📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 নিন্দায় ও প্রশংসায় পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 নিন্দায় ও প্রশংসায় পঠিতব্য দোয়া সমূহ


কাউকে কটু কথা বলে থাকলে, তার জন্য দোয়া

কাউকে কটু কথা বলে থাকলে, তার জন্য দোয়া

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন -

اَللَّهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

আল্লা-হুম্মা, ফাআইউমা- মুঅ্‌মিনীন সাবাব্‌তুহূ ফাজ্‌'আল্‌ যা-লিকা লাহু ক্বুরবাতান ইলাইকা ইয়াওমাল ক্কিয়া-মাহ

হে আল্লাহ্‌! যে মুমিনকেই আমি কটু কথা বলেছি, সেটিকে তার জন্য কিয়ামতের দিন তোমার নৈকট্য লাভের মাধ্যম বানিয়ে দিয়ো।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৬১

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছেন -

اَللَّهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ্‌! যে মুমিনকেই আমি কটু কথা বলেছি, সেটিকে তার জন্য কিয়ামতের দিন তোমার নৈকট্য লাভের মাধ্যম বানিয়ে দিয়ো।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৬৩৬১

অপর মুসলিমের প্রশংসা করতে চাইলে যা বলবে

অপর মুসলিমের প্রশংসা করতে চাইলে যা বলবে

নবী (ﷺ) বলেন, “তোমাদের কারও যদি তার ভাইয়ের প্রশংসা করতেই হয়, তা হলে সে যেন বলে -

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللَّهُ حَسِيبُهُ وَلَا أُزَكِّي عَلَى اللَّهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

আহ্‌সিবু ফুলা-নান্‌ ওয়াল্লা-হু হাসি‘বুহু ওয়ালা উযাক্কি আলাল্লা-হি আহাদান আহ্‌সিবুহু কাযা ওয়া-কাযা

অমুক সম্পর্কে আমার ধারণা এরকম, অবশ্য তার সম্পর্কে আল্লাহ্‌ই ভালো জানেন; আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্ত ডিঙিয়ে আমি কাউকে পরিচ্ছন্ন ঘোষণা করছি না, তার সম্পর্কে আমার ধারণা হলো এরকম এরকম।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৬৬২

আর এটিও কেবল তখনই বলবে, যখন ওই ব্যক্তির মধ্যে এ গুণ আছে মর্মে তার কাছে স্পষ্ট জ্ঞান থাকবে।

নবী (ﷺ) বলেন, “তোমাদের কারও যদি তার ভাইয়ের প্রশংসা করতেই হয়, তা হলে সে যেন বলে -

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللَّهُ حَسِيبُهُ وَلَا أُزَكِّي عَلَى اللَّهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

অমুক সম্পর্কে আমার ধারণা এরকম, অবশ্য তার সম্পর্কে আল্লাহ্‌ই ভালো জানেন; আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্ত ডিঙিয়ে আমি কাউকে পরিচ্ছন্ন ঘোষণা করছি না, তার সম্পর্কে আমার ধারণা হলো এরকম এরকম।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৬৬২

নিজের প্রশংসা শুনলে, যা বলা উচিত

নিজের প্রশংসা শুনলে, যা বলা উচিত

নবী (ﷺ)-এর এক সাহাবীর বৈশিষ্ট্য ছিল, তার প্রশংসা করা হলে তিনি বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِي بِمَا يَقُولُونَ، وَاغْفِرْ لِي مَا لَا يَعْلَمُونَ، وَاجْعَلْنِي خَيْرًا مِمَّا يَظُّنُّونَ

আল্লা-হুম্মা লা-তু’আ-খিযনী বিমা- ইয়াক্বূলূন, ওয়াগফিরলী মা-লা- ইয়া‘লামূন, ওয়াজ‘আলনী খাইরাম মিম্মা- ইয়াযুন্নূন

হে আল্লাহ্‌! তাদের কথার জন্য আমাকে পাকড়াও করো না; তারা যা জানে না, সেসব বিষয়ে আমাকে মাফ করো; আর আমাকে তাদের ধারণার চেয়ে উত্তম বানিয়ে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৫৮৯

নবী (ﷺ)-এর এক সাহাবীর বৈশিষ্ট্য ছিল, তার প্রশংসা করা হলে তিনি বলতেন -

اَللَّهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِي بِمَا يَقُولُونَ، وَاغْفِرْ لِي مَا لَا يَعْلَمُونَ، وَاجْعَلْنِي خَيْرًا مِمَّا يَظُّنُّونَ

হে আল্লাহ্‌! তাদের কথার জন্য আমাকে পাকড়াও করো না; তারা যা জানে না, সেসব বিষয়ে আমাকে মাফ করো; আর আমাকে তাদের ধারণার চেয়ে উত্তম বানিয়ে দাও।

রেফারেন্স: সহীহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৫৮৯

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 অপরের কল্যাণ কামনায় পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 অপরের কল্যাণ কামনায় পঠিতব্য দোয়া সমূহ


কেউ আপনার ক্ষমার জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করলে

কেউ আপনার ক্ষমার জন্য আল্লাহ্‌র কাছে দোয়া করলে

এর জবাবে নবী (ﷺ) বলেন -

وَلَكَ

ওয়া লাক

(আল্লাহ্‌) তোমাকেও (ক্ষমা করুন)! [১]

এ কথা শুনে লোকজন বলে ওঠে, “আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তোমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ! তোমাদের জন্যও।” এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন। [২]

وَاسْتَغْفِرْ لِذَنْبِكَ وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ

“নিজের ত্রুটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করো; এবং মুমিন নারী ও পুরুষদের জন্যও।” (সূরা মুহাম্মাদ ৪৭:১৯)

রেফারেন্স: [১] রিয়াদুস সালেহীনঃ ১৮৪৩ [২] মুসলিমঃ ২৩৪৬

এর জবাবে নবী (ﷺ) বলেন -

وَلَكَ

(আল্লাহ্‌) তোমাকেও (ক্ষমা করুন)! [১]

এ কথা শুনে লোকজন বলে ওঠে, “আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) তোমার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করেছেন?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ! তোমাদের জন্যও।” এরপর তিনি এ আয়াত পাঠ করেন। [২]

وَاسْتَغْفِرْ لِذَنْبِكَ وَلِلْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ

“নিজের ত্রুটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করো; এবং মুমিন নারী ও পুরুষদের জন্যও।” (সূরা মুহাম্মাদ ৪৭:১৯)

রেফারেন্স: [১] রিয়াদুস সালেহীনঃ ১৮৪৩ [২] মুসলিমঃ ২৩৪৬

কেউ আপনার জন্য ভালো কাজ করলে

কেউ আপনার জন্য ভালো কাজ করলে

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কারও কোনও ভালো কাজ করে দেওয়া হলে, সে যদি কর্মসম্পাদনকারীকে বলে -

جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا

জাযা-কাল্লা-হু খাইরান

আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন!

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৩৫

তা হলে সে যেন (তার জন্য) সর্বোচ্চ মাত্রার প্রশংসা করল।

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, কারও কোনও ভালো কাজ করে দেওয়া হলে, সে যদি কর্মসম্পাদনকারীকে বলে -

جَزَاكَ اللَّهُ خَيْرًا

আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন!

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ২০৩৫

দাজ্জাল থেকে নিরাপদ থাকার জন্য

দাজ্জাল থেকে নিরাপদ থাকার জন্য

নবী (ﷺ) বলেন, “যে-ব্যক্তি সূরা আল-কাহফ এর প্রথম দিকের দশটি আয়াত আত্মস্থ করবে, তাকে দাজ্জাল থেকে সুরক্ষিত রাখা হবে।"

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮০৯

নবী (ﷺ) বলেন, “যে-ব্যক্তি সূরা আল-কাহফ এর প্রথম দিকের দশটি আয়াত আত্মস্থ করবে, তাকে দাজ্জাল থেকে সুরক্ষিত রাখা হবে।"

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৮০৯

চারটি বিষয় থেকে আশ্রয় চাওয়া

চারটি বিষয় থেকে আশ্রয় চাওয়া

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন শেষ (রাকাতের) তাশাহুদ পাঠ সম্পন্ন করে, তখন সে যেন চারটি বিষয়ে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চায়; (বিষয় চারটি হলো) কবরের শাস্তি, জাহান্নামের শাস্তি, জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা এবং (ভণ্ড) ত্রাণকর্তা দাজ্জালের অনিষ্ট।”

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৯৮৩

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “তোমাদের কেউ যখন শেষ (রাকাতের) তাশাহুদ পাঠ সম্পন্ন করে, তখন সে যেন চারটি বিষয়ে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চায়; (বিষয় চারটি হলো) কবরের শাস্তি, জাহান্নামের শাস্তি, জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা এবং (ভণ্ড) ত্রাণকর্তা দাজ্জালের অনিষ্ট।”

রেফারেন্স: সহীহ। আবু দাউদঃ ৯৮৩

আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশে কেউ আপনাকে পছন্দ করলে

আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির উদ্দেশে কেউ আপনাকে পছন্দ করলে

জবাবে ওই ব্যক্তি বলবে -

أَحَبَّكَ الَّذِي أَحْبَبْتَنِيْ لَهُ

আহাব্বাকাল্লাযী আহ্‌বাবতানী লাহু

যাঁর জন্য আপনার এ ভালোবাসা, তিনি আপনাকে ভালোবাসুন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫১২৫

জবাবে ওই ব্যক্তি বলবে -

أَحَبَّكَ الَّذِي أَحْبَبْتَنِيْ لَهُ

যাঁর জন্য আপনার এ ভালোবাসা, তিনি আপনাকে ভালোবাসুন।

রেফারেন্স: হাসান। আবু দাউদঃ ৫১২৫

কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ্‌ আপনার উপর বরকত দিন’, তার জন্য দোয়া

কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ্‌ আপনার উপর বরকত দিন’, তার জন্য দোয়া

আয়েশা (রাঃ) তখন বললেন -

وَفِيهِمْ بَارَكَ اللَّهُ

ওয়াফীহিম বা-রাকাল্লা-হ

আর তাদের মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

তাই আমরাও একই ভাবে দোয়া করব একই রকম সাওয়াবের আশায় -

وَفِيكَ بَارَكَ اللَّهُ

ওয়াফীকা বা-রাকাল্লা-হ

আর আপনার মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

রেফারেন্স: হাদীসটি ইবনুস সুন্নী সংকলন করেছেন, পৃ. ১৩৮, নং ২৭৮। আরও দেখুন, ইবনুল কাইয়্যেমের আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যেব, পৃ. ৩০৪। তাহকীক, বশীর মুহাম্মাদ উয়ূন।

আয়েশা (রাঃ) তখন বললেন -

وَفِيهِمْ بَارَكَ اللَّهُ

আর তাদের মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

তাই আমরাও একই ভাবে দোয়া করব একই রকম সাওয়াবের আশায় -

وَفِيكَ بَارَكَ اللَّهُ

আর আপনার মধ্যেও আল্লাহ্‌ বরকত দিন।

রেফারেন্স: হাদীসটি ইবনুস সুন্নী সংকলন করেছেন, পৃ. ১৩৮, নং ২৭৮। আরও দেখুন, ইবনুল কাইয়্যেমের আল-ওয়াবিলুস সাইয়্যেব, পৃ. ৩০৪। তাহকীক, বশীর মুহাম্মাদ উয়ূন।

কোনও কিছু কুলক্ষুণে মনে হলে

কোনও কিছু কুলক্ষুণে মনে হলে

اَللَّهُمَّ لَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

আল্লা-হুম্মা, লা-ত্বইরা ইল্লা- ত্বইরুকা, ওয়ালা- খাইরা ইল্লা- খাইরুকা, ওয়ালা- ইলা-হা গাইরুক

হে আল্লাহ্‌! আপনার পক্ষ থেকে অশুভ মঞ্জুর না হলে অশুভ বলে কিছু নেই। আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলা সহিহাঃ ১০৬৫, মুসনাদে আহমাদঃ ৭০৪৫

اَللَّهُمَّ لَا طَيْرَ إِلَّا طَيْرُكَ وَلَا خَيْرَ إِلَّا خَيْرُكَ وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

হে আল্লাহ্‌! আপনার পক্ষ থেকে অশুভ মঞ্জুর না হলে অশুভ বলে কিছু নেই। আপনার কল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ নেই। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলা সহিহাঃ ১০৬৫, মুসনাদে আহমাদঃ ৭০৪৫

কাউকে হাসিখুশি দেখলে

কাউকে হাসিখুশি দেখলে

أَضْحَكَ اللَّهُ سِنَّكَ

আদ্বহা- কাল্লাহু সিন্নাক

আল্লাহ তােমাকে সর্বদা হাসিখুশি রাখুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৯৪

أَضْحَكَ اللَّهُ سِنَّكَ

আল্লাহ তােমাকে সর্বদা হাসিখুশি রাখুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩২৯৪

ফন্ট সাইজ
15px
17px