি ও হাই তোলার ক্ষেত্রে শিষ্টাচার

📄 হাঁচি ও হাই তোলার ক্ষেত্রে শিষ্টাচার


হাঁচির ক্ষেত্রে রাসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ #১

হাঁচির ক্ষেত্রে রাসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ #১

বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের সাতটি কাজের আদেশ দিয়েছেন, আর সাতটি জিনিস নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের (এসব কাজের) হুকুম দিয়েছেন: রোগীর সেবা করা, জানাযার পেছনে পেছনে যাওয়া, হাঁচি দানকারীর (হাঁচির) জবাব দেওয়া, কেউ দাওয়াত দিলে তার দাওয়াতে সাড়া দেওয়া, বেশি বেশি সালাম দেওয়া, মাযলুমকে সাহায্য করা এবং কসমকারীকে কসম ঠিক রাখার সুযোগ করে দেওয়া। আর তিনি আমাদের (এসব জিনিস ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন: স্বর্ণের আংটি, রুপার পাত্র, মায়াসির (রেশমি কার্পেট), কাসসী (রেশম মিশ্রিত কাপড়), রেশমি কাপড়, দীবাজ বা কিংখাব (সোনা বা রুপা খচিত রেশমি কাপড়) ও ইস্তাক (বিশেষ ধরনের রেশমি কাপড়)।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১২৩৯

বারা ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের সাতটি কাজের আদেশ দিয়েছেন, আর সাতটি জিনিস নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদের (এসব কাজের) হুকুম দিয়েছেন: রোগীর সেবা করা, জানাযার পেছনে পেছনে যাওয়া, হাঁচি দানকারীর (হাঁচির) জবাব দেওয়া, কেউ দাওয়াত দিলে তার দাওয়াতে সাড়া দেওয়া, বেশি বেশি সালাম দেওয়া, মাযলুমকে সাহায্য করা এবং কসমকারীকে কসম ঠিক রাখার সুযোগ করে দেওয়া। আর তিনি আমাদের (এসব জিনিস ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন: স্বর্ণের আংটি, রুপার পাত্র, মায়াসির (রেশমি কার্পেট), কাসসী (রেশম মিশ্রিত কাপড়), রেশমি কাপড়, দীবাজ বা কিংখাব (সোনা বা রুপা খচিত রেশমি কাপড়) ও ইস্তাক (বিশেষ ধরনের রেশমি কাপড়)।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১২৩৯

হাঁচির ক্ষেত্রে রাসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ #২

হাঁচির ক্ষেত্রে রাসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ #২

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “(এক) মুসলিমের উপর (অপর) মুসলিমের অধিকার পাঁচটি: সালামের জবাব দেওয়া, অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া, জানাযার পেছনে পেছনে যাওয়া, ডাকে সাড়া দেওয়া এবং হাঁচিদানকারীর জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা।”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১২৪০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “(এক) মুসলিমের উপর (অপর) মুসলিমের অধিকার পাঁচটি: সালামের জবাব দেওয়া, অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া, জানাযার পেছনে পেছনে যাওয়া, ডাকে সাড়া দেওয়া এবং হাঁচিদানকারীর জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা।”

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১২৪০

হাঁচির ক্ষেত্রে রাসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ #৩

হাঁচির ক্ষেত্রে রাসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ #৩

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা হাঁচি পছন্দ করেন এবং হাই তোলা অপছন্দ করেন। সুতরাং তোমাদের মাঝে কেউ হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলার সময় সকল শ্রোতার জন্য ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ্‌ আপনার উপর রহম করুক) বলা খুবই জরুরী হয়ে যায়। আর তোমাদের মাঝে কারও হাই উঠার সময় যথাসম্ভব সে যেন তা ফিরিয়ে রাখে এবং "হাহ্‌ হাহ্"‌ না বলে। কেননা এটা শাইতানের পক্ষ হতে এবং সে তাতে হাসতে থাকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৮৯

আবূ হুরাইরাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ তা’আলা হাঁচি পছন্দ করেন এবং হাই তোলা অপছন্দ করেন। সুতরাং তোমাদের মাঝে কেউ হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বলার সময় সকল শ্রোতার জন্য ইয়ারহামুকাল্লাহ (আল্লাহ্‌ আপনার উপর রহম করুক) বলা খুবই জরুরী হয়ে যায়। আর তোমাদের মাঝে কারও হাই উঠার সময় যথাসম্ভব সে যেন তা ফিরিয়ে রাখে এবং "হাহ্‌ হাহ্"‌ না বলে। কেননা এটা শাইতানের পক্ষ হতে এবং সে তাতে হাসতে থাকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৮৯

কতবার হাঁচির জবাব দিতে হবে?

কতবার হাঁচির জবাব দিতে হবে?

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে, তার পাশের ব্যক্তি যেন বলে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ'; তিনবারের বেশি হাঁচি দিলে বুঝতে হবে তার ঠান্ডা লেগেছে। তাই তিনবারের পর ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলতে হবে না।”

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলা সহীহাহঃ ১৩৩০

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, “তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে, তার পাশের ব্যক্তি যেন বলে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ'; তিনবারের বেশি হাঁচি দিলে বুঝতে হবে তার ঠান্ডা লেগেছে। তাই তিনবারের পর ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলতে হবে না।”

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলা সহীহাহঃ ১৩৩০

হাঁচির ক্ষেত্রে শিষ্টাচার

হাঁচির ক্ষেত্রে শিষ্টাচার

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) হাঁচি দেওয়ার সময়, নিজের হাত অথবা কাপড় মুখের উপর রাখতেন এবং নিচু আওয়াজে হাঁচি দিতেন।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৫০২৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) হাঁচি দেওয়ার সময়, নিজের হাত অথবা কাপড় মুখের উপর রাখতেন এবং নিচু আওয়াজে হাঁচি দিতেন।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৫০২৯

হাই তোলার ক্ষেত্রে শিষ্টাচার

হাই তোলার ক্ষেত্রে শিষ্টাচার

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমাদের কারও হাই আসলে, সে যেন নিজের হাত তার মুখের উপর রাখে, কারণ (হাই তোলার সময়) শয়তান ঢুকতে পারে।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৯৯৫

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমাদের কারও হাই আসলে, সে যেন নিজের হাত তার মুখের উপর রাখে, কারণ (হাই তোলার সময়) শয়তান ঢুকতে পারে।”

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৯৯৫

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 হাঁচির আদব ও দোয়া সমূহ

📄 হাঁচির আদব ও দোয়া সমূহ


হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #১

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #১

নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে সে যেন বলে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ

আল-‘হামদু লিল্লা-হ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬২২৪

নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে সে যেন বলে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬২২৪

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #২

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #২

অথবা হাঁচি দিলে বলবে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ (عَلَى كُلِّ حَالٍ)

আল-‘হামদু লিল্লা-হি (‘আলা- কুল্লি ‘হা-ল)

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য (সকল অবস্থায়)।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৪১

অথবা হাঁচি দিলে বলবে -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ (عَلَى كُلِّ حَالٍ)

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য (সকল অবস্থায়)।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৪১

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৩

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৩

হাঁচি দানকারীকে (আলহামদুলিল্লাহ) বলতে শুনলে শ্রোতা বলবেন -

يَرْحَمُكَ اللَّهُ

ইয়ার‘হামুকাল্লা-হ

আল্লাহ্‌ আপনার প্রতি রহমত করুন

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১২৪০, ৬২২৪

হাঁচি দানকারীকে (আলহামদুলিল্লাহ) বলতে শুনলে শ্রোতা বলবেন -

يَرْحَمُكَ اللَّهُ

আল্লাহ্‌ আপনার প্রতি রহমত করুন

রেফারেন্স: বুখারীঃ ১২৪০, ৬২২৪

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৪

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৪

হাঁচি দাতাকে (ইয়ারহামুকাল্লাহ) বললে, তিনি উত্তরে বলবেন -

يَهْدِيْكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ

ইয়াহদিকুমুল্লা-হু ওয়া ইউসলিহু বা-লাকুম

আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন এবং আপনাদের অবস্থাকে ভালো ও পরিশুদ্ধ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৪১

সালামের উত্তর প্রদানের ন্যায় হাঁচির দোয়ার উত্তর প্রদানের জন্য হাদীসে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমাদের সমাজে এ সুন্নাতগুলি অবহেলিত।

হাঁচি দাতাকে (ইয়ারহামুকাল্লাহ) বললে, তিনি উত্তরে বলবেন -

يَهْدِيْكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ

আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন এবং আপনাদের অবস্থাকে ভালো ও পরিশুদ্ধ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৪১

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৫

হাঁচির ক্ষেত্রে যা বলতে হবে #৫

যে ব্যক্তি কারও হাঁচির জবাব দিবে সে যেন বলে, ইয়ারহামুকাল্লাহ। তখন হাঁচিদাতা আবার বলবে -

يَرْحَمُنَا اللَّهُ وَإِيَّاكُمْ، وَيَغْفِرُ لَنَا وَلَكُمْ

ইয়ার‘হামুনাল্লাহু ওয়া ইয়্যাকুম ওয়া ইয়াগফিরু লানা ওয়ালাকুম

আল্লাহ্‌ আমাদের ও তোমাদের প্রতি দয়া করুক, আল্লাহ্‌ আমাদের ও তোমাদেরকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: আদাবুল মুফরাদঃ ৯৪১

যে ব্যক্তি কারও হাঁচির জবাব দিবে সে যেন বলে, ইয়ারহামুকাল্লাহ। তখন হাঁচিদাতা আবার বলবে -

يَرْحَمُنَا اللَّهُ وَإِيَّاكُمْ، وَيَغْفِرُ لَنَا وَلَكُمْ

আল্লাহ্‌ আমাদের ও তোমাদের প্রতি দয়া করুক, আল্লাহ্‌ আমাদের ও তোমাদেরকে ক্ষমা করুন।

রেফারেন্স: আদাবুল মুফরাদঃ ৯৪১

অমুসলিমদের হাঁচির জবাবে যা বলতে হয়

অমুসলিমদের হাঁচির জবাবে যা বলতে হয়

يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُم

ইয়াহদিকুমুল্লা-হু ওয়া ইউসলিহু বা-লাকুম

আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন এবং আপনাদের অবস্থাকে ভালো ও পরিশুদ্ধ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৩৯

আবু মূসা আশআরি (রাঃ) থেকে বর্ণিত, ইয়াহুদিরা নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে হাঁচি দিত। তাদের আশা ছিল-নবী-(ﷺ) তাদের জন্য বলবেন ‘ইয়ার’হামুকাল্লা-হু (আল্লাহ্‌ তোমাদের উপর রহম করুন!) কিন্তু নবী (ﷺ) বলতেন - (উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

يَهْدِيكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُم

আল্লাহ্‌ আপনাদেরকে সুপথে পরিচালিত করুন এবং আপনাদের অবস্থাকে ভালো ও পরিশুদ্ধ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২৭৩৯

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 মজলিস / বৈঠক শেষের দোয়া

📄 মজলিস / বৈঠক শেষের দোয়া


মজলিসে যা বলতে হয়

মজলিসে যা বলতে হয়

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ

রব্বিগফির লী ওয়াতুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত্ তাউওয়া-বুল গাফূর

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনিই তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩৪

ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, গণনা করে দেখা যেতো যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এক বৈঠক থেকে উঠে যাবার পূর্বে একশবার এই দোয়া পড়তেন-(উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُورُ

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনিই তাওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৩৪

বৈঠকের শেষে কাফ্‌ফারা হিসেবে দোয়া

বৈঠকের শেষে কাফ্‌ফারা হিসেবে দোয়া

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

সুব্‌হা-নাকা আল্লা-হুম্মা ওয়া বি'হামদিকা আশহাদু আল্লা- ইলা-হা ইল্লা- আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তাওবা করি।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৪৮৫৯

আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) যখনই কোনো মজলিসে বসেছেন, অথবা কুরআন তেলাওয়াত করেছেন, অথবা সালাত আদায় করেছেন, তখনই তা কিছু বাক্যের মাধ্যমে শেষ করেছেন-(উপরে দোয়াটি উল্লেখিত হয়েছে)

سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوبُ إِلَيْكَ

হে আল্লাহ্‌! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তাওবা করি।

রেফারেন্স: হাসান সহিহ। আবু দাউদঃ ৪৮৫৯

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 আনন্দদায়ক অথবা ক্ষতিকারক কিছু দেখলে পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 আনন্দদায়ক অথবা ক্ষতিকারক কিছু দেখলে পঠিতব্য দোয়া সমূহ


আনন্দদায়ক/পছন্দনীয় বিষয় দেখলে

আনন্দদায়ক/পছন্দনীয় বিষয় দেখলে

নবী করীম (ﷺ) যখন আনন্দদায়ক কিছু লক্ষ্য করতেন, তখন বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ بِنِعْمَتِهِ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ

আল’হাম্‌দু লিল্লা-হিল্লাযী বিনি'অ্‌মাতিহী তাতিম্মুস্‌ স্বা-লিহা-ত

প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যার অনুগ্রহে ভালো কাজগুলো সুসম্পন্ন হয়।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৩

নবী করীম (ﷺ) যখন আনন্দদায়ক কিছু লক্ষ্য করতেন, তখন বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِيْ بِنِعْمَتِهِ تَتِمُّ الصَّالِحَاتُ

প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যার অনুগ্রহে ভালো কাজগুলো সুসম্পন্ন হয়।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৩

ক্ষতিকারক/অপছন্দনীয় বিষয় দেখলে

ক্ষতিকারক/অপছন্দনীয় বিষয় দেখলে

নবী করীম (ﷺ) কোনো অপছন্দনীয় বিষয় দেখলে বা দুঃসংবাদ পেলে বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ

আল্‌’হাম্‌দু লিল্লা-হি ‘আলা- কুল্লি ‘হা-ল

সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৩

নবী করীম (ﷺ) কোনো অপছন্দনীয় বিষয় দেখলে বা দুঃসংবাদ পেলে বলতেন -

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ عَلَى كُلِّ حَالٍ

সর্বাবস্থায় সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য।

রেফারেন্স: হাসান। ইবনে মাজাহঃ ৩৮০৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px