📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 বিপদ-কষ্টে নিপতিত হলে পঠিতব্য দোয়া সমূহ

📄 বিপদ-কষ্টে নিপতিত হলে পঠিতব্য দোয়া সমূহ


বিপদ-কষ্টে নিপতিত ব্যক্তির দোয়া

বিপদ-কষ্টে নিপতিত ব্যক্তির দোয়া

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اَللَّهُمَّ أْجُرْنِيْ فِي مُصِيْبَتِيْ وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا

ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলাইহি রা-জি'উন। আল্লা-হুম্মাঅ্‌ জুরনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খাইরান মিনহা-

নিশ্চয় আমরা আল্লাহ্‌র জন্য এবং নিশ্চয় তাঁর কাছেই আমরা ফিরে যাবো। হে আল্লাহ্‌ আপনি আমাকে এ বিপদ মুসিবতের পুরস্কার প্রদান করুন এবং আমাকে এর পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম কিছু প্রদান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৮

উম্মুল মু'মিনীন উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যদি কোনো মুসলিম বিপদগ্রস্ত হয়ে এ কথাগুলো বলে তাহলে আল্লাহ্‌ তাকে অবশ্যই উক্ত ক্ষতির পরিবর্তে উত্তম বিষয় দান করে ক্ষতিপূরণ করে দিবেন। উম্মু সালামাহ বলেন, আমার স্বামী আবু সালামাহর মৃত্যুর পরে আমি চিন্তা করলাম, আবু সালামার চেয়ে আর কে ভালো হতে পারে! তারপরও আমি এ কথাগুলো বললাম। তখন আল্লাহ্‌ আমাকে আবু সালামার পরে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ)-কে স্বামী হিসাবে প্রদান করেন।

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اَللَّهُمَّ أْجُرْنِيْ فِي مُصِيْبَتِيْ وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا

নিশ্চয় আমরা আল্লাহ্‌র জন্য এবং নিশ্চয় তাঁর কাছেই আমরা ফিরে যাবো। হে আল্লাহ্‌ আপনি আমাকে এ বিপদ মুসিবতের পুরস্কার প্রদান করুন এবং আমাকে এর পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম কিছু প্রদান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ৯১৮

বিপদগ্রস্তকে দেখলে বলার দোয়া

বিপদগ্রস্তকে দেখলে বলার দোয়া

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِيْ مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهِ وَفَضَّلَنِيْ عَلَى كَثِيْرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلًا

আল-’হামদু লিল্লা-হিল্লাযী ‘আ-ফা-নী মিম্মাব্‌ তালা-কা বিহী ওয়া ফাদ্ব্‌দ্বালানী ‘আলা- কাছিরিন মিম্মান ‘খালাক্কা তাফ্‌দ্বীলা

প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি তোমাকে যে বিপদটি দিয়ে পরীক্ষা করেছেন সে বিপদ থেকে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং আমাকে তার অনেক সৃষ্টির থেকে অধিক মর্যাদা দিয়েছেন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৪৩১, ৩৪৩২

উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বলেন, যদি কেউ কোনো বিপদগ্রস্ত দেখে উপরের কথাগুলো বলে তবে সে উক্ত বিপদ বা অসুবিধা থেকে (আজীবনের জন্য) নিরাপত্তা লাভ করবে, (বিপদ যেমনই হোক না কেন)। হুসাইন (রাঃ)-এর পৌত্র মুহাম্মাদ আল-বাকির বলেন, বিপদ বা অসুবিধায় নিপতিত মানুষ দেখলে তাকে না শুনিয়ে নিজের মনে এ কথা বলতে হবে।

اَلْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي عَافَانِيْ مِمَّا ابْتَلَاكَ بِهِ وَفَضَّلَنِيْ عَلَى كَثِيْرٍ مِمَّنْ خَلَقَ تَفْضِيْلًا

প্রশংসা আল্লাহ্‌র জন্য, যিনি তোমাকে যে বিপদটি দিয়ে পরীক্ষা করেছেন সে বিপদ থেকে আমাকে নিরাপদ রেখেছেন এবং আমাকে তার অনেক সৃষ্টির থেকে অধিক মর্যাদা দিয়েছেন।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযিঃ ৩৪৩১, ৩৪৩২

সাপ বিচ্ছু থেকে আত্মরক্ষার যিক্‌র

সাপ বিচ্ছু থেকে আত্মরক্ষার যিক্‌র

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আ’ঊযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত তা-ম্মা-তি, মিন শার্‌রি মা-খালাক্ব

আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয় গ্রহণ করছি, তিনি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭০৯

আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) এর কাছে এসে বলে, হে আল্লাহ্‌র রাসূল, গত রাতে আমাকে একটি বিষাক্ত বিচ্ছু কামড় দিয়েছিল তাতে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। তিনি বলেন, “যদি তুমি সন্ধ্যার সময় এ কথা (উপরোক্ত দোয়াটি) বলতে তাহলে তা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারত না।” অন্য বর্ণনায় তিনি বলেন: “যদি কেউ সন্ধ্যায় তিন বার এ বাক্যটি বলে সে রাতে কোনো বিষ বা দংশন তাকে ক্ষতি করতে পারবে না।”

أَعُوْذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

আল্লাহ্‌র পরিপূর্ণ বাক্যসমূহের আশ্রয় গ্রহণ করছি, তিনি যা কিছু সৃষ্টি করেছেন তার অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭০৯

শত্রুদের উপর বিজয় লাভের প্রার্থনা

শত্রুদের উপর বিজয় লাভের প্রার্থনা

يَا حَيُّ، يَا قَيُّوْمُ

ইয়া ‘হাইয়্যূ ইয়া ক্বাইয়্যুম

হে চিরঞ্জীব, হে সর্বসংরক্ষক।

রেফারেন্স: হাসান (হাইসামী)। তাবরানীঃ ৪৮১৭

আলী (রাঃ) বলেন: “বদরের যুদ্ধের দিনে আমি কিছুক্ষণ যুদ্ধ করে রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) কি করছেন তা দেখার জন্য তাড়াহুড়ো করে ফিরে আসলাম। এসে দেখি তিনি সাজাদা রত অবস্থায় রয়েছেন এবং শুধু বলছেন: ইয়া হাইউ ইয়া কাইউম' (হে চিরঞ্জীব, হে সংরক্ষক), এর বেশি কিছুই বলছেন না। এরপর আমি আবার যুদ্ধের মধ্যে ফিরে গেলাম। কিছুক্ষণ পরে আবার আসলাম। দেখি তিনি সাজদা রত অবস্থায় ঐ কথাই বলছেন। এরপর আমি যুদ্ধে ফিরে গেলাম। কিছুক্ষণ পরে আবার ফিরে আসলাম। এসে দেখি তিনি সে কথাই বলছেন। এরপর আল্লাহ্‌ তাঁকে বিজয় দান করেন। এ হাদীসেও আমরা দেখছি, কিভাবে যিক্‌রের মাধ্যমে দোয়া করা হয়। এরূপ সমর্পিত যিক্‌র সর্বোত্তম দোয়ার ফল এনে দেয়।

يَا حَيُّ، يَا قَيُّوْمُ

হে চিরঞ্জীব, হে সর্বসংরক্ষক।

রেফারেন্স: হাসান (হাইসামী)। তাবরানীঃ ৪৮১৭

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দোয়া #১

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দোয়া #১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বিপদ বা কষ্টের সময় এ কথাগুলো বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، الْعَظِيْمُ الْحَلِيْمُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، رَبُّ السَّمَاوَاتِ، وَرَبُّ الْأَرْضِ، وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হুল আযীমুল হালীম, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রাব্বুল আরশিল আযীম, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু রাব্বুস সামা-ওয়া-তি ওয়া রাব্বুল আরদ্বি ওয়া রাব্বুল আরশিল কারীম

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, যিনি মহান, মহাধৈর্যশীল মহা বিচক্ষণ, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, যিনি মহান আরশের প্রভু, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, যিনি আসমানসমূহের, জমিনের ও সম্মানিত আরশের প্রভু।

রেফারেন্স: বুুখারী ৭৪৩১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বিপদ বা কষ্টের সময় এ কথাগুলো বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، الْعَظِيْمُ الْحَلِيْمُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيْمِ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، رَبُّ السَّمَاوَاتِ، وَرَبُّ الْأَرْضِ، وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, যিনি মহান, মহাধৈর্যশীল মহা বিচক্ষণ, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, যিনি মহান আরশের প্রভু, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রকৃত মাবুদ নেই, যিনি আসমানসমূহের, জমিনের ও সম্মানিত আরশের প্রভু।

রেফারেন্স: বুুখারী ৭৪৩১

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দোয়া #২

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দোয়া #২

اَللَّهُ رَبِّي لَا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا

আল্লা-হু রাব্বী, লা- উশরিকু বিহী শাইআন

আল্লাহ্‌ আমার রব, তার সাথে কাউকে শরীক করি না।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৮২

আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) তাঁর পরিবারের সবাইকে একত্রিত করে বলতেন: “তোমাদের কেউ কখনো দুশ্চিন্তা বা বিপদের মধ্যে নিপতিত হলে এ কথা বলবে।”

اَللَّهُ رَبِّي لَا أُشْرِكُ بِهِ شَيْئًا

আল্লাহ্‌ আমার রব, তার সাথে কাউকে শরীক করি না।

রেফারেন্স: সহীহ। ইবনে মাজাহঃ ৩৮৮২

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দোয়া #৩

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দোয়া #৩

যুদ্ধের সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَنْتَ عَضُدِي، وَأَنْتَ نَصِيرِي، بِكَ أَحُولُ وَبِكَ أَصُولُ، وَبِكَ أُقَاتِلُ

আল্লা-হুম্মা আনতা ‘আদ্বুদী, ওয়া আনতা নাসীরী, বিকা আহূলু, ওয়া বিকা আসূলু, ওয়া বিকা উক্বা-তিলু

হে আল্লাহ্‌! তুমিই আমার শক্তি, তুমিই আমার সাহায্যকারী; তোমার মাধ্যমে আমি প্রতিরোধ গড়ে তুলি, আর তোমার শক্তিতে আমি আক্রমণ ও লড়াই করি।

রেফারেন্স: হাসান গরীব। আবু দাউদঃ ২৬৩২

যুদ্ধের সময় আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ أَنْتَ عَضُدِي، وَأَنْتَ نَصِيرِي، بِكَ أَحُولُ وَبِكَ أَصُولُ، وَبِكَ أُقَاتِلُ

হে আল্লাহ্‌! তুমিই আমার শক্তি, তুমিই আমার সাহায্যকারী; তোমার মাধ্যমে আমি প্রতিরোধ গড়ে তুলি, আর তোমার শক্তিতে আমি আক্রমণ ও লড়াই করি।

রেফারেন্স: হাসান গরীব। আবু দাউদঃ ২৬৩২

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দোয়া #৪

দুশ্চিন্তা বা বিপদগ্রস্তের দোয়া #৪

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

হাসবুনাল্লা-হু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল

আমাদের জন্য আল্লাহ্‌ই যথেষ্ট, আর তিনিই সবচেয়ে ভালো অভিভাবক।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪৫৬৩

এ দোয়া পড়েছিলেন ইবরাহীম (আঃ), যখন তাঁকে আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। আর এ দোয়া পড়েছেন মুহাম্মাদ (ﷺ), যখন লোকজন তাঁকে বলেছিল, “তোমাদের বিরুদ্ধে কিন্তু লোকজন একজোট হয়েছে!”

حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ

আমাদের জন্য আল্লাহ্‌ই যথেষ্ট, আর তিনিই সবচেয়ে ভালো অভিভাবক।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪৫৬৩

জুলুমের আশঙ্কা দেখা দিলে

জুলুমের আশঙ্কা দেখা দিলে

اَللَّهُ أَكْبَرُ، اَللَّهُ أَعَزُّ مِنْ خَلْقِهِ جَمِيعًا، اَللَّهُ أَعَزُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ، أَعُوْذُ بِاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمُمْسِكِ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ أَنْ يَقَعْنَ عَلَى الْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِهِ، مِنْ شَرِّ عَبْدِكَ فُلَانٍ، وَجُنُودِهِ وَأَتْبَاعِهِ وَأَشْيَاعِهِ، مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ، اَللَّهُمَّ كُنْ لِي جَارًا مِنْ شَرِّهِمْ، جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَعَزَّ جَارُكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

আল্লা-হু আকবারু, আল্লা-হু আ‘আঝ্যু মিন খালক্বিহী জামী‘আন। আল্লাহু আ‘আঝ্যু মিম্মা- আখা-ফু ওয়া আহযারু। আউযু বিল্লা-হিল্লাযী লা ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল মুমসিকিস্ সামা-ওয়া-তিস সাব‘ঈ, আন ইয়াকা‘না আলাল্ আরদ্বি ইল্লা- বিইযনিহী, মিন শাররি ‘আবদিকা (ব্যক্তির নাম উল্লেখ করতে হবে), ওয়া জুনূদিহী ওয়া আতবা‘ইহী ওয়া আশইয়া‘ইহী মিনাল জিন্নি ওয়াল ইনসি। আল্লা-হুম্মা কুন লী জা-রান মিন শাররিহিম, জাল্লা সানা-উকা ওয়া ‘আঝ্যা জা-রুকা ওয়াতাবা-রকাসমুকা ওয়ালা- ইলা-হা গাইরুক

আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ্‌ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ্‌ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জিন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ্‌! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণগান অতি মহান, আপনার আশ্রিত প্রবল শক্তিশালী, আপনার নাম অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: সহিহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৭০৮

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন তুমি কোনও ত্রাস-সৃষ্টিকারী প্রভাবশালী ব্যক্তির মুখোমুখি হবে, যার ব্যাপারে তোমার আশঙ্কা যে, সে তোমার উপর চড়াও হবে, তখন তুমি তিনবার বলবে - (দোয়াটি উপরে উল্লেখিত হয়েছে)

اَللَّهُ أَكْبَرُ، اَللَّهُ أَعَزُّ مِنْ خَلْقِهِ جَمِيعًا، اَللَّهُ أَعَزُّ مِمَّا أَخَافُ وَأَحْذَرُ، أَعُوْذُ بِاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْمُمْسِكِ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ أَنْ يَقَعْنَ عَلَى الْأَرْضِ إِلَّا بِإِذْنِهِ، مِنْ شَرِّ عَبْدِكَ فُلَانٍ، وَجُنُودِهِ وَأَتْبَاعِهِ وَأَشْيَاعِهِ، مِنَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ، اَللَّهُمَّ كُنْ لِي جَارًا مِنْ شَرِّهِمْ، جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَعَزَّ جَارُكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ

আল্লাহ্‌ সবচেয়ে বড়, আল্লাহ্‌ তাঁর সমস্ত সৃষ্টি থেকে মহামর্যাদাবান। আমি যা থেকে ভীত ও শঙ্কিত তার চেয়ে আল্লাহ্‌ মহাপরাক্রমশালী। আমি আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চাই, যিনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, যিনি সাত আসমানের ধারণকারী, তার অনুমতি ব্যতীত পৃথিবীর উপর পতিত হওয়া থেকে (আশ্রয় চাই) তাঁর অমুক বান্দা, তার সৈন্য-সামন্ত, তার অনুসারী ও তার অনুগামী জিন ও ইনসানের অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ্‌! তাদের ক্ষতি থেকে আপনি আমার জন্য আশ্রয়দানকারী হোন। আপনার গুণগান অতি মহান, আপনার আশ্রিত প্রবল শক্তিশালী, আপনার নাম অতি বরকতময়। আর আপনি ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: সহিহ। আদাবুল মুফরাদঃ ৭০৮

শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে দোয়া

শত্রুবাহিনীর বিরুদ্ধে দোয়া

اَللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيعَ الْحِسَابِ، اِهْزِمِ الْأَحْزَابَ، اَللَّهُمَّ اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ

আল্লা-হুম্মা মুনঝিলাল কিতা-বি সারী‘আল হিসা-বি ইহ্‌ঝিমিল আহ্‌যা-বা, আল্লা-হুম্মাহ্‌ ঝিমহুম ওয়া ঝালযিলহুম

হে আল্লাহ্‌, কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রুবাহিনীকে পরাভূত করুন। হে আল্লাহ্‌! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৮১৮, ২৮৩৩, ২৯৩৩

اَللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيعَ الْحِسَابِ، اِهْزِمِ الْأَحْزَابَ، اَللَّهُمَّ اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ

হে আল্লাহ্‌, কিতাব নাযিলকারী, দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রুবাহিনীকে পরাভূত করুন। হে আল্লাহ্‌! আপনি তাদেরকে পরাজিত করুন এবং তাদের মধ্যে ত্রাস সৃষ্টি করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৮১৮, ২৮৩৩, ২৯৩৩

যালেমের বিরুদ্ধে দোয়া

যালেমের বিরুদ্ধে দোয়া

اَللَّهُمَّ مَتِّعْنِي بِسَمْعِي وَبَصَرِي وَاجْعَلْهُمَا الْوَارِثَ مِنِّي، وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ ظَلَمَنِي وَخُذْ مِنْهُ بِثَأْرِي

আল্লা-হুম্মা, মাত্তি’অ্‌নী বিসাম’ঈ, ওয়া বাস্বারী, ওয়াজ্‌’আলহুমাল ওয়া-রিছা মিন্নী, ওয়ান্‌স্বুর্‌নী ‘আলা- মান যালামানী ওয়া খুয্‌ মিন্‌হু বিছা'রী

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমার শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি অক্ষুন্ন রাখুন এবং উভয়কে আমার উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিন যেন মৃত্যুর সময় এগুলোকে অক্ষুন্ন রেখে মরতে পারি। আমার উপর অত্যাচারকারীর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন এবং তার বিপক্ষে আমার পক্ষ প্রতিশোধ গ্রহণ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ ১/২২৬

اَللَّهُمَّ مَتِّعْنِي بِسَمْعِي وَبَصَرِي وَاجْعَلْهُمَا الْوَارِثَ مِنِّي، وَانْصُرْنِي عَلَى مَنْ ظَلَمَنِي وَخُذْ مِنْهُ بِثَأْرِي

হে আল্লাহ্‌, আপনি আমার শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি অক্ষুন্ন রাখুন এবং উভয়কে আমার উত্তরাধিকারী বানিয়ে দিন যেন মৃত্যুর সময় এগুলোকে অক্ষুন্ন রেখে মরতে পারি। আমার উপর অত্যাচারকারীর বিরুদ্ধে আমাকে সাহায্য করুন এবং তার বিপক্ষে আমার পক্ষ প্রতিশোধ গ্রহণ করুন।

রেফারেন্স: সহীহ। বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ ১/২২৬

যালিম কওমের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার দোয়া

যালিম কওমের অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার দোয়া

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ

হে আমাদের রব, আমাদেরকে যালিম কওমের অন্তর্ভুক্ত করবেন না।

রেফারেন্স: সূরা আরাফঃ ৭:৪৭

رَبَّنَا لَا تَجْعَلْنَا مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ

হে আমাদের রব, আমাদেরকে যালিম কওমের অন্তর্ভুক্ত করবেন না।

রেফারেন্স: সূরা আরাফঃ ৭:৪৭

ঋণ পরিশোধের দোয়া #১

ঋণ পরিশোধের দোয়া #১

ঋণের বোঝা পাহাড় পরিমাণ হলেও, (এ দোয়া পড়লে) আল্লাহ্‌ ঋণমুক্ত করে দেবেন -

اَللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

আল্লা-হুম্মাকফিনী বিহালা-লিকা ‘আন হারা-মিকা ওয়া আগনিনী বিফাদ্বলিকা ‘আম্মান সিওয়া-ক

হে আল্লাহ্‌! তোমার হালালকেই আমার জন্য যথেষ্ট করে দাও, যেন তোমার হারামের দিকে ধাবিত না হই; আর তোমার অনুগ্রহ দিয়ে আমাকে অভাবমুক্ত করে দাও, যেন তোমাকে ছাড়া অন্য কারও মুখাপেক্ষী না হই।

রেফারেন্স: হাসান গরীব। তিরমিযিঃ ৩৫৬৩

ঋণের বোঝা পাহাড় পরিমাণ হলেও, (এ দোয়া পড়লে) আল্লাহ্‌ ঋণমুক্ত করে দেবেন -

اَللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

হে আল্লাহ্‌! তোমার হালালকেই আমার জন্য যথেষ্ট করে দাও, যেন তোমার হারামের দিকে ধাবিত না হই; আর তোমার অনুগ্রহ দিয়ে আমাকে অভাবমুক্ত করে দাও, যেন তোমাকে ছাড়া অন্য কারও মুখাপেক্ষী না হই।

রেফারেন্স: হাসান গরীব। তিরমিযিঃ ৩৫৬৩

ঋণ পরিশোধের দোয়া #২

ঋণ পরিশোধের দোয়া #২

নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল ‘হাঝানি ওয়াল ‘আজঝি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালা’ইদ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজা-ল

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- দুর্দশা ও দুশ্চিন্তা, অক্ষমতা ও অলসতা, ভীরুতা ও কৃপণতা, ঋণের বোঝা, এবং লোকজনের কাছে পরাজয় বরণ।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৮৯৩

নবী (ﷺ) বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ، وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ، وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ، وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই- দুর্দশা ও দুশ্চিন্তা, অক্ষমতা ও অলসতা, ভীরুতা ও কৃপণতা, ঋণের বোঝা, এবং লোকজনের কাছে পরাজয় বরণ।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৮৯৩

বাচ্চাদের জন্য নিরাপত্তা চাওয়ার দোয়া

বাচ্চাদের জন্য নিরাপত্তা চাওয়ার দোয়া

রাসূল (ﷺ) হাসান্-হুসাইনের (নাতিদের) জন্য এভাবে নিরাপত্তা চাইতেন -

أُعِيْذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ وَّمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

উ‘ঈযুকুমা- বিকালিমা-তিল্লা-হিত্ তা-ম্মাতি মিন কুল্লি শাইত্ব-নিও ওয়া হা-ম্মাহ্, ওয়া মিন কুল্লি ‘আইনিন লা-ম্মাহ্

প্রত্যেক শয়তান হতে আল্লাহ্‌র পূর্ণ কালেমা দ্বারা তোমাদের দু’জনের জন্য পরিত্রাণ চাচ্ছি। আর পরিত্রাণ চাচ্ছি প্রত্যেক বিষাক্ত কীট হতে এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর চক্ষু হতে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

রাসূল (ﷺ) হাসান্-হুসাইনের (নাতিদের) জন্য এভাবে নিরাপত্তা চাইতেন -

أُعِيْذُكُمَا بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَّهَامَّةٍ وَّمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لَامَّةٍ

প্রত্যেক শয়তান হতে আল্লাহ্‌র পূর্ণ কালেমা দ্বারা তোমাদের দু’জনের জন্য পরিত্রাণ চাচ্ছি। আর পরিত্রাণ চাচ্ছি প্রত্যেক বিষাক্ত কীট হতে এবং প্রত্যেক ক্ষতিকর চক্ষু হতে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৭১

বিপদ-আপদের সময় দোয়া

বিপদ-আপদের সময় দোয়া

নবী করীম (ﷺ) বিপদের সময়ে বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّى كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ

লা- ইলা-হা ইল্লা-আনতা সুব্‌হা-নাকা ইন্নী কুনতু মিনায্‌যা-লিমীন্

আপনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম যালিম।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫০৫

নবী করীম (ﷺ) বিপদের সময়ে বলতেন -

لَا إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّى كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِيْنَ

আপনি ছাড়া কোন (সত্য) ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম যালিম।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৫০৫

আতঙ্কিত হলে

আতঙ্কিত হলে

যাইনাব বিনতে জাহশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'একদিন আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আতঙ্কিত অবস্থায় বের হন। (আতঙ্কে) তার চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল। তখন তিনি বলছিলেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা'বুদ নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৪৬

আরবের লোকেদের জন্য সেই অনিষ্টের কারণে ধ্বংস অনিবার্য যা নিকটবর্তী হয়েছে। আজ ইয়াজুজ ও মাজুজের প্রাচীর এ পরিমাণ খুলে গেছে। এ কথা বলার সময় তিনি তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলির আগ্রভাগকে তার সঙ্গের শাহাদাত আঙ্গুলির অগ্রভাগের সঙ্গে মিলিয়ে গোলাকার করে ছিদ্রের পরিমাণ দেখান। যায়নাব বিনতে জাহাশ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাদের মধ্যে পুণ্যবান লোকজন থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? তিনি বলেন, হ্যাঁ যখন পাপকাজ অতি মাত্রায় বেড়ে যাবে।

যাইনাব বিনতে জাহশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'একদিন আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আতঙ্কিত অবস্থায় বের হন। (আতঙ্কে) তার চেহারা লাল হয়ে গিয়েছিল। তখন তিনি বলছিলেন -

لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ

আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন মা'বুদ নেই।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৩৪৬

📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 যুদ্ধ সম্পর্কিত দোয়া সমূহ

📄 যুদ্ধ সম্পর্কিত দোয়া সমূহ


যুদ্ধে যাওয়ার দোয়া

যুদ্ধে যাওয়ার দোয়া

اَللَّهُمَّ بِكَ أُقَاتِلُ وَبِكَ أُصَاوِلُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

আল্লা-হুম্মা বিকা উক্বা-তিলু ওয়াবিকা উসাউইলু ওয়ালা হাওলা ওয়ালা- ক্বুওয়্যাতা ইল্লা- বিল্লা-হ।

হে আল্লাহ আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমণ করি। কোনো শক্তি বা ক্ষমতা (কার্যকরী) হয় না আপনার সাহায্য ব্যতীত।

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ১০৬১

اَللَّهُمَّ بِكَ أُقَاتِلُ وَبِكَ أُصَاوِلُ وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ

হে আল্লাহ আপনারই সাহায্যে আমি যুদ্ধ করি, আপনারই সাহায্যে আমি আক্রমণ করি। কোনো শক্তি বা ক্ষমতা (কার্যকরী) হয় না আপনার সাহায্য ব্যতীত।

রেফারেন্স: সহীহ। সিলসিলাতুল সহীহাঃ ১০৬১

যুদ্ধে অগ্রগামীদের জন্য দোয়া

যুদ্ধে অগ্রগামীদের জন্য দোয়া

اُغْزُوا بِاسْمِ اللَّهِ فِي سَبِيْلِ اللَّهِ قَاتِلُوا مَنْ كَفَرَ بِاللَّهِ اُغْزُوا وَلَا تَغُلُّوا وَلَا تَغْدِرُوا وَلَا تَمْثُلُوا وَلَا تَقْتُلُوا وَلِيْدًا

উগ্‌যূ বিস্‌মিল্লা-হি ফি সাবিলিল্লা-হি, ক্বাতিলু মান কাফারা বিল্লা-হি, উগ্‌যূ ওয়ালা তাগুল্লু ওয়ালা তাগ্‌দিরু ওয়ালা তাম্‌ছুলু ওয়ালা তাক্বতুলু ওয়ালিদা

আল্লাহর নাম নিয়ে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করাে। যে (আল্লাহ তা’আলাকে একমাত্র উপাস্য হিসেবে) অস্বীকার করবে তার বিরুদ্ধে লড়াই করাে। জিহাদ করাে, (গনিমতের সম্পদে) খেয়ানত করাে না। (কারও সঙ্গে) ওয়াদা ভঙ্গ করাে না। কারও নাক কান কাটবে না (চেহারা বিকৃত করবে না) এবং কোনাে বাচ্চাকে হত্যা করবে না।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৭৩১

কাউকে ছােট বা বড় সৈন্যদলের আমীর (কমান্ডার) বানালে (অথবা সমকালীন শাসকের পক্ষ থেকে বানানাে হলে) তাকে নিজের ব্যাপারে আল্লাহ তা’আলার ভয় এবং তার অধীনস্থ মুসলমানদের (সিপাহিদের) সঙ্গে ভালাে আচরণ করার ওসিয়ত করবে। তারপর বলবে- (দোয়াটি উপরে বর্ণিত হয়েছে)

اُغْزُوا بِاسْمِ اللَّهِ فِي سَبِيْلِ اللَّهِ قَاتِلُوا مَنْ كَفَرَ بِاللَّهِ اُغْزُوا وَلَا تَغُلُّوا وَلَا تَغْدِرُوا وَلَا تَمْثُلُوا وَلَا تَقْتُلُوا وَلِيْدًا

আল্লাহর নাম নিয়ে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করাে। যে (আল্লাহ তা’আলাকে একমাত্র উপাস্য হিসেবে) অস্বীকার করবে তার বিরুদ্ধে লড়াই করাে। জিহাদ করাে, (গনিমতের সম্পদে) খেয়ানত করাে না। (কারও সঙ্গে) ওয়াদা ভঙ্গ করাে না। কারও নাক কান কাটবে না (চেহারা বিকৃত করবে না) এবং কোনাে বাচ্চাকে হত্যা করবে না।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ১৭৩১

যুদ্ধে গমনকারীদের প্রতি খুতবা #১

যুদ্ধে গমনকারীদের প্রতি খুতবা #১

يَا أَيُّهَا النَّاسُ لَا تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ وَسَلُوْا اللَّهَ الْعَافِيَةَ، فَإِذَا لَقِيْتُمُوْهُمْ فَاصْبِرُوْا، وَاعْلَمُوْا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلَالِ السُّيُوفِ.

ইয়া আয়্যুহান্‌- নাস, লা- তাতামান্নাও লিক্বা-আল আদুওয়্যি ওয়াসালুল্লা-হাল্‌ ‘আফিয়াহ, ফা- ইযা লাক্বিতুমু- হুম ফাস্‌বিরু, ওয়া’লামু আন্নাল্‌ জান্নাতা তাহ্‌তা যিলা-লিস্‌ সুয়ূফ।

হে মুজাহিদবাহিনী, শত্রুর বিরুদ্ধে সাক্ষাৎ কামনা করো না। (বরং) আল্লাহ তা’আলার নিকট নিরাপত্তা চাও। তবে যদি মোকাবেলা হয়েই যায়, তা হলে দৃঢ়পদ থাকো এবং জেনে রাখো, তরবারির ছায়ার নিচেই রয়েছে জান্নাত।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৯৬৬

يَا أَيُّهَا النَّاسُ لَا تَتَمَنَّوْا لِقَاءَ الْعَدُوِّ وَسَلُوْا اللَّهَ الْعَافِيَةَ، فَإِذَا لَقِيْتُمُوْهُمْ فَاصْبِرُوْا، وَاعْلَمُوْا أَنَّ الْجَنَّةَ تَحْتَ ظِلَالِ السُّيُوفِ.

হে মুজাহিদবাহিনী, শত্রুর বিরুদ্ধে সাক্ষাৎ কামনা করো না। (বরং) আল্লাহ তা’আলার নিকট নিরাপত্তা চাও। তবে যদি মোকাবেলা হয়েই যায়, তা হলে দৃঢ়পদ থাকো এবং জেনে রাখো, তরবারির ছায়ার নিচেই রয়েছে জান্নাত।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৯৬৬

যুদ্ধে গমনকারীদের প্রতি খুতবা #২

যুদ্ধে গমনকারীদের প্রতি খুতবা #২

اَللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، وَمُجْرِيَ السَّحَابِ، وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ، اِهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ.

আল্লা-হুম্মা মুনযিলাল কিতা-ব, ওয়া মুজরিআস্‌ সাহাব, ওয়া হাযিমাল্‌ আহ্‌যাব, ইহ্‌যিম্‌হুম ওয়ান্‌স্বুর্‌না- আলাইহিম।

হে আল্লাহ, (আসমান থেকে) কিতাব (কোরআন) অবতীর্ণকারী, মেঘমালা সঞ্চালনকারী, (শয়তান) বাহিনীকে পরাজিতকারী, আপনি এই শক্রদের পরাজিত করুন। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৯৬৬

اَللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، وَمُجْرِيَ السَّحَابِ، وَهَازِمَ الْأَحْزَابِ، اِهْزِمْهُمْ وَانْصُرْنَا عَلَيْهِمْ.

হে আল্লাহ, (আসমান থেকে) কিতাব (কোরআন) অবতীর্ণকারী, মেঘমালা সঞ্চালনকারী, (শয়তান) বাহিনীকে পরাজিতকারী, আপনি এই শক্রদের পরাজিত করুন। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৯৬৬

যুদ্ধে গমনকারীদের প্রতি খুতবা #৩

যুদ্ধে গমনকারীদের প্রতি খুতবা #৩

إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذَرِيْنَ

ইন্না ইযা- নাযালনা বিসা-হাতি ক্বাওম, ফাসাআ সাবাহুল্‌ মুন্‌যারিন।

নিশ্চয় আমরা যখন কোনাে (শত্রু) জাতির এলাকায় অবতরণ করি, তখন সতর্ককৃত লােকদের সকাল বড় মন্দ হয়।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪১৯৭

إِنَّا إِذَا نَزَلْنَا بِسَاحَةِ قَوْمٍ فَسَاءَ صَبَاحُ الْمُنْذَرِيْنَ

নিশ্চয় আমরা যখন কোনাে (শত্রু) জাতির এলাকায় অবতরণ করি, তখন সতর্ককৃত লােকদের সকাল বড় মন্দ হয়।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৪১৯৭

ফন্ট সাইজ
15px
17px