📘 দোয়া ও রুকইয়াহ 📄 ঋণমুক্তির দোয়া সমূহ

📄 ঋণমুক্তির দোয়া সমূহ


ঋণমুক্তির দোয়া #১

ঋণমুক্তির দোয়া #১

اَللَّهُمَّ اكْفِنِيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

আল্লা-হুম্মাকফিনী বি'হালা-লিকা ‘আন 'হারা-মিকা ওয়া আগনিনী বিফাদ্বলিকা ‘আম্মান সিওয়া-ক

হে আল্লাহ্‌, আপনি আপনার হালাল প্রদান করে আমাকে হারাম থেকে রক্ষা করুন এবং আপনার দয়া ও বরকত প্রদান করুন আমাকে। আপনি ছাড়া অন্য সকলের অনুগ্রহ থেকে বিমুক্ত করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিজিঃ ৩৫৬৩

আলী (রাঃ)-এর কাছে এক ব্যক্তি ঋণমুক্তির জন্য সাহায্য চাইলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) আমাকে কিছু বাক্য শিখিয়ে দিয়েছেন, আমি তোমাকে তা শিখিয়ে দিচ্ছি। তোমার পাহাড় পরিমাণ ঋণ থাকলেও আল্লাহ্‌ তোমার পক্ষ থেকে তা আদায় করে দেবেন এবং তোমাকে ঋণমুক্ত করবেন। তুমি বলবে... (উপরের দোয়া)

اَللَّهُمَّ اكْفِنِيْ بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

হে আল্লাহ্‌, আপনি আপনার হালাল প্রদান করে আমাকে হারাম থেকে রক্ষা করুন এবং আপনার দয়া ও বরকত প্রদান করুন আমাকে। আপনি ছাড়া অন্য সকলের অনুগ্রহ থেকে বিমুক্ত করে দিন।

রেফারেন্স: হাসান। তিরমিজিঃ ৩৫৬৩

ঋণমুক্তির দোয়া #২

ঋণমুক্তির দোয়া #২

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বেশি বেশি এ দোয়াটি বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল ‘হাঝানি ওয়াল ‘আজযি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালা’ইদ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজা-ল

হে আল্লাহ্‌ আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি দুশ্চিন্তা, দুঃখ-বেদনা, মনোকষ্ট, অক্ষমতা, অলসতা, কৃপণতা, কাপুরুষতা, ঋণের বোঝা এবং মানুষের প্রাধান্য বা প্রভাবের অধীনতা থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৮৯৩

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) বেশি বেশি এ দোয়াটি বলতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ

হে আল্লাহ্‌ আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি দুশ্চিন্তা, দুঃখ-বেদনা, মনোকষ্ট, অক্ষমতা, অলসতা, কৃপণতা, কাপুরুষতা, ঋণের বোঝা এবং মানুষের প্রাধান্য বা প্রভাবের অধীনতা থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৮৯৩

ঋণমুক্তির দোয়া #৩

ঋণমুক্তির দোয়া #৩

اَللَّهُمَّ مٰلِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ مَنْ تَشَاءُ وَتَنْزِعُ الْمُلْكَ مِمَّنْ تَشَاءُ وَتُعِزُّ مَنْ تَشَاءُ وَتُذِلُّ مَنْ تَشَاءُ بِيَدِكَ الْخَيْرُ إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ رَحْمَانُ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَرَحِيْمَهُمَا تُعْطِيْهِمَا مَنْ تَشَاءُ وَتَمْنَعُ مِنْهُمَا مَنْ تَشَاءُ ارْحَمْنِيْ رَحْمَةً تُغْنِيْنِيْ بِهَا عَنْ رَحْمَةِ مَنْ سِوَاكَ

আল্লা-হুম্মা, মা-লিকাল মুলকি, তু’তিল মুলকা মান তাশা-উ ওয়া তানঝি’উল মুলকা মিম্মান তাশা-উ ওয়াতু’ইয্‌ঝু মান তাশা-উ ওয়া তুযিল্লু মান তাশা-উ বিইয়াদিকাল খাইরু, ইন্নাকা ‘আলা- কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। রাহমা-নুদ দুনইয়া- ওয়াল আ-খিরাতি ওয়া রাহীমাহুমা-, তু’অ্‌তিহিমা- মান তাশা-উ ওয়া তামনা’উ মিনহুমা- মান তাশা-উর’হামনী রাহমাতান তুগনীনী বিহা- ‘আন রা’হ্‌মাতি মান্ সিওয়া-ক

হে আল্লাহ্‌, সকল রাজত্বের মালিক, আপনি যাকে ইচ্ছা রাজত্ব প্রদান করেন এবং যার থেকে ইচ্ছা রাজত্ব ছিনিয়ে নেন। আপনি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করেন এবং যাকে ইচ্ছা অপমানিত করেন। আপনার হাতেই কল্যাণ। নিশ্চয় আপনি সকল বিষয়ের উপর শক্তিমান। পার্থিব জগৎ এবং পারলৌকি জাগতের মহাকরুণাময় ও অপার দয়াশীল। আপনি যাকে ইচ্ছা করুণা প্রদান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বঞ্চিত করেন। আপনি আমাকে এমন রহমত প্রদান করুন যা আমাকে আপনি ছাড়া অন্য কারো করুণা থেকে অমুখাপেক্ষী বানিয়ে দেবে।

রেফারেন্স: হাসান। সহীহুত তারগীবঃ ১৮২১

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) মু'আয (রাঃ)-কে বলেন, যদি তুমি এ দোয়াটি বলে প্রার্থনা করো তাহলে তোমার পাহাড় পরিমাণ ঋণ থাকলেও আল্লাহ্‌ তা তোমার পক্ষ থেকে আদায় করে দেবেন।

اَللَّهُمَّ مٰلِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ مَنْ تَشَاءُ وَتَنْزِعُ الْمُلْكَ مِمَّنْ تَشَاءُ وَتُعِزُّ مَنْ تَشَاءُ وَتُذِلُّ مَنْ تَشَاءُ بِيَدِكَ الْخَيْرُ إِنَّكَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ رَحْمَانُ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَرَحِيْمَهُمَا تُعْطِيْهِمَا مَنْ تَشَاءُ وَتَمْنَعُ مِنْهُمَا مَنْ تَشَاءُ ارْحَمْنِيْ رَحْمَةً تُغْنِيْنِيْ بِهَا عَنْ رَحْمَةِ مَنْ سِوَاكَ

হে আল্লাহ্‌, সকল রাজত্বের মালিক, আপনি যাকে ইচ্ছা রাজত্ব প্রদান করেন এবং যার থেকে ইচ্ছা রাজত্ব ছিনিয়ে নেন। আপনি যাকে ইচ্ছা সম্মানিত করেন এবং যাকে ইচ্ছা অপমানিত করেন। আপনার হাতেই কল্যাণ। নিশ্চয় আপনি সকল বিষয়ের উপর শক্তিমান। পার্থিব জগৎ এবং পারলৌকি জাগতের মহাকরুণাময় ও অপার দয়াশীল। আপনি যাকে ইচ্ছা করুণা প্রদান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বঞ্চিত করেন। আপনি আমাকে এমন রহমত প্রদান করুন যা আমাকে আপনি ছাড়া অন্য কারো করুণা থেকে অমুখাপেক্ষী বানিয়ে দেবে।

রেফারেন্স: হাসান। সহীহুত তারগীবঃ ১৮২১

ঋণমুক্তির দোয়া #৪

ঋণমুক্তির দোয়া #৪

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সালাতের মধ্যে এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْـيَا وَالْمَمَاتِ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন আযা-বিল ক্বাবর, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জা-ল, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া- ওয়াল মামা-ত। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল মা’ছামি ওয়াল মাগরাম

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের শাস্তি থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই (ভণ্ড) ত্রাণকর্তা দাজ্জালের পরীক্ষা থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা থেকে; হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই গোনাহ ও ঋণ থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩২

একজন তাঁকে (নবী [ﷺ]-কে) জিজ্ঞাসা করেন, “আপনি ঋণের ব্যাপারে (আল্লাহ্‌র কাছে) এত বেশি আশ্রয় চান কেন?” জবাবে নবী (ﷺ) বলেন, “মানুষ যখন ঋণে জড়িয়ে পড়ে, তখন কথা বললে মিথ্যা বলে আর ওয়াদা দিলে তা ভঙ্গ করে।”

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) সালাতের মধ্যে এ দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْـيَا وَالْمَمَاتِ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই কবরের শাস্তি থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই (ভণ্ড) ত্রাণকর্তা দাজ্জালের পরীক্ষা থেকে; তোমার কাছে আশ্রয় চাই জীবন ও মৃত্যুর পরীক্ষা থেকে; হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই গোনাহ ও ঋণ থেকে।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৮৩২

ঋণমুক্তির দোয়া #৫

ঋণমুক্তির দোয়া #৫

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এই দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، اَللَّهُمَّ اغْسِلْ قَلْبِي بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিন্‌ না-র, ওয়া আযা-বিন্‌ না-র, ওয়া ফিতনাতিল ক্বাবর, ওয়া আযা-বিল ক্বাবর, ওয়া শার্‌রি ফিতনাতিল গিনা, ওয়া শার্‌রি ফিতনাতিল ফাক্বর, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জা-ল, আল্লা-হুম্মাগ্‌সিল ক্বল্‌বী বিমা-ইছ ছাল্‌জি ওয়াল বারাদ, ওয়া নাক্কি ক্বল্‌বী মিনাল খাত্বা-ইয়া- কামা- নাক্কাইতাছ ছাওবাল আব্‌ইয়াদা মিনাদ দানাস। ওয়া বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা- বা-‘আদ্‌তা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল কাসালি ওয়াল হারামি ওয়াল মা’ছামি ওয়াল মাগরাম

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই। জাহান্নামের পরীক্ষা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে, কবরের পরীক্ষা ও কবরের শাস্তি থেকে, প্রাচুর্যের পরীক্ষার অনিষ্ট থেকে এবং দারিদ্রের পরীক্ষার অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই (ভণ্ড) ত্রাণকর্তা দাজ্জালের পরীক্ষা থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমার অন্তরকে ধুয়ে দাও শীতল ও বরফগলা পানি দিয়ে; আমার অন্তরকে গোনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন করো, যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করো; আর আমার ও আমার গোনাহগুলোর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করো, যেভাবে দূরত্ব সৃষ্টি করেছো পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই অলসতা ও বার্ধক্য থেকে এবং গোনাহ ও ঋণে জড়িয়ে পড়া থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৯৫

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এই দোয়া পড়তেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ النَّارِ وَعَذَابِ النَّارِ، وَفِتْنَةِ الْقَبْرِ، وَعَذَابِ الْقَبْرِ، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْغِنَى، وَشَرِّ فِتْنَةِ الْفَقْرِ، اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ، اَللَّهُمَّ اغْسِلْ قَلْبِي بِمَاءِ الثَّلْجِ وَالْبَرَدِ، وَنَقِّ قَلْبِي مِنَ الْخَطَايَا كَمَا نَقَّيْتَ الثَّوْبَ الْأَبْيَضَ مِنَ الدَّنَسِ، وَبَاعِدْ بَيْنِي وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ. اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْكَسَلِ وَالْهَرَمِ وَالْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই। জাহান্নামের পরীক্ষা ও জাহান্নামের শাস্তি থেকে, কবরের পরীক্ষা ও কবরের শাস্তি থেকে, প্রাচুর্যের পরীক্ষার অনিষ্ট থেকে এবং দারিদ্রের পরীক্ষার অনিষ্ট থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই (ভণ্ড) ত্রাণকর্তা দাজ্জালের পরীক্ষা থেকে। হে আল্লাহ্‌! আমার অন্তরকে ধুয়ে দাও শীতল ও বরফগলা পানি দিয়ে; আমার অন্তরকে গোনাহ থেকে পরিচ্ছন্ন করো, যেভাবে সাদা কাপড়কে ময়লা থেকে পরিচ্ছন্ন করো; আর আমার ও আমার গোনাহগুলোর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করো, যেভাবে দূরত্ব সৃষ্টি করেছো পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ্‌! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই অলসতা ও বার্ধক্য থেকে এবং গোনাহ ও ঋণে জড়িয়ে পড়া থেকে।

রেফারেন্স: সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৯৫

ঋণমুক্তির দোয়া #৬

ঋণমুক্তির দোয়া #৬

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের নির্দেশ দিতেন, ঘুমাতে যাওয়ার সময় আমরা যেন বলি -

اَللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْأَرْضِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ، فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى، وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ، وَالْفُرْقَانِ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْآخِرُ فَلَيسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَيْءٌ، اِقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ

আল্লা-হুম্মা রব্বাস্ সামা-ওয়া-তিস্ সাব‘ই, ওয়া রব্বাল আরদ্বী, ওয়া রব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম, রব্বানা- ওয়া রব্বা কুল্লি শাই’ইন্, ফা-লিক্বাল হাব্বি ওয়ান-নাওয়া, ওয়া মুনযিলাত্-তাওরা-তি ওয়াল ইনজীলি ওয়াল ফুরক্বা-ন, আ‘উযু বিকা মিন শাররি কুল্লি শাই’ইন্ আনতা আ-খিযুম-বিনা-সিয়াতিহি। আল্লা-হুম্মা আনতাল আউওয়ালু ফালাইসা ক্বাবলাকা শাইউন। ওয়া আনতাল আ-খিরু ফালাইসা বা‘দাকা শাইউন। ওয়া আনতায যা-হিরু ফালাইসা ফাওক্বাকা শাইউন। ওয়া আনতাল বা-ত্বিনু ফালাইসা দূনাকা শাইউন। ইক্বদ্বি ‘আন্নাদ্-দাইনা ওয়া আগনিনা- মিনাল ফাক্বর

হে আল্লাহ্‌! হে সপ্ত আকাশের রব্ব, যমিনের রব্ব, মহান ‘আরশের রব্ব, আমাদের রব্ব ও প্রত্যেক বস্তুর রব্ব, হে শস্য-বীজ ও আঁটি বিদীর্ণকারী, হে তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন নাযিলকারী, আমি প্রত্যেক এমন বস্তুর অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি, যার (মাথার) অগ্রভাগ আপনি ধরে রেখেছেন (নিয়ন্ত্রণ করছেন)। হে আল্লাহ্‌! আপনিই প্রথম, আপনার পূর্বে কিছুই ছিল না; আপনি সর্বশেষ, আপনার পরে কোনো কিছু থাকবে না; আপনি সব কিছুর উপরে, আপনার উপরে কিছুই নেই; আপনি সর্বনিকটে, আপনার চেয়ে নিকটবর্তী কিছু নেই, আপনি আমাদের সমস্ত ঋণ পরিশোধ করে দিন এবং আমাদেরকে অভাবগ্রস্ততা থেকে অভাবমুক্ত করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৩, সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৮১

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের নির্দেশ দিতেন, ঘুমাতে যাওয়ার সময় আমরা যেন বলি -

اَللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ السَّبْعِ وَرَبَّ الْأَرْضِ، وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ، فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى، وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ، وَالْفُرْقَانِ، أَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ اَللَّهُمَّ أَنْتَ الْأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْآخِرُ فَلَيسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَيْءٌ، اِقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ

হে আল্লাহ্‌! হে সপ্ত আকাশের রব্ব, যমিনের রব্ব, মহান ‘আরশের রব্ব, আমাদের রব্ব ও প্রত্যেক বস্তুর রব্ব, হে শস্য-বীজ ও আঁটি বিদীর্ণকারী, হে তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন নাযিলকারী, আমি প্রত্যেক এমন বস্তুর অনিষ্ট থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করি, যার (মাথার) অগ্রভাগ আপনি ধরে রেখেছেন (নিয়ন্ত্রণ করছেন)। হে আল্লাহ্‌! আপনিই প্রথম, আপনার পূর্বে কিছুই ছিল না; আপনি সর্বশেষ, আপনার পরে কোনো কিছু থাকবে না; আপনি সব কিছুর উপরে, আপনার উপরে কিছুই নেই; আপনি সর্বনিকটে, আপনার চেয়ে নিকটবর্তী কিছু নেই, আপনি আমাদের সমস্ত ঋণ পরিশোধ করে দিন এবং আমাদেরকে অভাবগ্রস্ততা থেকে অভাবমুক্ত করুন।

রেফারেন্স: মুসলিমঃ ২৭১৩, সহীহ। তিরমিযীঃ ৩৪৮১

ঋণমুক্তির দোয়া #৭

ঋণমুক্তির দোয়া #৭

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এসব কথা বলে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الْعَدُوِّ وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আ'ঊযু বিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি ওয়া গালাবাতিল আদুওয়্যি ওয়া শামা-তাতিল আ’দা-য়ি

হে আল্লাহ্‌! (এসব বিষয়ে) তোমার কাছে আশ্রয় চাই ঋণের অত্যধিক বোঝা, শত্রুর বিজয় ও শত্রুবাহিনীর উল্লাস।

রেফারেন্স: সহীহ। নাসায়ীঃ ৫৪৭৫

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) এসব কথা বলে দোয়া করতেন -

اَللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ غَلَبَةِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الْعَدُوِّ وَشَمَاتَةِ الْأَعْدَاءِ

হে আল্লাহ্‌! (এসব বিষয়ে) তোমার কাছে আশ্রয় চাই ঋণের অত্যধিক বোঝা, শত্রুর বিজয় ও শত্রুবাহিনীর উল্লাস।

রেফারেন্স: সহীহ। নাসায়ীঃ ৫৪৭৫

ঋণ পরিশোধের সময় দোয়া

ঋণ পরিশোধের সময় দোয়া

আবদুল্লাহ ইবনু আবী রবীআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) আমার কাছ থেকে চল্লিশ হাজার (মুদ্রা) ঋণ নেন। তাঁর কাছে সম্পদ আসার পর, তিনি আমাকে তা ফেরত দিয়ে বলেন -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ، إِنَّمَا جَزَاءُ السَّلَفِ الْحَمْدُ وَالْأَدَاءُ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফী আহলিকা ওয়া মা-লিকা, ইন্নামা- জাঝা-উস সালাফিল-হামদু ওয়াল আদা-উ

আল্লাহ্‌ তোমার পরিবার ও সম্পদের মধ্যে বরকত দিন! ঋণের প্রতিদান হলো প্রশংসা ও ফেরত প্রদান।

রেফারেন্স: সহীহ। নাসায়ীঃ ৪৬৮৩

আবদুল্লাহ ইবনু আবী রবীআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) আমার কাছ থেকে চল্লিশ হাজার (মুদ্রা) ঋণ নেন। তাঁর কাছে সম্পদ আসার পর, তিনি আমাকে তা ফেরত দিয়ে বলেন -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ، إِنَّمَا جَزَاءُ السَّلَفِ الْحَمْدُ وَالْأَدَاءُ

আল্লাহ্‌ তোমার পরিবার ও সম্পদের মধ্যে বরকত দিন! ঋণের প্রতিদান হলো প্রশংসা ও ফেরত প্রদান।

রেফারেন্স: সহীহ। নাসায়ীঃ ৪৬৮৩

কেউ সম্পদ দিয়ে সাহায্য করতে চাইলে, তার জন্য দোয়া

কেউ সম্পদ দিয়ে সাহায্য করতে চাইলে, তার জন্য দোয়া

সাদ (রাঃ) তার পরিবার ও সম্পদের অর্ধেক দিয়ে দিতে চাইলে আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফী আহলিকা ওয়া মা-লিকা

আল্লাহ্‌ আপনার পরিবার ও সম্পদের মধ্যে বরকত দিন!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৭৮০, ৫১৬৭

এরপর তিনি বলেন, "আপনি আমাকে বাজার দেখিয়ে দিন।" তিনি (বাজারে গিয়ে ব্যাবসা করে) লাভ হিসেবে কিছু মাখন ও দধি নিয়ে আসেন। কিছুদিন পর নবী (ﷺ) তার গায়ে হলুদ সুগন্ধি দেখতে পান। নবী (ﷺ) জিজ্ঞাসা করেন, “আবদুর রহমান, এ সুগন্ধি কীসের?” তিনি বলেন, “হে আল্লাহ্‌র রাসূল, আমি এক আনসার মহিলাকে বিয়ে করেছি।” নবী (ﷺ) বলেন, “তাকে (দেনমোহর হিসেবে) কী দিয়েছ?” তিনি বলেন, “খেজুরের বিচির ওজন পরিমাণ স্বর্ণ।” অতঃপর নবী (ﷺ) বলেন, “ওয়ালিমার (বউভাত) আয়োজন করো, একটি ভেড়া দিয়ে হলেও।”

সাদ (রাঃ) তার পরিবার ও সম্পদের অর্ধেক দিয়ে দিতে চাইলে আবদুর রহমান (রাঃ) বলেন -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ

আল্লাহ্‌ আপনার পরিবার ও সম্পদের মধ্যে বরকত দিন!

রেফারেন্স: বুখারীঃ ৩৭৮০, ৫১৬৭

ঋণ পরিশোধের সময় দোয়া

ঋণ পরিশোধের সময় দোয়া

ঋণ পরিশোধের সময় নবী (ﷺ) বলেন -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ، إِنَّمَا جَزَاءُ السَّلَفِ الْحَمْدُ وَالْأَدَاءُ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ফী আহলিকা ওয়া মা-লিকা, ইন্নামা- জাযা-উস সালাফিল-হামদু ওয়াল আদা-

আল্লাহ্‌ তোমার পরিবার ও সম্পদের মধ্যে বরকত দিন! ঋণের প্রতিদান হলো প্রশংসা ও ফেরত প্রদান।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ৪৬৮৩

ঋণ পরিশোধের সময় নবী (ﷺ) বলেন -

بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ، إِنَّمَا جَزَاءُ السَّلَفِ الْحَمْدُ وَالْأَدَاءُ

আল্লাহ্‌ তোমার পরিবার ও সম্পদের মধ্যে বরকত দিন! ঋণের প্রতিদান হলো প্রশংসা ও ফেরত প্রদান।

রেফারেন্স: সহীহ। আন-নাসায়ীঃ ৪৬৮৩

ঋণ পরিশোধ কারীর জন্য দোয়া

ঋণ পরিশোধ কারীর জন্য দোয়া

أَوْفَيْتَنِيْ أَوْفَى اللَّهُ بِكَ

আও ফাইতানি আওফা-ল্লাহু বিক

তুমি আমার ঋণ পুরোপুরি আদায় করেছ, আল্লাহ তা’আলা তোমাকে তার পূর্ণ প্রতিদান দান করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৩০৫

أَوْفَيْتَنِيْ أَوْفَى اللَّهُ بِكَ

তুমি আমার ঋণ পুরোপুরি আদায় করেছ, আল্লাহ তা’আলা তোমাকে তার পূর্ণ প্রতিদান দান করুন।

রেফারেন্স: বুখারীঃ ২৩০৫

ফন্ট সাইজ
15px
17px